- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন। - তাঁর আগে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার এবং রাজা রামমোহন রায়ের বাংলা গদ্য রচনার প্রয়াস থাকলেও, তা ছিল কিছুটা জড়তাপূর্ণ ও অপূর্ণ। - বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, সঠিক পদবিভাগ ও যতি চিহ্নের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষাকে সুবোধ্য ও শিল্পগুণান্বিত করে তুলেছিলেন। - তিনি বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস প্রথম উপলব্ধি করেন এবং গদ্যে ‘উচ্চবচ ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দস্রোত’ সৃষ্টি করেন। - যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্যগুণ সম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই তাঁকে ‘বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী’ বা 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে শ্রদ্ধাভরে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম যথার্থ শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন। - প্রসঙ্গত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা – ১১৩
কোর্স নামঃ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন - লেকচারশীট ভিত্তিক।
কোর্স নামঃ
সাধারণ জ্ঞান ৭০ মার্ক বেসিক ভিউ বই থেকে
টপিকসঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: basic Terms of Trade, বাংলাদেশের অর্থনীতির সাথে জড়িত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আমদানি-রপ্তানি, BEZA, বিনিয়োগ তথ্য (পেইজ: ৭৯০-৮০২)