দুর্নীতি দমন কমিশন (উপ-সহকারী পরিচালক) - ০৩.০১.২০২৬ (99 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অনুগ্রহ শব্দটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। এর অর্থ হলো দয়া, করুণা, কৃপা বা প্রসন্নতা।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ও বিভিন্ন ব্যাকরণ বই অনুসারে, ‘অনুগ্রহ’ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘নিগ্রহ’
- ‘নিগ্রহ’ শব্দের অর্থ শাস্তি, পীড়ন, নির্যাতন বা অবজ্ঞা। যেখানে অনুগ্রহ মানে কাউকে সাহায্য বা কৃপা করা, সেখানে নিগ্রহ মানে কাউকে কষ্ট দেওয়া বা শাস্তি দেওয়া। তাই অর্থের দিক থেকে দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত।

• উদাহরণ:
- সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহে আমরা সুস্থ আছি। (বাক্যে অনুগ্রহের ব্যবহার)
- বিনা দোষে কাউকে নিগ্রহ করা অনুচিত। (বাক্যে বিপরীতার্থক শব্দের ব্যবহার)

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- প্রতিগ্রহ: এর অর্থ দান গ্রহণ বা কারো কাছ থেকে কিছু নেওয়া। 
- বিগ্রহ: এর একাধিক অর্থ রয়েছে, যেমন—যুদ্ধ, কলহ বা দেবতার মূর্তি।
- দয়া: এটি ‘অনুগ্রহ’ শব্দের সমার্থক শব্দ (Synonym)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা বর্ণমালায় 'ড়' এবং 'ঢ়' ধ্বনি দুটিকে তাড়নজাত ধ্বনি (Flapped consonants) বলা হয়। জিহ্বার সামনের অংশ উল্টে গিয়ে উপরের দন্তমূলে একটি টোকা বা তাড়না দেওয়ার ফলে এই ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয়। অর্থাৎ, এই দুটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের ডগা একটু উল্টে গিয়ে ওপরের পাটির দাঁতের মূলে বা তালুতে একটু ধাক্কা বা টোকা দেয় বলেই এদের তাড়নজাত ধ্বনি বলে।

* তাড়নজাত ধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উল্টে গিয়ে মূর্ধায় বা ওপরের দাঁতের মূলে আলতো আঘাত বা তাড়না করে, তাকে তাড়নজাত ধ্বনি বলে।
* বাংলা ভাষায় তাড়নজাত ধ্বনি দুটি: ড় এবং ঢ়
* শব্দের শুরুতে কখনো তাড়নজাত ধ্বনি (ড়, ঢ়) ব্যবহৃত হয় না। এরা সর্বদা শব্দের মাঝে বা শেষে বসে।
• উদাহরণ:
* বড়, পড়, রূঢ়, গাঢ় ইত্যাদি।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
* পার্শ্বিক ধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জিভের দুপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ধ্বনি বলে। বাংলায় পার্শ্বিক ধ্বনি হলো- 'ল'
* কম্পনজাত ধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের ডগা কম্পিত হয়, তাকে কম্পনজাত ধ্বনি বলে। বাংলায় কম্পনজাত ধ্বনি হলো- 'র'
* অঘোষবাহ: ব্যাকরণে 'অঘোষবাহ' বলতে সরাসরি কোনো বর্ণ বা ধ্বনির দল নেই, তবে 'অযোগবাহ' বা 'পরাশ্রয়ী' বর্ণ আছে (যেমন- ং, ঃ)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিবিশিষ্ট দুই বা ততোধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে। ‘পঞ্চগড়’ (পঞ্চ গড়ের সমাহার) শব্দটি সাধারণত দ্বিগু সমাসের মতো মনে হলেও, এটি আসলে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এর কারণ হলো:
1. স্থাননাম বা বিশেষ নাম: পঞ্চগড় একটি সুনির্দিষ্ট জেলার নাম। এখানে 'পাঁচটি গড়' বা দুর্গ আছে এমন কোনো সাধারণ সমষ্টি বোঝাচ্ছে না বরং সুনির্দিষ্ট একটি স্থানকে নির্দেশ করছে।
2. তৃতীয় পদের প্রাধান্য: বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞানুসারে, সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝালে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। এখানে 'পঞ্চ' (পাঁচ) বা 'গড়' (দুর্গ) কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই দুইয়ের যোগফলে গঠিত একটি বিশেষ জনপদ বা জেলাকেই প্রধানরূপে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ:
সেতার (সে বা তিন তার আছে যার), তেপায়া (তিন পায়া আছে যার), দশানন (দশ আনন যার), পঞ্চগড় (পঞ্চ গড়ের সমাহার আছে যেখানে/যার)।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- দ্বিগু: দ্বিগু সমাসে পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে এবং সমাসটি দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়। কিন্তু এখানে বিশেষ কোনো স্থানের নাম বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য (Proper Noun) হওয়ায় এটি বহুব্রীহির অন্তর্গত। সাধারণ অর্থে পঞ্চগড়কে দ্বিগু বলা গেলেও ব্যাকরণিক সূক্ষ্মতায় এটি বহুব্রীহি।
- দ্বন্দ্ব: দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে (যেমন: মা-বাবা)। এখানে সেটি ঘটছে না।
- কর্মধারয়: বিশেষ্য ও বিশেষণের সমাস হলো কর্মধারয়। এখানে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্যের মিলন ঘটেছে ঠিকই, কিন্তু পরপদের অর্থ প্রধান না হয়ে তৃতীয় অর্থ প্রধান হওয়ায় এটি কর্মধারয় নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- তন্ময় শব্দটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধিজাত শব্দ, যার অর্থ একনিষ্ঠ বা কোনো কিছুতে বিলীন হয়ে যাওয়া।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, পদান্তস্থিত ত্ (ৎ) বা দ্-এর পরে ন বা ম থাকলে সন্ধিতে ত্ (ৎ) বা দ্ স্থানে সেই বর্গের শেষ বর্ণ বা নাসিক্য বর্ণ (যেমন- দন্ত্য ন) হয়।
- এই নিয়মে: তৎ + ময় = তন্ময়। এখানে পূর্বপদের শেষের ‘ৎ’ এবং পরপদের শুরুর ‘ম’ মিলে ‘ৎ’ স্থানে দন্ত্য ‘ন’ হয়েছে। এভাবে শব্দটি ‘তন্ময়’ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ:
অন্যান্য অনুরূপ সন্ধির উদাহরণ:
- মৃৎ + ময় = মৃন্ময়
- চিৎ + ময় = চিন্ময়
- জগৎ + নাথ = জগন্নাথ

