- 'রূপকথা' নামের ধান জাতটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দেশি ধানের মধ্যে একটি। - এটি একটি সুগন্ধি ও সুন্দর স্বাদযুক্ত ধানের জাত, যা বেশ কিছু অঞ্চলে চাষ হয়। - এই জাতের ধানটির মধ্যে অনেক অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল। - দেশি জাতের ধানের সংরক্ষণ ও চাষাবাদের মাধ্যমে রূপকথা প্রভৃতি জাতগুলো হারিয়ে যেতে থাকলেও, কিছু অঞ্চলে এখনও এগুলো চাষাবাদ করা হয়।
- 'ক্ষীরশাপাতি' বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আমের উন্নত জাত। - এটি মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাষ করা হয়।
এর কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো: - স্বাদ ও গন্ধ: ক্ষীরশাপাতি আম তার মিষ্টি স্বাদ এবং চমৎকার সুগন্ধের জন্য বিখ্যাত। এর আঁশ খুবই কম এবং এটি বেশ রসালো। - ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য: ২০১৯ সালে 'ক্ষীরশাপাতি' আম বাংলাদেশের তৃতীয় ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা, খরা এবং লবণাক্ততার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ছে। বাংলাদেশের মতো কৃষিপ্রধান দেশগুলোতে এর প্রভাব আরও প্রকট। IDCC এর গবেষণায় দেখা গেছে যে এই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, বিশেষ করে ধান, গম এবং ভুট্টার উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান। - এটি শীতকালীন মৌসুমে চাষ করা হয় এবং সেচনির্ভর হওয়ায় এর উৎপাদনশীলতা অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি। - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, বোরো ধানের উৎপাদন পরিমাণ প্রায় ১৯১.৯২ লক্ষ মেট্রিক টন, যা আমন ও আউশ ধানের তুলনায় অনেক বেশি। - বোরো ধানের চাষ সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয় এবং এপ্রিল থেকে মে মাসে ফসল কাটা হয়। - উচ্চ ফলনশীল জাত (HYV) এবং হাইব্রিড জাতের ব্যবহার বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- 'জিএইউ গম-১' গমের নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. ময়নুল হক ও অধ্যাপক ড. মো. মসিউল ইসলামের নেতৃত্বে দীর্ঘ গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার মাধ্যমে উচ্চ লবণসহিষ্ণু ও উচ্চফলনশীল এই নতুন গমের জাত 'জিএইউ গম-১' উদ্ভাবিত হয়েছে। - এটি বাংলাদেশের প্রথম লবণাক্ততা সহনশীল গমের জাত, যা বিশেষভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত মাটিতে চাষের জন্য উপযোগী। - জাতীয় বীজ বোর্ড ২০২৫ সালের ১৭ জুন 'জিএইউ গম-১' জাতটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। - এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১টি, যা দেশের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
- আউশ ধান সাধারণত আষাঢ় মাসে বপন করা হয় এবং এর জীবনকাল প্রায় ৯৫-১১০ দিন হয়। তাই আউশ ধানের কাটা সময় হয় বর্ষাকালের শেষ দিকে, অর্থাৎ মধ্য জুলাই থেকে আগস্টের শুরু পর্যন্ত। - আউশ ধান যখন শীষের অগ্রভাগের ৮০% চাল শক্ত ও স্বচ্ছ হয়ে যায়, তখন ধান কর্তন করা উচিত। এই সময় সাধারণত জুলাই-আগস্ট মাসে পড়ে। - আউশ ধানের বপন সাধারণত মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে হয় এবং ৩-৪ মাস পর ধান কাটা হয়। তাই সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের সময় আউশ ধান কর্তনের জন্য দেরি হয়ে যায়।
আমন ধান মূলত বর্ষা মৌসুমের ফসল। বাংলাদেশে সাধারণত আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস (যা ইংরেজি ক্যালেন্ডারে জুনের শেষ থেকে সেপ্টেম্বরের শুরু পর্যন্ত বিস্তৃত) আমন ধানের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। এই সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়, যা আমন ধান চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমন ধানের চারা রোপণের পর সাধারণত নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে ফসল কাটা হয়।
বাংলাদেশ রাইচ রিসার্চ ইন্সটিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর গাজীপুর জেলায় অবস্থিত ।এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। গুরুত্তপুর্ণ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের যাত্রাঃ ==========================
