সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ভাষার প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ

৩১৪ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দরিদ্র' বিশেষণ পদের সাথে -য প্রত্যয় যোগে 'দারিদ্র্য' এবং -তা প্রত্যয় যোগে 'দরিদ্রতা' গঠিত হয়। কিন্তু একই সাথে দুটি প্রত্যয় যুক্ত করে 'দারিদ্রতা' গঠন করা ভুল। তাই এটি একটি প্রত্যয়জনিত ভুল।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'সকল' ও 'গণ' দুটি শব্দই বহুবচন নির্দেশ করে । একই বাক্যে দুটি বহুবচনবাচক শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহার করলে বাহুল্যাধিক্য বা বচনঘটিত অশুদ্ধি ঘটে ।
সঠিক বাক্য:
- সকল শিক্ষক আজ উপস্থিত।
অথবা,
- শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'সুজন' শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যোগে সৌজন্য ও 'তা' প্রত্যয় যোগে সুজনতা গঠিত হয় । কিন্তু 'সৌজন্য' শব্দের সাথে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করলে প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ ঘটে । তাই সঠিক রূপ হলো সৌজন্য (বা সুজনতা) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাক্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ ঘটে, যা বাক্যের শুদ্ধতা নষ্ট করে।
- বাংলা ব্যাকরণ (NCTB এবং বাংলা একাডেমি) অনুসারে, বহুবচনবাচক শব্দের সাথে আবার বহুবচনবাচক শব্দ বা নির্দেশক যোগ করা ভুল। প্রদত্ত বাক্যে 'আলেমগণ' বহুবচনবাচক শব্দ, এর সঙ্গে 'সকল' শব্দটি অতিরিক্ত ব্যবহার করায় বাহুল্য দোষ সৃষ্টি হয়েছে। শুদ্ধ রূপ হবে 'আলেমগণ আমাদের সমর্থন দেন' অথবা 'সকল আলেম আমাদের সমর্থন দেন'।

• উদাহরণ: 'সব ছাত্ররা উপস্থিত' (অশুদ্ধ) -> 'সব ছাত্র উপস্থিত' বা 'ছাত্ররা উপস্থিত' (শুদ্ধ)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সব আলেমগণ আমাদের সমর্থন দেন: 'সব' এবং 'গণ' দুটিই বহুবচন জ্ঞাপক, তাই এখানে বাহুল্য দোষ ঘটেছে।
- সকল আলেমবৃন্দ আমাদের সমর্থন দেন: 'সকল' এবং 'বৃন্দ' একসাথে ব্যবহৃত হওয়ায় এটিও বাহুল্য দোষে দুষ্ট।
- সমগ্র আলেমগণ আমাদের সমর্থন দেন: 'সমগ্র' এবং 'গণ' এর একত্রে ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ এবং বাহুল্য দোষযুক্ত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অপরাধ' ও 'অহঙ্কার' শব্দের পূর্বে 'নির্' উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'নিরপরাধ' ও 'নিরহঙ্কার' বিশেষণ পদ গঠিত হয় । তাই এগুলোর সাথে পুনরায় 'ঈ' প্রত্যয় যুক্ত করে 'নিরপরাধী' বা 'নিরহঙ্কারী' লেখা অশুদ্ধ ।
- শুদ্ধ রূপ: লোকটি নিরপরাধ কিন্তু নিরহঙ্কার নয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অশ্রু' শব্দের অর্থ হলো চোখের জল। 'অশ্রু' শব্দের মধ্যে 'জল' কথাটি লুকিয়ে থাকায় এর সাথে পুনরায় 'জল' যোগ করে 'অশ্রুজল' লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল । এটি সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ । বাক্যটিতে সঠিক শব্দ হবে 'অশ্রু' ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রশ্নের উত্তর যদি কেবল 'হ্যাঁ' বা 'না' দিয়ে দেওয়া যায়, তবে হ্রস্ব ই-কারযুক্ত 'কি' বসে ।
যেমন: তুমি 'কি' যাবে? (উত্তর: হ্যাঁ/না) ।
তবে উত্তর বিস্তারিত হলে দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত 'কী' বসে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'ও' অব্যয়ের ব্যবহার: দুটি পদের সংযোজক হিসেবে 'এবং'-এর চেয়ে 'ও' অধিক প্রমিত।
- 'একসঙ্গে' শব্দের প্রয়োগ: 'একসাথে' বলতে এক স্থানে থাকাকে বোঝায়। কিন্তু একই সময়ে বা যুগপৎ ঘটাকে বোঝাতে 'একসঙ্গে' ব্যবহৃত হয়। বিপদ ও দুঃখ একই সময়ে ঘটে বলে 'একসঙ্গে' শুদ্ধ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দরিদ্র' শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দারিদ্র্য' হয় । আবার 'তা' প্রত্যয় যোগে 'দরিদ্রতা' হয় । একই সাথে দুটি প্রত্যয় ব্যবহার করে 'দারিদ্রতা' গঠন করা প্রত্যয়জনিত অশুদ্ধি ।
- সঠিক বাক্য: 'দারিদ্র্য আমাদের প্রধান শত্রু' ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'অশ্রু' শব্দের অর্থ হলো 'চোখের জল'। তাই 'অশ্রু' শব্দের সাথে পুনরায় 'জল' যোগ করে 'অশ্রুজল' লিখলে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারের ফলে বাহুল্য দোষ ঘটে।
সঠিক রূপ: 'অশ্রু' বা 'চোখের জল'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অপমান' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। বাক্যে কোনো ব্যক্তির অবস্থা বোঝাতে বিশেষণ পদ প্রয়োজন।
- 'অপমান' (বিশেষ্য)-এর বিশেষণ রূপ হলো অপমানিত।
- তাই 'তিনি' পদের পর বিশেষণ হিসেবে 'অপমানিত' বসবে।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যটিতে 'স্বস্ত্রীক' শব্দটি অশুদ্ধ।
- 'স্ত্রীর সহিত বর্তমান' অর্থে সহার্থক বহুব্রীহি সমাসে 'সহ' বোঝাতে 'স' যুক্ত হয়ে 'সস্ত্রীক' হয় ।
- ব-ফলা যুক্ত 'স্ব' অর্থ 'নিজ'। তাই 'স্বস্ত্রীক' শব্দটি ভুল ।
সঠিক বাক্য: তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যে পদগুলো সঠিকভাবে পরপর সাজানোকে পদসংস্থান বা আসত্তি বলে । মূল বাক্যে পদগুলোর স্থান এলোমেলো থাকায় পদসংস্থানগত ত্রুটি ঘটেছে ।
- সঠিক ক্রম: কাল + আমাদের স্কুলে + পুরস্কার বিতরণী উৎসব + অনুষ্ঠিত হবে।
তাই সঠিক উত্তর: অপশন ২ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'দৈন্যতা' শব্দটি প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগের কারণে অশুদ্ধ।
- 'দীন' শব্দের সাথে 'য' (ষ্ণ্য) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দৈন্য' (দীন+য) গঠিত হয়, যা একটি বিশেষ্য পদ।
- আবার 'দীন' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দীনতা' গঠিত হয়, এটিও বিশেষ্য পদ।
- একই শব্দে দু'বার বিশেষ্য করার প্রত্যয় (য এবং তা) যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয় (এরকম ভুলকে বাহুল্য দোষ বলে)। তাই শুদ্ধ রূপ হবে 'দৈন্য' অথবা 'দীনতা'।

