উপসর্গ (355 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘অবকাশ’ শব্দটি ‘অব’ উপসর্গ এবং ‘কাশ’ (যার অর্থ দীপ্তি বা সুযোগ) মূল শব্দযোগে গঠিত হয়েছে।
- এখানে ‘অব’ উপসর্গটি ‘অল্পতা’ বা ‘ঈষৎ’ (সামান্য) অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে।
- সুতরাং, ‘অবকাশ’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো ‘অল্প সুযোগ’ বা ‘সামান্য বিরাম’
- এই শব্দটি একটি বৃহত্তর কাজের মধ্যে একটি ছোট বা সীমিত ফাঁক বোঝায়, যা 'অল্পতা' অর্থকেই নির্দেশ করে।
- যেমন ‘অবশেষ’ (অল্প যা বাকি আছে) শব্দটিতেও ‘অব’ উপসর্গটি অল্পতা বা হীনতা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘হেডমাস্টার’ শব্দে ব্যবহৃত ‘হেড’ উপসর্গটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত।
- যেসব উপসর্গ বিদেশী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়।
- এখানে ‘হেড’ উপসর্গটি ‘প্রধান’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- যেমন, হেড (প্রধান) + মাস্টার (শিক্ষক) = হেডমাস্টার (প্রধান শিক্ষক)।
- ইংরেজি ভাষা থেকে আসা আরও কিছু উপসর্গ হলো ‘সাব’ (সাব-ইন্সপেক্টর), ‘হাফ’ (হাফ-প্যান্ট), ‘ফুল’ (ফুল-শার্ট) ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'সু' উপসর্গটি তৎসম (সংস্কৃত) এবং খাঁটি বাংলা উভয় প্রকারেই পাওয়া যায়।
- কোন শব্দের সাথে যুক্ত হয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে উপসর্গের প্রকার নির্ধারণ করা হয়।
- যদি উপসর্গটি কোনো তৎসম শব্দের পূর্বে বসে, তবে সেটি তৎসম উপসর্গ হিসেবে গণ্য হয়।
- 'সুনাম' শব্দটি 'সু' উপসর্গ এবং 'নাম' মূল শব্দ নিয়ে গঠিত, অর্থাৎ 'সু' + 'নাম'
- এখানে 'নাম' শব্দটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ
- তাই, তৎসম শব্দ 'নাম'-এর সাথে যুক্ত হওয়ায় 'সু' এখানে একটি তৎসম উপসর্গ
- এই উপসর্গটি এখানে 'উত্তম', 'ভালো' বা 'সুন্দর' অর্থ প্রকাশ করছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘পরিচালক’ শব্দটি 'পরি' উপসর্গ, 'চাল্‌' ধাতু এবং ‘অক’ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- এখানে 'পরি' উপসর্গটি সম্যক রূপে বা সম্পূর্ণরূপে অর্থ প্রকাশ করছে।
- 'চালনা করা' ক্রিয়ার সাথে 'পরি' যুক্ত হয়ে সুষ্ঠুভাবে বা ভালোভাবে পরিচালনা করা বোঝায়।
- সুতরাং, পরিচালক হলেন তিনি যিনি কোনো কিছু সম্যক রূপে বা সম্পূর্ণরূপে পরিচালনা করেন
- 'পরি' উপসর্গের এই অর্থে গঠিত আরও কিছু শব্দ হলো পরীক্ষা, পরিপূর্ণ, পরিবর্তন ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দাংশ বা শব্দখণ্ড ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত এই উপসর্গগুলোকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়:
- খাঁটি বাংলা,
- সংস্কৃত বা তৎসম, এবং
- বিদেশি উপসর্গ

বাংলা ভাষায় নিজস্ব যে ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে, সেগুলো হলো: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, এবং হা। এর মধ্যে আ, সু, বি, এবং নি—এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।

অন্যদিকে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গের সংখ্যা ২০টি। এগুলো হলো: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, এবং আ।

এছাড়াও, দীর্ঘকাল ধরে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি ও উর্দুসহ বিভিন্ন বিদেশি ভাষার কিছু উপসর্গ বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এই বিদেশি উপসর্গগুলোর কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই, যেমন—আরবিতে আম, খাস, লা, গর; ফারসিতে কার, দর, না, নিম; ইংরেজিতে হেড, সাব, ফুল, হাফ; এবং উর্দুতে হর অন্যতম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংস্কৃত উপসর্গ ‘উৎ’ উপসর্গের ব্যবহার:
‘ঊর্ধ্বমুখিতা’ অর্থে = উদ্দাম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদ্‌গ্রীব, উত্তোলন।

