Correct Answer: Option C
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে মঙ্গল পান্ডের একক প্রতিবাদ এই বিদ্রোহের স্ফুলিঙ্গ জ্বেলেছিল। দ্রুতই তা মিরাট, দিল্লি, বেরিলি, কানপুর, এবং এলাহাবাদের মতো শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি কলকাতা, ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর এবং দিনাজপুরের মতো দূরবর্তী অঞ্চলগুলোতেও এর ঢেউ লাগে।
এই বিদ্রোহের একটি প্রধান দিক ছিল মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে ভারতের শাসক হিসেবে ঘোষণা করা, যা এই আন্দোলনকে একটি বৃহত্তর জাতীয় রূপ দেয়। এই আন্দোলনে অনেক বিশিষ্ট নেতা যোগ দেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ, এবং মৌলভী লিয়াকত আলী।
বিদ্রোহীরা শুধু প্রতিবাদ করেই থামেনি, তারা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত হানে। তারা জেল ভেঙে বন্দিদের মুক্ত করে, সরকারি কোষাগার লুঠ করে এবং ব্রিটিশদের ওপর আক্রমণ চালায়। সিপাহীদের এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions