সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বাংলাদেশের অর্থনীতি

৫৯৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।
- তাজউদ্দীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন, বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক উত্তর: B) ১২টি
• বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত e-TIN (electronic Taxpayer's Identification Number) বা ইলেকট্রনিক করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরটিতে মোট ১২টি সংখ্যা বা ডিজিট থাকে।
• জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর ব্যবস্থাকে আধুনিক, ডিজিটাল ও জালিয়াতিমুক্ত করার লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে এই ১২ ডিজিটের e-TIN ব্যবস্থা চালু করে।
• এর আগে সনাতন পদ্ধতিতে যে TIN নম্বর দেওয়া হতো, তাতে ১০টি সংখ্যা থাকত। তবে একই নম্বর একাধিক ব্যক্তির নামে ইস্যু হওয়ার মতো জালিয়াতি রোধ করতেই নতুন এই পদ্ধতি আনা হয়।
• এই ১২টি সংখ্যার মধ্যে করদাতার কর অঞ্চল, সার্কেল এবং ব্যক্তিগত শনাক্তকরণের সুনির্দিষ্ট তথ্য ডিজিটালভাবে সাজানো থাকে।
• আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া, ব্যাংক ঋণ নেওয়া, ট্রেড লাইসেন্স তৈরি, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ বা জমি রেজিস্ট্রেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও আইনি কাজে এই ১২ ডিজিটের e-TIN থাকা বাধ্যতামূলক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জিডিপির সাময়িক হিসাব (Provisional Estimate) অনুযায়ী, জিডিপিতে (GDP) প্রধান তিন খাতের অবদানের শতকরা হার নিম্নরূপ:
- সেবা খাত (সর্বোচ্চ): ৫৩.০৭%
- শিল্প খাত: ৩৫.৭৯% 
- কৃষি খাত (সর্বনিম্ন): ১০.৮৭% 
(উল্লেখ্য, 'বাণিজ্য খাত' জিডিপি গণনার আলাদা কোনো মূল একক খাত নয়; এটি সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত)।

সুতরাং, খাতগুলোর মধ্যে কৃষি খাতের অবদান সবচেয়ে কম (১০.৮৭%)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২:
- জনপ্রতি মাসে আয় ৭,৬১৪ টাকা। এর মধ্যে শহরের একজন মানুষের মাসিক গড় আয় ১০ হাজার ৯৫১ টাকা। আর গ্রামের মানুষের আয় অর্ধেকের কাছাকাছি, ৬ হাজার ৯১ টাকা।
- বিবিএসের সর্বশেষ জরিপ ২০২২ অনুযায়ী, দেশের মানুষ দৈনিক গড় ২৩৯৩ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করে।
- ছয় বছর আগে ২০১৬ সালে দেশের মানুষ গড়ে দৈনিক ২২১০ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করত।
- বিবিএসের জরিপ অনুযায়ী, দেশে এখন অতি দারিদ্র্যের হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ছয় বছর আগে যা ছিল ১২ দশমিক ৯ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৩ এপ্রিল, ২০২৩)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে।
• বরাদ্দের পরিমাণ: ৫০,৩১২.৩৯ কোটি টাকা।
• মোট ADP-র শতাংশ: ২৫.৮%।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে শিক্ষা খাত—৪৯,৫২১.১৫ কোটি টাকা বা ২৫.৪% এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত—৩৫,৫৫২.১০ কোটি টাকা বা ১৮.২%।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে বয়োবৃদ্ধ ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে সরকার 'বয়স্ক ভাতা' কর্মসূচি চালু করে। এটি প্রথম ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে চালু করা হয় ।
- প্রাথমিক অবস্থায় মাসে ১০০ টাকা দেওয়া হলেও বর্তমানে ভাতার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৫০ টাকা ।
- এটি সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি অন্যতম অংশ ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ধরা হয় । এই পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮.৫১% নির্ধারণ করা হয়েছিল । এছাড়া এই মেয়াদে গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন ধরা হয়েছিল ৮% । তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ৮.৫১% ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সামগ্রিক খাতভিত্তিক বরাদ্দের দিক থেকে জনপ্রশাসন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে (মোট বাজেটের প্রায় ১৫.১%)। এর পরেই প্রধান ব্যয়ের খাত হিসেবে রয়েছে ঋণের সুদ পরিশোধ (প্রায় ১৩.৬%) এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত (প্রায় ১৩.১%)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ও পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) ।
- প্রতিষ্ঠা: এটি ৮ জুন, ১৯৯৩ সালে গঠিত হয় ।
- প্রধান কাজ: পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা, সিকিউরিটিজের সঠিক লেনদেন নিশ্চিত করা এবং শেয়ারবাজারের প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করা ।
- অন্যান্য তথ্য: DSE হলো শেয়ার কেনাবেচার বাজার, যা BSEC-এর অধীনে পরিচালিত হয় । অন্যদিকে মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোটগুলোকে সরকারি নোট বলা হয় ।
সরকারি নোট ও ব্যাংক নোটের প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি মুদ্রা, যা অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে এবং এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে ।
- ব্যাংক নোট: ১০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নোট হলো ব্যাংক নোট, যা বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যু করে এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে [2-4]।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান প্রায় ৫২% (সুনির্দিষ্টভাবে ৫১.৬২% বা প্রায় ৫২ শতাংশ)।