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে।
সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, উপ, আ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
- এগুলো হলো: প্র, পরা, অপ, সপ, নঈ, অনু, অব, নঈর, দু, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, উপ, আ।

- উপ উপসর্গটির ব্যবহারঃ
- সামীপ্য অর্থে- উপকূল, উপকন্ঠ।
- সদৃশ অর্থে- উপদ্বীপ, উপবন।
- ক্ষুদ্র অর্থে- উপগ্রহ, উপনেতা,উপসাগর।
- বিশেষ অর্থে- উপনয়ন,উপভোগ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
- তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যেমন:
- প্র,পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উদ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।

'অপ' উপসর্গ বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়:
- বিপরীত অর্থে = অপমান, অপবাদ, অপকার।
- নিকৃষ্ট অর্থে = অপব্যয়, অপকর্ম, অপকীর্তি।
- স্থানান্তর অর্থে = অপহরণ, অপনোদন, অপসারণ।
- বিকৃত অর্থে = অপমৃত্যু।
যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
- তৎসম উপসর্গ ২০টি 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি। যথা—অ, অনা, অজ, অঘা, , আড়, আন, আর, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
- তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যেমন:
- প্র,পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উদ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ,

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
- এগুলো হলো: প্র, পরা, অপ, সপ, নঈ, অনু, অব, নঈর, দু, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, উপ, আ।

- উপ উপসর্গটির ব্যবহারঃ
- সামীপ্য অর্থে- উপকূল, উপকন্ঠ।
- সদৃশ অর্থে- উপদ্বীপ, উপবন।
- ক্ষুদ্র অর্থে- উপগ্রহ, উপনেতা,উপসাগর।
- বিশেষ অর্থে- উপনয়ন,উপভোগ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না, এগুলো অন্য শব্দের পূর্বে বসে।
- যেসব অব্যয় ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দের সৃষ্টি করে, তাদের উপসর্গ বলে।
- উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে এদের অর্থদ্যোতকতা বা নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা থাকে।
- উপসর্গের মাধ্যমে-
- নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয় (সম্+বাদ = সংবাদ);
- শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয় (পরি+পুষ্টি = পরিপুষ্টি);
- শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে (সম্‌+পূর্ণ = সম্পূর্ণ) 
- শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে (সু+নজর = সুনজর)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উপসর্গ শব্দের শুরুতে যোগ করা হয়, যা একটি শব্দের অর্থ পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়। - এটি কখনোই শব্দের শেষে যোগ করা হয় না। উদাহরণস্বরূপ, "অপমান" শব্দে "অপ-" একটি উপসর্গ, যা "মান" শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।
- প্রত্যয় শব্দের শেষে যোগ করা হয় এবং এটি নতুন শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "লেখা" + "ক" = "লেখক"।
- বিধান এবং পরিশিষ্ট শব্দের শেষে যোগ করার ধারণা নেই; এগুলো আলাদা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ ২১টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
- বাংলা উপসর্গ সাধারণত বাংলা শব্দের পূর্বেই বসে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম শব্দের পূর্বে যেসব উপসর্গ বসে তাদেরকে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ বলে।
- তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
- এগুলো হলো: প্র, পরা, অপ, সপ, নঈ, অনু, অব, নঈর, দু, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, উপ, আ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
"প্রতাপ" শব্দটি গঠিত হয়েছে:  প্র (উপসর্গ) + তাপ = প্রতাপ

এখানে:
- তাপ মানে গরম বা উত্তাপ।
- উপসর্গ "প্র" যুক্ত হওয়ার ফলে এর অর্থে শুধু উত্তাপ বোঝানো হয়নি, বরং তা সম্মান, প্রভাব, মর্যাদা, শক্তির প্রভাব ইত্যাদি অর্থে সম্প্রসারিত হয়েছে
- অর্থাৎ, "তাপ" এককভাবে এক ধরনের তেজ বা উত্তাপ বোঝালেও, "প্রতাপ" শব্দটি একটি বিস্তৃত, গৌরবময় ও ক্ষমতার অর্থে ব্যবহৃত হয়।  এটাই হল শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ।

অন্যদিকে,
B) নিমরাজি
- এখানে "নিম" উপসর্গ দ্বারা অর্থ সংকোচন ঘটেছে (আংশিক সম্মতি)।

C) উপকথা
-  এখানে "উপ" উপসর্গ ব্যবহারে অর্থ পরিবর্তন হয়েছে (সাধারণ কথা → গল্প বা রূপকথা)।

