সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বচন

১৫০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে সমষ্টি বোঝাতে নির্দিষ্ট বহুবচনবোধক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
- 'পাল' শব্দটি প্রধানত পশুর সমষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (যেমন: গরুর পাল) ।
- মানুষের ক্ষেত্রে: গণ, বৃন্দ।
- পক্ষীকূলের ক্ষেত্রে: ঝাঁক।
- জড়বস্তুর ক্ষেত্রে: গুচ্ছ, রাশি।
তাই সঠিক উত্তর পশুর ক্ষেত্রে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে 'বচন' হলো একটি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ সংখ্যার ধারণা । বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা (এক বা একাধিক) বোঝাতে বচন ব্যবহৃত হয় । যেমন- 'বই' বললে একটি বই এবং 'বইগুলো' বললে একাধিক বই বোঝায় । তাই 'বচন' দিয়ে মূলত পদটির সংখ্যার ধারণা প্রকাশ পায় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বা বস্তুবাচক বিশেষ্য পদের বহুবচন গঠনে 'আদি' প্রত্যয় ব্যবহৃত হয় ।
- কাগজ + আদি = কাগজাদি ।
অপ্রাণিবাচক শব্দ হওয়ায় 'কাগজ'-এর সাথে 'আদি' যুক্ত হয়ে শুদ্ধ রূপ 'কাগজাদি' হয় । অন্যদিকে 'বর্গ' কেবল উন্নত প্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিশেষ্যের একবচন রূপ দিয়ে অনেক সময় বহুবচন বোঝানো হয় । 'মানুষ মরণশীল' ও 'বনে বাঘ বাস করে' বাক্য দুটিতে 'মানুষ' ও 'বাঘ' একবচনবাচক বিশেষ্য হলেও তা নির্দিষ্ট কোনো একটিকে না বুঝিয়ে সমগ্র জাতিকে বোঝাচ্ছে । তাই নিয়মটি হলো একবচনবাচক বিশেষ্যের সাধারণ ব্যবহারে বহুবচন প্রকাশ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'লোক' একবচনাত্মক বিশেষ্য পদ। এর পূর্বে 'অজস্র' শব্দটি বসে বহুবচন প্রকাশ করেছে । নিয়ম অনুযায়ী, একবচনাত্মক বিশেষ্যের পূর্বে অজস্র, অনেক, বহু ইত্যাদি বহুত্ববোধক শব্দ বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে বহুবচন বোঝায় । তাই এখানে 'অজস্র' হলো বহুত্ববোধক বিশেষণ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
এখানে করিম একবচন নামবাচক পদ হলেও 'করিমদের' বলতে তার পরিবারের সকলকে বোঝানো হয়েছে ।
- বিশেষ নিয়মে সাধিত বহুবচন: কোনো সাধারণ নিয়ম না মেনে বিশেষ ব্যাকরণিক প্রয়োগে যে বহুবচন গঠিত হয় ।
তাই 'করিমদের' বাক্যভেদে বিশেষ নিয়মে গঠিত বহুবচন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে 'রা' বা 'এরা' প্রত্যয় সাধারণত উন্নত প্রাণীবাচক শব্দে বসে । তবে কবিতায় বা সাহিত্যের বিশেষ প্রয়োজনে অপ্রাণিবাচক ও ইতর প্রাণীবাচক শব্দেও 'রা' বা 'এরা' যুক্ত হয় । তাই 'কাকেরা এক বিরাট সভা করল' বাক্যে 'কাক' ইতর প্রাণী হলেও সাহিত্যের প্রয়োজনে 'এরা' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'আমখানা' বাক্যে 'খানা' প্রত্যয়টি একটিমাত্র নির্দিষ্ট আমকে বোঝাচ্ছে ।
- বাংলা ব্যাকরণে একবচন নির্দেশ করতে বিশেষ্যের শেষে টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যুক্ত হয় ।
- তাই এটি একটি একবচনবাচক নির্দেশক ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বচন' একটি পারিভাষিক শব্দ, যার অর্থ সংখ্যার ধারণা । ব্যাকরণে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সংখ্যা বোঝাতে বচন ব্যবহৃত হয় ।
- একবচন: ১টি সংখ্যা বোঝায় (যেমন: বই) ।
- বহুবচন: একের বেশি সংখ্যা বোঝায় (যেমন: বইগুলো) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলায় অপ্রাণীবাচক বা বস্তুর বহুবচনে গুচ্ছ, দাম, নিচয়, পুঞ্জ, রাশি ইত্যাদি ব্যবহৃত হয় । যেমন: কবিতাগুচ্ছ, কুসুমনিচয়, মেঘপুঞ্জ, জলরাশি ।
অন্যান্য অপশন:
- গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ: মানুষের বহুবচনে বসে (যেমন: শিক্ষকবৃন্দ) ।
- পাল, যূথ: পশুপাখির ক্ষেত্রে বসে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে উন্নত প্রাণীবাচক বা মনুষ্য শব্দের বহুবচনে গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ ব্যবহৃত হয় (যেমন: দেবগণ, শিক্ষকবৃন্দ)।
অন্যান্য ক্ষেত্রে:
- কুল, সকল, দল: প্রাণী ও অপ্রাণীবাচক।
- গুচ্ছ, পুঞ্জ, রাজি: অপ্রাণীবাচক।
- পাল, যূথ: ইতর প্রাণী।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণে, অনেক সময় কোনো বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি বা পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে বহুবচন প্রকাশ করা হয়। এখানে 'হাঁড়ি হাঁড়ি' বলতে একটিমাত্র হাঁড়ি বোঝানো হচ্ছে না, বরং হাঁড়ির বিপুল সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝানো হচ্ছে।
- অর্থাৎ, অনেক হাঁড়িতে ভর্তি সন্দেশ রয়েছে।