- সাতক্ষীরা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা। - এই জেলার উপকূলীয় এলাকা কাঁকড়া চাষের জন্য বিখ্যাত। - সাতক্ষীরা জেলায় বাংলাদেশের একমাত্র কাঁকড়া হ্যাচারি অবস্থিত, যা কাঁকড়া চাষে স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - হ্যাচারি হল একটি প্রজনন কেন্দ্র যেখানে কাঁকড়ার ডিম পাড়া থেকে শুরু করে বাচ্চা কাঁকড়া উৎপাদন পর্যন্ত সব ধরণের কাজ করা হয়। - কাঁকড়া হ্যাচারির মাধ্যমে কাঁকড়ার উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং চাষিদের জন্য নতুন চাষাবাদের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
সারাংশে, সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত কাঁকড়া হ্যাচারি কাঁকড়া চাষে বিশেষ অবদান রাখছে এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। -এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে। -এর সদর দপ্তর ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। -গবেষণায় অবদানের জন্য সরকার ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ‘একুশে পদক' প্রদান করে।
-বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পাঁচটি কেন্দ্র আছে- স্বাদু পানি কেন্দ্ৰ - ময়মনসিংহ নদী কেন্দ্ৰ - চাঁদপুর লোনা পানি কেন্দ্ৰ - খুলনা সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র - কক্সবাজার চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্ৰ - বাগেরহাট।
- চিংড়ি চাষ আইনটি "চিংড়ি চাষ অভিকর আইন, ১৯৯২" নামে পরিচিত। - এটি ১৯৯২ সালের ১০ নভেম্বর প্রণীত হয়। এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল চিংড়ি চাষ এলাকার উপকৃত জমির উপর অভিকর আরোপ করা এবং চিংড়ি চাষের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। - আইনটি চিংড়ি চাষের উন্নয়ন এবং চাষিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
-ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের একটি জাত ,যা বাংলাদেশের কুষ্টিয়া ,চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় । -বিশ্ববাজারে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া 'কুষ্টিয়া গ্রেড ' নামে পরিচিত ।
⇒ বাংলাদেশের বনাঞ্চলগুলোর মধ্যে শালবন বা পাতাঝরা অরণ্য একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ⇒ শাল গাছ (যার আরেক নাম গজারী) মূলত উঁচু ও লালমাটি সমৃদ্ধ এলাকায় ভালো জন্মে। ⇒ গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত 'ভাওয়াল ও মধুপুর গড়' এলাকাটিই হলো শাল গাছের প্রধান ও বৃহত্তম প্রাকৃতিক নিবাস। ⇒ সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ (সুন্দরী, গেওয়া), সিলেটে চিরহরিৎ বন ও পাহাড় এবং চট্টগ্রামে সেগুন বা গর্জন গাছ বেশি দেখা গেলেও শালবনের জন্য ভাওয়ালই বিখ্যাত।
- বাংলাদেশে কৃষি খাতে শাকসবজির মধ্যে আলু সর্বাধিক উৎপাদিত ফসল। - এটি দেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য এবং শাকসবজি হিসেবে বিবেচিত। - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আলুর উৎপাদন প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আলুর জনপ্রিয়তার কারণ:
- এটি সারা বছর চাষ করা যায় এবং সংরক্ষণ করা সহজ। - আলু থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা যায়, যা মানুষের খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। - এটি রপ্তানিযোগ্য একটি পণ্য, যা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখে।
- ২০২৫ সালের কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আলু বাংলাদেশের শাকসবজির মধ্যে সর্বোচ্চ উৎপাদিত ফসল হিসেবে শীর্ষে রয়েছে।
প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক: এটি এখনও রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮০%। নিট পোশাক ও ওভেন পোশাকে যথাক্রমে ১৩% এবং ১৮% প্রবৃদ্ধি হয়েছে। (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন)