D) পরিপুষ্টি
- "পরি" উপসর্গ ব্যবহার করে অর্থের পূর্ণতা বোঝানো হয়েছে (সম্পূর্ণ পুষ্ট)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ ২১টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
- বাংলা উপসর্গ সাধারণত বাংলা শব্দের পূর্বেই বসে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম শব্দের পূর্বে যেসব উপসর্গ বসে তাদেরকে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ বলে।
- তৎসম উপসর্গ মোট ২০ টি।
- এগুলো হলো: প্র, পরা, অপ, সপ, নঈ, অনু, অব, নঈর, দু, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, উপ, আ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যেসব অব্যয় ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন নতুন অর্থের সৃষ্টি করে, তাদের উপসর্গ বলে।
- উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই,কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে এদের অর্থদ্যোতকতা বা নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা থাকে।
- উপসর্গের মাধ্যমে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠিত হয়। যেমনঃ প্র+ছায়া = প্রচ্ছায়া
- এখানে 'ছায়া' একটি শব্দ এবং এর সাথে 'প্র' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'প্রচ্ছায়া' গঠিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উপসর্গ হলো সেই শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- দ্রোহী একটি শব্দ যার অর্থ অনিষ্টাচারী।
- এর পূর্বে 'বি' উপসর্গ বসে গঠিত হয়েছে বিদ্রোহী শব্দটি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিদেশী উপসর্গ:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি- এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে।
- এর কতগুলো খাঁটি উচ্চারণে আবার কতগুলো বিকৃত উচ্চারণে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
- এদের সাথে কতগুলো বিদেশি উপসর্গ বাংলায় চালু রয়েছে।
- দীর্ঘ কাল ব্যবহারে এগুলো বাংলা ভাষায় বেমালুম মিশে গিয়েছে।
- বেমালুম শব্দটিতে 'মালুম' আরবি শব্দ আর 'বে' ফারসি উপসর্গ।
- এরূপ: বেহায়া, বেনজির, বেশরম, বেকার ইত্যাদি।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিদেশী উপসর্গ:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি- এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে।
- এর কতগুলো খাঁটি উচ্চারণে আবার কতগুলো বিকৃত উচ্চারণে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
- এদের সাথে কতগুলো বিদেশি উপসর্গ বাংলায় চালু রয়েছে।
- দীর্ঘ কাল ব্যবহারে এগুলো বাংলা ভাষায় বেমালুম মিশে গিয়েছে।
- বেমালুম শব্দটিতে 'মালুম' আরবি শব্দ আর 'বে' ফারসি উপসর্গ।
- এরূপ: বেহায়া, বেনজির, বেশরম, বেকার ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যেসব অব্যয় ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দের সৃষ্টি করে, তাদের উপসর্গ বলে।

- বাংলা ভাষায় তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ ২০টি।
- যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অণু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যেসব অব্যয় ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দের সৃষ্টি করে, তাদের উপসর্গ বলে।

- বাংলা ভাষায় তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ ২০টি।
- যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অণু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'অপরিণামদর্শী' শব্দের উপসর্গ বিশ্লেষণ:
অপরিণামদর্শী = অ + পরি।
এখানে,
অ, পরি- ২টি উপসর্গ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ইংরেজি উপসর্গগুলো হলো-
ফুল (ফুল-হাতা),(ফুল-বাবু), (ফুল-প্যান্ট) 
হাফ (হাফ-টিকেট),
হেড (হেড-অফিস),
সাব (সাব-জজ)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- ফারসি 'বে' উপসর্গটির এখানে অতিরিক্ত অর্থে ব্যবহৃত শব্দ- বে+হিসাবি = বেহিসাবি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফারসি উপসর্গ- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর ইত্যাদি।
আরবি উপসর্গ- আম, খাস, লা, গর্‌, বাজে, খয়ের।
ইংরেজি উপসর্গ- ফুল, হাফ, হেড, সাব।
হিন্দি/ উর্দু উপসর্গ- হর, হরেক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাক্যটিতে ২টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'অঘা' ও 'অজ' ব্যবহৃত হয়েছে। 
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ ২১টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা উপসর্গ মোট ২১ টি।
- তন্মধ্যে "অ" উপসর্গটি একটি।
- " অ" উপসর্গটি নিন্দিত, অভাব, ক্রমাগত ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন:যেমন:
- নিন্দিত অর্থে - অকেজো, অচেনা।
- অভাব অর্থে - অচিন, অজানা, অপিচ।
- ক্রমাগত অর্থে - অঝোর, অঝোরে।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় আগত আরবি উপসর্গ: আম, খাস, গর, লা।
- আরবি ‘লা’ উপসর্গযোগে ‘না’ অর্থে লাপাত্তা, লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ প্রভৃতি শব্দ গঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0