সংস্কৃত প্রয়োগ অনুসারে বাংলা বর্ণমালায় ‘ঋ’ কোন বর্ণের মধ্যে রক্ষিত?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option C
⇒ সঠিক উত্তর: C) স্বরবর্ণ
• ‘ঋ’ বর্ণের বৈদিক ও সংস্কৃত রূপ: বৈদিক ও সংস্কৃত ব্যাকরণের ঐতিহ্যগত প্রয়োগ অনুসারে ‘ঋ’ বর্ণটিকে একটি স্বরধ্বনি বা স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয় । সংস্কৃতে এর উচ্চরণ ছিল বিশুদ্ধ স্বরধ্বনির মতো।
• বাংলা বর্ণমালায় অবস্থান: যদিও আধুনিক বাংলা উচ্চারণে ‘ঋ’-এর বিশুদ্ধ স্বরধ্বনিগত উচ্চারণ বজায় নেই এবং এটি ব্যঞ্জনধ্বনি ‘র্’ + স্বরধ্বনি ‘ই’ (রি)-এর মতো উচ্চারিত হয় (যেমন: ঋষি = রিশি), তবুও সংস্কৃত ভাষার ঐতিহাসিক প্রয়োগ ও লিখনরীতি অনুসরণ করে বাংলা বর্ণমালায় ‘ঋ’-কে স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে ।
• অন্যান্য বিকল্পের বিশ্লেষণ:
A) উষ্ম বর্ণ: বাতাস ধরে রেখে উচ্চারণ করা হয় এমন ব্যঞ্জনবর্ণগুলো (যেমন: শ, ষ, স, হ) হলো উষ্ম বর্ণ । ‘ঋ’ কোনো উষ্ম বর্ণ নয় ।
B) ব্যঞ্জনবর্ণ: যেসব বর্ণ স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া স্পষ্ট উচ্চারিত হতে পারে না সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ‘ঋ’ ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত নয় ।
D) ঘোষবর্ণ: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় সেগুলোকে ঘোষধ্বনি বা ঘোষবর্ণ বলা হয় । ‘ঋ’ মূলত একটি স্বরবর্ণ, যা প্রাথমিক বর্ণবিভাগে স্বরবর্ণের মধ্যেই রক্ষিত ।
• বাংলা বর্ণমালায় অবস্থান: যদিও আধুনিক বাংলা উচ্চারণে ‘ঋ’-এর বিশুদ্ধ স্বরধ্বনিগত উচ্চারণ বজায় নেই এবং এটি ব্যঞ্জনধ্বনি ‘র্’ + স্বরধ্বনি ‘ই’ (রি)-এর মতো উচ্চারিত হয় (যেমন: ঋষি = রিশি), তবুও সংস্কৃত ভাষার ঐতিহাসিক প্রয়োগ ও লিখনরীতি অনুসরণ করে বাংলা বর্ণমালায় ‘ঋ’-কে স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে ।
• অন্যান্য বিকল্পের বিশ্লেষণ:
A) উষ্ম বর্ণ: বাতাস ধরে রেখে উচ্চারণ করা হয় এমন ব্যঞ্জনবর্ণগুলো (যেমন: শ, ষ, স, হ) হলো উষ্ম বর্ণ । ‘ঋ’ কোনো উষ্ম বর্ণ নয় ।
B) ব্যঞ্জনবর্ণ: যেসব বর্ণ স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া স্পষ্ট উচ্চারিত হতে পারে না সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ‘ঋ’ ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত নয় ।
D) ঘোষবর্ণ: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় সেগুলোকে ঘোষধ্বনি বা ঘোষবর্ণ বলা হয় । ‘ঋ’ মূলত একটি স্বরবর্ণ, যা প্রাথমিক বর্ণবিভাগে স্বরবর্ণের মধ্যেই রক্ষিত ।