নাসিক্য বর্ণ কোনগুলো?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option B
যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় বাতাস মুখের পাশাপাশি নাক দিয়েও বের হয়, সেগুলোকে নাসিক্য বর্ণ বা অনুনাসিক বর্ণ বলে।
- বাংলা বর্ণমালায় ৫টি নাসিক্য বর্ণ রয়েছে: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
- বাংলা ভাষার নিয়মানুযায়ী কিছু নাসিক্য বর্ণ (ঙ, ঞ, ণ) দিয়ে কখনো কোনো শব্দ শুরু হয় না। এগুলো সর্বদা শব্দের মাঝে বা শেষে ব্যবহৃত হয়।
• উদাহরণ: ব্যাঙ (ঙ শেষে), মিঞা (ঞ মাঝে), কারণ (ণ শেষে)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অ, ঋ, ব: এখানে 'অ' ও 'ঋ' স্বরবর্ণ এবং 'ব' স্পর্শ বর্ণ; এরা নাসিক্য নয়।
- উ, ঊ, য়: এগুলো নাসিক্য বর্ণ নয়।
- শ, স, ষ: এগুলো উষ্ম বা শিস ধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি নয়।
- বাংলা বর্ণমালায় ৫টি নাসিক্য বর্ণ রয়েছে: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
- বাংলা ভাষার নিয়মানুযায়ী কিছু নাসিক্য বর্ণ (ঙ, ঞ, ণ) দিয়ে কখনো কোনো শব্দ শুরু হয় না। এগুলো সর্বদা শব্দের মাঝে বা শেষে ব্যবহৃত হয়।
• উদাহরণ: ব্যাঙ (ঙ শেষে), মিঞা (ঞ মাঝে), কারণ (ণ শেষে)।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অ, ঋ, ব: এখানে 'অ' ও 'ঋ' স্বরবর্ণ এবং 'ব' স্পর্শ বর্ণ; এরা নাসিক্য নয়।
- উ, ঊ, য়: এগুলো নাসিক্য বর্ণ নয়।
- শ, স, ষ: এগুলো উষ্ম বা শিস ধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি নয়।