সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

উপজাতি

১৯০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
খাসিয়াদের গ্রামগুলোকে বলা হয় পুঞ্জি । এই পুঞ্জি বা গ্রামের প্রধানকে বলা হয় মন্ত্রী । খাসিয়ারা একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং এদের সার্কেল প্রধানকে রাজা বলা হয় ।
অন্যান্য তথ্য:
- চাকমাদের গ্রামপ্রধানকে কার্বারী এবং মৌজা প্রধানকে হেডম্যান বলা হয় ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বিজু' হলো চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক ও বর্ষবরণ উৎসব । এটি বাংলা বছরের শেষ দুই দিন এবং নববর্ষের প্রথম দিন পালিত হয় ।
অন্যান্য নৃগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব:
- মারমা: সাংগ্রাই
- ত্রিপুরা: বৈসুক
- গারো: ওয়ানগালা
- সাঁওতাল: সোহরাই

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সমতল এলাকায় জনসংখ্যার দিক থেকে সাঁওতাল হলো বৃহত্তম জনগোষ্ঠী । জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী সমতলে সাঁওতালদের জনসংখ্যা ১,২৯,০৪১ জন । এরা প্রধানত রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও নওগাঁ জেলাসহ সমতল অঞ্চলে বাস করে । সমতলে বসবাসকারী দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী গারোদের জনসংখ্যা ৭৬,৮৪৬ জন । তাই সঠিক উত্তর হলো সাঁওতাল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
• একমাত্র পাঙন উপজাতিই ধর্মীয়ভাবে মুসলমান ।
• পাঙন উপজাতিরা মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় বসবাস করে ।
• এরা পারিবারিকভাবে পিতৃতান্ত্রিক ।
• বাংলাদেশ ছাড়া ভারতের মণিপুর , আসাম ও ত্রিপুরাতেও অধিকসংখ্যক জনসাধারণ বসবাস করছে ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাওতালরা বৃহত্তম রাজশাহী ও রংপুর অবস্থান করেন এদের কোন ধর্ম নেই।
- প্রধান উৎসব সোহরাই।
- এদের দেবতাদের নাম-সিং বোঙ্গা,মারাং বকু,ওয়াক মোরেইকো ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- রাখাইন উপজাতি মূলত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বসবাস করে।
- তাদের প্রধান বসতি কক্সবাজার জেলায়।
- রাখাইনরা ১৮ শতকের শেষের দিকে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসে।
- কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলে তারা বসতি স্থাপন করে এবং এখানেই তাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'আচিক মান্দি' নামে পরিচিত আদিবাসী জনগোষ্ঠী হল গারো সম্প্রদায়।
- গারোরা নিজেদেরকে 'আচিক মান্দি' বা 'মান্দি' অর্থাৎ পাহাড়ের মানুষ হিসেবে পরিচয় দেয়।
- গারোদের প্রধান ভাষা 'মান্দি' এবং তাদের উপ-ভাষা 'আচিক' নামে পরিচিত।
- গারোরা মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, মধুপুর গারো পাহাড় সংলগ্ন ও সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে এবং তারা তিব্বত-বর্মী ভাষা গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- 'আচিক' শব্দের অর্থ গারো ভাষায় 'পাহাড়' এবং গারোদের মাতৃভাষা হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- খিয়াং জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসবের নাম হলো 'হেনেই'।
- এই 'হেনেই' উৎসবকেই নবান্ন উৎসব বলা হয়।
- তারা নতুন ফসল ঘরে তোলার পর এই উৎসব পালন করে।
- এটি জুমের ধান রোপণের সময় বা ধান কাটার পরেও অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং এটি বছরে অন্তত তিনবার পালিত হয়।
- এই উৎসবে গ্রামের লোকজন একত্রিত হয়ে গরু বা মহিষ বধ করে এবং সেই মাংস রান্না করে ভোজের আয়োজন করে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৫-২০ জুন, ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি যথাক্রমে- চাকমা (৪৮৩২৯৯ জন), মারমা (২২৪২৬১ জন), ত্রিপুরা (১৫৬৫৭৮ জন) ও সাঁওতাল (১২৯০৪৯ জন)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- চাকমা : প্রধান উৎসব বিজু
- সাওতাল : প্রধান উৎসব সোহরাই
- ত্রিপুরা/টিপরা : প্রধান উৎসব : বৈসুক
- রাখাইন : প্রধান উৎসব সাংগ্রাং
- খাসী/খাসিয়া : প্রধান উৎসব বড়দিন
- গারো : প্রধান উৎসব ওয়ানগালা
- পাঙন : প্রধান উৎসব ঈদুল ফিতর ও অাজহা
- মণিপুরী : প্রধান উৎসব রাসোৎসব
- খিয়াং : প্রধান উৎসব সাংলান
- তঞ্চঙ্গ্যা : প্রধান উৎসব বিষু
- ম্রো : প্রধান উৎসব ক্লবপাই
- ওরাও : প্রধান উৎসব কারাম
- পলিয়া : প্রধান উৎসব দূর্গাপূজা
- মাহাতো : প্রধান উৎসব সহরায়
- রবিদাস : প্রধান উৎসব মাঘীপূর্ণিমা
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাংগ্রাই বাংলাদেশী মারমা এবং রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসবের নাম, যা প্রতিবছর এপ্রিলের ১৩ থেকে ১৫ তারিখে পালিত হয়।
- যদিও এটি মারমাদের অন্যতম প্রধান একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান, তবে রাখাইনরাও নিজস্ব নিয়মে সাংগ্রাইয়ের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে নেয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে মোট ৭২টি ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এই চুক্তি বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। - চুক্তিটি চারটি খণ্ডে বিভক্ত ছিল।
- চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬৫টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে, এবং বাকিগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চলমান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উপজাতিদের উৎসব -
চাকমা - বিজু (বর্ষবরণ), বৌদ্ধ পূর্ণিমা, ফাল্গুনী পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, কঠিন চীবর দান।
ত্রিপুরা - বৈসুক (বর্ষবরণ); 
সাঁওতাল - সোহরাই, বাহা, ঝুমুর নাচ, ঝিকা নাচ, দোন;
গারো - ওয়ানগালা
রাখাইন - সান্দ্রে, জলকেলি; 
মুরং - ছিয়াছত
মারমা - সাংগ্রেইন (বর্ষবরণ), ল্যাব্রে; 
সাঁওতাল - সোহরাই, ফাগুয়া, ঝুমুর গান।
খিয়াং - সাংলান; 
ওঁরাও - ফাগুয়া
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
- এদের মধ্যে হাজং উপজাতির বসবাস শেরপুর, ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনায়।
