সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

মধ্যযুগ ও মুসলিম শাসন

৪১৬ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'তুজুক-ই-বাবরী' (বা 'বাবরনামা') গ্রন্থটি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর-এর আত্মজীবনী ।
- এটি মূল তুর্কি ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ।
- এতে সম্রাট বাবরের জীবন, সামরিক অভিযান ও শাসনকালের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে ।
তাই সঠিক উত্তর হলো সম্রাট বাবর ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন গৌড় নগরী দখল করেন । - গৌড় নগরীর অপরূপ সৌন্দর্য ও চমৎকার আবহাওয়ায় মুগ্ধ হয়ে তিনি এর নামকরণ করেন জান্নাতাবাদ । - 'জান্নাতাবাদ' শব্দের অর্থ হলো স্বর্গতুল্য স্থান বা স্বর্গীয় নগরী। - গৌড় ছিল প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ রাজধানী।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
চতুর্দশ শতকে মরক্কোর পরিব্রাজক ইবনে বতুতা বাংলা ভ্রমণ করেন। তিনি তাঁর ভ্রমণগ্রন্থ 'কিতাবুল রেহালা'-য় বাংলাকে 'দোজখ-ই-পুর নেয়ামত' বা 'দোজখপূর্ণ নেয়ামত' নামে অভিহিত করেন ।
এর কারণ:
- নেয়ামত: বাংলায় প্রচুর ধনসম্পদ ও সস্তায় খাদ্যদ্রব্য মিলত ।
- দোজখ: এখানকার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া বিদেশিদের জন্য কষ্টকর ছিল।
অর্থনৈতিক প্রাচুর্য ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার কারণে তিনি বাংলাকে 'প্রাচুর্যপূর্ণ নরক' বলেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১২০৪-১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি শাসন আমলে বাংলার রাজনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত বিদ্রোহপূর্ণ ছিল । দিল্লি থেকে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বাংলার শাসকেরা প্রায়ই দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতেন । এজন্য দিল্লির বিখ্যাত ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাকে 'বুলগাকপুর' (বিদ্রোহের নগরী) বলে অভিহিত করেন ।
- ইবনে বতুতা বাংলাকে বলেন 'দোজখ-ই-পুর নেয়ামত' (প্রাচুর্যপূর্ণ নরক) ।
- মুঘল সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নাম দেন 'জান্নাতাবাদ' ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
দিল্লির ঐতিহাসিক কুতুবমিনারের নির্মাণকাজ ১১৯৯ সালে দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক শুরু করেছিলেন । তবে তিনি কেবল প্রথম তলা তৈরি করতে পেরেছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরসূরি সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ মিনারটিতে আরও তিনটি তলা যোগ করে ১২৩০ সালে এর নির্মাণকাজ সমাপ্ত করেন।
- নির্মাণ শুরু: কুতুবউদ্দিন আইবেক
- নির্মাণ সমাপ্তি: শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৩২৬-২৭ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক সমগ্র দক্ষিণ ভারতে সাম্রাজ্য সুদৃঢ় করা এবং মঙ্গল আক্রমণ থেকে সাম্রাজ্য নিরাপদ রাখার উদ্দেশ্যে দিল্লি থেকে দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তর করেন । তিনি দেবগিরির নতুন নাম দেন দৌলতাবাদ। তবে দীর্ঘ পথপরিক্রমায় চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়া এবং প্রশাসনিক অসুবিধার কারণে পরবর্তীতে তিনি পুনরায় দিল্লিতে রাজধানী ফিরিয়ে আনেন।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরোক্কোর পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ১৩৩৪ সালে ভারতে আগমন করেন। তিনি তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থ 'রিহলা'-য় সুলতানি আমলের ইতিহাস তুলে ধরেন।
তিনি দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খলজী-কে দিল্লির শ্রেষ্ঠ সুলতান হিসেবে আখ্যায়িত করেন। আলাউদ্দিন খলজী তাঁর সুদৃঢ় শাসনব্যবস্থা, সফল সামরিক অভিযান এবং যুগান্তকারী বাজার দর নিয়ন্ত্রণ নীতি-র জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ইবনে বতুতা আলাউদ্দিন খলজীর অর্থনৈতিক সংস্কার ও প্রশাসনিক দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
দিল্লির দাস বংশের সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদ (১২৪৬-১২৬৬ খ্রি.) তাঁর অত্যন্ত সাদাসিধে ও ধার্মিক জীবনযাপনের জন্য ইতিহাসে 'ফকির বাদশা' বা 'দরবেশ রাজা' নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি রাজকোষ থেকে ব্যক্তিগত খরচের জন্য কোনো অর্থ গ্রহণ করতেন না। নিজের জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি স্বহস্তে কুরআন অনুলিপি করতেন এবং টুপি সেলাই করে তা বাজারে বিক্রি করতেন। (তথ্যটি সোর্স ফাইলের বাইরে থেকে সংগৃহীত, যা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য।)
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
দিল্লির সালতানাত ও দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবেক। তিনি তাঁর চরম দানশীলতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি দরিদ্র ও অভাবী মানুষকে অকাতরে লাখ লাখ মুদ্রা দান করতেন। প্রচুর অর্থ দান করার কারণে তাঁকে 'লাখবখশ' (যার অর্থ লাখ টাকা দানকারী) উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর পরিচয়:
- জিল্লে ইলাহি: গিয়াসউদ্দিন বলবনের উপাধি।
- আলমগীর: মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের উপাধি।
- জাহান্দার: মুঘল সম্রাট জাহান্দার শাহ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
১২০৬ খ্রিষ্টাব্দে কুতুবউদ্দিন আইবেক ভারতে মুসলিম শাসন তথা দিল্লি সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন ।
- তিনি মুহম্মদ ঘুরির একজন তুর্কি দাস বা মামলুক ছিলেন ।
- তিনি প্রথম জীবনে ক্রীতদাস ছিলেন বলে তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজবংশকে দাস বংশ বা মামলুক বংশ বলা হয় ।
- কুতুবউদ্দিন আইবেক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের প্রথম সুলতান ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী সেন বংশের দ্বিতীয় রাজধানী নদীয়া অতর্কিত আক্রমণ করেন ।
- আক্রমণের মুখেই রাজা লক্ষ্মণ সেন নদীপথে পালিয়ে পূর্ববঙ্গে (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) চলে যান এবং সেখানকার বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন ।
- নদীয়ার পতনের মাধ্যমে বাংলায় সেন শাসনের পতন ও মুসলিম শাসনের সূচনা হলেও, লক্ষ্মণ সেন ও তাঁর পুত্রগণ পূর্ব বাংলায় আরও কিছুদিন রাজত্ব পরিচালনা করেন ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৭৫৬ সালে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ইংরেজদের পরাজিত করে কলকাতা দখল করেন এবং কলকাতার নাম দেন আলীনগর । পরবর্তীতে রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইংরেজ বাহিনী আবার কলকাতা দখল করে নেয় । ফলে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা এবং রবার্ট ক্লাইভের মধ্যে ১৭৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক 'আলীনগরের সন্ধি' স্বাক্ষরিত হয় । এই সন্ধির মাধ্যমে ইংরেজরা বিনাশুল্কে বাণিজ্য সুবিধা, দুর্গ সংস্কার ও নিজস্ব মুদ্রা চালুর অধিকার লাভ করে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরক্কোর বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ১৩৩৪ সালে ভারতে আসেন । তৎকালীন দিল্লির সুলতান মোহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁর জ্ঞান ও যোগ্যতায় মুগ্ধ হয়ে তাঁকে দিল্লির কাজী (বিচারক) পদে নিয়োগ দেন । পরবর্তীতে ১৩৪২ সালে সুলতান তাঁকে নিজের প্রতিনিধি বানিয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেরণ করেন । ইবনে বতুতার লেখা বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থের নাম 'কিতাবুল রেহালা' ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যাখ্যা:
ফরাসি পরিব্রাজক ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার ১৭শ শতকে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলা ভ্রমণ করেন। বাংলার প্রাচুর্য ও বিপুল খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেখে তিনি বাংলাকে 'ভারতের শস্যভাণ্ডার' বলে আখ্যায়িত করেন।
- উল্লেখ্য, ইবনে বতুতা বাংলাকে 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' এবং সম্রাট হুমায়ুন 'জান্নাতাবাদ' নাম দিয়েছিলেন।
(নোট: বার্নিয়ার সম্পর্কিত তথ্যটি প্রদত্ত সোর্সে না থাকায় বাহ্যিক জ্ঞান থেকে সংকলিত, যা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য।)
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৩৫২ সালে সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ লখনৌতি, সোনারগাঁও ও সাতগাঁও একত্র করে সমগ্র বাংলা ভূখণ্ডকে ঐক্যবদ্ধ করেন । তিনি প্রথম সমগ্র বাংলার মুসলিম অধিপতি হিসেবে 'শাহ-ই-বাঙ্গালা' উপাধি নেন এবং এই ভূখণ্ডকে 'মুলক-ই-বাঙ্গালাহ' নাম দেন ।
তাঁর সময় থেকেই অঞ্চলের অধিবাসীরা 'বাঙালি' নামে পরিচিতি পায় ।
- ইলিয়াস শাহ: স্বাধীন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা ।
- ঐক্যবদ্ধ বাংলা: প্রথম সমগ্র বাংলার অধিপতি হন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৫৮০ সালে মুঘল সম্রাট আকবর তাঁর সাম্রাজ্যকে বিভিন্ন সুবাহ বা প্রদেশে বিভক্ত করেন এবং বঙ্গদেশকে 'সুবা-ই-বাঙ্গালাহ' (বা সুবা বাংলা) নামে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন [1-3]। এই সুবাহর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে বলা হতো সুবাদার । পরবর্তীতে ১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খান সমগ্র বাংলায় সুবাদারি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৩৫২ সালে সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা এক করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন ।
- তিনি পুরো বাংলা জয় করে নিজেকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'শাহ-ই-বাঙালিয়ান' উপাধিতে ভূষিত করেন ।
- এর মাধ্যমে তিনি সমগ্র বাংলার প্রথম মুসলিম একচ্ছত্র অধিপতি হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ।
- তাঁর শাসন আমল থেকেই এই অঞ্চলের অধিবাসীরা 'বাঙালি' নামে পরিচিতি লাভ করে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে হিজরি, সৌর ও কৃষি বর্ষের সমন্বয়ে বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয় । মূলত কৃষকদের কাছ থেকে হিজরি পঞ্জিকার কারণে অসময়ে ফসল তোলার আগেই রাজস্ব আদায়ের অসুবিধা দূর করতে বিজ্ঞ জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমীর ফতেহউল্লাহ সিরাজীর গবেষণার ভিত্তিতে এই বাংলা সনের প্রচলন ঘটে । এছাড়াও সম্রাট আকবরের সময়েই প্রশাসনিক সুবিধার্থে সমগ্র বাংলা অঞ্চলকে মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে 'সুবেহ-ই-বাঙ্গালা' নামকরণ করা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
দিল্লি সালতানাতের শাসক মুহাম্মদ বিন তুঘলক ইতিহাস বিখ্যাত দুটি প্রধান সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন:
- রাজধানী স্থানান্তর: তিনি প্রশাসনিক সুবিধার্থে রাজধানী দিল্লি থেকে দাক্ষিণাত্যের দেবগিরিতে (দৌলতাবাদ) স্থানান্তর করেন ।
- প্রতীকী মুদ্রা প্রবর্তন: তামা ও পিতলের তৈরি ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম প্রতীকী মুদ্রা (Token Currency) প্রচলন করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
হোসেন শাহী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকাল (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রি.) ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ । তাঁর ২৬ বছরের রাজত্বকালে বাংলায় শিক্ষা, সাহিত্য, স্থাপত্য ও সামাজিক সম্প্রীতির অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয় । তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক বিকাশ ঘটে, যেমন মহাভারত ও শ্রীমদ্ভগবত বাংলায় অনূদিত হয় এবং বিখ্যাত গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ নির্মিত হয় । রাজ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় ইতিহাসবিদগণ তাঁর শাসনকালকে বাংলায় মুসলিম শাসনের স্বর্ণযুগ বলে অভিহিত করেছেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক ১২০৬ সালে দাস বংশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও সুলতান ইলতুৎমিশকে দিল্লির সালতানাত ও দাস বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
এর কারণগুলো হলো:
- তিনি রাজ্য বিস্তার ও সাম্রাজ্য সুসংগঠিত করে দিল্লিকে স্থায়ী রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১২২৯ সালে বাগদাদের খলিফার থেকে স্বাধীন সুলতান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
- তিনি রূপার টাকা ও তামার জিতল মুদ্রা চালু এবং "চল্লিশ চক্র" গঠন করে শাসনব্যবস্থা মজবুত করেন।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রজাসাধারণ ও রাজকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে মুঘল সম্রাট আকবর 'দ্বীন-ই-ইলাহী' এবং 'মনসবদারী' প্রথা চালু করেন ।
- দ্বীন-ই-ইলাহী: সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে বিভিন্ন ধর্মের মূলভাব নিয়ে এই ধর্মীয় মতবাদ চালু করেন ।
- মনসবদারী প্রথা: এটি মুঘল শাসনের একটি প্রশাসনিক ও সামরিক পদমর্যাদা ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে রাজকার্য ও শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করা হতো ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৬৬৬ সালে মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁ পর্তুগিজ ও মগ জলদস্যুদের বিতাড়িত করে চট্টগ্রাম জয় করেন এবং তা মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন । চট্টগ্রাম দখলের পর তিনি এর নাম পরিবর্তন করে রাখেন ইসলামাবাদ ।
- ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয় ।
- বিজয়ের পর চট্টগ্রামের নতুন নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ ।
- ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকার নাম রেখেছিলেন জাহাঙ্গীরনগর ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৬১০ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সুবেদার ইসলাম খাঁ রাজমহল থেকে মুঘল রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন ।
- তিনি তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর সম্মানার্থে ঢাকার নাম রাখেন 'জাহাঙ্গীরনগর' ।
- এর মাধ্যমে ঢাকা প্রথমবারের মতো বাংলার প্রশাসনিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায় ।
- ইসলাম খাঁকে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুবেদার বলা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনকাল ও জীবনভিত্তিক বিখ্যাত গ্রন্থ 'আকবরনামা' ফারসি ভাষায় ৩টি খণ্ডে রচনা করেন তাঁর প্রধানমন্ত্রী আবুল ফজল । এই বিখ্যাত 'আকবরনামা' গ্রন্থের ৩য় খণ্ডটিই হলো 'আইন-ই-আকবরী' । এতে সম্রাট আকবরের শাসনব্যবস্থা ও জীবনভিত্তিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে । আবুল ফজলের প্রকৃত নাম ছিল 'শেখ আবুল ফজল ইবনে মোবারক' ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১২০৪ সালে মুসলিম সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী সেন রাজবংশের রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন ।
বখতিয়ার খলজী ঝাড়খণ্ডের পথ দিয়ে মাত্র ১৭-১৮ জন অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে আকস্মিকভাবে সেনদের রাজধানী নদীয়া আক্রমণ করেন । তৎকালীন রাজা লক্ষণ সেন আত্মরক্ষার সুযোগ না পেয়ে নদীপথে বিক্রমপুরে পালিয়ে যান । এর ফলে বাংলায় সেন শাসনের অবসান ঘটে এবং মুসলিম শাসনের সূচনা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১২০৪ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া দখল করেন । এর মাধ্যমে বাংলায় প্রথম মুসলিম শাসনের সূচনা ঘটে । ১২০১ থেকে ১৩০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে ত্রয়োদশ শতক বলা হয়, তাই ১২০৪ সালটি ত্রয়োদশ শতকের অন্তর্ভুক্ত ।
- ১২০৪ সালে নদীয়া বিজয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরক্কোর প্রখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় আগমন করেন । তিনি তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থ 'কিতাবুল রেহালা'-য় বাংলার প্রচুর ধনসম্পদ ও অনুকূল প্রাকৃতিক প্রাচুর্যের পাশাপাশি স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার কারণে বাংলাকে 'দোজখ-ই-পুর নিয়ামত' বা 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' বলে আখ্যায়িত করেছেন ।
- সফরনামা-ই-হিন্দ / কিতাবুল হিন্দ: আল-বিরুনির রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ।
- তারিখ-ই-ফিরোজশাহী: জিয়াউদ্দিন বারানীর রচিত ইতিহাস গ্রন্থ ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১২০৪ সালে মুসলিম সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন । বিজয়ের পর তিনি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতী দখল করে এর নতুন নাম দেন লখনৌতি । তিনি এই লখনৌতিতেই তাঁর রাজ্য পরিচালনার প্রধান রাজধানী স্থাপন করেন । পরবর্তীতে এটি বাংলায় মুসলিম শাসনের একটি প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে । তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো লখনৌতে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
দিল্লি সালতানাত ও দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবেক। তিনি অত্যন্ত উদার ও দানশীল শাসক ছিলেন। দরবারে আগত দরিদ্র, অসহায় ও সাহায্যপ্রার্থীদের তিনি মুক্তহস্তে প্রচুর অর্থ ও সম্পদ দান করতেন। তাঁর এই অসামান্য বদান্যতা এবং অকাতরে লাখ লাখ মুদ্রা দান করার কারণেই ইতিহাসে তাঁকে 'লাখ-বখশ' (যার অর্থ লক্ষ দাতা) উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।