এই নিয়মের কয়েকটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:
- বনে বনে ফুল ফুটেছে। (অর্থাৎ, অনেক বনে)
- ঘরে ঘরে অসুখ হচ্ছে। (অর্থাৎ, প্রত্যেক ঘরে বা অনেক ঘরে)

সুতরাং, 'হাড়ি হাড়ি সন্দেশ' বাক্যাংশটিতে দুটি বিশেষ্য পদকে পাশাপাশি ব্যবহার করে বহুবচন তৈরি করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- একের বেশি সংখ্যা বুঝাতে যেসব লগ্নক (রা,এরা,গুলো ,গুলি,দের ,রাজি ,মালা ,সমূহ ) বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয় ,সেগুলোকে বচন বলে।
- অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ/লগ্নক রাজি -বৃক্ষরাজি ,তারকারাজি ,প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ/লগ্নক ঃ সমূহ -বৃক্ষসমূহ ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণে, 'রাজি' একটি লগ্নক (প্রত্যয়) যা সাধারণত বিশেষ্য পদের শেষে যুক্ত হয়ে বহুবচন এবং সমষ্টি বা সারি বোঝায়। এটি মূলত অপ্রাণীবাচক বা উদ্ভিদবাচক বিশেষ্য শব্দের সাথে ব্যবহৃত হয়।