নোট: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ব্যঞ্জনসন্ধির এই সূত্রটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, 'ৎ' বা 'দ্' এর পরে 'ম' থাকলে 'ৎ/দ্' স্থানে 'ন' হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পরস্পর সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। অন্যভাবে বলা যায়, দ্রুত উচ্চারণের ফলে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনকে সন্ধি বলে।
- ‘সন্ধি’ শব্দের আভিধানিক অর্থ মিলন, সংযোগ বা ঐক্য।
- ‘দুর্যোগ’ শব্দটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী এটি গঠিত হয়েছে।
- সন্ধির নিয়মটি হলো: অ-কারের পর বিসর্গ (ঃ) এবং তারপর যদি বর্গের ৩য়, ৪র্থ, ৫ম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকে, তবে বিসর্গ স্থানে 'র' (রেফ বা র-ফলা) হয়।
- এই শব্দটিতে: দুঃ + যোগ = দুর্যোগ। এখানে ‘দুঃ’ এর বিসর্গ (ঃ) এবং ‘যোগ’ এর ‘য’ মিলে ‘র্য’ বা রেফ-এ পরিণত হয়েছে।
উদাহরণ:
- দুঃ + গতি = দুর্গতি
- আশিঃ + বাদ = আশীর্বাদ
- দুঃ + নীতি = দুর্নীতি
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত ২৫টি ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে কোথাও না কোথাও সম্পূর্ণরূপে বাধা পায় বা স্পর্শ করে। তাই এদেরকে স্পর্শ ধ্বনি বা পৃষ্ঠ ধ্বনি (Plosives or Stops) বলা হয়।
- উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী বাংলা বর্ণমালার এই ২৫টি বর্ণকে ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে (ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ, প-বর্গ)। প্রতি বর্গে ৫টি করে বর্ণ থাকে, তাই এদেরকে বর্গীয় বর্ণও বলা হয়।
উদাহরণ:
- ক-বর্গ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ (উচ্চারণ স্থান: কণ্ঠ)
- চ-বর্গ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ (উচ্চারণ স্থান: তালু)
- ট-বর্গ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ (উচ্চারণ স্থান: মূর্ধা)
- ত-বর্গ: ত, থ, দ, ধ, ন (উচ্চারণ স্থান: দন্ত)
- প-বর্গ: প, ফ, ব, ভ, ম (উচ্চারণ স্থান: ওষ্ঠ)

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- মৌলিক ধ্বনি: যে ধ্বনিগুলোকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক ধ্বনি বলে। যেমন- অ, আ, ক, খ ইত্যাদি। কিন্তু নির্দিষ্ট করে 'ক' থেকে 'ম' পর্যন্ত ২৫টি ধ্বনিকে 'মৌলিক ধ্বনি' হিসেবে আলাদা গ্রুপ করা হয় না, বরং সব ব্যঞ্জনধ্বনিই ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে মৌলিক হতে পারে।

- যৌগিক ধ্বনি: পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি একসঙ্গে উচ্চারিত হলে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর বলে (যেমন: ওই, ওউ)। ব্যঞ্জনধ্বনির ক্ষেত্রে এই পরিভাষাটি সাধারণত ২৫টি বর্ণকে একত্রে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।

