সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা

৫৬৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত বিখ্যাত গেরিলা অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিল অপারেশন জ্যাকপট । ১৯৭১ সালের ১৬ আগস্ট ১০ নম্বর সেক্টরের অধীনে নৌ-কমান্ডোরা চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরসহ বিভিন্ন নৌঘাঁটিতে একযোগে এই দুঃসাহসিক আক্রমণ চালান । অপারেশনের কৌশল হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে দুটি নির্দিষ্ট গান বাজিয়ে নৌ-কমান্ডোদের কাছে আক্রমণের সংকেত পাঠানো হতো ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে অবস্থিত 'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটির স্থপতি সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ ।
- এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য (১৯৭৩) ।
- ১৯৭৯ সালে উন্মোচিত এ ভাস্কর্যটিতে ৩ জন মুক্তিযোদ্ধার অবয়ব তুলে ধরা হয়েছে ।
- এটি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলার নারী-পুরুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বিজয়ের প্রতীক ।
- অন্যান্য ভাস্কর্যের মধ্যে শামীম শিকদারের 'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা' এবং হামিদুজ্জামান খানের 'সংশপ্তক' উল্লেখযোগ্য ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
'আমার বন্ধু রাশেদ' বইটি মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস । এটি ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয় । এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম একটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন ।
- লেখক: মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- গ্রন্থরূপ: কিশোর উপন্যাস
- বিষয়বস্তু: মুক্তিযুদ্ধ
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শরণার্থীদের করুণ দুর্দশা দেখে মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ বিখ্যাত 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' (September on Jessore Road) কবিতাটি রচনা করেন । তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিখ্যাত কবি । এই কবিতায় মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোর রোড দিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের অসীম দুঃখ-কষ্ট ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তারামন বিবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরে কর্নেল তাহেরের অধীনে যুদ্ধ করেন ।
- তিনি কুড়িগ্রাম অঞ্চলে সরাসরি সশস্ত্র যুদ্ধ এবং পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির কাজ করেন ।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী যৌথ বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে । যৌথ বাহিনীর পক্ষে মিত্রবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তানের পক্ষে জেনারেল এ. কে. নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন । এর মাধ্যমে বিজয়ের মধ্য দিয়ে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের অবসান ঘটে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৭১ সালের ১৬ আগস্ট রাতে নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত বিখ্যাত গেরিলা অভিযান 'অপারেশন জ্যাকপট' শুরু হয় ।
- এটি মুক্তিযুদ্ধের ১০ নং সেক্টরের অধীনে পরিচালিত বীর নৌ-কমান্ডোদের একটি দুঃসাহসিক আক্রমণ ছিল ।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি শত্রুসেনাদের জলযান ও ঘাটিতে আক্রমণ চালানো ।
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে সাংকেতিক দুটি গান পরিবেশনের মাধ্যমে এই অভিযানের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য বাংলাদেশকে ৪টি সামরিক জোনে ভাগ করে ও জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করেন।
- পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এর নির্দেশে কর্নেল (অব.) এম.এ.জি ওসমানী ৪টি সেক্টরকে পুনর্গঠিত করে পুরো দেশকে ১১টি সেক্টরে ও ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করে।
- এ সময়ে ঢাকা ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। 
- নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- এ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এটিএম হায়দার।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে "সংবাদ পরিক্রমা" উপস্থাপন করতেন দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত সংবাদ পাঠক ও বাচিক শিল্পী, যাঁর কণ্ঠস্বরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাপ্রাণ মানুষের অনুপ্রেরণা ছিল।
- তাঁর সংবাদ পাঠের জন্য তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরও তাঁর সেবা ও সম্মান স্বীকৃত হয়েছে, তিনি ১৯৭২ সালে ভারতীয় সরকার কর্তৃক পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অপারেশন সার্চলাইট ঃ
- সার্বিক তত্ত্বাবধানে: গভর্নর লে. জে টিক্কা খান।
- ঢাকা শহরের দায়িত্বে: জেনারেল রাও ফরমান আলী ।
- ঢাকার বাইরে দায়িত্বে: মেজর খাদিম হোসেন রাজা
- ১৬ মার্চ, ১৯৭১: ইয়াহিয়া সরকার পূর্ব পাক স্তানে গোলাবারুদ ও অস্ত্র সরবরাহ শুরু করে
- ১৮ মার্চ, ১৯৭১: টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী ও মেজর খাদিম হোসেন নীলনকশা তৈরি করে
- ১৯ মার্চ, ১৯৭১: বাঙালি সেনাদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু এবং সার্চ লাইটের নীল নকশা অনুমোদন।
- ২৪ মার্চ, ১৯৭১: চট্টগ্রাম বন্দরে এমভি সোয়াত থেকে অস্ত্র খালাস শুরু করে।
- ২৫ মার্চ, ১৯৭১: গণহত্যা চালাতে পাকিস্তান সেনাদের উদ্দেশ্যে টিক্কা খান বলে, “ এদেশের মানুষ চাই না, মাটি চাই ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
• তমদ্দুন মজলিস' ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
• পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তোলার মাধ্যমে তমদ্দুন মজলিশ প্রথম বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে।
• এ সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।

