সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

কৃষিজ সম্পদ

৪৪৭ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: A) Bangladesh Agricultural Research Institute
• BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বহুমুখী কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
• ধান, পাট ও ইক্ষু (আখ) বাদে অন্যান্য সকল ফসল (যেমন- ডাল, তেলবীজ, গম, আলু, শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি) নিয়ে গবেষণা করা এবং নতুন জাত উদ্ভাবন করা এই প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৭২ সালের ভূমি আদেশ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি পরিবারের জন্য কৃষি জমির মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা ১০০ বিঘা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ১৯৫০ সালের আইনে কৃষি জমির এই সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৩৭৫ বিঘা।
- ১৯৭২ সালে তা কমিয়ে ১০০ বিঘা এবং পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের অধ্যাদেশে আরও কমিয়ে ৬০ বিঘা করা হয়।
কৃষি ব্যবস্থার সংস্কার এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণের লক্ষ্যেই স্বাধীন বাংলাদেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
কম পানিতে পাটের আঁশ পচানোর জন্য বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) উদ্ভাবিত পদ্ধতি হলো রিবন রোটিং।
- এই পদ্ধতিতে কাঁচা পাট থেকে রিবনার দিয়ে ছাল ছাড়িয়ে রিবন বানিয়ে অল্প পানিতে পচানো হয়।
- এতে পচন সময় কমে, পানির অপচয় রোধ হয় এবং সুষম ও উন্নত মানের আঁশ পাওয়া যায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
পাট গাছ থেকে দ্রুত ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে আঁশ পৃথক করার আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক পদ্ধতিটিকে রিবন রেটিং (Ribbon Retting) বলা হয়।

- এই পদ্ধতিতে পাটগাছ কাটার পরপরই কাঁচা অবস্থায় ছাল বা রিবন আলাদা করে শুধু ছাল পচানো হয়।
- এর ফলে অল্প পানিতে, কম সময়ে এবং উন্নত মানের সোনালি রঙের পাটের আঁশ পাওয়া সম্ভব হয়, যা অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক উত্তর: B) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA)
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) মূলত পরমাণু বা নিউক্লিয়ার প্রযুক্তি (গামা রশ্মি) ব্যবহার করে বিভিন্ন ফসলের উচ্চফলনশীল ও উন্নত জাত উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করে।
- ফিলিপাইনের আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (IRRI) থেকে আনা 'আইআর-৮' (IR-8) জাতের ধানের বীজে গামা রশ্মি প্রয়োগ করে (মিউটেশন ব্রিডিং-এর মাধ্যমে) বিজ্ঞানীরা ধানের নতুন একটি মিউট্যান্ট জাত তৈরি করেন, যার নাম দেওয়া হয় 'ইরাটম-২৪' (Iratom-24)। আইআর-৮ (IR-8) এবং পরমাণু বা অ্যাটম (Atom) প্রযুক্তির সমন্বয়ে এর নাম 'IRATOM' রাখা হয়।

ইরাটম-২৪ এর বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি উচ্চফলনশীল ও স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন ধানের জাত।
- বোরো মৌসুমে মাতৃজাত আইআর-৮ এর চেয়ে এটি ২৫-৩০ দিন আগে পাকে (১৪০-১৪৫ দিন)।
- ১৯৭৪ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদের জন্য এটি অবমুক্ত করা হয়।
(উল্লেখ্য: ধান গবেষণায় বাংলাদেশের প্রধান প্রতিষ্ঠান 'BRRI' হলেও, পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধানের জাত উদ্ভাবনের (যেমন- বিনাধান, ইরাটম ইত্যাদি) কাজটি 'BINA' করে থাকে)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৮০% বাংলাদেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় এলাকা থেকে আসে এবং ১১টি ইলিশ-উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষে (প্রথম) রয়েছে।
- ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের একাধিক খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্বের সর্ববৃহৎ ইলিশ উৎপাদক ও রপ্তানিকারক; যদিও সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন কিছুটা কমেছে, তবুও পরিমাণগতভাবে বাংলাদেশই শীর্ষে।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের বিশ্লেষণেও বাংলাদেশকে ইলিশে বিশ্বসেরা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; এটি মূলত ইলিশের মোট আহরণ/উৎপাদনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'রূপকথা' হল ধানের একটি জাত।