- নাসিক্য ধ্বনি: যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় বাতাস মুখ ও নাক উভয় দিয়েই বের হয়, তাকে নাসিক্য ধ্বনি বলে। প্রতিটি বর্গের ৫ম বর্ণটি (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) এবং ং, ঁ নাসিক্য ধ্বনি। অর্থাৎ, 'ক' থেকে 'ম' পর্যন্ত সব বর্ণ নাসিক্য নয়, কেবল ৫টি নাসিক্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'ইউসুফ-জুলেখা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট এবং পবিত্র কুরআনের 'সূরা ইউসুফ'-এ বর্ণিত হযরত ইউসুফ (আ.) এবং জুলেখার অমর প্রেমকাহিনী অবলম্বনে মধ্যযুগে একাধিক কবি এই কাব্য রচনা করেছেন।
প্রশ্নোক্ত কবিদের মধ্যে শাহ মুহম্মদ সগীর, আবদুল হাকীম এবং শাহ গরীবুল্লাহ প্রত্যেকেই 'ইউসুফ-জুলেখা' নামে কাব্য রচনা করেছেন। কিন্তু মুহম্মদ কবীর 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেননি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘মধুমালতী’

‘ইউসুফ-জুলেখা’ কাব্যের রচয়িতাগণ:
বাংলা সাহিত্যে এই বিখ্যাত কাহিনি নিয়ে একাধিক কবি কাব্য রচনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
- শাহ মুহম্মদ সগীর: তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘ইউসুফ-জুলেখা’ কাব্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ রচয়িতা। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৯৩–১৪১০ খ্রি.) এটি রচনা করেন।
- আবদুল হাকীম: মধ্যযুগের অন্যতম শক্তিশালী কবি আবদুল হাকীমও (১৬২০-১৬৯০ খ্রি.) এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। তাঁর কাব্যে বঙ্গবাণীর প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে।
- শাহ গরীবুল্লাহ: তিনি মিশ্র ভাষায় বা দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের জনক। তিনিও 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেছেন, যা সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
- এছাড়া অন্যান্য রচয়িতাদের মধ্যে আছেন: ফকির গরিবুল্লাহ, গোলাম সফাতুল্লাহ, সাদেক আলী প্রমুখ।

মুহম্মদ কবীর রচিত কাব্য:
- ‘মধুমালতী’: ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত মুহম্মদ কবীরের একমাত্র ও শ্রেষ্ঠ কাব্য হলো ‘মধুমালতী’। এটি একটি হিন্দি কাব্য ‘মধুমালত’ অবলম্বনে রচিত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।

জেনে রাখা ভালো:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ছোটগল্পের নামও ‘মধুমালতী’ (পরবর্তীতে এটি ‘মনিহারা’ নামে পরিচিতি পায়, যদিও মূল নাম মধুমালতী ছিল না, তবে একটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি হতে পারে, তাই সোজাসুজি তথ্য মনে রাখাই শ্রেয়)। তবে সাহিত্যের ইতিহাসে 'মধুমালতী' বলতে মূলত মুহম্মদ কবীরের কাব্য এবং সৈয়দ হামজা রচিত কাব্যকেই বোঝানো হয়।
- মধ্যযুগে একাধিক কবি একই কাহিনি নিয়ে কাব্য রচনা করতেন, তাই 'ইউসুফ-জুলেখা', 'লাইলী-মজনু' বা 'মধুমালতী' নামে একাধিক কবির রচনা পাওয়া যায়। যেমন- মুহম্মদ কবীর ছাড়াও সৈয়দ হামজা এবং হিন্দি কবি মঞ্ঝন ‘মধুমালতী’ কাব্য রচনা করেছেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে।
- ব্যতিহারিক সর্বনাম (Reciprocally Pronoun): যে সর্বনাম পদ দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝায়, তাকে ব্যতিহারিক সর্বনাম বলা হয়। সাধারণত 'পরস্পর', 'নিজে নিজে', 'আপসে' ইত্যাদি শব্দগুলো এই শ্রেণীর সর্বনাম। এই ধরনের সর্বনামে কর্তা একাই কাজটি সম্পন্ন করে না, বরং একাধিক পক্ষের মধ্যে ক্রিয়ার বিনিময় ঘটে এমন ভাব প্রকাশ করে।

উদাহরণ
- তারা নিজে নিজে সমস্যাটি সমাধান করেছে।
- সাপ ও বেজি পরস্পর শত্রু।
- ভাইয়েরা আপসে মিটমাট করে নিয়েছে।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ইহারা: এটি সামীপ্যবাচক সর্বনাম (Proximate Pronoun)। এটি কাছের কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: *ইহারা* আমার বন্ধু।
- যিনি: এটি সাপেক্ষ সর্বনাম (Relative Pronoun)। এটি দুটি বাক্যাংশকে যুক্ত করতে এবং পূর্বে উল্লিখিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: *যিনি* পরিশ্রম করেন, তিনিই সফল হন।
- কেহ: এটি অনির্দিক সর্বনাম (Indefinite Pronoun)। এটি নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় না। যেমন: *কেহ* কি এসেছে?
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদিতম নিদর্শন। হাজার বছরের পুরনো এই পদগুলো মূলত গান হিসেবে গাওয়া হতো। চর্যাপদের ছন্দ নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও আধুনিক অধিকাংশ ছন্দবিশারদের মতে, চর্যাপদের পদগুলো পাদাকুলক বা মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। এর কারণ হলো পদগুলোতে মাত্রার বিন্যাস সুনির্দিষ্ট এবং এর লয় বা গতি সাধারণত বিলম্বিত নয়, বরং সঙ্গীতধর্মী।

