-যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জাপানে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলে।
-1945 সালের 6 আগস্ট, মার্কিন সামরিক বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরে একটি পারমাণবিক বোমা ফেলে।
-লিটল বয় নামক বোমাটি এনোলা গে নামক একটি B-29 বোমারু বিমান থেকে ফেলা হয়েছিল।
-বোমাটি আনুমানিক 140,000 লোককে হত্যা করেছে এবং আরও 60,000 জন আহত হয়েছে।
-তিন দিন পরে, 9 আগস্ট, 1945-এ, মার্কিন সামরিক বাহিনী জাপানের নাগাসাকি শহরে আরেকটি পারমাণবিক বোমা ফেলে।
-ফ্যাট ম্যান নামক বোমাটি বক্সকার নামক একটি B-29 বোমারু বিমান থেকে ফেলা হয়েছিল।
-বোমাটি আনুমানিক 80,000 জন নিহত এবং আরও 35,000 জন আহত হয়।
-হিরোশিমা এবং নাগাসাকির পারমাণবিক বোমা হামলার ফলে 15 আগস্ট, 1945 সালে জাপান আত্মসমর্পণ করে। বোমা হামলাকে যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রথম ব্যবহার বলে মনে করা হয়।
- পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা আফ্রিকার পশ্চিম-পূর্ব উপকূলে ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। - ১৫১৪ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। - ১৫৩৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ শের শাহের বিরুদ্ধে পর্তুগিজদের সাহায্যের আাশায় চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রামে (হুগলি) বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন। এভাবে বাংলায় পর্তুগিজদের প্রতিষ্ঠা হয়। - উল্লেখ্য, ১৬০২ সানে ওলন্দাজরা, ১৬০০ সালে ইংরেজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। - ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। - এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। - এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
বর্তমান জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩ এবং সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হলো দক্ষিণ সুদান (সদস্যপদ লাভ ১৪ জুলাই, ২০১১)। - এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ : ৫১টি - তাইওয়ান পূর্বে জাতিসংঘের সদস্য ছিলো বর্তমানে নেই। - জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র দুইটি : ভ্যাটিকান সিটি এবং ফিলিস্তিন। - কসোভো স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও জাতিসংঘ স্বীকৃত বা এর সদস্য নয়।
'শেষের কবিতা' বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাসের নাম। - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যধর্মী উপন্যাস। - বাংলা সাহিত্যর শ্রেষ্ঠ ছোট উপন্যাস। - এটি একটি রোমান্টিক উপন্যাস। - ১৯২৯ সালে এটি প্রকাশিত হয়। - উপন্যাসের চরিত্র হল : অমিত, লাবণ্য এবং শোভনলাল । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে: গোরা, চতুরঙ্গ, ঘরে বাইরে, চোখের বালি, চার অধ্যায় ইত্যাদি।
- গিরিশচন্দ্র সেন (১৮৩৫-১৯১০) ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক। - বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ তিনিই প্রথম করেন। - নারায়ণগঞ্জের পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম। গিরিশচন্দ্র সেন ছাত্রজীবনে ফারসি ও সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা করেন। - কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন এবং প্রচারব্রত গ্রহণ করে উত্তর ভারত, দক্ষিণ ভারত ও ব্রহ্মদেশ ভ্রমণ করেন। গুরু কেশবচন্দ্র সেনের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় তিনি ইসলামি সাহিত্য-সাধনায় আত্মনিয়োগ করেন। এ উপলক্ষে আরবি ভাষা ও ইসলামিক ধর্মশাস্ত্র চর্চার জন্য তিনি ১৮৭৬ সালে লক্ষ্ণৌ গমন করেন। সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করে কুরআনের বঙ্গানুবাদ (১৮৮১-৮৬) সম্পন্ন করেন। বাংলা সাহিত্যে এটা তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি। - ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ, চারিত্রিক উদারতা এবং সত্যবাদিতার জন্য গিরিশচন্দ্র ব্রাহ্ম-হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান সকলের শ্রদ্ধা অর্জন করেন। এক কথায় তিনি ছিলেন সর্বধর্মসমন্বয়ের প্রতীক। তাই সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।
স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রথম গঠন করা হয়- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে। ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শপথ গ্রহণ করেন। - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্থায়ী সরকারের পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী
- এই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর বলে ঘোষিত হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি এখন সম্পূর্ণ আকারে বাংলাদেশের সংবিধানে সংযুক্ত করা হয়েছে (পঞ্চম তফসিল)।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ একটি মৌলিক কাঠামো রূপে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দান করেছে । এর ফলে ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের সংবিধানের একটি অসংশোধনযোগ্য বিধানে পরিণত হয়েছে।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশকে 'গণপ্রজাতন্ত্র' ঘোষণা করা হয়েছে। - তবে ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করার মাধ্যমে তা আনুষ্ঠানিকরূপ লাভ করে। - যদি অপশনে ১০ এপ্রিল না থাকে ১৭ এপ্রিল সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর বলে বিবেচিত হবে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
কোনো বিষয়ে অদক্ষ বুঝাতে Bad at হয়। be bad at - দক্ষ না হওয়া
"at" শব্দটি preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়। Preposition কে "সম্পর্কবোধক" বলা হয়। Preposition এর মাধ্যমে বাক্যের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
উদাহরণ: - I am at home. (আমি বাসায় আছি।) - The book is on the table. (বইটি টেবিলে আছে।)
"at" preposition এর ব্যবহার: - স্থান বোঝাতে: I am at school. (আমি স্কুলে আছি।) - সময় বোঝাতে: I will meet you at 5 pm. (আমি তোমার সাথে বিকেল ৫টায় দেখা করবো।) - অবস্থা বোঝাতে: I am at peace. (আমি শান্তিতে আছি।) - দক্ষতা/অদক্ষতা বোঝাতে: I am good at math. (আমি গণিতে ভালো।)
- উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন স্যার আহমদ ফজলুর (এ এফ) রহমান (১৮৮৯-১৯৪৫)। - ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
জাতিসংঘের ছয়টি মূল অঙ্গসংস্থার মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদ অন্যতম। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত। এটিকে জাতিসংঘের সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা বিবেচনা করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য ও চারটি অস্থায়ী সদস্যসহ কমপক্ষে ৯টি সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী তুরস্কে অবস্থিত। ট্রয় নগরীর সাথে মহাবীর হেক্টরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। সুন্দরী হেলেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ যুদ্ধে হেক্টরকে পরাস্ত করে গ্রিকরা ট্রয় দখল করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এটি হোমারের লেখা বিখ্যাত মহাকাব্য ইলিয়াডের কেন্দ্রীয় স্থান। - উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়। - গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান: অবস্থান ও নির্মাণ - ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি এবং এটি বর্তমান ইরাকের বাবিল শহরের কাছে অবস্থিত বলে মনে করা হয়। - এটি নব্য ব্যাবিলনীয় রাজা নেবুচাদনেজার II (খ্রিস্টপূর্ব ৬০৫–৫৬২) তার স্ত্রী অ্যামিটিসের জন্য নির্মাণ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। - তার স্ত্রী মিডিয়ার পাহাড়ি অঞ্চলের সৌন্দর্য মিস করতেন, তাই রাজা এই উদ্যান তৈরি করেন। - উদ্যানটি একটি টেরাসযুক্ত কাঠামো ছিল, যেখানে বিভিন্ন গাছপালা ও ফুলের সমাহার ছিল।
উচ্চতা ও কাঠামো - উদ্যানটির উচ্চতা নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কিছু সূত্রে বলা হয়েছে এটি প্রায় ২০-২৫ মিটার (৬৫-৮০ ফুট) উঁচু ছিল। উদ্যানটি একটি টেরাসযুক্ত কাঠামো ছিল এবং এর সেচব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত ছিল। এটি ইউফ্রেতিস নদী থেকে পানি উত্তোলনের জন্য চেইন পাম্প বা আর্কিমিডিস স্ক্রু জাতীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করত বলে ধারণা করা হয়।
