Solution
Correct Answer: Option D
- যে সমাসে প্রতিটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে 'এবং', 'ও', 'আর'—এই তিনটি সংযোজক অব্যয়ের যে কোনো একটি ব্যবহৃত হয়।
- 'হাট-বাজার' শব্দটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের একটি উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্য হলো: হাট ও বাজার = হাট-বাজার।
- এখানে 'হাট' ও 'বাজার' দুটি পদই বিশেষ্য এবং দুটি পদের অর্থই সমস্তপদে বা সমাসবদ্ধ পদে প্রাধান্য পেয়েছে।
• উদাহরণ:
সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের আরও কিছু উদাহরণ হলো:
- ঘর ও দুয়ার = ঘরদুয়ার
- কল ও কারখানা = কল-কারখানা
- খাতা ও পত্র = খাতাপত্র
- কাজ ও কর্ম = কাজকর্ম
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- তৎপুরুষ সমাস: যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন (২য়া তৎপুরুষ)। 'হাট-বাজার'-এ কোনো বিভক্তি লোপ পায়নি এবং উভয় পদের অর্থ প্রধান, তাই এটি তৎপুরুষ নয়।
- কর্মধারয় সমাস: যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে আকাশ = নীলাকাশ। 'হাট-বাজার'-এ দুটি পদই বিশেষ্য এবং উভয় পদের অর্থ প্রধান, তাই এটি কর্মধারয় নয়।
- বহুব্রীহি সমাস: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: দশন আনন যার = দশানন (রাবণ)। 'হাট-বাজার' দ্বারা হাট বা বাজার দুটোকেই বোঝায়, তৃতীয় কোনো বস্তুকে বোঝায় না, তাই এটি বহুব্রীহি নয়।