চর্যাপদ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে। এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- ১৯১৬ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এটি 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন।
- চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL) গ্রন্থে প্রমাণ করেন যে, এর ভাষা মূলত বাংলা।
- চর্যাপদের মোট পদসংখ্যা ৫১টি (মতান্তরে ৫০টি)। তবে মূল পুঁথিতে পাওয়া গেছে সাড়ে ৪৬টি পদ।
- চর্যাপদ রচনায় সবথেকে বেশি পদের রচয়িতা কাহ্নপা। তাঁর রচিত পদের সংখ্যা ১৩টি।

চর্যাগীতিকা সম্পর্কিত আরও কিছু তথ্য:
- চর্যাপদের ভাষায় একই সঙ্গে আলো ও আঁধার অর্থাৎ অস্পষ্টতা থাকায় একে ‘সন্ধ্যা ভাষা’ বা ‘আলো-আঁধারি ভাষা’ বলা হয়।
- এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সম্প্রদায়ের সাধন-ভজন বা ধর্মীয় তত্ত্বকেন্দ্রিক গান।
- চর্যাপদ যে ছন্দে লেখা তাকে অনেক সময় ‘পাদাকুলক’ বা ‘মরিহট্ট’ ছন্দ নামেও অভিহিত করা হয়, যা আধুনিক মাত্রাবৃত্ত ছন্দেরই প্রাচীন রূপ।

চর্যাপদ সম্পর্কিত নাম বিভ্রান্তি:
- অনেক সময় ‘দোহাকোষ’ নামের সাথে চর্যাপদের গুলিয়ে ফেলা হয়। সরহপা ও কাহ্নপা উভয়েই দোহা রচনা করেছেন, তবে দোহা এবং চর্যাপদ আঙ্গিক ও বিষয়বস্তু বিচারে কিছুটা ভিন্ন।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
* ত্রিশঙ্কু দশা: এটি একটি বিশিষ্ট বাগধারা। এর আক্ষরিক বা পৌরাণিক অর্থ হলো স্বৰ্গ ও মর্ত্যের মাঝামাঝি অবস্থান। আলঙ্কারিক অর্থে বা বাগধারা হিসেবে এর অর্থ হলো- দোটানা অবস্থা, উভয়সঙ্কট বা মধ্যবর্তী অবস্থা
* উৎস: হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, ইক্ষ্বাকুবংশীয় রাজা সত্যব্রত বা ত্রিশঙ্কু সশরীরে স্বর্গে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্বর্গের দেবতা ইন্দ্র তাকে নিচে ফেলে দেন এবং ঋষি বিশ্বামিত্র তাকে পুণরায় উপরে তোলার চেষ্টা করেন। ফলে তিনি স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝে ঝুলে থাকেন। এই অবস্থা থেকেই 'ত্রিশঙ্কু দশা' বা 'না স্বর্গ, না মর্ত্য' অবস্থার উৎপত্তি হয়েছে।

• উদাহরণ:
চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে বিপদে পড়েছি, আমার এখন ত্রিশঙ্কু দশা

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে সাধারণত ৩ ভাগে ভাগ করা হয়: খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
তৎসম উপসর্গ: তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ সংখ্যায় ২০ টি। এগুলো হলো: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর্, বি, সু, উৎ, অধি, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ এবং আ। এই উপসর্গগুলো মূলত তৎসম শব্দের পূর্বে বসে। যেমন: প্র + হার = প্রহার।

খাঁটি বাংলা উপসর্গ: খাঁটি বাংলা উপসর্গ সংখ্যায় ২১ টি। এগুলো হলো: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (ঊন), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু এবং হা। এই উপসর্গগুলো বাংলা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
সুতরাং, 'কু' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, এটি তৎসম উপসর্গ নয়।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- প্রতি: এটি একটি তৎসম উপসর্গ (যেমন: প্রতিবাদ, প্রতিক্ষণ)। 
- অতি: এটি একটি তৎসম উপসর্গ (যেমন: অতিকায়, অত্যাচার)। 
- প্র: এটি একটি তৎসম উপসর্গ (যেমন: প্রহার, প্রবল)। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ ফররুখ আহমদ-এর ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যের প্রধান উপজীব্য। বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘মুসলিম রেনেসাঁর কবি’ বা ‘জাগরণের কবি’ হিসেবে পরিচিত। তাঁর কবিতায় আরব্য উপন্যাস, ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস এবং সামুদ্রিক দুঃসাহসিকতার রোমান্টিক আবহ সৃষ্টি হয়েছে। ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই কাব্যের ‘সাত সাগরের মাঝি’ ও ‘পাঞ্জেরি’ কবিতা দুটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাংলা একাডেমি ও বিভিন্ন সাহিত্য সমালোচকের মতে, এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি মুসলিম মানসে নবজাগরণের স্বপ্ন বুনেছিলেন।

- কবি ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে মাগুরা জেলার মাজআইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মননে ও মেজাজে একজন রোমান্টিক কবি, যার কাব্যে ইসলামি আদর্শ ও ঐতিহ্যের ছাপ সুস্পষ্ট।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’।

• ফররুখ আহমদ রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪)
- সিরাজাম মুনীরা (১৯৫২)
- নৌফেল ও হাতেম (কাব্যনাট্য, ১৯৬১)
- মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩)
- হাতেম তায়ী (কাহিনীকাব্য, ১৯৬৬)
- দিলরুবা (১৯৯৪)
- পাখির বাসা (শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ, ১৯৬৫)

