Solution
Correct Answer: Option A
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের সাহসী এবং অগ্রগতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের ফলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, সমুদ্রসীমার বিজয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, সামাজিক বিভিন্ন সূচক উন্নয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানীমুখী শিল্পায়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। তবে স্বাধীনতা অর্জনের দীর্ঘ সময় পর দেশি-বিদেশি চাপের মুখে থেকেও মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, দেশান্তর ও ধর্মান্তরসহ মানবতাবিরোধী কাজে সহায়তাকারী অপরাধীদের বিচার শুরু করা এবং তা সফলভাবে শেষের পথে থাকা বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সরকারের সবচাইতে বড় অর্জন। ২০১০ সালের ২৫ মার্চ যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়।
যুদ্ধপরাধ বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইবুনাল :
ট্রাইবুন্যাল-১ : ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ অ্যাক্ট-১৯৭৩' এর ক্ষমতাবলে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের লক্ষ্যে গঠিত হয়। ট্রাইবুন্যাল-২ : ২০১২ সালের ২২ মার্চ গঠিত হয় বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে।
বর্তমানে মামলা কমে যাওয়ায় ট্রাইব্যুনাল দুটিকে একীভূত
করা হয় ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর।
আন্তর্জাতিক এ অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয় । যথা-
(১) কাদের মোল্লা
(২) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান
(৩) সালেহ উদ্দিন কাদের চৌধুরী
(৪) আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ
(৫) মতিউর রহমান নিজামী
(৬) মীর কাসেম
সম্প্রতি, যুদ্ধাপরাধ বিচারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।