সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

প্রাচীন কাল

৪০২ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত শালবন বিহার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- অবস্থান: এটি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি.মি. পশ্চিমে অবস্থিত ।
- নির্মাতা: শালবন বিহার নির্মাণ করেন পাল রাজবংশের রাজা দেবপাল ।
- অন্যান্য তথ্য: এটি প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন এবং এর পূর্ব নাম ছিল রোহিতগিরি । ১৯৫৫ সালে এটি খনন ও আবিষ্কার করা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition) ? পাল রাজবংশের অন্যান্য স্থাপত্য বা রাজা ধর্মপালের কীর্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান?
ব্যাখ্যা (Explanation)
'রামচরিত' প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত দ্ব্যর্থক বা শ্লেষকাব্য, যা সংস্কৃত ভাষায় রচিত। এই কাব্যের রচয়িতা কবি সন্ধ্যাকর নন্দী ছিলেন পাল রাজবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক রাজা রামপাল-এর রাজত্বকালের কবি। তিনি নিজেকে 'কলিকাল বাল্মীকি' বলে অভিহিত করেছিলেন। এই কাব্যে একই সাথে রামায়ণের রাম এবং পাল রাজা রামপালের জীবনী বর্ণিত হয়েছে।
- রচয়িতা: সন্ধ্যাকর নন্দী
- পৃষ্ঠপোষক রাজা: রামপাল
- বিশেষত্ব: এটি একটি ঐতিহাসিক শ্লেষকাব্য।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
পাল বংশের রাজা দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল । কৈবর্ত সম্প্রদায়ের নেতা দিব্য বা দিব্যকের নেতৃত্বে সামন্তরাজারা অত্যাচারী রাজা মহীপালের বিরুদ্ধে এই সামন্ত বিদ্রোহ গড়ে তোলেন । এই যুদ্ধে দ্বিতীয় মহীপাল পরাজিত ও নিহত হন এবং বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় । পরবর্তীতে পাল বংশের রাজা রামপাল কৈবর্ত শাসক ভীমকে পরাজিত করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মাৎস্যন্যায বলতে দেশে আইনশৃঙ্খলাহীন অরাজক পরিস্থিতিকে বোঝায়, যেখানে কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র' অনুযায়ী বড় মাছ ছোট মাছকে গিলে ফেলে ।
- কারণ: গৌড়রাজ শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (৬৩৭ খ্রি.) বাংলায় শক্তিশালী কোনো শাসক ছিল না ।
- সময়কাল: আনুমানিক ৬৫০-৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত (প্রায় ১০০ বছর), যা মূলত সপ্তম-অষ্টম শতকে বিরাজমান ছিল ।
- অবসান: ৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দে গোপাল ক্ষমতা গ্রহণ করে পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করলে এই অরাজকতার অবসান ঘটে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
'মেঘদূতম' কাব্যের রচয়িতা মহাকবি কালিদাস গুপ্ত যুগের শ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার ছিলেন ।
- তিনি গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত (বিক্রমাদিত্য)-এর রাজসভার 'নবরত্ন'-এর প্রধান রত্ন ছিলেন।
- আনুমানিক ৪র্থ-৫ম শতাব্দীতে তিনি কালজয়ী কাব্য 'মেঘদূতম', 'কুমারসম্ভব' ও 'অভিজ্ঞানশকুন্তলম' নাটক রচনা করেন।
- তাঁর অসামান্য সাহিত্যকীর্তির জন্যই গুপ্ত যুগকে ভারতীয় সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ বলা হয়।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিখ্যাত 'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থের রচয়িতা কৌটিল্য (চাণক্য) মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রধান রাজ উপদেষ্টা ছিলেন ।
- তিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ও তাঁর পুত্র বিন্দুসার—উভয়েরই উপদেষ্টা ছিলেন ।
- কৌটিল্যের কূটনৈতিক দিকনির্দেশনায় চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য নন্দ বংশ পরাজিত করে মৌর্য সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন ।
- পরবর্তীতে বিন্দুসারের শাসনামলেও তিনি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রথম শাসক ও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ।
