সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

সরকার ব্যবস্থা

৩৯০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে পৌরসভার চেয়ারম্যান বা সদস্যকে (কাউন্সিলর) পদ থেকে অপসারণের জন্য অনাস্থা প্রস্তাব পাসের আইনগত বিধান রয়েছে।
- অনাস্থা প্রস্তাব: পৌরসভার চেয়ারম্যান বা কোনো সদস্যকে অপসারণ করতে হলে পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্তত ২/৩ অংশ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের অনাস্থা ভোটের প্রয়োজন হয়।
- অপসারণ প্রক্রিয়া: অনাস্থা প্রস্তাবটি দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত হওয়ার পর তা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিকে অপসারণ করা হয়।
সুতরাং, পৌরসভার চেয়ারম্যান বা সদস্য অপসারণের ক্ষেত্রে ২/৩ অংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ । একটি ইউনিয়ন পরিষদ মোট ১৩ জন প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত হয় ।
এর সদস্য কাঠামোর বিবরণ:
- চেয়ারম্যান: ১ জন
- সাধারণ সদস্য: ৯ জন
- সংরক্ষিত নারী সদস্য: ৩ জন
তাই একটি ইউনিয়ন পরিষদে সাধারণ সদস্য ৯ জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য ৩ জন থাকেন ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন: ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশে প্রথম নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয় ।
- নির্বাচন অনুষ্ঠান: এই নির্দলীয় সরকারের অধীনে ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় [1-3]। ফলে সঠিক উত্তর ১৯৯১ সাল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
ই-গভর্ন্যান্স (E-Governance): ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরকারি তথ্য ও সেবা নাগরিকদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং দুর্নীতি কমে।
- ই-কমার্স: অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা ও ব্যবসা-বাণিজ্য।

