‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ প্রবচনটি বোঝায়?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option C
'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' একটি বাংলা প্রবাদ। এই প্রবাদটি সাধারণত এমন বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যারা তাদের বয়সের সাথে মানানসই নয় এমন আচরণ করেন। আক্ষরিক অর্থে, শালিক পাখির ঘাড়ে রোঁ গজানো বা নতুন পালক ওঠা যেমন অস্বাভাবিক, তেমনি বুড়ো বয়সে ছোকরাদের মতো আচরণ করাও হাস্যকর। মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত প্রহসন 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ'-এর বিষয়বস্তুও ছিল একজন বৃদ্ধ জমিদারের লাম্পট্য বা অনৈতিক শখ। তাই এর সঠিক অর্থ হলো 'বুড়োর ভীমরতি' বা বয়স্ক মানুষের তরুণসুলভ আচরণ।
- বাংলা ভাষায় বহুদিনের অভিজ্ঞতায় লোকমুখে প্রচলিত এবং অর্থপূর্ণ উক্তি বা ছড়াকে প্রবাদ-প্রবচন বলা হয়।
- প্রবাদ-প্রবচনের মূল শক্তি হলো এর অন্তর্নিহিত ভাব বা রূপক অর্থ, আক্ষরিক অর্থ নয়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' নামক প্রহসনটি রচনা করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গাত্মক নাটক।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কষ্টের উপর আরো কষ্ট: এর সমার্থক প্রবাদ হলো 'মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা'।
- দুরারোগ্য ব্যাধি: এটি এই প্রবাদের রূপক অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- বুড়োর যৌবনপ্রাপ্তি: বয়স্ক মানুষের প্রকৃত যৌবনপ্রাপ্তি ঘটে না, বরং যৌবনের মতো সাজগোজ বা আচরণকে ভীমরতি বলা হয়।
- বাংলা ভাষায় বহুদিনের অভিজ্ঞতায় লোকমুখে প্রচলিত এবং অর্থপূর্ণ উক্তি বা ছড়াকে প্রবাদ-প্রবচন বলা হয়।
- প্রবাদ-প্রবচনের মূল শক্তি হলো এর অন্তর্নিহিত ভাব বা রূপক অর্থ, আক্ষরিক অর্থ নয়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' নামক প্রহসনটি রচনা করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গাত্মক নাটক।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কষ্টের উপর আরো কষ্ট: এর সমার্থক প্রবাদ হলো 'মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা'।
- দুরারোগ্য ব্যাধি: এটি এই প্রবাদের রূপক অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- বুড়োর যৌবনপ্রাপ্তি: বয়স্ক মানুষের প্রকৃত যৌবনপ্রাপ্তি ঘটে না, বরং যৌবনের মতো সাজগোজ বা আচরণকে ভীমরতি বলা হয়।