- তাঁর পুত্র বিন্দুসার ছিলেন দ্বিতীয় শাসক ।
- বিন্দুসারের পুত্র সম্রাট অশোক ছিলেন মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক (২৬৯–২৩২ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) । তিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তার ঘটান ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন বাংলায় সপ্তম শতকে সমতট অঞ্চলে (কুমিল্লা ও সংলগ্ন এলাকা) খড়্গ রাজবংশ রাজত্ব করত। এই রাজবংশের রাজধানী ছিল কুমিল্লার কর্মান্তবসাক (বর্তমান কুমিল্লার বড়কামতা)।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর পরিচিতি:
- বিক্রমপুর: সেন ও চন্দ্র রাজবংশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী ছিল।
- পুণ্ড্রনগর: মৌর্য ও গুপ্ত আমলে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী (বগুড়া) ছিল।
- দেবপর্বত: সমতট অঞ্চলের একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী।
অতএব, খড়্গ রাজবংশের সঠিক রাজধানী হলো কুমিল্লার কর্মান্তবসাক।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
সেন বংশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজা ছিলেন লক্ষ্মণ সেন । ১২০৪ সালে মুসলিম সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি নদীয়া আক্রমণ করলে লক্ষ্মণ সেন নদীয়া ত্যাগ করে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় চলে যান । নদীয়া পতনের মাধ্যমেই বাংলায় মূলত হিন্দুশাসনের অবসান ঘটে, তাই তাঁকে বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা ও শেষ বাঙালি হিন্দু রাজা বলা হয় ।
- বিজয় সেন: সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ।
- বল্লাল সেন: কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন বাংলায় সমতট অঞ্চলে ৮ম শতকে দেব রাজবংশ শাসন করত । এই রাজবংশের রাজধানী ছিল দেবপর্বত ।
- অবস্থান: দেবপর্বত প্রাচীন শহরটি বর্তমান কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় এলাকায় অবস্থিত ছিল ।
- গুরুত্ব: এটি ছিল প্রাচীন সমতট জনপদের একটি প্রধান প্রশাসনিক ও সমৃদ্ধ বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন বাংলার সেন রাজবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন লক্ষ্মণ সেন। তিনি বাংলা ও গৌড় অঞ্চলের ওপর নিজের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করায় তাকে 'গৌড়েশ্বর' (গৌড়ের অধিপতি) উপাধি দেওয়া হয়।
- তিনি সেন বংশের শেষ শক্তিশালী হিন্দু রাজা ছিলেন।
- তার অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উপাধি ছিল পরম বৈষ্ণব।
- তার রাজসভায় 'গীতগোবিন্দ' কাব্যের রচয়িতা কবি জয়দেবসহ বহু পণ্ডিত অবস্থান করতেন।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন বৈষ্ণব ধর্মের অনুসারী ছিলেন । বিজয় সেন 'পরম মাহেশ্বর' (শৈব) উপাধি গ্রহণ করলেও লক্ষ্মণ সেন ছিলেন পরম বিষ্ণুভক্ত । তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে 'পরম বৈষ্ণব' উপাধি ধারণ করেছিলেন । ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির বাংলা আক্রমণের সময় পর্যন্ত তিনি রাজত্ব করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
পাল রাজবংশের দ্বিতীয় মহীপাল-এর আমলে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয় ।
- এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন কৈবর্ত নেতা দিব্য।
- রাজা দ্বিতীয় মহীপাল কৈবর্ত বাহিনীকে আক্রমণ ও বিদ্রোহ দমন করতে গিয়ে তাদের হাতে পরাজিত ও নিহত হন ।
- এর ফলে বরেন্দ্র অঞ্চল পালদের হাতছাড়া হয় এবং সেখানে কৈবর্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ পাল রাজবংশের আমলে সৃষ্টি হয় । পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং চর্যাপদের রচয়িতা সহজিয়া সিদ্ধাচার্যরাও ছিলেন বৌদ্ধ সাধক । পাল রাজাদের প্রায় চারশত বছরের শাসনকালে ধর্মীয় উদারতা ও মুক্ত সংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ ছিল, যা চর্যাপদের মতো সাধনসঙ্গীত রচনায় বিশেষ ভূমিকা রাখে । চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা প্রমুখ প্রধান ছিলেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
