সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বিশ্বসংস্থায় বাংলাদেশ

৬৭ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: B) ৩টি
• মানব উন্নয়ন সূচক বা Human Development Index (HDI) পরিমাপের জন্য UNDP মূলত ৩টি নির্দেশক বা মাপকাঠি ব্যবহার করে।
• এই ৩টি নির্দেশক হলো: ১. দীর্ঘ ও স্বাস্থ্যকর জীবন (প্রত্যাশিত আয়ু), ২. শিক্ষার হার বা জ্ঞান এবং ৩. জীবনযাত্রার মান (মাথাপিছু আয়)।
• ১৯৯০ সালে প্রখ্যাত পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদ মাহবুব-উল-হক এবং ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এই সূচকটি তৈরি করেছিলেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: C) ২০১০ সালে
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা MDG (Millennium Development Goals)-এর ৪ নম্বর লক্ষ্য ছিল শিশুমৃত্যুর হার কমানো।
• বাংলাদেশ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম হয়।
• এই অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ ২০১০ সালে বাংলাদেশকে মর্যাদাপূর্ণ 'MDG Award' প্রদান করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন (UNCLOS III) অনুযায়ী উপকূলীয় ভিত্তিরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এলাকাকে একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) বলা হয় । এর মধ্যে ১২ নটিক্যাল মাইল আঞ্চলিক সমুদ্র অন্তর্ভুক্ত থাকায় এর মূল দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ১৮৮ নটিক্যাল মাইল । এই ২০০ নটিক্যাল মাইল বা প্রায় ৩৭০.৪ কিলোমিটার সীমানায় উপকূলীয় রাষ্ট্র মৎস্য ও খনিজ সম্পদ আহরণ, কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ এবং সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার একচ্ছত্র অধিকার লাভ করে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের অবতল উপকূলীয় অবস্থানের কারণে সমদূরত্ব নীতি ব্যবহার করলে বাংলাদেশ তার ন্যায্য ভৌগোলিক সমুদ্রসীমা থেকে বঞ্চিত হতো। তাই আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন আদালত (ITLOS) ভৌগোলিক বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়ে ন্যায্যতার নীতি (Principle of Equity) ব্যবহার করে সমুদ্রসীমা বিরোধের রায় প্রদান করে। এই নীতির মাধ্যমে উভয় দেশের অধিকার ও ন্যায্য পাওনার মধ্যে সমতা ও ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করে ।
- এর আগে ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায় ও পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে ।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে এই সদস্যপদ অর্জন করে ।
- বাংলাদেশের সাথে একই দিনে গ্রানাডা ও গিনি-বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জাতিসংঘ সর্বপ্রথম LDC তালিকা প্রকাশ করে- ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশ LDC তে অন্তর্ভুক্ত হয়- ১৯৭৫ সালে।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর উন্নয়ন নীতি বিষয়ক কমিটি বা Committee For development policy (CDP) ২০১৮ সালে বাংলাদেশকে Least Developed Countries (LDC) থেকে উত্তোরণের জন্য প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- CDP এর হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০২৪ সালে LDC থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবার কথা ছিল।
- কিন্তু করোনার কারণে ২০২৪ এর পরিবর্তে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ LDC থেকে বের হয়ে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।
Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য ।
- ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে ৩টি দেশ সদস্যপদ লাভ করে ।
- এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি বিসাউ ।
- বর্ণক্রমানুসারে নাম আসায় বাংলাদেশ ১৩৬তম, গ্রানাডা ১৩৭তম এবং গিনি বিসাউ ১৩৮তম সদস্যপদ লাভ করে ।
Job Solutions প্রাইমারি শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৩৬ তম দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ।
- তখন বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশ গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ সদস্য পদ লাভ করে ।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- ২০২৩-২৫ মেয়াদে বাংলাদেশ জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ (Human Rights Council)-এর সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
- জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ (UN Human Rights Council) হলো জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা।
- এর কাজ হলো বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষা করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর তদন্ত করা ও সুপারিশ প্রদান করা।
- পরিষদটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে কাজ করে।
- মানবাধিকার পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়।
- বাংলাদেশ একাধিকবার জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
- ২০২৩-২৫ মেয়াদের জন্য বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তাইওয়ান হলো সেই দেশ যার সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

তাইওয়ান:
- বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে বাংলাদেশ তাইওয়ানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি।
- বাংলাদেশের সাথে তাইওয়ানের বাণিজ্যিক সম্পর্কের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ILO (International Labour Organization) আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) হল একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার এবং সুযোগ-সুবিধা রক্ষার জন্য কাজ করে। 
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ১৯ এপ্রিল ১৯১৯ প্রতিষ্ঠিত হয় । এটি জাতিসংঘের সবচেয়ে পুরনো সংস্থা।
- সদস্য: আইএলওতে বর্তমানে ১৮৭টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ২২ জুন ১৯৭২ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে ।
- এটি ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

আইএলও শ্রমিকদের অধিকার এবং সুযোগ-সুবিধা রক্ষার জন্য বিভিন্ন কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- শ্রম আইন এবং নীতিমালার বিকাশ,
- শ্রমিকদের অধিকারের উপর শিক্ষা এবং প্রচার ,
- শ্রমিকদের অধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত এবং প্রতিকার।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের অভিবাসী মোট নারীর ৪৪.১৮% এর গন্তব্য সৌদি আরব এবং ১১.৭৬% এর গন্তব্য সংযুক্ত আরব আমিরাত। [সূত্র: বণিক বার্তা।]
ব্যাখ্যা (Explanation)
• CTBT- Comprehensive Test Ban Treaty বা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
• এ চুক্তির মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
• সিটিবিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।
• বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর ১২৯তম দেশ হিসেবে সিটিবিটিতে স্বাক্ষর করে।
• স্বাক্ষরের পর এটি র‌্যাটিফাই বা অনুসমর্থনের প্রয়োজন হয়।
• বাংলাদেশ ২০০০ সালের ৮ মার্চ ২৮তম ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে এটি অনুমোদন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- IDA (International Development Association) তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। যার কারণে IDA কে Soft Loan Window বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ IDA থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ৯ নভেম্বর, ২০২৩ জর্ডানের আম্মানে এক অনুষ্ঠা‌নের মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু করে।
- অনুষ্ঠা‌নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও সংঘাত নিরসনে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব শেখ ড. আয়মান ওদেহ আল-বাদওয়া।
- অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে ছিলেন জর্ডানের নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট সদস্য, শিক্ষাবিদ, ডাক্তার, ব্যবসায়ী, কবি এবং সাংবাদিক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা অপারেশনের অংশ হিসাবে একাধিক দেশে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছে।
- ১৯৮৮ সালে সর্বপ্রথম দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে,একটি হল ইরাক UNIIMOG এবং নামিবিয়া UNTAG।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক হয় ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে। পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- দক্ষিণ সুদান হল  সর্বশেষ সদস্য, ১৪ জুলাই ২০১১ সালে দেশটি অন্তর্ভূক্ত হয়।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গ সংস্থা ছয়টি ও বিশেষায়িত সংস্থার সংখ্যা ১৫টি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
Organization of Islamic Co-operation (OIC) গঠিত হয় ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাজধানী রাবাতে। 
- OIC-র সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। 
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- ওআইসির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- ওআইসির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ২৫টি।
- ওআইসির দাপ্তরিক ভাষা ৩টি [আরবি, ইংরেজি, ফরাসি]
ব্যাখ্যা (Explanation)
GATT (The General Agreement on Tariffs and Trade) এর উত্তরসূরী হিসেবে WTO গঠিত হয়। 
- ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি World Trade Organization (WTO) বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। 
- এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত। 
- এটি বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য জোট। 
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৬৪টি। পর্যবেক্ষক সংখ্যা ২৫টি।
- সর্বশেষ ২৯ জুলাই ২০১৬ আফগানিস্তান WTO এর ১৬৪তম সদস্যপদ লাভ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭১ এর পর বর্তমান পর্যন্ত মোট ৪ জন ্জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশ সফর করেন। এঁরা হলেন- কুর্ট ওয়াল্ড হেইম (১৯৭৩), পেরেজ দ্য কুইলার (১৯৮৯), কফি আনান (২০০১), বান কি মুন (২০০৮ এবং ২০১১), ও রোহিঙ্গাদের সর্বশেষ পরিস্থিতি দেখতে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম ও আন্তর্জাতিক রেডক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মরাসহ উচ্চপর্যায়ের পাঁচ ব্যক্তিত্ব ২০১৮ বাংলাদেশ সফর করেন
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ ১৯৮০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সদস্যপদ লাভ করে । ১৯৮০ সালে মস্কো অলিম্পিকে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলেও মার্কিন প্রভাবিত দেশগুলো মস্কো অলিম্পিক বর্জন করায় বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে লস এঞ্জেলস অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে ।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভঃ
১) IMF – ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
২) Commonwealth – ১৮ এপ্রিল ১৯৭২
৩) WHO – ১৭ মে ১৯৭২
৪) ILO – ২২ জুন ১৯৭২
৫) IBRD (World Bank) – ১৭ আগস্ট ১৯৭২
৬) UNO - ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
৭) UNESCO – ২৭ অক্টোবর ১৯৭২
৮) IAEA - ১৯৭২
৯) NAM – ১৯৭২
১০) FAO – ১২ নভেম্বর ১৯৭৩
১১) OIC - ২৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪
১২) IDB - ১৯৭৪
১৩) INTERPOL – ১৪ অক্টোবর ১৯৭৬
১৪) ICC-র সহযোগী সদস্য – ২৬ জুলাই ১৯৭৭
১৫) ICC-র পূর্ণ সদস্য – ২৬ জুন ২০০০
১৬) FIFA – ১৯৭৪
১৭) IOC (Olympic) – ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮০
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বৈশ্বিক ভাষাচিত্র ২০২৫

- সংস্করণ: ২৮তম
- প্রকাশক: Ethnologue
- বিশ্বে মোট ভাষার সংখ্যা: ৭,১৫৯টি।

মাতৃভাষা অনুসারে বিশ্বের শীর্ষ ৫ ভাষা:
১. মান্দারিন,
২. স্প্যানিশ,
৩. ইংরেজি,
৪. হিন্দি ও
৫. বাংলা।

ব্যবহৃত শীর্ষ ১০ ভাষা:
১. ইংরেজি
২. মান্দারিন
৩. হিন্দি
৪. স্প্যানিশ
৫. আরবি
৬. ফরাসি 
৭. বাংলা 
৮. পর্তুগিজ
৯. রুশ  
১০. ইন্দোনেশীয়।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: নেদারল্যান্ড
⇒ ‘ব-দ্বীপ ২১০০’ বা Bangladesh Delta Plan 2100 হলো বাংলাদেশের জন্য ১০০ বছরের একটি দীর্ঘমেয়াদী মহা-পরিকল্পনা।
⇒ ভৌগোলিকভাবে নেদারল্যান্ড এবং বাংলাদেশ উভয়ই বদ্বীপ রাষ্ট্র (Delta Country)। নেদারল্যান্ড সমুদ্রের পানির উচ্চতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ।
⇒ যেহেতু নেদারল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থার সাথে বাংলাদেশের মিল রয়েছে এবং তারা পানি ব্যবস্থাপনায় সেরা, তাই এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ড বাংলাদেশকে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে।
⇒ এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।