- 'রূপকথা' নামের ধান জাতটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দেশি ধানের মধ্যে একটি।
- এটি একটি সুগন্ধি ও সুন্দর স্বাদযুক্ত ধানের জাত, যা বেশ কিছু অঞ্চলে চাষ হয়।
- এই জাতের ধানটির মধ্যে অনেক অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল।
- দেশি জাতের ধানের সংরক্ষণ ও চাষাবাদের মাধ্যমে রূপকথা প্রভৃতি জাতগুলো হারিয়ে যেতে থাকলেও, কিছু অঞ্চলে এখনও এগুলো চাষাবাদ করা হয়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'ক্ষীরশাপাতি' বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আমের উন্নত জাত।
- এটি মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাষ করা হয়।

এর কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- স্বাদ ও গন্ধ: ক্ষীরশাপাতি আম তার মিষ্টি স্বাদ এবং চমৎকার সুগন্ধের জন্য বিখ্যাত। এর আঁশ খুবই কম এবং এটি বেশ রসালো।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য: ২০১৯ সালে 'ক্ষীরশাপাতি' আম বাংলাদেশের তৃতীয় ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা, খরা এবং লবণাক্ততার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ছে। বাংলাদেশের মতো কৃষিপ্রধান দেশগুলোতে এর প্রভাব আরও প্রকট। IDCC এর গবেষণায় দেখা গেছে যে এই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, বিশেষ করে ধান, গম এবং ভুট্টার উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে রপ্তানি করা পণ্যের মধ্যে প্রাথমিক পণ্য হিসেবে কৃষিজাত পণ্য সবচেয়ে বেশি স্থান দখল করে আছে ।
- কৃষিজাত পণ্য: কাঁচা পাট, চা, ফলমূল ও শাকসবজি এই খাতের অন্তর্ভুক্ত, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রধান ভূমিকা রাখে ।
- অন্যান্য খাত: মৎস্য, প্রাণিজ ও খনিজ সম্পদের তুলনায় কৃষিভিত্তিক প্রাথমিক পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি পরিমাণ অনেক বেশি ।
ফলে প্রাথমিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে কৃষিজাত পণ্য শীর্ষে অবস্থান করছে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত -

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলোঃ ব্রি ধান ৬২।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাতঃ বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাতঃ বিআর ৪৬ এবং বিআর ২৫।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলোঃ ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতঃ ব্রি ধান ৫১।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান।
- এটি শীতকালীন মৌসুমে চাষ করা হয় এবং সেচনির্ভর হওয়ায় এর উৎপাদনশীলতা অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, বোরো ধানের উৎপাদন পরিমাণ প্রায় ১৯১.৯২ লক্ষ মেট্রিক টন, যা আমন ও আউশ ধানের তুলনায় অনেক বেশি।
- বোরো ধানের চাষ সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয় এবং এপ্রিল থেকে মে মাসে ফসল কাটা হয়।
- উচ্চ ফলনশীল জাত (HYV) এবং হাইব্রিড জাতের ব্যবহার বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'জিএইউ গম-১' গমের নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. ময়নুল হক ও অধ্যাপক ড. মো. মসিউল ইসলামের নেতৃত্বে দীর্ঘ গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার মাধ্যমে উচ্চ লবণসহিষ্ণু ও উচ্চফলনশীল এই নতুন গমের জাত 'জিএইউ গম-১' উদ্ভাবিত হয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম লবণাক্ততা সহনশীল গমের জাত, যা বিশেষভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত মাটিতে চাষের জন্য উপযোগী।
- জাতীয় বীজ বোর্ড ২০২৫ সালের ১৭ জুন 'জিএইউ গম-১' জাতটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১টি, যা দেশের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আউশ ধান সাধারণত আষাঢ় মাসে বপন করা হয় এবং এর জীবনকাল প্রায় ৯৫-১১০ দিন হয়। তাই আউশ ধানের কাটা সময় হয় বর্ষাকালের শেষ দিকে, অর্থাৎ মধ্য জুলাই থেকে আগস্টের শুরু পর্যন্ত।
- আউশ ধান যখন শীষের অগ্রভাগের ৮০% চাল শক্ত ও স্বচ্ছ হয়ে যায়, তখন ধান কর্তন করা উচিত। এই সময় সাধারণত জুলাই-আগস্ট মাসে পড়ে।
- আউশ ধানের বপন সাধারণত মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে হয় এবং ৩-৪ মাস পর ধান কাটা হয়। তাই সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের সময় আউশ ধান কর্তনের জন্য দেরি হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "আইলসা" এবং "চমক" হলো বাংলাদেশের উন্নত আলুর জাতের নাম।

