'জাল দ্বারা মাছ ধরা হয় ।' বাক্যটিতে 'দ্বারা' কী?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option A
• বাংলা ব্যাকরণে যেসব অব্যয় শব্দ স্বাধীনভাবে বাক্যের বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির ন্যায় কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলা হয়।
• বাক্যে 'দ্বারা'-এর প্রয়োগ: ‘জাল দ্বারা মাছ ধরা হয়’ বাক্যে ‘দ্বারা’ শব্দটি ‘জাল’ (বিশেষ্য) পদের পরে আলাদা একটি শব্দ হিসেবে বসে করণ কারকের অর্থ (মাছ ধরার উপায় বা মাধ্যম) প্রকাশ করছে । তাই এখানে ‘দ্বারা’ একটি অনুসর্গ । *(কিছু অন্যান্য প্রচলিত অনুসর্গ: দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, হতে, থেকে, চেয়ে, জন্য ইত্যাদি ।)*
অন্যান্য বিকল্পগুলো:
B) উপসর্গ: যেসকল অব্যয়সূচক শব্দাংশ মূল শব্দের পূর্বে (আগে) যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন বা নতুন শব্দ গঠন করে (যেমন: প্র, পরা, অ, অঘা ইত্যাদি)।
C) বিভক্তি: বাক্যে ব্যবহারের জন্য শব্দের শেষে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি সরাসরি যুক্ত হয় (যেমন: -এ, -তে, -র, -কে ইত্যাদি)।
D) তদ্ধিত প্রত্যয়: নাম-শব্দ বা প্রাতিপদিকের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনকারী প্রত্যয় (যেমন: হাত + আ = হাতা)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
• বাক্যে 'দ্বারা'-এর প্রয়োগ: ‘জাল দ্বারা মাছ ধরা হয়’ বাক্যে ‘দ্বারা’ শব্দটি ‘জাল’ (বিশেষ্য) পদের পরে আলাদা একটি শব্দ হিসেবে বসে করণ কারকের অর্থ (মাছ ধরার উপায় বা মাধ্যম) প্রকাশ করছে । তাই এখানে ‘দ্বারা’ একটি অনুসর্গ । *(কিছু অন্যান্য প্রচলিত অনুসর্গ: দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, হতে, থেকে, চেয়ে, জন্য ইত্যাদি ।)*
অন্যান্য বিকল্পগুলো:
B) উপসর্গ: যেসকল অব্যয়সূচক শব্দাংশ মূল শব্দের পূর্বে (আগে) যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন বা নতুন শব্দ গঠন করে (যেমন: প্র, পরা, অ, অঘা ইত্যাদি)।
C) বিভক্তি: বাক্যে ব্যবহারের জন্য শব্দের শেষে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি সরাসরি যুক্ত হয় (যেমন: -এ, -তে, -র, -কে ইত্যাদি)।
D) তদ্ধিত প্রত্যয়: নাম-শব্দ বা প্রাতিপদিকের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনকারী প্রত্যয় (যেমন: হাত + আ = হাতা)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