Solution
Correct Answer: Option C
- বহুব্রীহি সমাস: যে সমাসে সমস্যমান (মূল) পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, তৃতীয় বা নতুন কোনো অর্থ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- 'দশ আনন যার = দশানন' এখানে 'দশ' (সংখ্যা) এবং 'আনন' (মুখ) এই দুটি পদের কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে 'দশানন' বলতে নির্দিষ্ট এক ব্যক্তিকে অর্থাৎ রাবণকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস।
- যেহেতু পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ আছে, তাই এটি নির্দিষ্ট করে বললে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি।
• উদাহরণ:
- দশ আনন যার = দশানন (রাবণ)
- নীল কণ্ঠ যার = নীলকণ্ঠ (শিব)
- বিনা পানিতে যার = বীণাপাণি (সরস্বতী)
- পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (কৃষ্ণ)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- দ্বন্দ্ব সমাস: এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। যেমন- বাবা ও মা = বাবা-মা (এখানে বাবা এবং মা দুজনেরই সমান গুরুত্ব)। কিন্তু 'দশানন' শব্দে দশ বা আনন কারোরই প্রধান অর্থ নেই।
- কর্মধারয় সমাস: এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং সাধারণত বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মধ্যে হয়। যেমন- নীল যে আকাশ = নীলাকাশ। এখানে 'আকাশ' (পরপদ) প্রধান। দশাননে 'আনন' বা মুখ প্রধান নয়, বরং যার মুখ আছে সে প্রধান।
- অব্যয়ীভাব সমাস: এই সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। যেমন- মরণ পর্যন্ত = আমরণ। এখানে 'পর্যন্ত' বা ব্যাপ্তি প্রধান। দশাননে কোনো অব্যয় পদ নেই।