Solution
Correct Answer: Option D
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ৭ম বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী দেশ এবং প্রতি বছর প্রায় ২০-২৫ লাখ টন উদ্বৃত্ত আলু উৎপাদিত হয়।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের আলু রপ্তানি প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৬২,০০০ টনের বেশি হয়েছে, যা পূর্ববর্তী বছরের ১২,৩০০ টন থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ৪৫,৪০০ টন আলু রপ্তানি হয়েছে।
- সম্প্রতি, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ২৭ তারিখে ভিয়েতনাম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ থেকে আলু আমদানির অনুমোদন দিয়েছে, যা বাংলাদেশের আলু চাষি ও রপ্তানিকারকদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
- হ্যানয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ২০২৫ সালের মে মাসে ভিয়েতনামে আলু রপ্তানির নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, যা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
- ভিয়েতনামে আলুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এই রপ্তানি উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- ভিয়েতনামের এই বাজার উন্মুক্ত হওয়া বাংলাদেশের অন্যান্য উদ্ভিদজাত পণ্য যেমন- তিল রপ্তানির পথও সুগম করবে।
- মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, কাতার, বাহরাইন, শ্রীলঙ্কা এবং নেপালসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও বাংলাদেশি আলুর চাহিদা রয়েছে। রাশিয়ার মতো বড় বাজারও সম্ভাবনাময়।
- এগ্রো-প্রসেসিং গ্লোবাল গেটওয়ে ২০২৬ (APGG 2026) এর মাধ্যমে উচ্চ-পরিমাণে আলু রপ্তানির চুক্তি (সপ্তাহে ৩০-৪০ কন্টেইনার) হয়েছে, যা বাংলাদেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা তুলে ধরে।
- যদিও রপ্তানি বৃদ্ধিতে ফাইটোস্যানিটারি বা উদ্ভিদ সংগনিরোধ সনদ, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত হিমাগারের অভাব এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, সরকার কৃষি রপ্তানি বহুমুখীকরণে আলুকে একটি অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করছে।
সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।