সোর্সঃ ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল' (NIS) নীতিমালাটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে প্রণয়ন করে ।
এর মূল উদ্দেশ্য ও বিষয়সমূহ হলো:
- সততা ও নৈতিকতা চর্চার মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে আচরণগত উৎকর্ষ ও চারিত্রিক শুদ্ধতা অর্জন ।
- রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনে দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা ।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review
ব্যাখ্যা (Explanation)
শ্বেতপত্র (White Paper) হলো সরকার কর্তৃক প্রকাশিত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা নীতিগত সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক তথ্য বিবরণী ।
- এতে সমকালীন অর্থনৈতিক বা সামাজিক কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্ত জনসম্মুখে তুলে ধরা হয় ।
- এতে জনগণের স্বার্থে সরকারের নীতি বা পরিকল্পনা ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ থাকে ।
- ব্রিটেনে শ্বেতপত্রকে পার্লামেন্টারি পেপারস বলা হয়ে থাকে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
আমলাতন্ত্রের আদর্শ আইনগত ও যুক্তিসংগত (Legal-Rational) মডেলের প্রবক্তা জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber)। তিনি সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন, পদসোপান ও মেধার ভিত্তিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনার কথা বলেন।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ:
- উড্রো উইলসন: লোকপ্রশাসনের জনক।
- হার্বার্ট সাইমন: সিদ্ধান্ত গ্রহণ তত্ত্বের প্রবক্তা।
- এফ ডব্লিউ টেলর: বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা তত্ত্বের জনক।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ক্ষমতা স্বাতন্ত্র্যকরণ নীতির প্রধান প্রবক্তা হলেন ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু । তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Spirit of Laws'-এ তিনি প্রথম পরিপূর্ণভাবে এই নীতির আধুনিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন ।
এই নীতির মূল কথা হলো:
- রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান অঙ্গ—আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ পৃথক ও স্বাধীনভাবে নিজ নিজ কাজ পরিচালনা করবে।
- কোনো একটি বিভাগের হাতে সব ক্ষমতা পুঞ্জীভূত থাকবে না, যেন স্বৈরাচার রোধ হয় এবং নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষিত হয়।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (Representation of the People Order - RPO) অনুযায়ী, বাংলাদেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য তাদের সকল স্তরের কমিটিতে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নারী সদস্যপদ রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- যদিও এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা ও পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে, তবে মূল আইন অনুযায়ী এই ৩৩ শতাংশের বিধানটি এখনও বহাল রয়েছে।
-  এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো সরকার। সরকার রাষ্ট্রের চালিকা শক্তি। সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে।
যথাঃ
- আইন বিভাগ,
- শাসন বিভাগ ও
- বিচার বিভাগ।
আইন বিভাগঃ 
ক) আইন প্রণয়ন, পরিবর্ধন, সংশোধন করে। [সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত]
খ) সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। [ #অনুচ্ছেদ ৫৫(৩) অনুসারে মন্ত্রিসভা যৌথ ভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবে]
গ) কিছু কিছু নির্বাচনমূলক কাজ। [ #অনুচ্ছেদ ৪৮(১) অনুসারে রাষ্ট্রপতি, #অনুচ্ছেদ ৭৪(১) অনুসারে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন ইত্যাদি ]
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ (Muslim Family Laws Ordinance, 1961) তৎকালীন পাকিস্তানে (যা বর্তমানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান) মুসলিমদের পারিবারিক জীবন নিয়ন্ত্রণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- DPP এর পূর্ণরূপ হলো Development Project Proposal (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা)।
- বাংলাদেশ সরকারের যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও অনুমোদনের জন্য এই প্রাথমিক দলিলটি তৈরি করা হয়।
- এই দলিলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, বাস্তবায়নের সময়কাল, প্রয়োজনীয় বাজেট এবং আর্থ-সামাজিক প্রভাব বিস্তারিতভাবে উল্লেখ থাকে।
- এর ওপর ভিত্তি করেই একনেক (ECNEC) বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
• গঠিত: ১২ জানুয়ারি, ২০০২
• যার এখতিয়ারভুক্ত: বাংলাদেশ সরকার
• সদর দপ্তর: সচিবালয়, ঢাকা
• কাজ: পরিসংখ্যান ব্যবস্থাপনা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের রুপরেখা তৈরি করা। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিঃ (বোয়েসেল) এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। এর মধ্যে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবার-পরিজনকে সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান এবং উদ্ভূত সমস্যার সমাধানসহ সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে। পরবর্তীতে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০১৮” এর মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, যা দেশের কর প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এর প্রধান কাজ হলো কর আদায় এবং দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা।
- এনবিআর ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি বিভাগ করে ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
- এনবিআর এখন রাজস্ব নীতি প্রণয়ন এবং আদায়—দুটি কাজ করে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী প্রধানত জাতীয় সংসদের কাছে জবাবদিহি (accountable) হন। কারণ প্রধানমন্ত্রী সংসদে নির্বাচিত হন এবং তার সরকার গঠন হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোটের ভোটের মাধ্যমে। সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তাদের নীতি-নির্ধারণ ও কর্মপন্থার জন্য জাতীয় সংসদের অনুমতি ও আস্থার জন্য দায়বদ্ধ থাকেন। মন্ত্রীপরিষদসহ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকার জাতীয় সংসদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেন এবং তাদের কার্যক্রম সংসদে উপস্থাপন করে সংসদের সম্মতি নেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তিনটি বিভাগ হলো:
- প্রশাসনিক বা নির্বাহী বিভাগ (যাকে শাসন বিভাগও বলা হয়)
- আইন বিভাগ
- বিচার বিভাগ

- "রাজনৈতিক বিভাগ" কোনো সরকারি বিভাগ হিসেবে বিবেচিত হয় না এবং এটি সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক অংশ নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮:
- ২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন।
- সরকারি চাকুরি আইন, ২০১৮ (৫৭ নং আইন) এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (৫) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই আইন প্রণয়ন করেন।
- আইনটা এস.আর.ও নং ৩০৫ সংশ্লিষ্টট আইন যা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ দ্বারা জারি করা হয়।
- ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- তোপধ্বনি হলো তৎপরাত্বপূর্ণ এবং রাষ্ট্রের গুরুত্ব প্রদর্শনের জন্য সামরিক বাহিনী দ্বারা প্রদত্ত সম্মানসূচক গুলি চালানো।
- স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে তোপধ্বনি সাধারণত ৩১ বার দেওয়া হয়। বিশেষ করে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের সকালে ৩১ বার তোপধ্বনি দিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়ে থাকে।
- এটি জাতীয় উদ্বোধনী ও সম্মানের একটি প্রতীকী অনুষ্ঠান হিসেবে গৃহীত হয়, যা দেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দেশের বিজয়কে স্বীকৃতি দেয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন অধ্যাদেশ ১৯৮৩- এর দ্বারা ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়। ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনকে 'ঢাকা সিটি কর্পোরেশন' করা হয় ১৯৯০ সালে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অর্থনৈতিক সঙ্কটময় সময়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শাসন বিভাগ-এর থাকে ।
- একটি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও নীতি নির্ধারণের দায়িত্ব শাসন বিভাগের উপরই বর্তায়।

