বাংলা সাহিত্যে দ্বিতীয় বন্ধনী ব্যবহৃত হয়না। এটি কেবল গণিত শাস্ত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বাংলা সাহিত্যে শুধু প্রথম ও তৃতীয় বন্ধনী ব্যবহার করা হয়। প্রথম বন্ধনীঃ কোন বক্তব্যকে বিশদ করা প্রয়োজন হলে প্রথম বন্ধনী ব্যবহার করা হয়। যেমন: - জাফর ও রাজীব আমাকে কামালের সঙ্গে যেতে বলেছেন। সে (কামাল) আমার প্রতিবেশি। - প্রয়োজনে এক বা একাধিক শব্দ বা বাক্যকে প্রথম বন্ধনীর মধ্যে রেখে আরও বিশদ করা হয়। যেমন : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বহুভাষাবিদ পণ্ডিত(ইংরেজি, ফারসি, হিন্দি; সম্ভবত জার্মানও জানতেন) ছিলেন। - কোনও বক্তব্য কিংবা বক্তব্যের অংশবিশেষ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকলে সংশ্লিষ্ট অংশের পর প্রথমবন্ধনী দিয়ে প্রশ্নচিহ্ন বসান হয়। যথা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪৩(?) খ্রিষ্টাব্দে মারা যান।
তৃতীয় বন্ধনীঃ বাংলা ভাষায় তৃতীয় বন্ধনীর ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদ্ধৃতির ব্যাখ্যা বা জটিলতা এড়ানোর জন্য উদ্ধৃতিস্থ বাক্যেও কোনও শব্দ বা শব্দাবলীর শুদ্ধরূপ তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যে দেওয়া হয়। উৎসমূলে যা লেখা আছে সেটি ভুলসহ উদ্ধৃত করে শুদ্ধটি তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যে লিখে দিলে অনেক জটিলতা ও সংশয় এড়ানো যায়। তাহলে পাঠক মূল উদ্ধৃতি এবং শুদ্ধ দুটিই জানতে পারেন।
যেমন : কোনও গ্রন্থে লেখা আছে— ‘মাইকেল মুধুসুদন দত্ত যশোড় জেলার সাঘরদাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।’ এ বাক্যটিকে উদ্ধৃতি দিয়ে লেখা হয়েছে- “মাইকেল মুধুসুদন [মধুসূদন] দত্ত যশোড় [যশোর] জেলার সাঘড়দাড়ি [সাগরদাড়ি] গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন”।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
কোর্স নামঃ
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (২য় ব্যাচ)
টপিকসঃ
প্রধান শিক্ষক ফুল মডেল টেস্ট – ১৮ • বাংলা: ২৫ • ইংরেজি: ২৫ • গণিত: গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান: ২০ • সাধারণ জ্ঞান: (বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও আইসিটি)-২০