- সিলেট জেলায় বসবাসকারী উপজাতি হলো খাসি (খাসিয়া), গারো, কুর্মি, নায়েক, পাত্র, বীন, বোনাজ, মুণ্ডা, মণিপুরী ও ভূমিজ। হাজং ছাড়াও ময়মনসিংহ জেলায় গারো, বর্মণ ও ডালু উপজাতির বসবাস রয়েছে।
- রাজবংশী ও কোচ উপজাতি বাস করে শেরপুর জেলায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর ৯৭তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণে আদিবাসী নারী সৈনিকদের মধ্যে প্রথম শ্রেষ্ঠ নারী সৈনিক হিসেবে স্থান অর্জন করেন নুখিংসাই মারমা। তিনি পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাসিন্দা। কঠোর শারীরিক শৃঙ্খলা, প্যারেড, অস্ত্র চালনা ও সামরিক প্রশিক্ষণে সর্ববিষয়ে শ্রেষ্ঠ নৈপুণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনি এই গৌরব অর্জন করেন।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
আপনার সোর্সে **'মাং'** শব্দটি বা এর অর্থ **'গভর্নর'** সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সোর্সগুলোতে বাংলা ব্যাকরণের বিভিন্ন বিদেশি শব্দ ও পরিভাষার তালিকায় অন্যান্য চীনা শব্দ (যেমন: চা, চিনি, লিচু, সাম্পান) নিয়ে আলোচনা রয়েছে। আপনি কি চান আমি **ওয়েব রিসার্চ (Web Research)** করে 'মাং' শব্দটির ব্যাকরণগত উৎপত্তি ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা খুঁজে বের করি?
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
গারো, সাঁওতাল এবং মণিপুরী হলো বাংলাদেশের স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা স্থানীয় জনগোষ্ঠী [1-3]। গারোরা প্রধানত ময়মনসিংহ ও ময়মনসিংহের পাহাড়ি অঞ্চলে, সাঁওতালরা রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে এবং মণিপুরী সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে [2-4]।
অন্যদিকে, রোহিঙ্গারা মূলত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আদিবাসী বা নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী । এরা মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে । তাই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের স্থানীয় নয় ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ম্রো, হাজং ও তঞ্চঙ্গ্যা হলো বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সমতল অঞ্চলে বসবাসকারী স্বীকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আইনু হলো জাপানের (হুক্কাইডো দ্বীপের) একটি প্রাচীন আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
সুতরাং, আইনু বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
মুর (Moor) হলো মূলত উত্তর আফ্রিকার একটি ঐতিহাসিক নৃ-গোষ্ঠী, যাদের বাংলাদেশে কোনো বসবাস নেই।
বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- খিয়াং: পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলায় বসবাস করে ।
- স্প্রো (বা স্রো/মুরং): বান্দরবান অঞ্চলের একটি প্রাচীন নৃ-গোষ্ঠী ।
- চাক: বান্দরবান ও কক্সবাজার এলাকায় বসবাস করে ।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো মুর।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে:
- রাখাইন: মূলত কক্সবাজার ও পটুয়াখালী জেলায় বাস করে ।
- মণিপুরি ও খাসিয়া: সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বাস করে ।
অন্যদিকে নাগা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রধানত ভারতের নাগাল্যান্ড অঞ্চলে বসবাস করে, বাংলাদেশে এদের কোনো স্থায়ী বাস নেই । তাই সঠিক উত্তর নাগা।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
তঞ্চঙ্গ্যা হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে (বিশেষ করে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী [1-3]। এরা সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে না ।
অন্যদিকে খাসিয়া, পাত্র এবং মণিপুরি জাতিসত্তা প্রধানত বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে ।
অতএব, সিলেটে বাস করে না এমন ক্ষুদ্র জাতিসত্তা হলো তঞ্চঙ্গ্যা ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বম, খুমি এবং চাক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মূল আবাস পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে (প্রধানত বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি) [1-3]।
- অন্যদিকে খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রধান আবাসস্থল হলো বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল (বিশেষ করে মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলা) ।
তাই খাসিয়া জনগোষ্ঠীর মূল বসবাস পার্বত্য চট্টগ্রামে নয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
চুক্তির মূল বিষয়সমূহ:
- সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ ।
- জনসংহতি সমিতির পক্ষে স্বাক্ষর করেন জ্যোতিরিদ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) ।
- এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ সংঘাতের অবসান ঘটে।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজাতির স্বায়ত্তশাসনের অধিকার আদায় করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও তার সশস্ত্র উগ্র সংগঠন শান্তি বাহিনী ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি পাহাড়িদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালে ২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।
- এতে সরকারে পক্ষে স্বাক্ষর করে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ ও শান্তি বাহিনীর পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
চেয়ারম্যান - জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা। 
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা - নির্মল কান্তি চাকমা।
নির্বাহী কর্মকর্তা - সুবর্না চাকমা।
চেয়ারম্যানের সহকারী একান্ত সচিব - বিশ্বজিৎ চাকমা।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
জুম চাষ:
- জুম চাষ হলো একটি প্রাচীন কৃষি পদ্ধতি, যেখানে পাহাড়ের ঢালে বন উজাড় করে এবং তা আগুনে পুড়িয়ে জমিকে চাষের উপযোগী করা হয়।
- এটি "স্ল্যাশ অ্যান্ড বার্ন" পদ্ধতি নামেও পরিচিত।

- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) মিলে প্রায় ৫৪৮০ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে। এর সিংহভাগ অংশে জুম চাষ করা হয়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
কঠিন চীবর দান হলো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
- এটি প্রধানত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে (রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) বসবাসকারী বৌদ্ধ সম্প্রদায় (যেমন: চাকমা, মারমা) পালন করে।
- ৩ মাস বর্ষাবাস পালনের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুলা থেকে সুতা কেটে চীবর (ধর্মীয় পোশাক) তৈরি করে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দান করা হয় বলে একে কঠিন চীবর দান বলে।
(উক্ত তথ্যটি প্রদত্ত সোর্স ফাইলে না থাকায় সাধারণ জ্ঞান থেকে সংগৃহীত ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য।)
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)

পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বৈসাবি হলো অন্যতম বড় উৎসব। বাংলা বছরের শেষ দুই দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন মিলে এই তিন দিন ধরে তারা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে।

  • বৈসু: ত্রিপুরা সম্প্রদায় এই উৎসবকে বৈসু বলে।
  • সাংগ্রাই: মারমা সম্প্রদায় সাংগ্রাই নামে এই উৎসব পালন করে।
  • বিজু: চাকমা সম্প্রদায় বিজু নামে এই উৎসবকে অভিহিত করে।

এই তিনটি নামের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবেই বৈসাবি শব্দটি এসেছে।

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।