• একই নামের বা কাছাকাছি বিভ্রান্তিকর সাহিত্যকর্ম:
- ‘দিলরুবা’ কাব্যগ্রন্থটি আব্দুল কাদির-এর রচনা হিসেবে অপশনে দেখানো হয়েছে, যা সঠিক। তবে কবি ফররুখ আহমদ-এরও ‘দিলরুবা’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ রয়েছে।
- ‘নূরনামা’ মধ্যযুগের কবি আব্দুল হাকিম-এর বিখ্যাত কাব্য, যেখানে তিনি মাতৃভাষার প্রতি গভীর প্রেম প্রকাশ করেছেন।
- ‘জীবন কথা’ কবি জসীমউদ্দীন-এর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ফররুখ আহমদ ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে প্রাইড অফ পারফর্মেন্স এবং মরণোত্তর ১৯৭৭ সালে একুশে পদক ও ১৯৮০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে।
পর্তুগিজ মিশনারি পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আসুম্পসাঁও (Manoel da Assumpcam) ভাওয়াল জেলার (বর্তমান গাজীপুর) নাগরী ধর্মপ্রচারকেন্দ্রে বসে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ও অভিধান রচনা করেন। তাঁর লেখা এই বইটির নাম ছিল 'Vocabolario em idioma Bengalla, e Portuguez' (ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেঙ্গালা ই পর্তুগিজ), যা সংক্ষেপে 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ' নামেও পরিচিত।
বইটি মূলত পর্তুগিজ ভাষায় রচিত হলেও এতে বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দকোষ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এটি পর্তুগালের লিসবন শহর থেকে ১৭৪৩ সালে রোমান হরফে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়।

প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো
- ব্যাকরণ: যে শাস্ত্রে কোনো ভাষার বিভিন্ন উপাদানের প্রকৃতি ও স্বরূপের বিচার-বিশ্লেষণ করা হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রয়োগবিধি বিশদভাবে আলোচিত হয়, তাকে ব্যাকরণ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণের প্রথম বাঙালি রচয়িতা: রাজা রামমোহন রায়। তাঁর রচিত ব্যাকরণের নাম 'Gaudaya Vyakaran' (গৌড়ীয় ব্যাকরণ), যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ: ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড (Nathaniel Brassey Halhed) রচিত 'A Grammar of the Bengal Language'। এটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়। উল্লেখযোগ্য যে, এটিই প্রথম বাংলা মুদ্রাক্ষরে (Bengali Type) মুদ্রিত পূর্ণাঙ্গ বাংলা ব্যাকরণ বই।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ১৭৩৪: এটি সঠিক সাল নয়। ১৭৩৪ সালে মানোএল দা আসুম্পসাঁও বাংলাদেশে তাঁর ধর্মপ্রচারের কাজ করছিলেন, কিন্তু ব্যাকরণটি তখনো প্রকাশিত হয়নি। বস্তুত তিনি ১৭৩৪ থেকে ১৭৪২ সালের মধ্যে ভাওয়াল গড়ে বসে এটি রচনা করেছিলেন।
- ১৮৪৩: ১৮৪৩ সালটি বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাসের অন্য কোনো ঘটনার সাথে যুক্ত থাকলেও প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশের সাল হিসেবে এটি একেবারেই ভুল। কারণ এর ১০০ বছর আগেই (১৭৪৩) প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত প্রথম উপন্যাস।
- এই উপন্যাসটির রচয়িতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে তিনি এটি রচনা করেন। তিনি এই উপন্যাসের উৎসর্গপত্রে লিখেছিলেন– "মা, তোমার এই সামান্য সন্তান তার সামান্য সামর্থ্য নিয়ে তোমার জন্যই লড়েছিল"।
- এই উপন্যাসের আখ্যানভাগ মূলত ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত থেকে শুরু করে মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত। উপন্যাসের নায়ক সুদীপ্ত শাহীন মূলত আনোয়ার পাশা নিজেই।

আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাসসমূহঃ
- নীড় সন্ধানী (১৯৬৭),
- নিশুতি রাতের ছায়া (১৯৬৮),
- রাইফেল রোটি আওরাত (১৯৭৩)।

আনোয়ার পাশা রচিত গল্পগ্রন্থঃ
- নিরুপায় হরিণ (১৯৭০) (প্রকাশিত একমাত্র গল্পগ্রন্থ)।

আনোয়ার পাশা রচিত প্রবন্ধগ্রন্থঃ
- সাহিত্য শিল্পী আবুল ফজল (১৯৬৭),
- রবীন্দ্র ছোটগল্প সমীক্ষা (প্রথম খণ্ড-১৯৬৩, দ্বিতীয় খণ্ড-১৯৭৩),
- উপন্যাসে সামাজিক চিত্র (১৯৬৮)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
- হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) সংকলনের অন্যতম লেখক ছিলেন আনোয়ার পাশা।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনী তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের কাছে হত্যা করে।
- বাংলা একাডেমি তার সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালে তাকে (মরণোত্তর) বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘জঙ্গম’ শব্দের অর্থ হলো যা গমনশীল, গতিশীল বা চলাফেরায় সক্ষম (যেমন— জীবজন্তু)। এটি তৎসম শব্দ।
- ‘স্থাবর’ শব্দের অর্থ হলো যা স্থির, অচল বা এক স্থানে অনড় থাকে (যেমন— গাছপালা, জমিজমা)।
- বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধান ও বিভিন্ন ব্যাকরণ বই অনুসারে, ‘জঙ্গম’-এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো ‘স্থাবর’। এরা পরস্পর বিপরীতধর্মী অবস্থা প্রকাশ করে।