প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ এখনও পর্যন্ত ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের কোনো সরাসরি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিছু গবেষক মনে করেন, উদ্যানটি হয়তো বাস্তবে নয়, বরং একটি কল্পিত বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা। আবার কিছু গবেষক দাবি করেন, এটি আসলে নিনেভেহ শহরে নির্মিত হয়েছিল। (সূত্র: Britannica, World History Encyclopedia)
- মধ্য আমেরিকার হ্রদ ও আগ্নেয়গিরির দেশ নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ কন্ট্রা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট। - ১৯৯০ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এ অঞ্চলে শান্তি আনয়নে গঠন করে মধ্য আমেরিকায় জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক দল (ONUCA) এবং পর্যবেক্ষক দলটি কন্ট্রা বিদ্রোহীদের স্বেচ্ছা তদারক করে। - ফলশ্রুতিতে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় প্রায় ২২ হাজার কন্ট্রা বিদ্রোহী জাতিসংঘ পর্যবেক্ষকদের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
• প্রথম বাংলায় টি. এস. এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। টি. এস. এলিয়টের The Journey of the Magi কবিতার অনুবাদ করা হয়েছিলো। রবীন্দ্রনাথ তার "পুনশ্চ" কাব্যে "তীর্থযাত্রী" কবিতা নামে এটি সংকলন করেছিলেন।
• তবে, বিষ্ণু দে ১৯৫০ সালে এলিয়েটের কবিতা অনুবাদ করেন। বুদ্ধদেব বসুও পরবর্তীতে ‘এলিয়টের কবিতা’ নামে তার কবিতা অনুবাদ করেন।
- হামিদুজ্জামান খান একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশী শিল্পী ও ভাস্কর। ফর্ম, বিষয়ভিত্তিক ও নিরীক্ষাধর্মী ভাস্কর্যের জন্য তিনি সুপরিচিত। - মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত একাত্তর স্মরণে শীর্ষক কাজের জন্য তিনি ভাস্কর হিসেবে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে খ্যাতি লাভ করেন। - পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাজধানী সিউলে অলিম্পিক ভাস্কর্য পার্কে ভাস্কর্য স্থাপনের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচিতি অর্জন করেন।
- বিখ্যাত ‘শাহ সুলতান বলখী মহীসাওয়ার’ এর মাজারটি বগুড়া শহর থেকে ১০ কিমি দূরে মহাস্থানের দক্ষিণ-পূর্বে কোণে অবস্থিত। - মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগী ভিটা, গোবিন্ধ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি। - সুলতান বলখী ১৪শ শতাব্দীতে পুন্ড্রবর্ধনের রাজা পরশুরামকে পরাজিত করে পুন্ড্রবর্ধন জয় করেন। - তিনি ১৩৪৩ খ্রিস্টাব্দে রাজা পরশুরামকে পরাজিত করেন। পরশুরাম ছিলেন পন্ড্রবর্ধনের শেষ রাজা।
- সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে জেলে বসে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন। - নাটকটি ১৯৬৬ সালে প্রকাশ পায়। - ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘কবর’ কবিতার রচয়িতা পল্লীকবি জসীমউদ্দীন।
- ১৫৩৭ সালে শের খান বাংলার রাজধানী গৌড় আক্রমণ করে দখল করে নেন। - শের খানের হাত থেকে গৌড়কে পুনরুদ্ধার করার জন্য মুঘল সম্রাট হুমায়ুন যুদ্ধ ঘোষণা করে। - এই যুদ্ধে শের খান পরাজিত হয় এবং গৌড় মূঘল শাসনের অধীনে পুনরায় ফিরে আসে। - এখানে হুমায়ূন ৬ মাস অবস্থান করেন এবং গৌড়ের চমৎকার ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এর নামকরণ করেন ‘জান্নাতাবাদ'
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)। - ভুটানের কিছু সময় পর ভারতও ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৩১ আগস্ট ১৯৭৫।
- নেপাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ জানুয়ারি ১৯৭২।
- সেনেগাল → ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ (প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান)
- ইরাক → ৮ জুলাই, ১৯৭২ (প্রথম আরব)
- মিশর → ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৬
- ইরান → ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
- সৌদি আরব → ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫
উল্লেখ্য, বাংলাদেশকে এ পর্যন্ত ১৫০ টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।