সেবা খাত (Services) -  ৫১.৬২% (প্রায় ৫২%)
শিল্প খাত (Industry) - ৩৭.৪৪% (প্রায় ৩৭%)
কৃষি খাত (Agriculture) - ১০.৯৪% (প্রায় ১১%)

মূল্য সংযোজন: স্থির মূল্যে দেশের মোট জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সেবা খাতের মূল্য সংযোজন প্রায় ১৮ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা।
শীর্ষ উপখাত: সেবা খাতের মধ্যে এককভাবে সবচেয়ে বড় অবদান পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা (Wholesale and Retail Trade) উপখাতের, যা সামগ্রিক জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ এবং সেবা খাতের প্রায় ৩০ শতাংশ বহন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মুদ্রা ও নোট প্রচলনঃ 
• ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের মুদ্রার নাম: 'টাকা' নির্ধারণ করা হয় এবং এর সংকেত হলো '৳'।
• আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি মুদ্রার কোড: BDT (Bangladeshi Taka)।
• উপমহাদেশের প্রথম মুদ্রা আইন পাস হয়: ১৮৩৫ সালে।
• উপমহাদেশের প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়: ১৮৫৭ সালে।
• বাংলাদেশে দশমিক মুদ্রা চালু হয়: ১৯৬১ সালে।
• বাংলাদেশে প্রথম নোট চালু হয়: ৪ মার্চ, ১৯৭২ (১ ও ১০০ টাকার নোট)।
• বাংলাদেশে প্রথম ধাতব মুদ্রা চালু হয়: ১৯৭৩ সালে।
• বাংলাদেশে মুদ্রার ভাসমান বিনিময় চালু হয়: ২০০৩ সালে (আইএমএফের পরামর্শে)।
• দুর্লভ মুদ্রা বলা হয়: ডলার ও পাউন্ডকে।
• সরকারি নোট: ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকা যেখানে স্বাক্ষর করেন অর্থ সচিব।
• ব্যাংক নোট: ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ২০০ টাকা, ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা । এইগুলো স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে প্রথম 'ক্যাশলেস বাংলাদেশ' উদ্যোগ শুরু হয়েছিল রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে।
- ২০২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি প্রায় ১২০০ মার্চেন্ট নিয়ে মতিঝিলে ক্যাশলেস লেনদেনের যাত্রা শুরু হয়।
- এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়া নিরাপদ ও সহজ অর্থ লেনদেনের সুবিধা দেয়া হয়, যা খুচরা টাকা ব্যবহারে ঝামেলা কমায়।
- এটি বাংলাদেশের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে চালু করা হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে এটি দেশের অন্যান্য জেলায় বিস্তার করার পরিকল্পনা ছিল।
- মতিঝিল এলাকা ক্যাশলেস সেবার প্রথম চালু স্থল হওয়ায় এটি দেশের বাণিজ্যিক লেনদেন ব্যবস্থায় এক গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- বাংলাদেশে 'ব্ল্যাক গোল্ড' বা তেজস্ক্রিয় বালু মূলত পাওয়া যায় কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে।

- কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতে প্রচুর পরিমাণে ব্ল্যাক গোল্ড অর্থাৎ তেজস্ক্রিয় খনিজ পদার্থ যেমন জিরকন, ইলমেনাইট, রুটাইল, গার্নেট, মোনাজাইট ও ম্যাগনেটাইট মিশ্রিত বালু পাওয়া যায়, যা অত্যন্ত মূল্যবান।
- এই ব্ল্যাক গোল্ড খনিজগুলো শিল্প ও প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত এবং বিশ্ববাজারে এর চাহিদা রয়েছে।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালুতে ব্ল্যাক গোল্ডের শতাংশ অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি, যা তাকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বানিয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬২ সালে।
- এটি মূলত পাকিস্তান শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র নামে ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং স্বাধীনতার পর এর নাম পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র বা বিটাক হয়।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা এবং গবেষণা কেন্দ্র যা শিল্প উৎপাদন উন্নত করতে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও সহায়তা প্রদান করে থাকে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
• বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের সর্ববৃহৎ উৎস হলো চীন।
• ১ম (সর্বোচ্চ): চীন — ১৮,১৯৫.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
• ২য়: ভারত — ৯,৫৫৫.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
• ৩য়: ইন্দোনেশিয়া — ৩,৫৭৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
• ৪র্থ: সিঙ্গাপুর — ২,৮৯৫.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

‘বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি চিত্র: ২০২৪-২০২৫’।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে ২০২৬ সালের ১৪ নভেম্বর।
- উন্নয়নশীল দেশ হিসেব উন্নীত হলে, বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
- তবে, ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।

- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর উন্নয়ন নীতি বিষয়ক কমিটি বা Committee For development policy (CDP) ২০১৮ সালে বাংলাদেশকে Least Developed Countries (LDC) থেকে উত্তোরণের জন্য প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- CDP এর হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০২৪ সালে LDC থেকে পুরোপুরি বের হয়ে যাবার কথা ছিল।
- কিন্তু করোনার কারণে ২০২৪ এর পরিবর্তে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ LDC থেকে বের হয়ে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি):

• এডিপির আকার: মোট ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

• অর্থায়নের উৎস:
- সরকারের নিজস্ব তহবিল: ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা।
- প্রকল্প ঋণ ও অনুদান (বৈদেশিক উৎস): ৮৬ হাজার কোটি টাকা।

• সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাতসমূহ (শীর্ষ ৫টি):
- পরিবহন ও যোগাযোগ: ৫৮ হাজার ৯৭৩.৩৯ কোটি টাকা (সর্বোচ্চ)।
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ৩২ হাজার ৩৯২.২৬ কোটি টাকা (১৪.৮%)।
- শিক্ষা: ২৮ হাজার ৫৫৭.৪৩ কোটি টাকা (১২.৪২%)।
- গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধাবলী: ২২ হাজার ৭৭৬.৪০ কোটি টাকা (৯.৯০%)।
- স্বাস্থ্য: ১৮ হাজার ১৪৮.১৪ কোটি টাকা (৭.৮৯%)।

- এই পাঁচটি খাতে মোট বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছে।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি সরকারি বাজেটের মধ্যে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে, যা দেশের দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যবহৃত হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪
• মোট জনসংখ্যা : ১৭১.০০ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি (শুমারি- ২০২৩ অনুসারে) ।
• জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩) : ১.৩৩% ।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতিবর্গ কিলোমিটার) : ১,১৭১ জন।
• গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ- ৭০.৮ ও নারী- ৭৩.৮) ।
• সাক্ষরতার হার (৭+বয়স) : ৭৭.৯% (পুরুষ- ৮০.১ % ও নারী- ৭৫.৮%) ।
• জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার : ৫.৮২% (জিডিপির ১৪.২১%) ।
• জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান : ১১.০২% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.০০%]
• জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান : ৩৭.৯৫% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ -১৭.০০% ]
• জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান : ৫১.০৪% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ -৩৮.০০% ]
• মোট ব্যাংক(তফসিলি) : ৬২টি। [সর্বশেষ ৬২তম তফসিলি ব্যাংক হলো নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি।]
• ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান : ৩৫ টি
• জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য : ৩,৯৯১ কি.মি.
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন মোট তিনটি শাখায় বিভক্ত। এই শাখাগুলো হলো:

- বাণিজ্য নীতিমালা শাখা
- বাণিজ্য প্রতিকার শাখা
- আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা

- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত হয়।
- কমিশনের প্রধান হচ্ছেন সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এ কমিশন দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও ব্যবসার নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়‍্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।