প্রকাশক: তমদ্দুন মজলিশ
প্রকাশের তারিখ: ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
লেখক: কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ এবং অধ্যাপক আবুল কাশেম
সম্পাদক: অধ্যাপক আবুল কাশেম
বিষয়: বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষার দাবি
ব্যাখ্যা (Explanation)
মুজিবনগর সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ:

- ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে আরও কার্যকর করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে ৮ সদস্যের একটি 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' গঠন করা হয়।
- এই পরিষদের নেতারা মূলত মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিলেন।
- সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছিল যে, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি বাঙালির সার্বজনীন দাবি; এটি কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর একক দাবি নয়।
- ভারতের কলকাতায় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি' নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা পরে 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

এই ৮ সদস্যের কমিটিতে ছিলেন:
- আহ্বায়ক: তাজউদ্দীন আহমেদ
- চেয়ারম্যান: মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী

অন্যান্য সদস্যরা:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে গড়ে ওঠা কিছু উল্লেখযোগ্য মুক্তিবাহিনী:
আফসার বাহিনী – ভালুকা, ময়মনসিংহ অঞ্চল।
কাদেরিয়া, বাতেন বাহিনী – টাঙ্গাইল অঞ্চল।
লতিফ মীর্জা বাহিনী – সিরাজগঞ্জ ও পাবনা।
জিয়া বাহিনী – সুন্দরবন এলাকা।
হেমায়েত বাহিনী – গোপালগঞ্জ।
হালিম বাহিনী – মানিকগঞ্জ।
আকবর বাহিনী – মাগুরা।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ২৪ এপ্রিল, ২০২৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলার্স (আইএজিএস) ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে জেনোসাইড, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে ঘোষণা দেন।
- সংস্থাটির সদস্যদের ভোটাভুটিতে ২০৮টি ভোেট প্রস্তাব গ্রহণের পক্ষে এবং ৪টি বিপক্ষে পড়ে।
- আইএজিএস ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বৈশ্বিক, আন্তঃবিভাগীয়, নির্দলীয় সংস্থা যা গণহত্যার প্রকৃতি, কারণ, পরিণতি সম্পর্কে গবেষণা, শিক্ষা ও প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করে।

অপরদিকে,
- The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO) বা ইউনেস্কো জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসার ও উন্নয়নে কাজ করে।
- International Cricket Council (ICC) ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সর্বোচ্চ ক্রিকেট পরিচালনা পরিষদ ।
- জাতিসংঘের কাজ হলো আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা। এটি বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে গড়ে ওঠা কিছু উল্লেখযোগ্য মুক্তিবাহিনী:
আফসার বাহিনী – ভালুকা, ময়মনসিংহ অঞ্চল।
কাদেরিয়া, বাতেন বাহিনী – টাঙ্গাইল অঞ্চল।
লতিফ মীর্জা বাহিনী – সিরাজগঞ্জ ও পাবনা।
জিয়া বাহিনী – সুন্দরবন এলাকা।
হেমায়েত বাহিনী – গোপালগঞ্জ।
হালিম বাহিনী – মানিকগঞ্জ।
আকবর বাহিনী – মাগুরা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র "যুদ্ধশিশু" (Children of War) এর পরিচালক হলেন ভারতীয় নির্মাতা মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত। এই চলচ্চিত্রটি ২০১৪ সালে মুক্তি পায়।

- ছবিটিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর দ্বারা নির্যাতিত নারীদের কথা এবং যুদ্ধের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন রাইমা সেন, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, ভিক্টর ব্যানার্জি, ফারুক শেখের মতো অভিনেতারা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য স্থাপিত 'গোবরা ক্যাম্প' ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থিত ছিল।
- এই ক্যাম্পে নারীদের জন্য সশস্ত্র প্রশিক্ষণ, নার্সিং, সিভিল ডিফেন্স ইত্যাদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো।
- এটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী সরকারের তত্ত্বাবধানে থাকা সৈয়দা বেগম সাজেদা চৌধুরী।
- প্রায় ৩০০ তরুণী ও কিশোরী সংগঠক এখানে অস্ত্র চালনা এবং গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতেন।
- গেরিলা কর্মসূচির পাশাপাশি তারা রাজনৈতিক এবং দেশপ্রেমভিত্তিক প্রশিক্ষণও পেতেন।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সিপাহি মোস্তফা কামাল ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭ বরিশাল জেলার মৌটুসি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন ।
- ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ ব্রাক্ষণবাড়িয়ার দরুইল গ্রামে যুদ্ধরত অবস্থায় বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহিদ হন।
- আশির দশকে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠকে নিয়ে সাতটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছিলেন সৈয়দ শামসুল হক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং প্রত্যেক সেক্টরের জন্য একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর আবু তাহের এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম. হামিদুল্লাহ খান।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত ১১ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। জুন মাসে তিনি 'জেড ফোর্স' গঠন করলে ১১ নং সেক্টরের দায়িত্ব পরিবর্তন হয়।
- এরপর, নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেজর আবু তাহের। পরবর্তীতে, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম. হামিদুল্লাহ খান সেক্টর কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত হন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের কলকাতায় গঠিত বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম আহ্বায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

- তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকারের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানি কারাগারে বন্দী ছিলেন, তাই তাজউদ্দীন আহমেদ নেতৃত্ব দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ ৮ মে, ১৯৪৩ সালে ফরিদপুর জেলার বোয়ালখালী উপজেলার সালামতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৬৩ সালে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর) যোগদান করেন।
- ২৫ মার্চ, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ইপিআর-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় পক্ষ ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাট এলাকায় চিংড়ি খালের পাড়ে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহিদ হন।
- এরপর তাঁকে রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটের একটি টিলার উপরে সমাহিত করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টরের অধীনে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস (বর্তমান বিজিবি)-এর সদস্য ছিলেন এবং চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের রাঙামাটি-মহালছড়ি জলপথে পাকিস্তানি বাহিনীর অগ্রযাত্রা প্রতিরোধে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন।
- ২৫ মার্চের পর তিনি চট্টগ্রামে অবস্থানরত ই.পি.আর-এর সৈনিকদের নিয়ে ৮নং সেক্টরে যুক্ত হন এবং অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে যুদ্ধ করেন।
- তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি মৃত্যুর পর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান "বীরশ্রেষ্ঠ" উপাধিতে ভূষিত হন।

বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা (Explanation)
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)।
১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না। যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।
চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,
রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
সুন্দরবন - ৯ নং সেক্টর।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- এরপর ১৭ এপ্রিল ,১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের পর গঠিত মন্ত্রীসভার সদস্য ৬ জন ।
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
- রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
Job Solutions প্রাইমারি IBA Faculty (Exam Taker)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ৭ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করা হয়।
তারা হলেন—
১. মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর,
২. হামিদুর রহমান,
৩. মোস্তফা কামাল,
৪. রুহুল আমিন,
৫. মতিউর রহমান,
৬. মুন্সি আব্দুর রউফ এবং
৭. নূর মোহাম্মদ শেখ।
Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ৪টি সামরিক জোনে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করেন।
- পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল ৪টি জোনকে পুনর্গঠিত করে পুরো দেশকে ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করে।
- কিশোরগঞ্জ বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার অংশবিশেষ নিয়ে ১১ নং সেক্টর গঠিত।
- এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের এং স্কোয়াড্রন লিডার হামিদুল্লাহ।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের জাতীয় সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনী কমিটিতে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করেন। ছয় দফার প্রথম দফা বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানকে একটি সত্যিকারের ফেডারেশন রূপে গড়ে তোলা এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি করেন। ছয় দফার শেষ দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মিলিশিয়া বা প্যারামিলিটারি রক্ষী বাহিনী গঠন।

১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রস্তাবসমূহ -
প্রস্তাব -১ঃ শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
প্রস্তাব - ২ঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
প্রস্তাব -৩ঃ মুদ্রা বা অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব -৪ঃ রাজস্ব ,কর , বা শুল্ক সমন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব -৫ঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
প্রস্তাব - ৬ঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৭১ সালের বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আজ সারা বিশ্বে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক প্রামাণিক দলিল হিসেবে পরিগণিত, যাকে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ এর স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো।
- ১৯৯২ সালে ইউনেস্কো তার ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ এর স্বীকৃতি প্রদান কর্মসূচি শুরু করে।
- আমাদের সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিল দ্বারা আমাদের সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- উপরন্তু, সংবিধানের ৭(খ) অনুযায়ী, সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের একটি অপরিবর্তনযোগ্য বিধান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- ফলে পঞ্চম তফসিলে উল্লিখিত বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি আমাদের সংবিধানের একটি অপরিহার্য ও অপরিবর্তনীয় অংশে পরিণত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।