বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-

A Nikolai Podgorny

B Leonid Brezhnev

C Mikhail Gorbachev

D Nikita Khrushchev

Solution

Correct Answer: Option A

- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, অর্থাৎ ১৯৭১ সালে, সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রীয় কাঠামো কিছুটা জটিল ছিল।
- সেখানে এক ব্যক্তির হাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকলেও বিভিন্ন জনের ভিন্ন ভিন্ন রাষ্ট্রীয় পদ ছিল।

- রাষ্ট্রপতি (President): ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পদগর্নি। তার পদের আনুষ্ঠানিক নাম ছিল "চেয়ারম্যান অফ দ্য প্রেসিডিয়াম অফ দ্য সুপ্রিম সোভিয়েত"।
- রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি বিভিন্ন দাপ্তরিক ও কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করতেন।
- উদাহরণস্বরূপ, যুদ্ধের প্রথম দিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেপ্তার এবং পূর্ব পাকিস্তানের ঘটনাবলী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি পাঠিয়েছিলেন নিকোলাই পদগর্নি।

- প্রকৃত ক্ষমতাধর নেতা (The Real Power): যদিও পদগর্নি আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ছিলেন লিওনিদ ব্রেজনেভ (Leonid Brezhnev)।
- তিনি ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক (General Secretary of the Communist Party)।
- প্রকৃতপক্ষে, সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক এবং সামরিক সিদ্ধান্ত তার নেতৃত্বেই গৃহীত হতো।

- প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister): এ সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী বা "চেয়ারম্যান অফ দ্য কাউন্সিল অফ মিনিস্টারস" ছিলেন আলেক্সেই কোসিগিন (Alexei Kosygin)।

সুতরাং, প্রশ্নের উত্তর হিসেবে আনুষ্ঠানিক পদাধিকারী অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই নিকোলাই পদগর্নি সঠিক উত্তর। তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, নীতি নির্ধারণ এবং ক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন লিওনিদ ব্রেজনেভ।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions