চলিত রীতি: - এই রীতিটি মানুষের মুখের ভাষার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এটি জীবন্ত ও গতিশীল।
- যেহেতু মানুষের মুখের ভাষা সময়ের সাথে সাথে বদলায়, নতুন শব্দ যোগ হয়, পুরনো শব্দ হারিয়ে যায় এবং উচ্চারণের ভঙ্গি পাল্টায়, তাই চলিত রীতিও সেই পরিবর্তনের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়। একারণেই ভাষার
চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। - উদাহরণস্বরূপ, ৫০ বছর আগের চলিত গদ্যের সাথে আজকের চলিত গদ্যের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।
সাধু রীতি: - এটি ভাষার একটি সুনির্ধারিত ও অপরিবর্তনীয় রূপ। এর ব্যাকরণের নিয়মকানুন কঠোর এবং নির্দিষ্ট।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: তাঁহারা, করিতেছে) এবং এটি মূলত লেখ্য ভাষা, মুখের ভাষা নয়। তাই এর পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
কথ্য রীতি ও উপভাষা: - যদিও বিভিন্ন অঞ্চলের কথ্য রীতি বা উপভাষা সবচেয়ে বেশি পরিবর্তনশীল, কিন্তু "চলিত রীতি" হলো একটি নির্দিষ্ট মান বা Standard রূপ, যা শিক্ষিত সমাজের কথ্য ভাষাকে অনুসরণ করে পরিবর্তিত হয়।
- প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে চলিত রীতিই হলো সেই মানরীতি যা পরিবর্তনকে গ্রহণ করে।
লেখ্য রীতি:
- এটি একটি সাধারণ শ্রেণীবিভাগ, যার মধ্যে সাধু ও চলিত উভয়ই পড়ে। তাই নির্দিষ্ট করে একে পরিবর্তনশীল বলা যায় না।