- আলু চাষে এই জাতগুলো উচ্চ ফলনশীল এবং রোগ প্রতিরোধী হিসেবে পরিচিত।

- আলুর বিভিন্ন জাতের মধ্যে আইলসা ও চমক জাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা কৃষি গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয়েছে এবং ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে আমন ধান মূলত বর্ষাকালে আবাদ করা হয় । বাংলা আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসে এই ধানের বীজতলা তৈরি ও জমি প্রস্তুত করে রোপণ করা হয়, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু সময়কে নির্দেশ করে ।
- প্রকারভেদ: আমন ধান প্রধানত দুই প্রকার— রোপা আমন ও বোনা আমন ।
- ফসল কাটার সময়: এটি সাধারণত কার্তিক থেকে পৌষ (নভেম্বর–জানুয়ারি) মাসে কাটা হয় ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ রাইচ রিসার্চ ইন্সটিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর গাজীপুর জেলায় অবস্থিত ।এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
গুরুত্তপুর্ণ  বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের যাত্রাঃ
==========================
১৯৫২- এশিয়াটিক সোসাইটি
১৯৫৫- বাংলা একাডেমি (৩ ডিসেম্বার)।
১৯৫৯- BARD
১৯৬৮-উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী (সত্যেন সেন)
১৯৭০- BRRI
১৯৭২- পেট্রোবাংলা / নায়েম
১৯৭৩- FBCCI
১৯৭৪- আর ডি এ(বগুড়া)
১৯৭৭- NIPORT আজিমপুর
১৯৭৮- ICDDR'B / NAPE
১৯৮০- BIRDEM
১৯৮২- বিশ সাহিত্য কেন্দ্র।
১৯৮৪- পিএটিসি।
১৯৮৫- নজরুল ইন্সটিটিউট।
১৯৮৬- বিকেএস পি।
২০১০- IMLI.
......................./////..............
১৭৮১- কলকাতা মাদ্রাসা।
১৭৯১- সংস্কৃত কলেজ।
১৭৯৯- ব্যাপিস্ট মিশন ও ছাপাখানা।
১৮০০- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ।
১৮১৮- শ্রীরামপুর কলেজ।
১৮৫৭- কলকাতা বিশবিদ্যালয়।
১৯৭৪- শিল্পকলা একাডেমী।
১৯৭৭- শিশু একাডেমী।
........///////////............
বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কার
===============
১৯৬০- বাংলা একাডেমি পুরস্কার
১৯৭৩- বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক (রাষ্ট্রপতি পদক)।
১৯৭৬- একুশে পদক / জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার/ জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার।
১৯৭৭- স্বাধীনতা পুরস্কার।
১৯৯৩- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার।
====================
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাতক্ষীরা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা।
- এই জেলার উপকূলীয় এলাকা কাঁকড়া চাষের জন্য বিখ্যাত।
- সাতক্ষীরা জেলায় বাংলাদেশের একমাত্র কাঁকড়া হ্যাচারি অবস্থিত, যা কাঁকড়া চাষে স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- হ্যাচারি হল একটি প্রজনন কেন্দ্র যেখানে কাঁকড়ার ডিম পাড়া থেকে শুরু করে বাচ্চা কাঁকড়া উৎপাদন পর্যন্ত সব ধরণের কাজ করা হয়।
- কাঁকড়া হ্যাচারির মাধ্যমে কাঁকড়ার উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং চাষিদের জন্য নতুন চাষাবাদের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

সারাংশে, সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত কাঁকড়া হ্যাচারি কাঁকড়া চাষে বিশেষ অবদান রাখছে এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
-এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
-এর সদর দপ্তর ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
-গবেষণায় অবদানের জন্য সরকার ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ‘একুশে পদক' প্রদান করে।

-বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পাঁচটি কেন্দ্র আছে-
স্বাদু পানি কেন্দ্ৰ - ময়মনসিংহ
নদী কেন্দ্ৰ - চাঁদপুর
লোনা পানি কেন্দ্ৰ - খুলনা
সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র - কক্সবাজার
চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্ৰ - বাগেরহাট।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- চিংড়ি চাষ আইনটি "চিংড়ি চাষ অভিকর আইন, ১৯৯২" নামে পরিচিত।
- এটি ১৯৯২ সালের ১০ নভেম্বর প্রণীত হয়। এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল চিংড়ি চাষ এলাকার উপকৃত জমির উপর অভিকর আরোপ করা এবং চিংড়ি চাষের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- আইনটি চিংড়ি চাষের উন্নয়ন এবং চাষিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২
প্রকাশ : মে ২০২৩
● উৎপাদনে শীর্ষ জেলা
● ধান - ময়মনসিংহ 
● মাছ - ময়মনসিংহ
● পাট - ফরিদপুর 
● পেঁয়াজ - ফরিদপুর
● তুলা - ঝিনাইদহ 
● গম - ঠাকুরগাঁও
● আলু - বগুড়া 
● চিংড়ি - সাতক্ষীরা
● কাঠাল - গাজীপুর 
● তামাক - কুষ্টিয়া
● আম- রাজশাহী 
● সয়াবিন- লক্ষ্মীপুর
● লিচু- দিনাজপুর
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
-ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের একটি জাত ,যা বাংলাদেশের কুষ্টিয়া ,চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় ।
-বিশ্ববাজারে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া 'কুষ্টিয়া গ্রেড ' নামে পরিচিত ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ বাংলাদেশের বনাঞ্চলগুলোর মধ্যে শালবন বা পাতাঝরা অরণ্য একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
⇒ শাল গাছ (যার আরেক নাম গজারী) মূলত উঁচু ও লালমাটি সমৃদ্ধ এলাকায় ভালো জন্মে।
⇒ গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত 'ভাওয়াল ও মধুপুর গড়' এলাকাটিই হলো শাল গাছের প্রধান ও বৃহত্তম প্রাকৃতিক নিবাস।
⇒ সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ (সুন্দরী, গেওয়া), সিলেটে চিরহরিৎ বন ও পাহাড় এবং চট্টগ্রামে সেগুন বা গর্জন গাছ বেশি দেখা গেলেও শালবনের জন্য ভাওয়ালই বিখ্যাত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশে কৃষি খাতে শাকসবজির মধ্যে আলু সর্বাধিক উৎপাদিত ফসল।
- এটি দেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য এবং শাকসবজি হিসেবে বিবেচিত।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আলুর উৎপাদন প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আলুর জনপ্রিয়তার কারণ:

- এটি সারা বছর চাষ করা যায় এবং সংরক্ষণ করা সহজ।
- আলু থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা যায়, যা মানুষের খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এটি রপ্তানিযোগ্য একটি পণ্য, যা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখে।

- ২০২৫ সালের কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আলু বাংলাদেশের শাকসবজির মধ্যে সর্বোচ্চ উৎপাদিত ফসল হিসেবে শীর্ষে রয়েছে।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রধান রপ্তানি পণ্য
- তৈরি পোশাক: এটি এখনও রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮০%। নিট পোশাক ও ওভেন পোশাকে যথাক্রমে ১৩% এবং ১৮% প্রবৃদ্ধি হয়েছে। (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন)

- কৃষিপণ্য: কৃষি ও খাদ্য পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি ৯.৩১% বৃদ্ধি পেয়ে ৫৯.৫৫ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন)

