Solution
Correct Answer: Option C
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১):
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী' এবং 'বাংলা গদ্যের জনক' হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাংলা সাহিত্যে সাধু রীতির সুশৃঙ্খল ও মার্জিত রূপদানের জন্য তিনি বাংলা সাধুভাষার জনক হিসেবে স্বীকৃত। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের হাতে যে বাংলা গদ্যের সূচনা হয়েছিল, বিদ্যাসাগর তাকে সংস্কার করে সাহিত্যিক মর্যাদা দান করেন। তিনি ইংরেজি যতিচিহ্নের সুষ্ঠু ব্যবহার বাংলায় প্রবর্তন করেন।
* বাংলা গদ্যে যতি বা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে 'বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার' বা 'শিল্পী' বলেছেন।
* মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাকে 'Dayasagar' (দয়ার সাগর) উপাধি দেন।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থাবলী:
• অনুবাদ গ্রন্থঃ
- বেতাল পঞ্চবিংশতি (প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ - ১৮৪৭),
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- মহাভারত (উপক্রমণিকা ভাগ),
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের 'কমেডি অফ এররস' অবলম্বনে)।
• মৌলিক গ্রন্থঃ
- প্রভাবতী সম্ভাষণ (বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক শোকাবহ গ্রন্থ),
- সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব,
- বিধবা বিবাহ চলিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব,
- বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার।
• শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- বর্ণপরিচয় (১ম ও ২য় ভাগ),
- বোধোদয়,
- কথামালা,
- আখ্যানমঞ্জরী।
জেনেরাভ ভালোঃ
* বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: বাংলা উপন্যাসের জনক।
* প্রমথ চৌধুরী: বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক।