Solution
Correct Answer: Option C
⇒ কোনো ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমাদের বাগযন্ত্রের (মুখগহ্বরের) যে অংশটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে, তাকে সেই ধ্বনির উচ্চারণস্থান বলা হয়।
⇒ 'উ' (হ্রস্ব-উ) এবং 'ঊ' (দীর্ঘ-ঊ) এই ধ্বনি দুটি উচ্চারণের সময় আমাদের দুটি ঠোঁট বা ওষ্ঠ গোলাকার হয়ে যায় এবং সামান্য সামনের দিকে এগিয়ে আসে।
⇒ যেহেতু এই ধ্বনি দুটি তৈরি করতে আমাদের ঠোঁট বা ওষ্ঠের (উপরের ও নিচের ঠোঁট) ভূমিকা সবচেয়ে প্রধান এবং ওষ্ঠ ছাড়া এগুলো উচ্চারণ করা অসম্ভব, তাই এদের উচ্চারণস্থান হলো 'ওষ্ঠ'।
⇒ উচ্চারণস্থানের এই ভূমিকার উপর ভিত্তি করে ব্যাকরণের ভাষায় 'উ' এবং 'ঊ' ধ্বনি দুটিকে 'ওষ্ঠ্য বর্ণ' বা 'ওষ্ঠ্য ধ্বনি' বলা হয়।
⇒ অন্যান্য অপশনগুলোর উচ্চারণ। যেমন- আমাদের কণ্ঠ বা গলা থেকে উচ্চারিত হয় 'অ' এবং 'আ', তাই এরা কণ্ঠ্য বর্ণ।
⇒ আমাদের মুখের ভেতরের তালু থেকে উচ্চারিত হয় 'ই' এবং 'ঈ', তাই এরা তালব্য বর্ণ।
⇒ আর মূর্ধা (তালুর পেছনের উঁচু অংশ) থেকে উচ্চারিত হয় 'ঋ', তাই এটি মূর্ধন্য বর্ণ।
⇒ যেহেতু উপরের কোনোটির সাথেই 'উ' এবং 'ঊ' এর উচ্চারণস্থলের মিল নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'ওষ্ঠ' নির্বাচন করতে হবে।