A) বৃক্ষ + রাজি = বৃক্ষরাজি: এটি একটি সঠিক এবং প্রচলিত শব্দ। 'বৃক্ষরাজি' বলতে গাছের সারি বা সমূহ বোঝায়।
B) মানুষ + রাজি: এটি ভুল। 'মানুষ' উন্নত প্রাণীবাচক শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে 'রা', 'এরা', 'গণ' ইত্যাদি ব্যবহৃত হয় (যেমন: মানুষেরা, মানুষগণ)।
C) নদী + রাজি: এটি ভুল। নদীর বহুবচনে 'সমূহ', 'গুলো' ইত্যাদি বসে (যেমন: নদীসমূহ, নদীগুলো)।
D) ফুল + রাজি: এটি অপ্রচলিত। ফুলের বহুবচনে 'সমূহ', 'গুলো', 'রাশি' (পুষ্পরাশি) ইত্যাদি বসে, কিন্তু 'ফুলরাজি' শব্দটি ব্যবহৃত হয় না। 'পুষ্প' শব্দের সাথে 'রাজি' যোগ করে 'পুষ্পরাজি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র 'বৃক্ষ' শব্দের সঙ্গেই 'রাজি' লগ্নকটি বসে একটি অর্থপূর্ণ বহুবচন শব্দ গঠন করে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কেবল বিশেষ্য ও সর্বনাম পদেরই বচনভেদ হয় ।
যেমনঃ
মেয়েটি (একবচন)- মেয়েরা (বহুবচন),
কলমটা (একবচন)- কলমগুলো (বহুবচন),
সে (একবচন)- তারা (বহুবচন) ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'মধুকর' একটি প্রাণিবাচক শব্দ, যার অর্থ মৌমাছি।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে আলাদা লগ্নক ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী 'ত্রাত' বা 'ব্রজ' সমষ্টিবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

• উদাহরণ: মধুকরত্রাত (মৌমাছির ঝাঁক)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- দাম: এটি কেবল অপ্রাণিবাচক বা জড় শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন: শৈবালদাম)।
- গণ: এটি উন্নত প্রাণিবাচক বা মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন: দেবগণ, নরগণ)।
- মধুকরব্রজ: এটিও একটি বহুবচন রূপ, তবে পরীক্ষক কর্তৃক 'ত্রাত' নির্দেশিত হলে তা বিশেষ সমষ্টি হিসেবে ধরা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
‘পুষ্প’ শব্দের বহুবচনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো-  

চয়: পুষ্পচয়, বুধচয়
রাজি: পুষ্পরাজি, বৃক্ষরাজি, গ্রন্থরাজি
গুচ্ছ: পুষ্পগুচ্ছ, কেশগুচ্ছ।

সুতরাং, সঠিক উত্তর সবগুলো হবে। 
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যুথ: এই শব্দটি মূলত পশু বা পাখির দলকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।  উদাহরণস্বরূপ, হস্তীযূথ (হাতির পাল), মেষযূথ (ভেড়ার পাল) ইত্যাদি।

রাশি ও পুঞ্জ: এই শব্দ দুটি সাধারণত অপ্রাণিবাচক বা বস্তুবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর অর্থ হলো স্তূপ, সমূহ বা গাদা। যেমন:
রাশি: বালিরাশি, ধান্যরাশি।
পুঞ্জ: মেঘপুঞ্জ, তারকা পুঞ্জ। 
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণে বহুবচন গঠনের জন্য প্রাণিবাচক এবং অপ্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন লগ্নক বা শব্দাংশ ব্যবহৃত হয়।
- পুঞ্জ কেবল অপ্রাণিবাচক বা জড় শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।

• উদাহরণ: মেঘপুঞ্জ, তারকাপুঞ্জ, দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- গণ: এটি উন্নত প্রাণিবাচক বা মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন: দেবগণ, শিক্ষকগণ)।
- যুথ: এটি সাধারণত প্রাণিবাচক (বিশেষত জন্তু) শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন: হস্তিযুথ)।
- পাল: এটিও প্রাণিবাচক (জন্তু/পশু) শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন: গরুর পাল, রাখালবালকের পাল)।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণিবাচক বা গুণবাচক শব্দের বহুবচনে 'গ্রাম' লগ্নকটি ব্যবহৃত হয়।

• উদাহরণ: গুণগ্রাম।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- বৃন্দ: উন্নত প্রাণীবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন: সুধীবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ)।
- কুল: প্রাণীবাচক ও অপ্রাণীবাচক উভয় শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে সাধারণত প্রাণীবাচক শব্দে বেশি দেখা যায় (যেমন: কবিকুল, বৃক্ষকুল)।
- বর্গ: উন্নত প্রাণীবাচক শব্দে (সমশ্রেণির মানুষের সমষ্টি) ব্যবহৃত হয় (যেমন: পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রিবর্গ)।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কমল শব্দের অর্থ পদ্মফুল, যা একটি অপ্রাণিবাচক শব্দ।
- বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে নিকর, মালা, রাজি, রাশি, গুচ্ছ ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। তাই কমলের বহুবচন হিসেবে নিকর যুক্ত হয়ে 'কমলনিকর' গঠিত হয়েছে।

• উদাহরণ: কমলনিকর (পদ্মসমূহ), তারকানিকর।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কবিকুল ও পাখিকুল: 'কবি' ও 'পাখি' উভয়ই প্রাণিবাচক শব্দ। 'কুল' লগ্নকটি প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়েছে।
- বুজুর্গান: 'বুজুর্গ' (মনুষ্য বা প্রাণিবাচক) শব্দের সাথে ফারসি বহুবচন প্রত্যয় 'আন' যুক্ত হয়ে 'বুজুর্গান' গঠিত হয়েছে, যা প্রাণিবাচক।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণে কিছু বহুজ্ঞাপক শব্দ কেবল প্রাণিবাচক শব্দের সাথে যুক্ত হয়। শ্রেণি তার মধ্যে অন্যতম যা প্রাণিবাচক শব্দের সমষ্টি নির্দেশ করে।

• উদাহরণ: ধনিকশ্রেণি, শ্রমিকশ্রেণি।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- মালা: এটি কেবল অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত হয় (যেমন: পর্বতমালা, বর্ণমালা)।
- আবলি: এটিও কেবল অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত হয় (যেমন: রচনাবলি, গ্রন্থাবলি)।
- সভা: এটি প্রাণিবাচক (উন্নত মনুষ্য) এবং অপ্রাণিবাচক বা ভাববাচক উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে (যেমন: জনসভা, মন্ত্রীসভা, সাহিত্যসভা)।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যুথ: এই শব্দটি মূলত পশু বা পাখির দলকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।  উদাহরণস্বরূপ, হস্তীযূথ (হাতির পাল), মেষযূথ (ভেড়ার পাল) ইত্যাদি।

রাশি ও পুঞ্জ: এই শব্দ দুটি সাধারণত অপ্রাণিবাচক বা বস্তুবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর অর্থ হলো স্তূপ, সমূহ বা গাদা। যেমন:
রাশি: বালিরাশি, ধান্যরাশি।
পুঞ্জ: মেঘপুঞ্জ, তারকা পুঞ্জ। 
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে 'মণ্ডলী', 'বর্গ', 'বৃন্দ', 'গণ' ইত্যাদি লগ্নক ব্যবহৃত হয়।
- সকল নির্বাচককে সমষ্টিগতভাবে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ভোটারগণ / ভোটারমন্ডলী: বিদেশি শব্দের শেষে সাধারণত বাংলা বহুবচন লগ্নক যুক্ত করা পরিহার করা উচিত, তাই ব্যাকরণসম্মত শুদ্ধ রূপ হলো 'নির্বাচকমণ্ডলী'।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত লগ্নকগুলো হলো: গণ, বৃন্দ, বর্গ ইত্যাদি।
- পণ্ডিত শব্দের সঠিক বহুবচন হলো পণ্ডিতবর্গ। তাই 'পন্ডিতবৃন্দ' গঠনটি বাংলা একাডেমি ও এনসিটিবি-এর ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- শিক্ষকবৃন্দ: 'শিক্ষক' শব্দের সাথে 'বৃন্দ' যুক্ত হয়ে সঠিক বহুবচন গঠিত হয়েছে।
- সুধিবৃন্দ: 'সুধী' শব্দের বহুবচনে 'বৃন্দ' যুক্ত হয় (সমন্বিত রূপ সুধীবৃন্দ)।
- মন্ত্রীবর্গ: 'মন্ত্রী' শব্দের বহুবচনে 'বর্গ' যুক্ত হয় (সমন্বিত রূপ মন্ত্রিবর্গ)।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ব্যক্তিনাম বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্যের সাধারণত বহুবচন হয় না। তবে বিশেষ নিয়মে ব্যক্তিনামের সাথে বহুবচন লগ্নক যুক্ত হয়ে ওই ব্যক্তি ও তার পরিবার বা দলকে বোঝায়, যা বিশেষ নিয়মে সাধিত বহুবচন।
• উদাহরণ
- এটাই করিমদের বাসা: এখানে 'করিমদের' বলতে করিম ও তার পরিবারের সদস্যদের একত্রে বোঝানো হয়েছে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সিংহ বনে থাকে: এটি জাতি বা শ্রেণিবাচক অর্থে একবচনের প্রয়োগ।
- বাগানে ফুল ফুটেছে: একবচন শব্দ বহুবচনের অর্থ প্রকাশ করছে, যা ভিন্ন নিয়মের উদাহরণ।
- মানুষ মরণশীল: এখানে 'মানুষ' সমগ্র জাতিকে বোঝাতে একবচনে ব্যবহৃত হয়েছে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য বা ব্যক্তিনামের সাথে বহুবচনবোধক প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ওই ব্যক্তি ও তার দল, অনুসারী বা সমমনাদের নির্দেশ করে। এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত বহুবচনের উদাহরণ।
• উদাহরণ
- নয়নদের পরীক্ষা শেষ: এখানে 'নয়নদের' বলতে নয়ন ও তার সহপাঠী বা বন্ধুদের একত্রে বোঝানো হয়েছে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- জঙ্গলে সাপ থাকে: জাতি বা শ্রেণিগত অর্থে একবচনের প্রয়োগ।
- পোকায় ধান খেয়েছে: একবচন বিশেষ্য বাক্যে বহুবচনের অর্থ প্রকাশ করছে।
- হাঁড়ি হাঁড়ি সন্দেশ: শব্দদ্বৈত বা পদের দ্বিরুক্তির মাধ্যমে বহুবচন সাধিত হয়েছে, যা সাধারণ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- একের বেশি সংখ্যা বোঝাতে যেসব লগ্নক (রা, এরা, গুলো, গুলি, দের, গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী ইত্যাদি) বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে বচন বলে।
- 'গণ' সাধারণত উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয় (যেমন: দেবগণ, জনগণ)।
- গণকবর শব্দটিতে 'গণ' শব্দটি অনেকের সমষ্টি বা বহুবচনের অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে (যে কবরে অনেক মানুষকে একসাথে সমাহিত করা হয়)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সাধারণ অর্থে, মানুষ অর্থে, বিশেষ অর্থে: শব্দটিতে 'গণ' কোনো বিশেষ বা কেবল মানুষ অর্থে নয়, বরং সরাসরি বহুবচন বা সমষ্টি বোঝাতেই লগ্নক হিসেবে যুক্ত হয়েছে।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বচন অর্থ সংখ্যার ধারণা। বাংলা ভাষায় বাক্যের অর্থ বা প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে অনেক সময় একবচনবাচক শব্দ বহুবচনের অর্থ প্রকাশ করে।
- ‘গাছে ফুল এসেছে’ বলতে একটি মাত্র ফুল নয়, বরং গাছে অনেক ফুলের সমষ্টি বা সমারোহ বোঝায়। তাই এটি বহুবচনবাচক বাক্য হিসেবে গণ্য হয়।

• উদাহরণ: বনে বাঘ আছে (অনেক বাঘ), পুকুরে পদ্ম ফুটেছে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সালমা বাড়িতে গেছে: 'সালমা' একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, তাই এটি একবচন।
- কলমটি আমার: 'টি' নির্দেশক যুক্ত হয়ে একটি নির্দিষ্ট কলমকে বুঝিয়েছে, তাই এটি একবচন।
- পুকুরে ডুব দিও না: এটি একটি সাধারণ অনুজ্ঞাসূচক বাক্য, এখানে বচনের কোনো সমষ্টিগত প্রয়োগ নেই।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।