সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বন ও বনজ সম্পদ

২৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
সুন্দরবন হলো আন্তর্জাতিক রামসার কনভেনশন অনুযায়ী বাংলাদেশে ঘোষিত ১ম 'রামসার সাইট' ।
- রামসার চুক্তি (১৯৭১) হলো বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও জলাভূমি সংরক্ষণের চুক্তি ।
- ১৯৯২ সালে সুন্দরবন বাংলাদেশের ১ম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায় ।
- ২০০০ সালে টাঙ্গুয়ার হাওর ২য় রামসার সাইট ঘোষিত হয় ।

সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কক্সবাজার জেলার চকোরিয়ায় অবস্থিত বনটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট ম্যানগ্রোভ বন।
- এটি চকোরিয়া সুন্দরবন নামেও পরিচিত।
- উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষা এবং সবুজ বেষ্টনী তৈরির লক্ষ্যে ষাটের দশকে সরকারি উদ্যোগে এই বনটি সৃষ্টি করা হয়েছিল।
- প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের আদলে বিভিন্ন প্রজাতির শ্বাসমূলীয় বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে এই বন গড়ে তোলা হয়।

অন্যদিকে,
- সুন্দরবন: খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে অবস্থিত সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন।
- রাতারগুল: সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত এটি বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট (Swamp Forest)।
- লাউয়াছড়া: মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত এটি একটি জাতীয় উদ্যান এবং এটি মূলত একটি ক্রান্তীয় চিরসবুজ ও মিশ্র চিরসবুজ বন।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সুন্দরবন হল একটি ম্যানগ্রোভ বন, যা সমুদ্রের লবণাক্ত পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার জন্য অভিযোজিত।
- এই বনটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভাগ করা হয়েছে এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে হাতি সাধারণত পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের বনাঞ্চলে বেশি দেখা যায়।
- বিশেষ করে টেকনাফ অভয়ারণ্য হাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
- এখানে স্থানীয় এবং মিয়ানমার থেকে আসা অভিবাসী হাতির দল নিয়মিত বিচরণ করে।
- টেকনাফের বনাঞ্চল, বিশেষ করে উখিয়া-টেকনাফ করিডোর, হাতির চলাচলের জন্য পরিচিত।
- রেমা-কালেঙ্গা এবং লাউয়াছড়া অভয়ারণ্য মূলত অন্যান্য বন্যপ্রাণীর জন্য বিখ্যাত, এবং সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বন হওয়ায় সেখানে হাতি দেখা যায় না।
- টেকনাফ অভয়ারণ্য হাতির চলাচলের প্রধান করিডোরগুলোর একটি এবং এখানে হাতি-মানুষ সংঘাতের ঘটনাও বেশি ঘটে।
প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছের নাম বৈলাম।
- ২৪০ ফুটের চেয়েও বেশি উঁচু হওয়া এই গাছ চিরহরিৎ বনাঞ্চলে বেশি দেখা যায়।
- প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ তলা ভবনের সমান হয় এই গাছ।
- বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের দেওয়া তথ্যমতে বর্তমানে দেশে মাত্র ২৪টি বৈলাম বৃক্ষ রয়েছে।
- গাছগুলো রয়েছে বান্দরবানের রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজারের ডুলাহাজরায়।
- চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হাজারিকান্দিতে বৈলাম বৃক্ষ পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সুন্দরবনকে টাইডাল বন, উপকূলীয় বন, ম্যানগ্রোভ বন বলে অভিহিত করা যায়।
- অন্যদিকে, চিরহরিৎ বন হচ্ছে চিরসবুজ বৃক্ষ দ্বারা গঠিত বন। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
-সোপান অঞ্চলের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী।
- সুন্দরবনের গাছগুলি হলো- সুন্দরী, গেওয়া, পশর, ধুন্দল, কেওড়া, গরান, বায়েন, গোলপাতা ইত্যাদি।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'জাতীয় পরিবেশ নীতি' ঘোষণা করা হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশে পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো তদারকির জন্য ১৯৮৯ সালে পরিবেশ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- ১৯৯২ সালে জাতীয় পরিবেশ নীতি প্রণীত হয় এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ বিধিবদ্ধ করার মাধ্যমে পুরনো আইন সংশোধন করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-পেন্সিল তৈরিতে ধুন্দল গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়। 
-এছাড়া সিডর গাছের কাঠ ব্যবহার করে পেন্সিল ব্যবহার করা হয়, যাতে সুগন্ধ থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:  হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত, ফজলি, ল্যাংড়া, হাড়িভাঙ্গা, মহানন্দা, আম্রপালি, মোহনভোগ, গোপালভোগ প্রভৃতি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সামাজিক বনায়ন  জনসাধারণ, বিশেষ করে পল্লির জনগণ এবং দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের অর্থনৈতিক, বাস্ত্তসংস্থানিক ও সামাজিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে পরিচালিত বনায়ন।

বাংলাদেশে সামাজিক বনায়ন প্রকল্প গ্রহণ করেন মাহবুবুল আলম চাষী, অধ্যাপক ইউনুস ও অধ্যাপক আলীমসহ কয়েকজন উদ্যোক্তা। তাঁরা চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত বেতাগী ও পামোরা নামের দুটি বিরান পাহাড়ে এ প্রকল্প গ্রহণ করেন। এজন্য ১০১টি পরিবার বাছাই করে তাদের সেখানে জমি দেওয়া হয়।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া। 

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
-১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৫৭ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
-বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস।
-বর্তমানে দেশে আবিষ্কৃত মোট গ্যাসক্ষেত্র ৩১টি।
- এর মধ্যে চালু আছে ২৯টি।
-অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে মোট গ্যাসের মজুদ ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
-অন্যদিকে, ১৯৬২ সালে জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে প্রথম কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়।
-১৯৫৭ সালে নেত্রকোণা জেলায় চিনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়।
-১৯৫৮ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপে চুনাপাথর পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছের নাম বৈলাম।
- ২৪০ ফুটের চেয়েও বেশি উঁচু হওয়া এই গাছ চিরহরিৎ বনাঞ্চলে বেশি দেখা যায়।
- প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ তলা ভবনের সমান হয় এই গাছ।
- বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের দেওয়া তথ্যমতে বর্তমানে দেশে মাত্র ২৪টি বৈলাম বৃক্ষ রয়েছে।
- গাছগুলো রয়েছে বান্দরবানের রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজারের ডুলাহাজরায়।
- চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হাজারিকান্দিতে বৈলাম বৃক্ষ পাওয়া যায়।
Job Solutions শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, আমাদের দেশে মোট ভূমির মাত্র ১৬ ভাগ বনভূমি রয়েছে যা দেশের প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। তবে এটি সরকারি হিসেবে, প্রকৃত- প্রস্তাবে বনভূমির পরিমাণ মাত্র ৯%। আর World Research Institute এর মতে ৫%। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির পরিমাণ মাত্র ৩.৫%। তা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে । দেশের সময়মত বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। অসময়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে নির্বিচারে বৃক্ষ নিধনের ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্ব পরিবেশ দেখা দিয়েছে গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'জাতীয় পরিবেশ নীতি' ঘোষণা করা হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশে পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো তদারকির জন্য ১৯৮৯ সালে পরিবেশ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- ১৯৯২ সালে জাতীয় পরিবেশ নীতি প্রণীত হয় এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ বিধিবদ্ধ করার মাধ্যমে পুরনো আইন সংশোধন করা হয়।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: উপকূলীয় বন
⇒ ম্যানগ্রোভ (Mangrove) হলো এমন এক ধরণের বিশেষ বন যা উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত মাটি ও পানিতে জন্মে। তাই সাধারণভাবে একে ‘উপকূলীয় বন’ বলা হয়।
⇒ এই বনের উদ্ভিদগুলো জোয়ার-ভাটার পানিতে বেঁচে থাকার জন্য বিশেষ অভিযোজন ক্ষমতা সম্পন্ন (যেমন- শ্বাসমূল বা নিউমাটোফোর থাকে)।
⇒ পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হলো বাংলাদেশের সুন্দরবন।
⇒ ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় এলাকাকে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় এবং ভূমি ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে প্রাকৃতিক দেয়াল হিসেবে কাজ করে।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সুন্দরবন হলো বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যার মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
⇒ এই বিশাল বনভূমিটি দুটি দেশের মধ্যে বিস্তৃত— বাংলাদেশ এবং ভারত।
⇒ সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২% (প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.) বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে অবস্থিত।
⇒ বাকি ৩৮% অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।