একাদশ শতকে পাল শাসক দ্বিতীয় মহীপালের অপশাসনের বিরুদ্ধে বাংলায় কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয় । দিব্য বা দিব্যোকের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেয়। এটি বাংলায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে প্রথম সফল গণবিদ্রোহ। এতে দ্বিতীয় মহীপাল নিহত হন এবং বরেন্দ্রে কৈবর্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- নেতা: দিব্যোক
- স্থান: বরেন্দ্র অঞ্চল
- পরাজিত শাসক: দ্বিতীয় মহীপাল

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল অষ্টম শতকে ভারতের বিহারে বিখ্যাত উদন্তপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন । এটি প্রাচীন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র ছিল।
- বিক্রমশীলা বিহার ও সোমপুর বিহার: প্রতিষ্ঠা করেন রাজা ধর্মপাল ।
- জগদ্দল বিহার: প্রতিষ্ঠা করেন রাজা রামপাল ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় আগমন করেন । তিনি সম্রাট হর্ষবর্ধনের শাসনকালে ৬৩০ থেকে ৬৪৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অবস্থান করেন । তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বৌদ্ধ ধর্মশাস্ত্র সংগ্রহ করা। তিনি বিখ্যাত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন ।
- দেশ: চীন
- আগমনকাল: ৬৩০ খ্রিস্টাব্দ
- শাসক: হর্ষবর্ধন
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং সপ্তম শতকে (৬৩০-৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে) সম্রাট হর্ষবর্ধন-এর শাসনকালে ভারতে আগমন করেন । তিনি তৎকালীন ভারতের বিখ্যাত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে বৌদ্ধশাস্ত্র অধ্যয়ন ও গবেষণা করেন । সে সময় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান আচার্য এবং তাঁর শিক্ষক ছিলেন বিখ্যাত পণ্ডিত শীলভদ্র ।
- পরিব্রাজক: হিউয়েন সাং (চীন)
- শিক্ষক: শীলভদ্র
- স্থান: নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে (৩৮০-৪১৪ খ্রিষ্টাব্দ) ভারতীয় উপমহাদেশ ও বাংলায় আগমন করেন । তিনি তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্ত নিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ 'ফো-কুয়ো-কিং' রচনা করেন ।
- সি-ইউ-কি: অপর চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণবৃত্তান্ত ।
- ইন-তু-কিং ও তা-তাং-শু: প্রাচীন চীনা ইতিহাস সংক্রান্ত অন্যান্য বিবরণী।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
চৌদ্দ শতকে মরক্কোর পরিব্রাজক ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন । তিনি বাংলার ধনসম্পদ ও খাদ্যদ্রব্যের প্রাচুর্য দেখে যেমন মুগ্ধ হন, তেমনই এখানকার অস্বাস্থ্যকর আবহাওয়া তাঁর কাছে কষ্টদায়ক মনে হয় । তাই তিনি বাংলাকে 'দোজখ-ই-পুর নেয়ামত' বা 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' বলে অভিহিত করেন ।
- জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাকে বলতেন 'বুলগাকপুর' (বিদ্রোহের নগরী) ।
- মুঘল সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নাম দেন 'জান্নাতাবাদ' ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরক্কোর বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ সালে বাংলা ভ্রমণ করেন । তিনি তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে বিখ্যাত ভ্রমণবৃত্তান্ত 'কিতাবুল রেহালা' রচনা করেন । এই গ্রন্থে তিনি বাংলাকে 'দোযখ-ই-পুর নিয়ামত' (প্রাচুর্যপূর্ণ নরক) হিসেবে আখ্যায়িত করেন ।
অন্যান্য তথ্য:
- 'কিতাবুল হিন্দ' গ্রন্থের লেখক আল বেরুনি ।
- 'তারিখ-ই-ফিরোজশাহী' গ্রন্থের লেখক জিয়াউদ্দিন বারানী ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন বাংলায় বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে সমতট জনপদ গঠিত ছিল ।
- রাজধানী: সমতট জনপদের রাজধানী 'বড় কামতা' বা 'রোহিতগিরি' বর্তমান কুমিল্লা শহর থেকে ১২ মাইল পশ্চিমে অবস্থিত ছিল ।
- অন্যান্য তথ্য: কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চলের প্রাচীন নামও ছিল রোহিতগিরি ।
সুতরাং, বড় কামতা বা রোহিতগিরি বর্তমান কুমিল্লা জেলার নিকট অবস্থিত।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তাম্রলিপ্ত হলো প্রাচীন বাংলার প্রথম প্রসিদ্ধ বন্দর নগরী ।
- এটি বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেদিনীপুর জেলার 'তামলুক' শহরে পড়েছে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন বাংলায় ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান অঞ্চলটি রাঢ় জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল ।
রাঢ় জনপদ সংক্রান্ত তথ্য:
- অবস্থান: ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীর ।
- বর্তমান এলাকা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান সীমানা ।
- অঞ্চল বিভাগ: উত্তর রাঢ় (বহুভূমি) ও দক্ষিণ রাঢ় (সুহ্মভূমি) ।
- রাজধানী: কোটিবর্ষ ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন বাংলায় আর্যপূর্ব অনার্য জনগোষ্ঠীকে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয় । গারো, কোচ, ত্রিপুরা ও চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রাক-আর্যদের ভোটাচীনীয়/মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ।
- ভোটাচীনীয়/মঙ্গোলীয়: গারো, কোচ, ত্রিপুরা, চাকমা ইত্যাদি ।
- নেগ্রিটো: ভীল, সাঁওতাল ও মুণ্ডাদের পূর্বপুরুষ ।
- অস্ট্রিক: বাঙালি জাতির প্রধান অংশ ।
- দ্রাবিড়: বাংলায় অনুপ্রবেশকারী নৃগোষ্ঠী ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
আর্য নরগোষ্ঠী আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে । এর প্রায় ১৪০০ বছর পর, খ্রিষ্টপূর্ব ১ম শতকে তারা বঙ্গে আগমন করে । অর্থাৎ, ভারতবর্ষে প্রবেশের ১৪০০ বছর পর তারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে ।
- ভারতবর্ষে আগমন: খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে
- ববঙ্গে আগমন: খ্রিষ্টপূর্ব ১ম শতক
- ব্যবধান: ১৪০০ বছর
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
ঐতিহাসিক আবুল ফজলের বিখ্যাত গ্রন্থ 'আইন-ই-আকবরী' অনুসারে, 'বঙ্গ' শব্দের মূল শাব্দিক অর্থ হলো জলাভূমি ।
তাঁর মতে, চীনা শব্দ 'অং' থেকে 'বঙ্গ' শব্দের উৎপত্তি, যার মূল অর্থ জলাভূমি । পরবর্তীতে 'অং' শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে 'বং' এবং তা থেকে কালক্রমে 'বঙ্গ' বা 'বাংলা' শব্দের সূচনা ঘটে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং সম্রাট হর্ষবর্ধনের শাসনকালে ভারতে আসেন । তিনি তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তে রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ বিদ্বেষী বা নিগ্রহকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন । প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম শাসক রাজা শশাঙ্ক মূলত শৈব ধর্মের উপাসক ছিলেন । তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণে । হিউয়েন সাং-এর লেখাতেই শশাঙ্কের ধর্মীয় মনোভাবের এই বিবরণ পাওয়া যায় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
চীনা পরিব্রাজক ও বৌদ্ধ পণ্ডিত হিউয়েন সাং ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট হর্ষবর্ধন-এর শাসনামলে ভারত সফরে আসেন ।
- সম্রাট হর্ষবর্ধন: তাঁর রাজত্বকালে (৬৩০–৬৮৮ খ্রিষ্টাব্দ) হিউয়েন সাং ভারত ভ্রমণ করেন ।
- নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়: তিনি ভারতে অবস্থানকালে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৌদ্ধশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন ।
- ফাহিয়েন: অপর চীনা পরিব্রাজক ফাহিয়েন এসেছিলেন সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনামলে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।