Solution
Correct Answer: Option A
মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য রচনার পূর্বে কয়েকটি আখ্যান কাব্য রচনা করেছিলেন। 'চন্দ্রাবতী' তাঁর রচিত একটি অসমাপ্ত আখ্যান কাব্য। তিনি এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচনা শুরু করেছিলেন কিন্তু শেষ করতে পারেননি। এটি মূলত একটি বিয়োগান্তক প্রেমকাহিনি বা ট্র্যাজিক রোমান্সধর্মী কাব্য রচনার প্রচেষ্টা ছিল।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক, প্রথম সনেটের রচয়িতা।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দের’ প্রবর্তক।
- তাঁকে ‘আধুনিক বাংলা কবিতার জনক’ বলা হয়।
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০) - এটি তাঁর প্রথম বাংলা কাব্য, যেখানে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহৃত হয়।
- মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১) - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১)
- বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২) - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য।
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৬) - সনেট সংকলন।
• জেনে রাখা ভালো:
- 'চন্দ্রাবতী' নামে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে পরিচিত একজন বিখ্যাত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা ও রামায়ণ রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগুলো 'মৈমনসিংহ গীতিকা' বা পালাগানের অন্তর্ভুক্ত। তাই অপশনে যদি বিখ্যাত মহিলা কবির প্রেক্ষাপট এবং 'পালাগান' উত্তরটি থাকত, তবে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারত। কিন্তু এখানে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রেক্ষাপটে এটি একটি 'কাব্য' হিসেবেই বিবেচ্য।
- এছাড়াও, 'চন্দ্রাবতী' নামে সাহিত্যিক নয়নচাঁদ ঘোষ-এর একটি কাব্যগ্রন্থ রয়েছে।