Solution
Correct Answer: Option B
- বাংলা 'অ' ধ্বনির উচ্চারণ দুই প্রকারের হয় - বিবৃত (সাধারণ 'অ'-এর মতো) এবং সংবৃত ('ও'-এর মতো)।
- যখন 'অ' ধ্বনির উচ্চারণ 'ও'-এর মতো হয়, তখন তাকে সংবৃত উচ্চারণ বলা হয়।
- শব্দের আদিতে থাকা 'অ'-এর পরে যদি ই-কার (ি) বা উ-কার (ু) থাকে, তাহলে সেই 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত সংবৃত বা 'ও'-কারান্ত হয়ে যায়।
- প্রদত্ত উদাহরণগুলোর মধ্যে 'অতি' শব্দটিতে 'অ'-এর পরে 'ই' (ত+ই) থাকায় 'অ'-এর উচ্চারণ 'ও'-এর মতো অর্থাৎ 'ওতি' হয়।
- তাই এখানে 'অ'-এর সংবৃত উচ্চারণ হয়েছে।
- অন্যান্য বিকল্পে ('অটল', 'অনাচার', 'অমানিশা') 'অ'-এর স্বাভাবিক বা বিবৃত উচ্চারণ হয়েছে।
পরীক্ষা – ৩২
কোর্স নামঃ
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন - লেকচারশীট ভিত্তিক।
টপিকসঃ
বাংলা ব্যকরণ
সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ
পরীক্ষা শুরুঃ (৫ম ব্যাচ) শুরু ৫ মে, ২০২৬।
রুটিন দেখুন
পরীক্ষা – ১২
কোর্স নামঃ
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়)- হিসাববিজ্ঞান
১২ মে, ২০২৬ থেকে পরীক্ষা শুরু।
রুটিন দেখুন