- আসবাবপত্র: ২০২৫ সালে আসবাবপত্রকে "বর্ষপণ্য" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়নে সরকার ৮% নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে। (সূত্র: জাগো নিউজ)
ব্যাখ্যা (Explanation)
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন কলার পুরুষ ফুল থেকে টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে ৫টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেন। টিস্যু কালচার হলো ল্যাবরেটরিতে উদ্ভিদের নির্দিষ্ট অংশ থেকে দ্রুত রোগমুক্ত, সমগুণসম্পন্ন ও উচ্চফলনশীল চারা উৎপাদনের একটি আধুনিক জৈবপ্রযুক্তি।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
উন্নতমানের ফসলের জাতঃ
» মরিচ - যমুনা।
» পুঁইশাক - সবুজ, চিত্রা। 
» আলু - ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, কুফরী, সিন্দুরী।
» বাঁধাকপি - ড্রামহেড, কে ওয়াই ক্রস, অ্যাটনাম- ৭০, গোল্ডেন ক্রস, গ্রীন এক্সপ্রেস।
» তরমুজ - পদ্মা, মধুবালা (হলদে জাতের তরমুজ)।
» বেগুন - শুকতারা, খটখটিয়া, দোহাজারী, কাজলা, নয়নতারা, উত্তরা, তারাপুরী, শিংনাথ, ইসলামপুরী। 
» কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী, মোহনবাসী, বীটজবা, অমৃতসাগর,বেহুলা, মন্দিরা, কাপাসি, কাঁঠালী,  চিনিচম্পা, মৃতসাগর, সবরী, চাঁপা, কবরী, সিঙ্গাপুরী, এটে বা বিচিকলা, বারি কলা-১, মেহেরসাগর, চোয়ালপাউশ, আনাজী।
» আম - ল্যাংড়া, গোপালভোগ, মোহনভোগ, মহানন্দা।
» পেয়ারা - বারি-৪, কাজি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১।আলুর উন্নত জাত – ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, কুফরী ও সিন্দুরী ।
২। কলার উন্নত জাত – অগ্নিশ্বর (৩৬ তম বিসিএস), মোহনবাঁশি, কানাইবাঁশি, সিঙ্গাপুরী, বীজটবা । (১০ম বিসিএস)
৩। ভুট্টার উন্নত জাত - বর্ণালী ও শুভ্র (৩৫তম বিসিএস), উত্তরণ
৪। গমের উন্নত জাত – বলাকা (২৬ তম বিসিএস), দোয়েল (২৬, ৩২ তম বিসিএস), সোনালিকা (৩২ তম বিসিএস), আকবর (৩২ তম বিসিএস), আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ।
৫। ধানের উন্নত জাত – ইরাটম (২৬ তম বিসিএস), মুক্তা, আশা, মালা, ময়না, ইরি, প্রগতি, সোনার বাংলা-১, নারিকা-১, আলোক-৬২১০ ।
৬। তুলার উন্নত জাত - রুপালী ও ডেলফোজ ।
৭। তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।
৮। টমেটোর উন্নত জাত - বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী ।
৯। বেগুনের উন্নত জাত - শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ।
১০। আমের উন্নত জাত - মোহনভোগ, মহানন্দা, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপলি, ক্ষীরসাপাতি (চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত আমের নাম; যার অপর নাম ‘হিমসাগর’) ।
১১। মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাত - ‘হাজী’ ও ‘দানেশ’ ।
১২। সরিষার উন্নত জাত - ‘সফল’ ও ‘অগ্রণী’ ।
১৩। তরমুজের উন্নত জাতের নাম - ‘মধুবালা’ ও ‘পদ্মা’ ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
* বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য/কৃষিজ পণ্য— ধান
* বর্তমানে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে— তৃতীয়।
* দেশের মোট জমির শতকরা ৭০% জমিতে ধান উৎপাদন হয়।
* বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চাষ হয় বোরো ধান।
* দেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়- রংপুরে।
* কিছু উন্নত জাতের ধানের মধ্যে- বাংলামতি, সোনার বাংলা, ব্রিশাইল, ব্রি-৬২, ব্রি-৮১ থেকে ব্রি— ৮৫, ইরাটম— ২৪, ষ্টীয় ময়না, মুক্তা, মোহিনি, আশা, সুফলা, চান্দিনা অন্যতম।
* বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) উদ্ভাবিত প্রথম জিংক সমৃদ্ধ ধান- ‘ব্রি- ৬২।
* বাংলাদেশের প্রধান প্রধান ধানের মধ্যে- বোরো, আউশ, আমন, হীরা ইত্যাদি অন্যতম।
* আমন ধান কাঁটার সময় কার্তিক-অগ্রহায়ণ।
* উত্তরবঙ্গের মঙ্গা এলাকার জন্য উপযোগী- বি-আর৩৩ ।
* দক্ষিণ বঙ্গের লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধান- বিনা-৮।
* দেশে সোনালি ধান উদ্ভাবন করে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
* সবচেয়ে বেশি চালকল আছে- নওগাঁ জেলায়।
* এক ধানে দুই চাল আবিষ্কারক- মকবুল হোসেন (ঝিনাইদহ)।
* সাধারণত সেচ নির্ভর ধান বোরো ধান। [বাংলাদেশের প্রধান ধান]
* বোরো ধান বোনা হয় কার্তিক মাসে ও কাটা হয় বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে।
* আউশ ধান কাঁটার সময় বর্ষাকাল বলে একে আষাঢ়ী ধানও বলা হয়। [বুনন চৈত্র-বৈশাখ
* আমন ধান দুই প্রকার। যথা: ১) রোপা আমন ও ২) বোনা আমন।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৫
প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬ (BBS)

