সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ব্রিটিশ শাসনামল

৫৮৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: B) ১৮ জুলাই ১৯৪৭
• ৩ জুন ১৯৪৭ সালে লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত ভাগের যে রূপরেখা দেন (যা 'মাউন্টব্যাটেন রোয়েদাদ' বা '৩ জুন পরিকল্পনা' নামে পরিচিত), তার ওপর ভিত্তি করেই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একটি বিল উত্থাপন করা হয়।
• দীর্ঘ আলোচনার পর ১৮ জুলাই ১৯৪৭ তারিখে ব্রিটিশ রাজপরিবার এতে সম্মতি দেয় এবং 'ভারত স্বাধীনতা আইন' (Indian Independence Act 1947) চূড়ান্তভাবে পাস হয়।
• এই আইনের ভিত্তিতেই ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: B) ভাস্কো-দা-গামা
• পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালের ২০ মে ভারতের পশ্চিম উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান।
• তাঁর এই সমুদ্রপথ আবিষ্কারের ফলেই ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে আসার নতুন এবং সরাসরি জলপথ উন্মুক্ত হয়।
• এই যুগান্তকারী আবিষ্কার পরবর্তীকালে ভারতবর্ষে পর্তুগিজ, ডাচ, ফরাসি এবং সবশেষে ব্রিটিশদের আগমনের পথ প্রশস্ত করেছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৪৭ সালের ৩ জুনের 'মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা' বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮ জুলাই ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ পাস করা হয় । এই আইনের ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীন ডোমিনিয়ন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে । আইনটির মাধ্যমেই ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং দুটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ১৩৫০ সনে (ইংরেজি ১৯৪৩ সাল) অবিভক্ত বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয় । বাংলা ১৩৫০ সনের নামানুসারে এই দুর্ভিক্ষ ইতিহাসে পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত । ইংরেজি ১৯৪৩ সালের হিসাব অনুযায়ী এটি 'তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষ' (Famine of 43) নামেও পরিচিত ।
- প্রধান কারণ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান বার্মা দখল করায় চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের নীতিমালা ।
- প্রভাব: এই মন্বন্তরে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারায় ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষা এবং খলিফার মর্যাদা বজায় রাখার লক্ষ্যে ১৯১৯ সালে খিলাফত আন্দোলন শুরু হয় । এই আন্দোলনের মূল কাণ্ডারী ও প্রধান নেতা ছিলেন মাওলানা মোহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী (যাঁরা 'আলী ভ্রাতৃদ্বয়' নামে পরিচিত) ।

আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যগুলো ছিল:
- তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষা করা ।
- তুর্কি সুলতান বা খলিফার মর্যাদা ও ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৪৬ সালে ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংকট নিরসন ও ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ খুঁজতে ব্রিটিশ সরকার তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভারতে পাঠায় । এই প্রতিনিধি দলটি ইতিহাসে ক্যাবিনেট মিশন বা মন্ত্রী মিশন নামে পরিচিত ।
- ব্রিটিশ ক্যাবিনেটের ৩ জন সদস্যকে নিয়ে এই মিশনটি গঠন করা হয়েছিল ।
- ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আলোচনা করে নতুন সংবিধান রচনার পথ তৈরি করা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনই ছিল এর মূল লক্ষ্য।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনটি মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইন (Montagu-Chelmsford Reform Act) নামে সমধিক পরিচিত ।
তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভারত সচিব এডউইন মন্টেগু এবং ভাইসরয় লর্ড চেমসফোর্ডের নামানুসারে ১৯১৯ সালে এই শাসন আইন প্রণয়ন করা হয় ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনটি হলো মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইন ।
- ১৯০৯ সালের প্রবর্তিত আইনটি ছিল মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন ।

সোর্স: Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- লখনউ চুক্তি (১৯১৬) হলো ভারত উপমহাদেশের হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির প্রথম চুক্তি ।
- চুক্তিটির মূল উদ্দেশ্য ছিল কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা তৈরি করা ।
- এতে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর পক্ষে মতিলাল নেহেরু এবং মুসলিম লীগ-এর পক্ষে এ কে ফজলুল হক ।
- ফলে চুক্তিটি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ-এর মধ্যে সম্পাদিত হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯০৯ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রণীত মার্লি-মিন্টো সংস্কার আইন-এর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য সর্বপ্রথম পৃথক নির্বাচনের অধিকার প্রদান করা হয় ।
মূল বিষয়াবলি:
- পটভূমি: ১৯০৬ সালে আগা খানের নেতৃত্বে শিমলা ডেপুটেশনের মাধ্যমে ভাইসরয় লর্ড মিন্টোর কাছে পৃথক নির্বাচনের দাবি উত্থাপন করা হয় ।
- স্বীকৃতি: ১৯০৯ সালে ভারত সচিব লর্ড মার্লি ও ভাইসরয় লর্ড মিন্টো 'মার্লি-মিন্টো সংস্কার আইন' পাস করে মুসলিমদের পৃথক নির্বাচনের সাংবিধানিক অধিকার প্রদান করেন ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
৩০ ডিসেম্বর ১৯০৬ সালে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় শিক্ষা সম্মেলনে নবাব খাজা সলিমুল্লাহ-এর উদ্যোগে ও প্রস্তাবে 'অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ' আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- নবাব সলিমুল্লাহ প্রথমে 'Muslim All India Confederacy' গঠনের প্রস্তাব পেশ করেছিলেন ।
- উক্ত অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন নবাব ভিকার-উল-মুলক ।
- সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন আগা খান ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে বাঙালিদের ঐক্য এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রতীক হিসেবে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখীবন্ধন উৎসবের শুভ সূচনা করেন । এই উৎসবে বাঙালির ঐক্যের উদ্দেশ্যে একে অপরের হাতে লাল ফিতা বেঁধে দেওয়া হতো ।
- সূচনাকারী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মূল উদ্দেশ্য: বাঙালির অনৈক্য রোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৮৮৩ সালে ভারতে ভাইসরয় লর্ড রিপন-এর শাসনামলে 'ইলবার্ট বিল' প্রণয়ন করা হয়। এই বিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করা, যাতে বিচার ব্যবস্থায় বর্ণবৈষম্য দূর হয়। পরবর্তীতে এই ইলবার্ট আইনের বিরুদ্ধে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানরা তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলে, যা ভারতে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায় এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার অন্যতম পটভূমি তৈরি করে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৮৬১ সালে ভারতে ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড ক্যানিং ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথমবারের মতো কাগজের মুদ্রা এবং পুলিশ সার্ভিস চালু করেন [1-3]। তিনি ছিলেন ভারতের প্রথম ভাইসরয় ও শেষ গভর্নর জেনারেল । তাঁর আমলে ১৮৬১ সালে পুলিশ আইন পাসের মাধ্যমে আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপিত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কাগজের নোটের প্রচলন ঘটে ।
- লর্ড ক্যানিং: ভারতের প্রথম ভাইসরয় (১৮৫৮-১৮৬২) ।
- ১৮৬১ সাল: পুলিশ সার্ভিস ও কাগজের মুদ্রার প্রবর্তন [1-3]।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৮৮২ সালে লর্ড রিপন আধুনিক ভারতের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠন করেন । এই কমিশনের প্রধান ছিলেন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার, যার নামানুসারে এটি হান্টার কমিশন নামে পরিচিত । এই কমিশন ১৮৮৩ সালে তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করে ।
- উইলিয়াম হান্টার: ১৮৮২ সালে গঠিত প্রথম শিক্ষা কমিশনের প্রধান ছিলেন ।
- চার্লস উড: ১৮৫৪ সালের শিক্ষা নির্দেশনামার সাথে সম্পর্কিত ।
- উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক: ১৮৩৫ সালে ইংরেজি শিক্ষা প্রসারের অনুমোদন দেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৮৭৭ সালের ১ জানুয়ারি দিল্লির দরবারে ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়া-কে আনুষ্ঠানিকভাবে 'কাইসার-ই-হিন্দ' (Empress of India) উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- ১৮৫৮ সালে সিপাহী বিদ্রোহের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন বিলুপ্ত হয় এবং ভারতের শাসনভার সরাসরি ব্রিটিশ রাজপরিবারের হাতে চলে যায়।
- ভারতে ব্রিটিশ সার্বভৌমত্ব সুসংহত ও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে ভাইসরয় লর্ড লিটন দিল্লি দরবার আয়োজন করে রানীকে এই উপাধিতে ভূষিত করেন।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট 'ভারত শাসন আইন' পাস করে ।
- এই আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয় ।
- ভারতের শাসনভার সরাসরি ব্রিটিশ রাজমুকুট রানী ভিক্টোরিয়ার হাতে অর্পণ করা হয় ।
- রানীর প্রতিনিধি হিসেবে শাসন পরিচালনার জন্য গভর্নর জেনারেল পদটিকে 'ভাইসরয়' করা হয় এবং লর্ড ক্যানিং ভারতের প্রথম ভাইসরয় নিযুক্ত হন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
লর্ড ডালহৌসি ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের লক্ষ্যে স্বত্ববিলোপ নীতি (Doctrine of Lapse) প্রয়োগ করেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসি এই নীতি প্রণয়ন ও ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করেন।
- এই নীতি অনুসারে, কোম্পানির অধীনস্থ কোনো দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে বা প্রজাবিদ্রোহ ও অন্যান্য কারণে শাসনে অযোগ্য প্রমাণিত হলে, সেই রাজ্য দেশীয় মর্যাদা হারাবে এবং সরাসরি ব্রিটিশ ভারতের অধীনস্থ হবে।
- এই নীতির মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বহু ভারতীয় রাজ্য আত্মসাৎ করে।
- নীতিটি ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কার্যকরী ছিল।

অন্যান্য অপশন সম্পর্কে তথ্য:
- অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি: লর্ড ওয়েলেসলি প্রবর্তন করেন।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নীতি: ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রবর্তন করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৬০০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর ইংল্যান্ডের রানী প্রথম এলিজাবেথ (Elizabeth I) একটি রাজকীয় সনদ বা চার্টার (Royal Charter) প্রদানের মাধ্যমে 'ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' (British East India Company) প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• এই কোম্পানির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে মসলার বাণিজ্য করা।
• রানী প্রথম এলিজাবেথ-এর রাজত্বকাল ছিল ১৫৫৮ থেকে ১৬০৩ সাল পর্যন্ত।
• রানী ভিক্টোরিয়া ছিলেন ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের রানী, যার সময়ে (১৮৫৮ সালে) ভারতে সরাসরি ব্রিটিশ ক্রাউনের শাসন শুরু হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৩৯ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন, যেখানে বলা হয় হিন্দু ও মুসলিম দুটি পৃথক জাতি ।
এই দ্বিজাতি তত্ত্বকে ভিত্তি করে পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয় ।
এর ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান জন্মলাভ করে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।