উদাহরণ:
- স্থাবর ও জঙ্গম সকল প্রকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। (এখানে চলনশীল ও অচল উভয় সম্পত্তি বোঝানো হয়েছে)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘কুহেলিকা’ কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো জাহাঙ্গীর। জাহাঙ্গীর চরিত্রটি তৎকালীন বিপ্লবী স্বদেশী আন্দোলনের সাথে যুক্ত একজন তরুণ, যার জীবনের অন্তর্দ্বন্দ্ব, প্রেম এবং দেশের প্রতি আত্মত্যাগ এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে। বিপ্লবী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসের শুরুতে জাহাঙ্গীরের নাম থাকে 'হারুন', যা পরবর্তীতে স্বদেশী দলে যোগ দেয়ার পর পরিবর্তিত হয়।

* কাজী নজরুল ইসলাম মোট তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন: বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা
* ‘বাঁধন-হারা’ (১৯২৭): এটি নজরুল রচিত প্রথম উপন্যাস এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস। এর কেন্দ্রীয় চরিত্র নুরু
* ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০): এটি কৃষ্ণনগরের পটভূমিতে রচিত নজরুলের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো প্যাকলে, মেজোবৌ, আনসার ইত্যাদি।
* ‘শিউলিমালা’: এটি নজরুল রচিত উপন্যাসের তালিকায় পড়ে না, বরং এটি তাঁর একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ (১৯৩১)।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাসসমূহ:
- বাঁধন-হারা (১৯২৭)
- মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০)
- কুহেলিকা (১৯৩১)

জেনেরে রাখা ভালো:
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটি তৎকালীন সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।
- বাংলা সাহিত্যে আরেকটি বিখ্যাত চরিত্র ‘জাহাঙ্গীর’ থাকলেও সেটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নজরুলের জাহাঙ্গীরের প্রেক্ষাপট রাজনৈতিক ও সামাজিক বিপ্লব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ রয়েছে ৫০টি। এই বর্ণগুলোকে মাত্রার ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন। নিচে এদের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

- পূর্ণমাত্রার বর্ণ (৩২টি):
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩২টি বর্ণের ওপর পূর্ণমাত্রা থাকে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।
- স্বরবর্ণ (৬টি): অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ।
- ব্যঞ্জনবর্ণ (২৬টি): ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়।
- অর্ধমাত্রার বর্ণ (৮টি):
মোট ৮টি বর্ণের ওপর অর্ধমাত্রা বা আংশিক মাত্রা থাকে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি।
- স্বরবর্ণ (১টি): ঋ।
- ব্যঞ্জনবর্ণ (৭টি): খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ।
- মাত্রাহীন বর্ণ (১০টি):
মোট ১০টি বর্ণের ওপর কোনো মাত্রা থাকে না। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি।
- স্বরবর্ণ (৪টি): এ, ঐ, ও, ঔ।
- ব্যঞ্জনবর্ণ (৬টি): ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।

সারণি আকারে তথ্য:
| মাত্রার ধরন | স্বরবর্ণ | ব্যঞ্জনবর্ণ | মোট বর্ণ |
| :--- | :---: | :---: | :---: |
| পূর্ণমাত্রা | ৬টি | ২৬টি | ৩২টি |
| অর্ধমাত্রা | ১টি | ৭টি | ৮টি |
| মাত্রাহীন | ৪টি | ৬টি | ১০টি |
| সর্বমোট | ১১টি | ৩৯টি | ৫০টি |
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশে তুর্কি আগমন ও দীর্ঘকাল শাসন এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক কারণে বাংলা ভাষায় বহু তুর্কি শব্দ প্রবেশ করেছে। এই শব্দগুলো বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু উল্লেখযোগ্য তুর্কি শব্দ হলো: মুচলেকা, লাশ, কুর্নিশ, চাকু, চকমকি, উজবুক, দারোগা, কাঁচি, বাবুর্চি, বেগম, নানী, তোপ, বারুদ, কুলি ইত্যাদি।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- তৎসম: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। যেমন- চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি।
- তদ্ভব: যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ। যেমন - হাত (হস্ত > হত্থ > হাত), চামার (চর্মকার > চম্মআর > চামার)।
- ফারসি: বাংলা ভাষায় আগত বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। যেমন- খোদা, দোজখ, নামাজ, ফেরেশতা, তারিখ, তোষক ইত্যাদি। প্রশ্নে উল্লেখিত শব্দগুলো ফারসি উৎসজাত নয়, বরং তুর্কি মূলের।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানুষের কথা বলার জন্য বা মনের ভাব প্রকাশের জন্য দরকার হয় ধ্বনির, আর এই ধ্বনি উচ্চারণে সাহায্য করে শরীরের কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। এদের সমষ্টিগত নাম ‘বাগযন্ত্র’ বা ‘বাক-প্রত্যঙ্গ’
- ‘Bangla Academy Promit Bangla Grammar’এনসিটিবি (NCTB) অনুযায়ী, ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, জিহ্বা, ঠোঁট, দাঁত, মাড়ি, তালু এবং নাসিকা ইত্যাদি হলো বাক-প্রত্যঙ্গ। এর মধ্যে ফুসফুস ধ্বনি তৈরির চালিকাশক্তি আর জিহ্বা হলো ধ্বনি উচ্চারণের সবচেয়ে সক্রিয় অঙ্গ।
- বাগযন্ত্র বা বাক-প্রত্যঙ্গ দ্বারা উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনির সাহায্যে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকেই ভাষা বলে।