- কৃষিপণ্য: কৃষি ও খাদ্য পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি ৯.৩১% বৃদ্ধি পেয়ে ৫৯.৫৫ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন)
- আসবাবপত্র: ২০২৫ সালে আসবাবপত্রকে "বর্ষপণ্য" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়নে সরকার ৮% নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে। (সূত্র: জাগো নিউজ)
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন দীর্ঘ পাঁচ বছরের গবেষণার মাধ্যমে ফুল থেকে টিস্যু কালচার পদ্ধতি ব্যবহার করে ৫টি উন্নত জাতের কলার চারা উদ্ভাবন করেন। এই উদ্ভাবিত জাতগুলো অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, উচ্চ ফলনশীল এবং কম সময়ে ফলন দেয়। এটি দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
* বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য/কৃষিজ পণ্য— ধান * বর্তমানে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে— তৃতীয়। * দেশের মোট জমির শতকরা ৭০% জমিতে ধান উৎপাদন হয়। * বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চাষ হয় বোরো ধান। * দেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়- রংপুরে। * কিছু উন্নত জাতের ধানের মধ্যে- বাংলামতি, সোনার বাংলা, ব্রিশাইল, ব্রি-৬২, ব্রি-৮১ থেকে ব্রি— ৮৫, ইরাটম— ২৪, ষ্টীয় ময়না, মুক্তা, মোহিনি, আশা, সুফলা, চান্দিনা অন্যতম। * বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) উদ্ভাবিত প্রথম জিংক সমৃদ্ধ ধান- ‘ব্রি- ৬২। * বাংলাদেশের প্রধান প্রধান ধানের মধ্যে- বোরো, আউশ, আমন, হীরা ইত্যাদি অন্যতম। * আমন ধান কাঁটার সময় কার্তিক-অগ্রহায়ণ। * উত্তরবঙ্গের মঙ্গা এলাকার জন্য উপযোগী- বি-আর৩৩ । * দক্ষিণ বঙ্গের লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধান- বিনা-৮। * দেশে সোনালি ধান উদ্ভাবন করে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। * সবচেয়ে বেশি চালকল আছে- নওগাঁ জেলায়। * এক ধানে দুই চাল আবিষ্কারক- মকবুল হোসেন (ঝিনাইদহ)। * সাধারণত সেচ নির্ভর ধান বোরো ধান। [বাংলাদেশের প্রধান ধান] * বোরো ধান বোনা হয় কার্তিক মাসে ও কাটা হয় বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে। * আউশ ধান কাঁটার সময় বর্ষাকাল বলে একে আষাঢ়ী ধানও বলা হয়। [বুনন চৈত্র-বৈশাখ * আমন ধান দুই প্রকার। যথা: ১) রোপা আমন ও ২) বোনা আমন।
- ধান (আউশ+আমন+বোরো): (জেলা- ময়মনসিংহ ও বিভাগ- রাজশাহী)
বিশেষ তথ্য: - চিংড়ি মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সাতক্ষীরা, বিভাগ খুলনা। - নদীর মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ভোলা, বিভাগ বরিশাল। - পুকুরের মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ এবং বিভাগ চট্টগ্রাম।
» কৃষিশুমারি ২০১৯ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে কৃষির উপর নির্ভরশীল পরিবার- ৪৬.৬১% » কৃষিশুমারি ২০১৯ জরিপ মতে বাংলাদেশে মোট খানা- ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩০ হাজার » কোনো ধরনের জমি নাই- ১১.৩৪ শতাংশ খানার » দেশে সবচেয়ে কৃষি নির্ভর পরিবার- বরিশাল বিভাগে » নিজের জমি নেই এমন পরিবার সবচেয়ে বেশি রয়েছে- ঢাকা বিভাগে।
১৯৭৭ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কৃষিশুমারী ১৯৮৬ দ্বিতীয় কৃষিশুমারী ১৯৯৭ তৃতীয় কৃষিশুমারী ২০০৮ চর্তুথ দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষিশুমারী যা শহর ও গ্রাম একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ পঞ্চম কৃষিশুমারি
- প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলোর মধ্যে মিথেন ৮০- ৯০%, ইথেন ১৩%, প্রোপেন ৩%। - এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনে কিছু পরিমাণ মিথেন থাকে। - বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫- ৯৯% । যা বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান। - মিথেন গ্যাসকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কারণ এটি পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প ও তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।