প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি কাজ করে। যেমন- খনি থেকে কোন আকরিক উত্তোলন, পশুপালন, মৎস শিকার, কাঠ চেরাই ইত্যাদি।
দ্বিতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে মানুষ তার প্রথম পর্যায়ের কার্যাবলি দ্বারা উৎপাদিত সামগ্রীকে গঠন করে, আকার পরিবর্তন করে এবং উপযোগীতা বৃদ্ধি করে।
যেমন- উত্তোলিত আকরিক থেকে লোহা, লোহা থেকে পেরেক, টিন ইত্যাদি উৎপাদন বা মৎস থেকে তরকারী রান্না ইত্যাদি।
তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলি তে মানুষ উৎপাদন কার্য ব্যাতীত অন্যান্য উপায়ে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যাবলি থেকে উৎপাদিত বস্তুসমূহের উপযোগীতা বৃদ্ধি করে।
যেমন- হোটেলে মৎস রান্না করে সেটা বিক্রি, বা অন্য ব্যবসায়, পরিবহন করা ইত্যাদি।
উৎসঃ নবম শ্রেণীর ভূগোল ।