উদাহরণ:
আমরা যখন 'মা' শব্দটি উচ্চারণ করি, তখন আমাদের ঠোঁট (ওষ্ঠ) পরস্পরের সাথে স্পর্শ করে। এখানে ঠোঁট একটি বাক-প্রত্যঙ্গ।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- অঙ্গ ধ্বনি: ব্যাকরণে 'অঙ্গ ধ্বনি' নামে কোনো পারিভাষিক শব্দ নেই। এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
- স্বরতন্ত্র: স্বরতন্ত্র (Vocal cord) হলো বাক-প্রত্যঙ্গের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমষ্টি নয়। এটি স্বরযন্ত্রের ভেতরে থাকে এবং ধ্বনি সৃষ্টিতে কম্পন সৃষ্টি করে।
- নাসিকারন্ধ্র: নাসিকারন্ধ্রও বাক-প্রত্যঙ্গের একটি অংশ বিশেষ, যা নাসিক্য ধ্বনি উচ্চারণে সাহায্য করে। কিন্তু মানুষর ধ্বনি তৈরিতে সহায়তাকারী সকল অঙ্গকে একত্রে নাসিকারন্ধ্র বলে না।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রদত্ত শব্দ 'Altitude' এর বাংলা অর্থ হলো উচ্চতা।
- 'Height' এর অর্থও উচ্চতা বা দীর্ঘতা।
- ‘Width’ এর অর্থ হলো প্রস্থ বা চওড়া।
- 'Length' এর অর্থ হলো দৈর্ঘ্য।
- ‘Depth’ এর অর্থ হলো গভীরতা।
- যেহেতু Altitude এবং Height উভয়ই উচ্চতা বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উপরের দূরত্ব নির্দেশ করে, তাই তারা একে অপরের সমার্থক শব্দ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উইলিয়াম ওয়ার্থসওয়ার্থ (William Wordsworth) একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি নন, তিনি মূলত রোমান্টিক যুগের (Romantic Age) একজন অন্যতম প্রধান কবি।
- ইংরেজি সাহিত্যে ১৭৯৮ থেকে ১৮৩৭ সাল পর্যন্ত সময়কালকে রোমান্টিক যুগ বলা হয়, যেখানে ওয়ার্থসওয়ার্থ এবং এস.টি. কোলরিজের যৌথভাবে প্রকাশিত 'Lyrical Ballads' (১৭৯৮) কাব্যগ্রন্থটি এই যুগের সূচনা করে।
- অন্যদিকে, ১৮৩৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত সময়কালকে ভিক্টোরিয়ান যুগ (Victorian Age) বলা হয় এবং এই সময়ের শাসনামলে ছিলেন রানী ভিক্টোরিয়া।
- প্রশ্নে উল্লেখিত আলফ্রেড টেনিসন (Alfred Tennyson), রবার্ট ব্রাউনিং (Robert Browning) এবং ম্যাথিউ আর্নল্ড (Matthew Arnold) প্রত্যেকেই ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি।
- টেনিসন ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রতিনিধিত্বকারী কবি বা 'Poet Laureate', যেখানে ওয়ার্থসওয়ার্থ প্রকৃতির পূজারী হিসেবে রোমান্টিক ভাবধারার জন্য পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'মিলেনিয়াম' (Millennium) শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'Mille' (হাজার) এবং 'Annum' (বছর) থেকে এসেছে।
- সাধারণ অর্থে 'মিলেনিয়াম' বলতে ১০০০ বছরের সময়কালকে বোঝানো হয়।
- এই শব্দটি সাধারণত ক্যালেন্ডার বা যুগের হিসাব করতে ব্যবহৃত হয়, যেমন - ২০০০ থেকে শুরু হওয়া সময়কালকে নতুন মিলেনিয়াম বলা হয়।
- ১০ বছর সময়কালকে বলা হয় ডিকেড (Decade) বা দশক।
- ১০০ বছর সময়কালকে বলা হয় সেঞ্চুরি (Century) বা শতাব্দী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Adhere শব্দটির সাথে সর্বদাই to প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়, যা একটি Appropriate Preposition এর উদাহরণ।
- Adhere to এর অর্থ হলো কোনো কিছুর সাথে লেগে থাকা, অবিচল থাকা, বা কোনো নিয়ম বা নীতি শক্তভাবে মেনে চলা (cling/stick to)।
- প্রদত্ত বাক্যটিতে 'He does not adhere to any principle' এর অর্থ হলো- সে কোনো নীতি মেনে চলে না।
- অন্যান্য অপশনগুলো যেমন- by, on, at এখানে Adhere এর সাথে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইংরেজিতে Gerund (Verb + ing) যখন Noun হিসেবে কাজ করে, তখন তার আগে Noun বা Pronoun-এর Possessive form বসে।
- প্রশ্নোক্ত বাক্যে 'leaving' শব্দটি একটি Gerund যা এখানে Noun-এর মতো কাজ করছে।
- তাই 'leaving'-এর আগে 'he', 'him' বা 'himself' না বসে Pronoun-টির Possessive form অর্থাৎ 'his' বসবে।
- এখানে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: "সে তার বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে জোর দিয়েছিল।"
