কারণ: - mRNA (মেসেঞ্জার RNA): এটি DNA থেকে জিনগত তথ্য বহন করে রাইবোসোমে, যেখানে প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়। এটি সরাসরি অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রম নির্ধারণ করে।
- tRNA (ট্রান্সফার RNA): এটি সাইটোপ্লাজম থেকে নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড বহন করে রাইবোসোমে নিয়ে আসে এবং mRNA-এর কোড অনুযায়ী প্রোটিন তৈরির জন্য সেগুলোকে সাজাতে সাহায্য করে।
- রাইবোজোম: এটি প্রোটিন সংশ্লেষণের মূল স্থান। এখানেই mRNA-এর তথ্য অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো পেপটাইড বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড (প্রোটিন) তৈরি করে।
- DNA (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড): এটি কোষের জেনেটিক উপাদান ধারণ করে এবং প্রোটিন তৈরির নির্দেশনা (জিন) এর মধ্যে সংগুপ্ত থাকে। তবে, DNA সরাসরি প্রোটিন সংশ্লেষণের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। বরং, DNA থেকে প্রথমে mRNA তৈরি হয় (ট্রান্সক্রিপশন), এবং সেই mRNA পরবর্তীতে প্রোটিন সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
ব্যাচ-১/পরীক্ষা- ৭৬
কোর্স নামঃ
সাধারণ জ্ঞান ৭০ মার্ক বেসিক ভিউ বই থেকে
টপিকসঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম: এভারেস্ট জয়ীগণ, চলচ্চিত্র, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ, বিভিন্ন অঞ্চলের লোকসংগীত, বাউল শিল্পী, চিত্রশিল্পী, জাদুঘর, ভাস্কর্য, বাংলাদেশের খেলাধুলা ও গণমাধ্যম (পেইজ: ৯৩৮-৯৬২)