বাংলাদেশের নারী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ১৯২৯ – বাংলায় নারীরা ভোটাধিকার অর্জন করে ১৯২৯ – বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন। ১৯৩৫ – ভারতবর্ষে নারী সমাজের ভোটাধিকার আইন পাস হয় ১৯৩৯ – মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের বিবাহিতা মহিলাকে বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার ১৯৫৬ – নারীর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাধিকার লাভ। ১৯৬১ – মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি ১৯৭২ – বাংলাদেশের সংবিধানের নারীর সমান অধিকারের দ্বারা মৌলিক অধিকার অর্জিত হয়। ১৯৭২- বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন ১৯৭২ – সরকারি চাকরিতে দশ ভাগ কোটা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হয়। ১৯৭২ – নারী পুনর্বাসনের জন্য বাংলাদেশ পুনর্বাসন বোর্ড গঠন ১৯৭৩ – মন্ত্রিসভায় দুজন নারী অন্তর্ভুক্ত ১৯৭৩ – বাংলাদেশ নারী পুনবার্সন বোর্ডকে বাংলাদেশ নারী পুনবার্সন ও কল্যান ফাউন্ডেশন এ রূপান্তর। ১৯৭৪ – মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ রেজিস্ট্রিকরণ আইন প্রণীত হয় ১৯৭৬ – জাতীয় মহিলা আইন প্রণীত ১৯৮০ – যৌতুক নিরোধ আইন প্রণয়ন ১৯৮৪ – মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ১৯৮৫ – পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি হয়। ১৯৮৯ – সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে মহিলা মন্ত্রণালয় পৃথক ১৯৯০ – মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর গঠন ১৯৯১ – জাতীয় মহিলা সংস্থাকে বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পরিণত। ১৯৯১ – বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ – শিশু বিসয়কে অন্তর্ভুক্ত করে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রনালয় নামকরণ করা হয় ১৯৯৫ – নারী ও শিশু নির্যাতন আইন প্রনয়ন ১৯৯৭ – সিডও সনদের ১৩ এবং ১৬.১ ধারা প্রত্যাহার করা ১৯৯৭ – প্রথম জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ঘোষণা ২০০০- নারী ও শিশু নির্যাহতন দমন আইন প্রণয়ন ২০০১-প্রথমবারের মতো চারজন নারী জেলা প্রশাসক নিয়োগ ২০০২ -এসিড অপরাধ দমন আইন প্রণয়ন ২০০০ – সন্তানের পরিচিতিতে মায়ের নাম সংযুক্ত ২০০৬ – কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত নারীদের বিশেষ সুবিধা প্রনয়ন আইন ২০১০ – পারিবারিক সহিংসতা বিধিমালা প্রণয়ন ২০১১- জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ঘোষণা
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
পরীক্ষা-১১৯
কোর্স নামঃ
৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।