• উদাহরণ: মহত্ত্ব (মহৎ+ত্ব), দারিদ্র্য (দরিদ্র+য) বা দরিদ্রতা।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অপশন 2: এটি সন্ধিজনিত অপপ্রয়োগ নয়, কারণ সন্ধির নিয়মে এই ভুলটি হয়নি।
- অপশন 3: এটি সমাসজনিত অপপ্রয়োগ নয়, কারণ এখানে সমাসবদ্ধ পদের কোনো ভুল নেই।
- অপশন 4: এটি উপসর্গজনিত অপপ্রয়োগ নয়, কারণ এখানে 'তা' একটি প্রত্যয়, উপসর্গ নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'সপরিবার' শব্দটি বহুব্রীহি সমাসজাত (পরিবারের সহিত বর্তমান = সপরিবার)।
- এখানে 'স' উপসর্গটি 'সহ' বা 'সাথে' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- তাই 'সপরিবারে' মানে হলো পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে বা পরিবারসহ।
- অন্যদিকে 'স্ব' অর্থ নিজ (যেমন- স্বরচিত, স্বজাতি)। তাই 'স্বপরিবারে' লিখলে 'নিজ পরিবারে' অর্থ হয়ে যায়, যা বাক্যের উদ্দিষ্ট অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অপশন 1: 'আমন্ত্রিত' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ, 'নিমন্ত্রিত' উভয়ই সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- অপশন 3: 'আপনি' একবচনে ব্যবহৃত হয় যা বাক্যে ভুল নয়, 'আপনারা' করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই।
- অপশন 4: 'পরিবারসহকারে' প্রয়োগটি অপ্রচলিত ও শ্রুতিকটু, এর চেয়ে 'সপরিবারে' অধিকতর প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত শুদ্ধ রূপ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'স্ত্রীসহ' অর্থে বহুব্রীহি সমাসে 'স' বসে, তাই সঠিক শব্দ সস্ত্রীক।
অশুদ্ধতার কারণ:
- স্বস্ত্রীক: 'স্ব' অর্থ নিজ, যা এখানে ভুল।
- সস্ত্রীকসহ: 'সস্ত্রীক' অর্থই 'স্ত্রীসহ', তাই 'সহ' যোগ করা বাহুল্য দোষ।
সঠিক বাক্য: তিনি সস্ত্রীক স্টেশনে গিয়েছেন।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'স্ত্রীর সহিত' ব্যাসবাক্য দিয়ে গঠিত সমাসটি হলো সহার্থক বহুব্রীহি সমাস ।
- 'সহ' বা 'সহিত' অর্থে পূর্বপদে 'স' যুক্ত হয় । এখানে 'স্ব' (নিজ) হবে না।
- বহুব্রীহি সমাসে পরপদে 'স্ত্রী' থাকলে শেষে 'ক' যুক্ত হয় ।
তাই সঠিক প্রমিত রূপ হলো সস্ত্রীক ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যটিতে বচনঘটিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
একই বাক্যে একাধিক বহুবচনবোধক শব্দ ব্যবহার করলে বহুবচনের আধিক্য দোষ হয়। এখানে 'সকল' ও 'বৃন্দ' দুটিই বহুবচনসূচক শব্দ।
- শুদ্ধ রূপ: 'সকল সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন' বা 'সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'দীন' বিশেষণের সাথে '-তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দীনতা অথবা 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৈন্য গঠিত হয় ।
- 'দীন' শব্দের সাথে একই সাথে 'য' ও 'তা' দুটি প্রত্যয় যোগ করলে 'দৈন্যতা' অশুদ্ধ রূপ হয় ।
- তাই সঠিক রূপ হলো দীনতা বা দৈন্য ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- কেবলমাত্র: 'কেবল' ও 'মাত্র' দুটি শব্দের অর্থই একই, তাই একসাথে লিখলে বাহুল্য দোষ হয় । সঠিক রূপ কেবল বা মাত্র ।
- উপরোক্ত: 'উপরি' + 'উক্ত' সন্ধির নিয়মে সঠিক রূপ হলো উপর্যুক্ত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)

বাংলা ভাষায় যখন তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) এবং দেশীয় শব্দের ভুল মিশ্রণ ঘটে, তখন যে ব্যাকরণগত ত্রুটি দেখা যায়, তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। এই দোষের কারণে বাক্যের সৌন্দর্য এবং অর্থগত মান নষ্ট হয়।

উদাহরণস্বরূপ, 'গরুর গাড়ি' একটি শুদ্ধ প্রয়োগ, কারণ এখানে 'গরু' (দেশীয় শব্দ) এবং 'গাড়ি' (দেশীয় শব্দ) একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে। একইভাবে, 'শকট' (তৎসম শব্দ) ব্যবহারের ক্ষেত্রে বলা উচিত 'গো-শকট'। কিন্তু যদি বলা হয় 'গরুর শকট', তবে এটি গুরুচণ্ডালী দোষের উদাহরণ। একই ভাবে, 'মড়াদাহ' শব্দটিও ভুল, কারণ 'মড়া' দেশীয় এবং 'দাহ' তৎসম শব্দ। এর শুদ্ধ রূপ হবে 'শবদাহ' (তৎসম) অথবা 'মড়াপোড়া' (দেশীয়)।

গুরুচণ্ডালী দোষের কারণে বাক্য তার স্বাভাবিকতা হারায়। যেমন, 'এ কাজে তাহার হাত পাকা' বাক্যটিতে গুরুচণ্ডালী দোষ রয়েছে। এর শুদ্ধ রূপ হতে পারে 'এই কার্যে তাহার হস্ত পাকা' (তৎসম শব্দের প্রয়োগ) অথবা 'এ কাজে তার হাত পাকা' (দেশীয় শব্দের প্রয়োগ)।

ব্যাখ্যা (Explanation)
A) আমি অপমান হয়েছি।
শুদ্ধ রূপ: আমি অপমানিত হয়েছি।
কারণ: 'অপমান' বিশেষ্য পদ, কিন্তু এখানে বিশেষণ পদের প্রয়োজন। তাই 'অপমানিত' হবে।

C) তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।
শুদ্ধ রূপ: তিনি সস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।
কারণ: 'সস্ত্রীক' শব্দের অর্থ 'স্ত্রীসহ'। এখানে 'স্বস্ত্রীক' বানানটি ভুল।

D) দৈন্যতা প্রশংসার যোগ্য নয়।
শুদ্ধ রূপ: দৈন্য প্রশংসার যোগ্য নয়। (অথবা, দীনতা প্রশংসার যোগ্য নয়।)
কারণ: 'দৈন্য' এবং 'দীনতা' উভয় শব্দের অর্থই দারিদ্র্য বা হীনাবস্থা। 'দৈন্য' শব্দের সাথে আবার 'তা' প্রত্যয় যোগ করলে বাহুল্য দোষ ঘটে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'আরোগ্য' একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ রোগমুক্তি বা স্বাস্থ্য। বাক্যটিতে ক্রিয়াপদের সাথে ব্যবহারের জন্য একটি বিশেষণ পদের প্রয়োজন।

শুদ্ধ বাক্যটি হবে:
তিনি আরোগ্য লাভ করেছেন। (এখানে 'আরোগ্য' বিশেষ্য হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু ক্রিয়াপদ 'লাভ করেছেন' যুক্ত হওয়ায় বাক্যটি শুদ্ধ হয়েছে।)
অথবা, তিনি সুস্থ হয়েছেন। (এখানে 'সুস্থ' বিশেষণ পদ।)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
'গম্ভীর' একটি বিশেষণ পদ। এর থেকে বিশেষ্য পদ গঠন করার জন্য দুটি প্রত্যয় ব্যবহার করা যায়: '-য' অথবা '-তা'।

গম্ভীর + য = গাম্ভীর্য (শুদ্ধ)
গম্ভীর + তা = গম্ভীরতা (শুদ্ধ)

'গাম্ভীর্যতা' শব্দটিতে 'গাম্ভীর্য' (যা ইতোমধ্যে একটি বিশেষ্য) শব্দের সাথে আবার '-তা' প্রত্যয় যোগ করা হয়েছে। একই অর্থে দুটি প্রত্যয় ব্যবহার করা বাহুল্য এবং ভুল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুদ্ধ বাক্য হলো: আমি সন্তুষ্ট হলাম।

অন্যান্য অপশনের বাক্যগুলো অশুদ্ধ। এগুলোর অশুদ্ধি ও শুদ্ধ রূপ নিচে দেওয়া হলো:
- সে সঙ্কট অবস্থায় পড়েছে: ‘সঙ্কট’ বিশেষ্য পদ, এর সাথে অবস্থা যুক্ত হলে শুদ্ধ রূপ হবে ‘সংকটাপন্ন অবস্থা’। শুদ্ধ বাক্য: সে সংকটাপন্ন অবস্থায় পড়েছে।
- দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়: ‘দৈন্যতা’ শব্দটি প্রত্যয়জনিত বাহুল্য দোষে অশুদ্ধ। সঠিক হবে ‘দীনতা’ বা ‘দৈন্য’। শুদ্ধ বাক্য: দীনতা/দৈন্য প্রশংসনীয় নয়।
- নিরোগ লোক আসলে সুখী: ‘নিরোগ’ বানানটি ভুল, সন্ধির নিয়মে সঠিক বানান ‘নীরোগ’ (দীর্ঘ ঈ-কার)। শুদ্ধ বাক্য: নীরোগ লোক আসলে সুখী।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায় ।
- যেমন গরুর গাড়ি, শব্দাহ, মড়াপোড়া প্রকৃতির স্থলে যথাক্রমে গরুর শকট, মড়াদাহ প্রভৃতি প্রয়োগ গুরুচন্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। গুরুচণ্ডালী দোষ মুক্ত শব্দ শবদাহ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• অলংকার আবেগ:
- অলংকার আবেগে এ ধরনের শব্দ বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে কোমলতা, মাধুর্যতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
- এবং সংশয়, অনুরোধ, মিনতি ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশের জন্য অলংকার আবেগ ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- যাকগে, ওসব কথা থাক।
- দুর ! এ কথা কি বলতে আছে?
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাকী বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ ঃ
অশুদ্ধ বাক্য:  আমি কারও সাতেও নেই, সতেরােতেও নেই।
শুদ্ধ বাক্য: আমি কারও সাতেও নেই, পাঁচেও নেই।

অশুদ্ধ বাক্য: আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।

অশুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম ।
শুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রদত্ত বাক্যে বাহুল্য দোষ বা প্রত্যয়-ঘটিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
- 'যাবতীয়' শব্দটি দ্বারা সবকিছু বা সকল কিছু বোঝায়, যা নিজেই বহুবচনবাচক।
- অন্যদিকে, 'বিষয়' শব্দের সাথে বহুবচনবোধক 'আদি' প্রত্যয় যুক্ত করে 'বিষয়াদি' করা হয়েছে।
- একই বাক্যে পাশাপাশি দুটি বহুবচনবাচক শব্দ (যাবতীয় এবং বিষয়াদি) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
- শুদ্ধ রূপটি হবে: যাবতীয় বিষয় মন্ত্রিমহোদয় দেখভাল করেন অথবা বিষয়াদি মন্ত্রিমহোদয় দেখভাল করেন।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'দরিদ্র' একটি বিশেষণ পদ।
- 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে /-য/প্রত্যয় যোগ করলে গঠিত হয় (দরিদ্র + য) দারিদ্র্য।
- 'দারিদ্র্য' একটি বিশেষ্য পদ। এবার 'দারিদ্র্য'র সাথে যদি /-তা/ যোগ করা হয়, তাহলে গঠিত হয় (দারিদ্র্য+তা) দারিদ্র্যতা।
- 'দারিদ্র্যতা' গঠনে একই সঙ্গে /-য/ এবং /-তা/প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে এটি অশুদ্ধ শব্দ।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।