- যদি Gerund-এর পরিবর্তে সাধারণ Verb থাকত তবে Objective form (him) বসতে পারত, কিন্তু এখানে 'leaving' থাকায় 'his' ই সঠিক উত্তর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিখ্যাত ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্স রচিত "A Tale of Two Cities" একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের পটভূমিতে থাকা দুটি শহর হলো ইংল্যান্ডের লন্ডন এবং ফ্রান্সের প্যারিস
- ফরাসী বিপ্লবের সময়কার ভয়াবহতা এবং লন্ডন ও প্যারিসের সেসময়ের সামাজিক অবস্থার চিত্র এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্রগুলো হলো সিডনি কার্টন, চার্লস ডার্নে এবং লুসি মানেট।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Samuel Johnson ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজ লেখক, যিনি ১৭৫৫ সালে ‘A Dictionary of the English Language’ প্রকাশ করেন।
- তার এই অভিধানটি ইংরেজি ভাষার ইতিহাসে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংকলন হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এই অভিধানটি সংকলন ও রচনা করতে তার দীর্ঘ নয় বছর সময় লেগেছিল।
- স্যামুয়েল জনসন কেবল একজন অভিধান প্রণেতাই ছিলেন না, তিনি একাধারে একজন কবি, প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক এবং জীবনীকারও ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'Plagiarism' শব্দটির অর্থ 'লেখা চুরি' বা কুম্ভিলকবৃত্তি।
- অন্যের লেখা, আইডিয়া বা চিন্তাকে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াকে Plagiarism বলা হয়।
- মূলত লেখক, শিল্পী বা সৃজনশীল ব্যক্তিদের কাজের স্বীকৃতি না দিয়ে তা ব্যবহার করাই হলো প্লাজিয়ারিজম।
- এর মাধ্যমে প্রকৃত স্রষ্টার মেধা ও শ্রমের অবমূল্যায়ন করা হয়, যা নৈতিকভাবে অপরাধ হিসেবে গণ্য।
- অপশনগুলোর মধ্যে ‘The act of using someone else’s idea as one’s own’ লাইনটি দ্বারা এই অর্থটিই সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইংরেজিতে নির্দিষ্ট কিছু শব্দের পর নির্দিষ্ট Preposition বসে, একে Appropriate Preposition বলা হয়।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী 'Solution' শব্দটির পরে সবসময় 'to' ব্যবহৃত হয়।
- কোনো সমস্যার সমাধান বোঝাতে 'Solution to a problem' ফ্রেজটি সঠিক এবং বহুল প্রচলিত।
- অপশনে থাকা 'of', 'for' বা 'about' কোনোটিই 'Solution' এর সাথে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
- তাই বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক Preposition টি হবে 'to'
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- French leave একটি ইংরেজি ইডিয়াম বা বাগধারা।
- যার প্রকৃত অর্থ হলো অনুমতি ছাড়া চলে যাওয়া বা কাজ থেকে বিদায় নেওয়া।
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফরাসি সংস্কৃতিতে কোনো অনুষ্ঠানে হোস্ট বা আয়োজককে না জানিয়ে চলে যাওয়ার প্রথা থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়।
- ইংরেজিতে এর সমার্থক শব্দ বা phrase হলো Absence without leave (AWOL) বা unannounced departure.

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- "ডক্টর ফস্টাস" (“Doctor Faustus”) এলিজাবেথান যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ক্রিস্টোফার মার্লোর (Christopher Marlowe) লেখা অন্যতম সেরা নাটক।
- সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি ট্র্যাজেডি (Tragedy) বা বিয়োগান্তক নাটক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
- এই নাটকের প্রধান চরিত্র হলেন ডক্টর ফস্টাস, যিনি অসীম জ্ঞান এবং ক্ষমতার লোভে শয়তানের (Mephistopheles) কাছে নিজের আত্মা বিক্রি করে দেন।
- ২৪ বছরের ক্ষমতা ভোগের পর তার করুণ বা মর্মান্তিক পরিণতির মাধ্যমেই নাটকটি শেষ হয়, যা একে একটি সার্থক ট্র্যাজেডিতে রূপান্তর করেছে।
- রেনেসাঁ যুগের মানুষের অদম্য কৌতূহল এবং নৈতিক পতনের সংঘাত এই নাটকের মূল উপজীব্য বিষয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0