অর্থনৈতিক সংকটকালে শাসন বিভাগ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন:
- ব্যয় সংকোচন নীতি অবলম্বন
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়
- বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা
- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতির অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো, এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল—বিশেষ করে ছোট দলগুলিও—তাদের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে সংসদে আসন পায়। ফলে, সংসদে বৃহৎ দলের পাশাপাশি ছোট দলগুলোরও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।

পিআর পদ্ধতির আরও যেসব সুবিধা রয়েছে:
- ভোটের অনুপাতে আসন বণ্টন: PR পদ্ধতিতে, একটি দল যত শতাংশ ভোট পায়, প্রায় সেই অনুপাতে তারা সংসদে আসন পায়। ফলে, কেবল বড় দল নয়, ছোট দলগুলোও তাদের ভোটের অনুপাতে সংসদে প্রবেশের সুযোগ পায়।
- রাজনৈতিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি: এই পদ্ধতিতে ছোট দল, সংখ্যালঘু গোষ্ঠী, বা বিশেষ স্বার্থসম্পন্ন দলগুলোও সংসদে তাদের কণ্ঠ তুলে ধরতে পারে। এতে সংসদে নানামুখী মতামত ও রাজনৈতিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়।
- প্রতিটি ভোটের মূল্য: PR পদ্ধতিতে প্রতিটি ভোটের মূল্য থাকে, কারণ ভোট নষ্ট হয় না; এমনকি ছোট দলকে দেওয়া ভোটও আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।
- বৃহৎ দলের একচেটিয়া আধিপত্য কমে: Winner-takes-all বা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভিত্তিক ব্যবস্থায় ছোট দল প্রায়ই উপেক্ষিত হয়, কিন্তু PR পদ্ধতিতে তাদেরও সমান সুযোগ থাকে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব PR(Proportional Representation) এমন একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা যেখানে একটি রাজনৈতিক দল যে পরিমাণ ভোট পায়, তার প্রায় সমান অনুপাতে সংসদে আসন লাভ করে। অর্থাৎ, যদি কোনো দল মোট ভোটের ৩০% পায়, তাহলে তারা সংসদে মোট আসনেরও প্রায় ৩০% পাবে। এই পদ্ধতিতে ভোটের অনুপাত অনুযায়ী আসন বণ্টন হয়, ফলে প্রতিটি দলের জনপ্রিয়তার যথাযথ প্রতিফলন সংসদে দেখা যায়।

অন্যদিকে,
ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট, মেজরিটি সিস্টেম, প্লুরালিটি সিস্টেম—এই ব্যবস্থাগুলোতে সাধারণত যে প্রার্থী বা দল সর্বাধিক ভোট পায়, সে-ই নির্দিষ্ট আসনটি পায়, কিন্তু মোট ভোটের অনুপাতে আসন বণ্টন হয় না। তাই এগুলো সংখ্যানুপাতিক নয়
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত, যা ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং এর অনুচ্ছেদ ১৫৩।
- এ সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করা হয়।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ (বাংলা: ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯ বঙ্গাব্দ) গণপরিষদ কর্তৃক এ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রধানমন্ত্রী যাদের শপথ পড়ানঃ
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

- স্পিকার শপথ পড়ান যাদেরঃ
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের কে।

- প্রধান বিচারপতি শপথ পড়ান যাদেরঃ
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে।
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'অপারেশন থান্ডারবোল্ট' ২০১৬ সালের ১লা জুলাই ঢাকার গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে চালানো হয়।
- এটি ছিল একটি কমান্ডো অভিযান, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, পুলিশ এবং র‍্যাবের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়।
- জঙ্গিরা হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করার পর এই অভিযান চালানো হয়েছিল।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা - সেখ বশির উদ্দিন

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা - মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা - অধ্যাপক আসিফ নজরুল

অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা - সালেহউদ্দিন আহমেদ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি (আটটি) পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
⇒ বর্তমানে দেশে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (Eighth Five Year Plan) বাস্তবায়নাধীন ছিল (যার মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫)।
⇒ বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল ১৯৭৩-১৯৭৮ সাল মেয়াদের জন্য।
⇒ মাঝে ১৯৮০ দশকে এবং ২০০০ পরবর্তী সময়ে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বদলে কিছু স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বা কৌশলপত্র (যেমন- দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা, PRSP) নেওয়া হয়েছিল, তাই স্বাধীনতার বয়স ৫৩ বছর হলেও পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সংখ্যা ৮টি।
⇒ দেশের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে ‘পরিকল্পনা কমিশন’ এবং এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় ‘জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ’ (NEC)।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।