সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বাংলাদেশের সংবিধান

৪১৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট'।
- সুপ্রিম কোর্টের ২টি বিভাগ রয়েছে, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে নিযুক্ত অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা বলবৎ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা বা রিট পিটিশন দায়ের করা যায়।
- সংবিধানের ৪৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পার্ট-৩ এ বর্ণিত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য ১০২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করার অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
- ১০৪ নং অনুচ্ছেদ: আপিল বিভাগের সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা আদেশ জারির ক্ষমতা।
- ১০৬ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রিম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- ১১১ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বাধ্যবাধকতা সংক্রান্ত, যা দেশের অধস্তন সকল আদালতের ওপর বলবৎযোগ্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার ওপর 'বিসমিল্লাহির-রহমানির-রহিম' লেখা রয়েছে।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দানসহ সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এটি সংযোজন করা হয়।
- জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল (যা পরবর্তীতে বাতিল হলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে বিসমিল্লাহির-রহমানির-রহিম বহাল রাখা হয়)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে (১৩৩-১৪০ অনুচ্ছেদ) কর্মবিভাগ বর্ণিত আছে ।
- ১৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদ: এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলি উল্লেখ রয়েছে । সংসদ আইনের দ্বারা এই নিয়োগ ও শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ।
- ১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদ: এই অনুচ্ছেদের আওতায় সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রতিষ্ঠিত হয় ।
অতএব, সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলির সঠিক উত্তর ১৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদ ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'জাতীয় সংসদ' গঠিত হয় এবং আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের ওপর ন্যস্ত থাকে ।
অন্যান্য অনুচ্ছেদসমূহ:
- ৬৪(১) অনুচ্ছেদ: অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগের বিধান রয়েছে ।
- ৬৬(১) অনুচ্ছেদ: সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বলা হয়েছে ।
- ৭২(১) অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংসদের অধিবেশন আহ্বানের বিধান রয়েছে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন চালু না থাকলে রাষ্ট্রপতি জরুরি প্রয়োজনে আইন জারি করতে পারেন । এই বিশেষ আইনকে অধ্যাদেশ (Ordinance) বলে ।

মূল বিষয়সমূহ:
- অধ্যাদেশ সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মতোই সমান কার্যকর হয় ।
- পরবর্তীতে সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা সংসদে উত্থাপন ও অনুমোদন করাতে হয় ।

অন্যান্য অনুচ্ছেদ:
- ৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদ: মন্ত্রীদের পদের মেয়াদ সংক্রান্ত ।
- ৭২ নম্বর অনুচ্ছেদ: সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও স্থগিতকরণ ।
- ১০২ নম্বর অনুচ্ছেদ: হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করার অধিকার ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে । সংবিধানের ৩১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনানুযায়ী ব্যবহার লাভ এবং আইনের আশ্রয়লাভ করা প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে ।

অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলো হলো:
- ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ: আইনের দৃষ্টিতে সমতা ও সমান আশ্রয় লাভের অধিকার ।
- ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ: জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ ।
- ৩৩ নম্বর অনুচ্ছেদ: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭৫ সালে সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয় । এর মাধ্যমে বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় শাসনব্যবস্থা (বাকশাল) প্রবর্তন করা হয় । মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর এই পরিবর্তনের কারণে ৪র্থ সংশোধনীকে সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বা 'First distortion of constitution' বলা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ৮-২৫) রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আলোচনা করা হয়েছে [1-3]। সংবিধানের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ৪টি নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ।
অন্যান্য বিকল্প অনুচ্ছেদসমূহ:
- ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য
- ৯ নম্বর অনুচ্ছেদ: জাতীয়তাবাদ
- ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার

সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের সংবিধানে ৯ম-(ক) ভাগে জরুরি বিধানাবলী আলোচিত হয়েছে ।
- ১৪১ক অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জরুরি অবস্থা ঘোষণা ।
- ১৪১খ অনুচ্ছেদ: জরুরি অবস্থাকালে সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদ (৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২) স্থগিত রাখা ।
- ১৪১গ অনুচ্ছেদ: জরুরি অবস্থায় সংবিধানের ৩য় ভাগের মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎকরণের অধিকার স্থগিত রাখার বিধান রয়েছে । তাই সঠিক উত্তর ১৪১গ অনুচ্ছেদ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩য় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে। কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা বলবৎ করার জন্য ১০২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করা যায় ।
- ৪৪(১) অনুচ্ছেদ: এতে বলা হয়েছে, ১০২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করার অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে ।
- ১০২(১) অনুচ্ছেদ: এর মাধ্যমে ক্ষুব্ধ ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করে মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে পারেন ।
- ১০১ অনুচ্ছেদ: হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার ও ক্ষমতা নির্দেশ করে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের সংবিধানের সূচনাতেই মূল প্রস্তাবনার ঠিক ওপরে 'বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম' (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহর নামে / পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে) লেখা রয়েছে । ১৯৭৯ সালে সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে এটি প্রস্তাবনার ওপরে সংযোজন করা হয় । পরবর্তীতে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমেও এটি সংবিধানে বহাল রাখা হয় । তাই সঠিক উত্তর হলো বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নম্বর অনুচ্ছেদে 'ন্যায়পাল' (Ombudsman) প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে । ন্যায়পাল হলেন সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা, যিনি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষের যেকোনো কাজের তদন্ত করতে পারেন । ১৯৭২ সালের সংবিধানে এই বিধান রাখা হয় এবং ১৯৮০ সালে ন্যায়পাল আইন প্রণয়ন করা হয় । উল্লেখ্য, বিশ্বের সর্বপ্রথম ন্যায়পাল পদটি ১৮০৯ সালে সুইডেনে চালু হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নবম-(ক) ভাগে জরুরি বিধানাবলী সংক্রান্ত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে । সংবিধানের ১৪১ক নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যুদ্ধ, বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের কিংবা কোনো অংশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন হুমকির মুখে পড়লে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন । তবে এই ঘোষণার বৈধতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক । ১৯৭৩ সালে সংবিধানের ২য় সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থার এই বিধান যুক্ত করা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে (ফ্লোর ক্রসিং) তাঁর আসন শূন্য হয় ।
অন্যান্য অনুচ্ছেদসমূহ:
- ৬৬ নম্বর অনুচ্ছেদ: সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা ।
- ৭২ নম্বর অনুচ্ছেদ: সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ ।
- ৭৬ নম্বর অনুচ্ছেদ: সংসদীয় স্থায়ী কমিটিসমূহ গঠন ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ ।
সংবিধানের এই ধারাটি দেশে জনগণের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক মূলনীতিকে প্রতিষ্ঠিত করে। এর মূল কথা হলো—রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস জনগণ এবং জনগণের পক্ষে এই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনগণ তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে পরোক্ষভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলিয়া পরিচিত হবেন ।
এখানে জাতীয়তা ও নাগরিকত্বের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে:
- জাতিগত পরিচয়: সংস্কৃতি ও ভাষাভিত্তিক বৈশিষ্ট্যের কারণে আমাদের পরিচয় 'বাঙালি' ।
- নাগরিকত্ব পরিচয়: রাষ্ট্রীয় ও আইনি অধিকারের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অধিবাসীদের নাগরিকত্ব হলো 'বাংলাদেশি' ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী । অর্থাৎ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল নাগরিক আইনের চোখে সম-অধিকার পাবে ।
- ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদ: ধর্ম, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদে বৈষম্যহীনতা ।
- ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদ: সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতা ।
- ৩১ নম্বর অনুচ্ছেদ: আইনের আশ্রয়লাভের অধিকার ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: ১০ এপ্রিল ১৯৭২।
⇒ বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর দেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নিয়ে 'বাংলাদেশ গণপরিষদ' গঠন করা হয়।
⇒ এই গণপরিষদের মূল কাজ ছিল দেশের জন্য একটি নতুন সংবিধান তৈরি করা।
⇒ এই ঐতিহাসিক গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনটি বসেছিল ১৯৭২ সালের ১০ই এপ্রিল। এই অধিবেশন থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান রচনার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
⇒ এর পরের দিন, অর্থাৎ ১১ই এপ্রিল, ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের 'সংবিধান খসড়া প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: বেগম রাজিয়া বানু।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছিল, সেই কমিটিতে মাত্র একজন নারী সদস্য ছিলেন।
⇒ তিনি হলেন বেগম রাজিয়া বানু।
⇒ এই কমিটিতে ড. কামাল হোসেন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এর সদস্য ছিলেন।
⇒ বেগম রাজিয়া বানুর উপস্থিতি নিশ্চিত করে যে, দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, "বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে তা গঠিত হবে।
- এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং সংবিধানের রক্ষক ও ব্যাখ্যাকারী হিসেবে কাজ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৬-তে "গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ণের ব্যবস্থা" বিষয়টিকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে যেগুলোর মধ্যে গ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুতায়ণের ব্যাপারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এটি একটি মৌলিক রাষ্ট্রনৈতিক নির্দেশনা হিসেবে নজরে রাখা হয় যাতে দেশের গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সংসদ সদস্য পদ শূন্য হলে উক্ত আসনের জন্য ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৩(৪)-এ।
- এই ধারা নির্দেশ করে যে যদি কোনো সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হয়, তাহলে সরকারকে ৯০ দিনের মধ্যে ঐ আসনের জন্য নির্বাচন সম্পন্ন করতে বাধ্য করা হয়েছে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮ নং অনুচ্ছেদ এবং ৩য় তফসিল অনুযায়ী সাংবিধানিক পদের শপথ পাঠ করানো হয়।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- পক্ষান্তরে স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
-বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির।
-এ পদ্ধতিতে প্রধানমন্ত্রীর হাতে সরকারের প্রধান ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
-বহুদলীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জনগণের সরাসরি ভোটে জাতীয় সংসদে সদস্যরা নির্বাচিত হন।
-নির্বাহী ক্ষমতা সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং সরকার নির্বাহী বিভাগ পরিচালনা করে।
-আর সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন প্রেসিডেন্ট।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission - BPSC) একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রতি বছর মার্চ মাসের প্রথম দিনে বা তার পূর্বে পূর্ববর্তী বছরের সম্পাদিত কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা।

সুতরাং, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারেই বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে তার বার্ষিক রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির নিকট জমা দিতে হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি সেই রিপোর্টটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করেন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ৫ আগস্ট ২০২৪ এ সাধারণ ছাত্রদের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের তোপের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
- তারপর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে রয়েছে ১০টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
- ১৬ আগস্ট নতুন করে উপদেষ্টাদের দপ্তর পুনর্বন্টন করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।