Correct Answer: Option C
⇒ সঠিক উত্তর: D) ৬
• উপভাষার সংজ্ঞা: কোনো একটি মূল ভাষার অন্তর্গত অঞ্চলভেদে যে কথ্য রূপের বৈচিত্র্য দেখা যায়, তাকে উপভাষা বা আঞ্চলিক কথ্য রীতি বলা হয়। বাংলা ভাষার উপভাষাগুলোকে অঞ্চলভেদে প্রধানত ছয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ১. রাঢ়ি উপভাষা: এই উপভাষাটি মূলত পশ্চিমবঙ্গ অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়।
• ২. ঝাড়খন্ডি উপভাষা: এটি পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল এবং ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চলে প্রচলিত।
• ৩. বরেন্দ্রি উপভাষা: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের (যেমন: রাজশাহী, পাবনা ইত্যাদি) মানুষ এই উপভাষায় কথা বলে।
• ৪. বঙ্গালি উপভাষা: বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের কথ্য ভাষা এই উপভাষার অন্তর্গত।
• ৫. কামরুপি উপভাষা: বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলে এই উপভাষাটি প্রচলিত।
• ৬. পূর্বী উপভাষা: বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল (যেমন: সিলেট, নোয়াখালী), ত্রিপুরা এবং ভারতের আসামের বরাক অঞ্চলে এই উপভাষাটি ব্যবহৃত হয়।
- ঐতিহ্যগতভাবে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা উপভাষাকে প্রধানত ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
উৎসঃ অগ্রদূত বাংলা বই।
Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions