বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ধরা হয় । এই পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮.৫১% নির্ধারণ করা হয়েছিল । এছাড়া এই মেয়াদে গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন ধরা হয়েছিল ৮% । তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ৮.৫১% ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সামগ্রিক খাতভিত্তিক বরাদ্দের দিক থেকে জনপ্রশাসন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে (মোট বাজেটের প্রায় ১৫.১%)। এর পরেই প্রধান ব্যয়ের খাত হিসেবে রয়েছে ঋণের সুদ পরিশোধ (প্রায় ১৩.৬%) এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত (প্রায় ১৩.১%)।
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ও পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) ।
- প্রতিষ্ঠা: এটি ৮ জুন, ১৯৯৩ সালে গঠিত হয় ।
- প্রধান কাজ: পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, সিকিউরিটিজের সঠিক লেনদেন নিশ্চিত করা এবং শেয়ারবাজারের প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করা ।
- অন্যান্য তথ্য: DSE হলো শেয়ার কেনাবেচার বাজার, যা BSEC-এর অধীনে পরিচালিত হয় । অন্যদিকে মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোটগুলোকে সরকারি নোট বলা হয় ।
সরকারি নোট ও ব্যাংক নোটের প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি মুদ্রা, যা অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে এবং এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে ।
- ব্যাংক নোট: ১০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নোট হলো ব্যাংক নোট, যা বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যু করে এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে [2-4]।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান প্রায় ৫২% (সুনির্দিষ্টভাবে ৫১.৬২% বা প্রায় ৫২ শতাংশ)।
মূল্য সংযোজন: স্থির মূল্যে দেশের মোট জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সেবা খাতের মূল্য সংযোজন প্রায় ১৮ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা। শীর্ষ উপখাত: সেবা খাতের মধ্যে এককভাবে সবচেয়ে বড় অবদান পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা (Wholesale and Retail Trade) উপখাতের, যা সামগ্রিক জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ এবং সেবা খাতের প্রায় ৩০ শতাংশ বহন করে।
মুদ্রা ও নোট প্রচলনঃ • ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের মুদ্রার নাম: 'টাকা' নির্ধারণ করা হয় এবং এর সংকেত হলো '৳'। • আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি মুদ্রার কোড: BDT (Bangladeshi Taka)। • উপমহাদেশের প্রথম মুদ্রা আইন পাস হয়: ১৮৩৫ সালে। • উপমহাদেশের প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়: ১৮৫৭ সালে। • বাংলাদেশে দশমিক মুদ্রা চালু হয়: ১৯৬১ সালে। • বাংলাদেশে প্রথম নোট চালু হয়: ৪ মার্চ, ১৯৭২ (১ ও ১০০ টাকার নোট)। • বাংলাদেশে প্রথম ধাতব মুদ্রা চালু হয়: ১৯৭৩ সালে। • বাংলাদেশে মুদ্রার ভাসমান বিনিময় চালু হয়: ২০০৩ সালে (আইএমএফের পরামর্শে)। • দুর্লভ মুদ্রা বলা হয়: ডলার ও পাউন্ডকে। • সরকারি নোট: ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকা যেখানে স্বাক্ষর করেন অর্থ সচিব। • ব্যাংক নোট: ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ২০০ টাকা, ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা । এইগুলো স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ।
- বাংলাদেশে প্রথম 'ক্যাশলেস বাংলাদেশ' উদ্যোগ শুরু হয়েছিল রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে। - ২০২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি প্রায় ১২০০ মার্চেন্ট নিয়ে মতিঝিলে ক্যাশলেস লেনদেনের যাত্রা শুরু হয়। - এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়া নিরাপদ ও সহজ অর্থ লেনদেনের সুবিধা দেয়া হয়, যা খুচরা টাকা ব্যবহারে ঝামেলা কমায়। - এটি বাংলাদেশের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে চালু করা হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে এটি দেশের অন্যান্য জেলায় বিস্তার করার পরিকল্পনা ছিল। - মতিঝিল এলাকা ক্যাশলেস সেবার প্রথম চালু স্থল হওয়ায় এটি দেশের বাণিজ্যিক লেনদেন ব্যবস্থায় এক গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে।
- বাংলাদেশে 'ব্ল্যাক গোল্ড' বা তেজস্ক্রিয় বালু মূলত পাওয়া যায় কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে।
- কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতে প্রচুর পরিমাণে ব্ল্যাক গোল্ড অর্থাৎ তেজস্ক্রিয় খনিজ পদার্থ যেমন জিরকন, ইলমেনাইট, রুটাইল, গার্নেট, মোনাজাইট ও ম্যাগনেটাইট মিশ্রিত বালু পাওয়া যায়, যা অত্যন্ত মূল্যবান। - এই ব্ল্যাক গোল্ড খনিজগুলো শিল্প ও প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত এবং বিশ্ববাজারে এর চাহিদা রয়েছে। - কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালুতে ব্ল্যাক গোল্ডের শতাংশ অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি, যা তাকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বানিয়েছে।
- বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬২ সালে। - এটি মূলত পাকিস্তান শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র নামে ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং স্বাধীনতার পর এর নাম পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র বা বিটাক হয়। - এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা এবং গবেষণা কেন্দ্র যা শিল্প উৎপাদন উন্নত করতে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও সহায়তা প্রদান করে থাকে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে ২০২৬ সালের ১৪ নভেম্বর। - উন্নয়নশীল দেশ হিসেব উন্নীত হলে, বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। - তবে, ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর উন্নয়ন নীতি বিষয়ক কমিটি বা Committee For development policy (CDP) ২০১৮ সালে বাংলাদেশকে Least Developed Countries (LDC) থেকে উত্তোরণের জন্য প্রথম স্বীকৃতি দেয়। - CDP এর হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০২৪ সালে LDC থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবার কথা ছিল। - কিন্তু করোনার কারণে ২০২৪ এর পরিবর্তে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ LDC থেকে বের হয়ে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি):
• এডিপির আকার: মোট ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
• অর্থায়নের উৎস: - সরকারের নিজস্ব তহবিল: ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। - প্রকল্প ঋণ ও অনুদান (বৈদেশিক উৎস): ৮৬ হাজার কোটি টাকা।
• সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাতসমূহ (শীর্ষ ৫টি): - পরিবহন ও যোগাযোগ: ৫৮ হাজার ৯৭৩.৩৯ কোটি টাকা (সর্বোচ্চ)। - বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ৩২ হাজার ৩৯২.২৬ কোটি টাকা (১৪.৮%)। - শিক্ষা: ২৮ হাজার ৫৫৭.৪৩ কোটি টাকা (১২.৪২%)। - গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধাবলী: ২২ হাজার ৭৭৬.৪০ কোটি টাকা (৯.৯০%)। - স্বাস্থ্য: ১৮ হাজার ১৪৮.১৪ কোটি টাকা (৭.৮৯%)।
- এই পাঁচটি খাতে মোট বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছে। - ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি সরকারি বাজেটের মধ্যে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে, যা দেশের দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যবহৃত হবে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪ • মোট জনসংখ্যা : ১৭১.০০ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি (শুমারি- ২০২৩ অনুসারে) । • জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩) : ১.৩৩% । • জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতিবর্গ কিলোমিটার) : ১,১৭১ জন। • গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ- ৭০.৮ ও নারী- ৭৩.৮) । • সাক্ষরতার হার (৭+বয়স) : ৭৭.৯% (পুরুষ- ৮০.১ % ও নারী- ৭৫.৮%) । • জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার : ৫.৮২% (জিডিপির ১৪.২১%) । • জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান : ১১.০২% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.০০%] • জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান : ৩৭.৯৫% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ -১৭.০০% ] • জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান : ৫১.০৪% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ -৩৮.০০% ] • মোট ব্যাংক(তফসিলি) : ৬২টি। [সর্বশেষ ৬২তম তফসিলি ব্যাংক হলো নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।] • ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান : ৩৫ টি • জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য : ৩,৯৯১ কি.মি.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন মোট তিনটি শাখায় বিভক্ত। এই শাখাগুলো হলো:
- বাণিজ্য নীতিমালা শাখা - বাণিজ্য প্রতিকার শাখা - আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত হয়। - কমিশনের প্রধান হচ্ছেন সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান। - বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এ কমিশন দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও ব্যবসার নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার। - এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। - দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%। - ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%। - তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)। - পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য ১৯৭৬ সালে সরকার 'চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ' প্রতিষ্ঠা করে। এ উদ্দেশ্যে প্রণীত হয় "চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ১৯৭৬", যেখানে স্পষ্টভাবে কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার বিধান দেয়া হয়। - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর বন্দর দ্রুত সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের প্রয়োজন অনুভূত হয়, ফলে আগের চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্টের স্থলে এই পূর্ণদায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়। - এর আগে বিভিন্ন সময়ে পোর্ট ট্রাস্ট ও কমিশনারদের মাধ্যমে বন্দর পরিচালিত হলেও বর্তমানের আধুনিক কর্তৃত্বমূলক গঠন হয় ১৯৭৬ সালেই
জিআইএস হলো একটি তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি যার সাহায্যে মৌলিক ডাটা অস্থানিক ডাটা ব্যবহার বিশ্লেষণে সংরক্ষণের মাধ্যমে ভূমির ব্যবহার প্রাকৃতিক সম্পদ পরিবেশ যোগাযোগ নগরায়ন এবং প্রশাসনিক বিষয়ে পরিকল্পনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। জিওগ্রাফির ডেটার উৎস গুলো - - আ্যনালগ মানচিত্র - এরিয়াল ফটোগ্রাফি - স্যাটেলাইট ইমেজ - জিপিএস দ্বারা ভূমি জরিপ - রিপোর্ট এন্ড প্রকাশনা।
- বাংলাদেশে জিআইএস প্রযুক্তি প্রথম আনা হয় ১৯৯১ সালে, যখন সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ভূ-তথ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনায় এর ব্যবহার শুরু হয়। - পরবর্তীতে এই প্রযুক্তি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন নগর পরিকল্পনা, কৃষি, পরিবেশ, ভূমি জরিপ, এবং গবেষণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে। - বর্তমানে বাংলাদেশে জিআইএস প্রযুক্তি অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয় এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা এই প্রযুক্তির ওপর কাজ করছে
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
⇒ সঠিক উত্তর: Bangladesh Financial Intelligence Unit • দেশের অর্থনীতিতে যেন কোনো কালো টাকা বা অবৈধ অর্থ প্রবেশ করতে না পারে এবং কেউ যেন জঙ্গি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করতে না পারে, তা তদারকির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি বিশেষ গোয়েন্দা ইউনিট রয়েছে। • এর নামই হলো BFIU বা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। • ২০০২ সালে এটি 'এন্টি মানি লন্ডারিং ডিপার্টমেন্ট' হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও ২০১২ সালে এটিকে আধুনিকায়ন করে বর্তমান নাম দেওয়া হয়।
- বাণিজ্যিক ব্যাংক বলতে বোঝায় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা আমানত গ্রহণ ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করে। - ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়। - বাংলাদেশে বর্তমানে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত, ৪৩টি বেসরকারি এবং ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। - 'বিহিত মুদ্রার প্রচলন' বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নয়।
• বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান কার্যাবলী:
- আমানত গ্রহণ: বিভিন্ন ধরণের হিসাব যেমন बचत खाता, चालू खाता, মেয়াদী আমানত ইত্যাদি গ্রহণ করে। - ঋণ প্রদান: ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সরকারকে বিভিন্ন শর্তে ঋণ প্রদান করে। - বিনিয়োগ: আমানতের অর্থ বিনিয়োগ করে লাভ অর্জন করে। - বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি: চেক, ড্রাফট, ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদির মাধ্যমে লেনদেনের মাধ্যম সরবরাহ করে। - মূলধন গঠন: बचत ও ঋণের মাধ্যমে অর্থনীতিতে মূলধন গঠনে সহায়তা করে। - বিল বাট্টাকরণ: ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ট্রেড বিল ক্রয় করে তাদের তরলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। - কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সহায়তা: সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করে। - অর্থ স্থানান্তর: দেশের ভেতর ও বাইরে অর্থ স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। - তথ্য সরবরাহ ও পরামর্শ প্রদান: গ্রাহকদের অর্থনৈতিক বিষয়ে তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করে। - আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান: এটিএম, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ইত্যাদি আধুনিক সেবা প্রদান করে। - আর্থিক সচ্ছলতার সনদ প্রদান: ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সচ্ছলতার সনদ প্রদান করে। - অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা: গ্রাহকদের অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। - অর্থ আদায় ও পরিশোধ: বিভিন্ন ধরণের বিল, চেক, ক্রেডিট কার্ডের বিল আদায় ও পরিশোধের সুযোগ করে দেয়। - বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা: আমদানি-নির্याতের লেনদেনে সহায়তা প্রদান করে। - সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয় করে। - অবলেখক হিসেবে কাজ: ব্যবসায়িক লেনদেনে অবলেখক হিসেবে কাজ করে। - অছি হিসেবে কাজ: আন্তর্জাতিক লেনদেনে অছি হিসেবে কাজ করে।
- ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫’ এর আয়োজক হলো বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। - এই সামিটটি ৭ থেকে ১০ এপ্রিল ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিডা এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) যৌথভাবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে। - সামিটে ৫০টি দেশের ৫৫০ জনেরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগকারী অংশগ্রহণ করেন এবং এটি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- গাজীপুরের তাসনিয়া ফেব্রিকস লিড সনদে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে। - কারখানাটির প্রশাসনিক ভবন ১১০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ১০৭। - যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) থেকে ৮ মে এই পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে তাসনিয়া ফেব্রিকসের প্রশাসনিক ভবন। - একই দিন তাসনিয়া ফেব্রিকসের পোশাক কারখানা ভবনও পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে। - এই স্থাপনার প্রাপ্ত নম্বর ১০৬।
- গাজীপুরের টঙ্গীতে ১০ হাজার বর্গফুটের ছোট্ট একটি কারখানায় জুতা তৈরি শুরু করেছিল দেশীয় প্রতিষ্ঠান এক্সপ্রেস লেদার প্রোডাক্টস। - যেটি লোটো বাংলাদেশ নামেই বেশি পরিচিত। - সে সময় পুঁজি ছিল ১৫ লাখ টাকা ও কর্মী মাত্র ৩৫ জন। সেই প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে বড় হয়েছে। - এখন ৯০ হাজার বর্গফুট জায়গায় পণ্য তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি; আর সেখানে কাজ করছেন দুই হাজার মানুষ। - সম্প্রতি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নিজস্ব কারখানা নির্মাণ শুরু করেছে তারা। - প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বর্তমানে পণ্য বিক্রি করে বছরে সব মিলিয়ে ৩০০ কোটি টাকার বেশি আয় করছে লোটো। - নতুন কারখানা চালু হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের আয় ৮০০ কোটি টাকা ছাড়াবে।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ থেকে ছয় ধরণের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে এই জন্যে রপ্তানি কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। - এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা রপ্তানি বাণিজ্য রক্ষায় দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। - নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ফল ও ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, সুতা ও সুতার উপজাত, এবং আসবাবপত্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক ও কাঠের আসবাব ব্যতীত বাকি সব পণ্যই নিয়মিতভাবে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হতো। - আখাউড়া স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৪২৮ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। - ২০২৪-২৫ অর্থবছরের (চলতি) প্রথমার্ধে রপ্তানি হয়েছে ৪৫৩ কোটি টাকার পণ্য। একই সময়ে আমদানি ছিল তুলনামূলক কম, চলতি অর্থবছরে মাত্র ১০৬ টন পণ্য আমদানি হয়েছে।
- দারিদ্র্য বিমোচন সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও সর্বাধিক অগ্রাধিকার প্রাপ্ত একটি কার্যক্রম। - এই কার্যক্রমকে সফলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে “পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)” প্রতিষ্ঠা করা হয়। - পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান। - পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋন এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋন (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।
দেশের উন্নয়নকে গতিশীল এবং উন্নয়নের চালেঞ্জসমুহ মোকাবিলা করতে সরকার ১০০ বছরের দীর্ঘ মেয়াদী একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই মহাপরিকল্পনার নাম হচ্ছে বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০। - নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার আলোকে সেই দেশের সহায়তায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি ) এটি প্রণয়ন করেছে। - বাংলাদেশ ব দ্বীপ পরিকল্পনা -২০২১ এর হটস্পট ছয়টি । যথা: - উপকূলীয় অঞ্চল, - বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল, - হাওড় ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, - - নদী অঞ্চল ও মোহনা এবং - নগর এলাকা সমুহ ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র). - IMF নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার কতৃক গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP. - বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে, এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।