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ও বিভাগ
বেশি গুরুত্বপূর্ণ
⇒ গম: (জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বিভাগ- রাজশাহী)
⇒ ভুট্টা: (জেলা- দিনাজপুর ও বিভাগ- রংপুর)
⇒ সয়াবিন: (জেলা- লক্ষ্মীপুর ও বিভাগ- চট্টগ্রাম)
⇒ আলু: (জেলা- রংপুর ও বিভাগ- রংপুর)
⇒ পেঁয়াজ: (জেলা- পাবনা ও বিভাগ- রাজশাহী)
⇒ আম: (জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বিভাগ- রাজশাহী)
⇒ কাঁঠাল: (জেলা- গাজীপুর ও বিভাগ- ঢাকা)
⇒ পাট: (জেলা- ফরিদপুর ও বিভাগ- ঢাকা)
⇒ তুলা: (জেলা- ঝিনাইদহ ও বিভাগ- খুলনা)
⇒ শিমুল তুলা: (জেলা- রাঙ্গামাটি ও বিভাগ- ঢাকা)
⇒ তামাক: (জেলা- কুষ্টিয়া ও বিভাগ- খুলনা)
⇒ পেয়ারা: (জেলা- চট্টগ্রাম ও বিভাগ- চট্টগ্রাম)
⇒ ধান: (জেলা- ময়মনসিংহ ও বিভাগ- রংপুর)
⇒ চা: (জেলা- মৌলভীবাজার ও বিভাগ- সিলেট)

কম গুরুত্বপূর্ণ
⇒ লিচু: (জেলা- দিনাজপুর ও বিভাগ- রাজশাহী)
⇒ গোলাপ ফুল: (জেলা- যশোর ও বিভাগ- খুলনা)
⇒ হলুদ: (জেলা- খাগড়াছড়ি ও বিভাগ- রাজশাহী)
⇒ সুপারি: (জেলা- লক্ষ্মীপুর ও বিভাগ- চট্টগ্রাম)
⇒ মিষ্টি আলু: (জেলা- লক্ষ্মীপুর ও বিভাগ- চট্টগ্রাম)
⇒ রসুন: (জেলা- নাটোর ও বিভাগ- রাজশাহী)
⇒ চীনা বাদাম: (জেলা- পঞ্চগড় ও বিভাগ- চট্টগ্রাম)
⇒ তরমুজ: (জেলা- পটুয়াখালী ও বিভাগ- বরিশাল)
⇒ আনারস: (জেলা- টাঙ্গাইল ও বিভাগ- ঢাকা)
⇒ আউশ ধান: (জেলা- কুমিল্লা ও বিভাগ- চট্টগ্রাম)
⇒ আমন ধান: (জেলা- দিনাজপুর ও বিভাগ- রংপুর)
⇒ বোরোধান: (জেলা- ময়মনসিংহ ও বিভাগ- রাজশাহী)

বিশেষ তথ্য:
⇒ চিংড়ি মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সাতক্ষীরা, বিভাগ খুলনা।
⇒ নদীর মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ভোলা, বিভাগ বরিশাল।
⇒ পুকুরের মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ এবং বিভাগ চট্টগ্রাম।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।