সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

আলো

১৫৪ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
মরুভূমিতে প্রচণ্ড তাপে ভূপৃষ্ঠের বায়ুর স্তর হালকা ও ওপরের স্তর ঘন হয়। আলো ঘন থেকে হালকা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় ক্রমাগত প্রতিসরণ ঘটে। একপর্যায়ে আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বড় হলে আলোর অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে। ফলে চোখে পানির মায়া বা মরীচিকা সৃষ্টি হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ হলো এমন এক ধরনের তরঙ্গ যা পর্যায়ক্রমে পরিবর্তনশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের সমন্বয়ে গঠিত। এ ক্ষেত্র দুটি একে অপরের সাথে ও তরঙ্গ প্রবাহের দিকের সাথে লম্বভাবে কম্পিত হয়ে শূন্য মাধ্যমে শক্তি সঞ্চালন করে। এর জন্য কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালীর যে অংশ মানুষের চোখে দেখার অনুভূতি তৈরি করে, তাকে দৃশ্যমান বর্ণালী বলা হয় । এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার । অবলোহিত ও অতিবেগুনি অংশ মানুষ খালি চোখে দেখতে পায় না।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
আলোকবিদ্যায় লেন্সের ফোকাস দূরত্বের (মিটার এককে) বিপরীত রাশিকে লেন্সের ক্ষমতা বলে। এর আন্তর্জাতিক একক হলো ডায়প্টার । ১ মিটার ফোকাস দূরত্বের লেন্সের ক্ষমতা হলো ১ ডায়প্টার।
অন্যান্য এককসমূহ:
- লুমেন: আলোক ফ্লাক্সের একক
- ক্যান্ডেলা: দীপন ক্ষমতার একক
- লাক্স: আলোক তীব্রতার একক
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সরল অনুবীক্ষণ যন্ত্রে একটি কম ফোকাস দূরত্বের উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- বস্তুটিকে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের মধ্যে রাখলে লেন্সটি বস্তুটির একটি সোজা, অবাস্তব ও বিবর্ধিত (বড়) প্রতিবিম্ব তৈরি করে।
- এর ফলে চোখের অত্যন্ত নিকটবর্তী সূক্ষ্ম বস্তু সহজে ও স্পষ্ট বড় আকারে দেখা যায়।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সূর্যের আলো মূলত সাতটি রঙের আলোর মিশ্রণ । কোনো বস্তুর বর্ণ আলো শোষণের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় । লাল গোলাপের ওপর সূর্যের আলো পড়লে ফুলটি লাল আলো প্রতিফলিত করে এবং অন্যান্য সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় । প্রতিফলিত এই লাল আলো আমাদের চোখে পৌঁছায় বলেই গোলাপ ফুলটিকে লাল দেখায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো বস্তু যে রঙের আলো প্রতিফলিত করে, তাকে সে রঙের দেখায় । সবুজ পাতা কেবল সবুজ আলো প্রতিফলিত করে এবং লাল আলো শোষণ করে । অন্ধকার ঘরে লাল আলো ফেললে সবুজ পাতা তা পুরোপুরি শোষণ করে নেয় এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না । ফলে প্রতিফলিত আলো চোখে না পৌঁছানোয় পাতাটি কালো দেখায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে লাল, নীল ও সবুজ—এই তিনটি রঙকে মৌলিক বর্ণ (Primary Colors) বলা হয় । কারণ এই তিনটি রং অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, তবে এদেরকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য সব বর্ণ সৃষ্টি করা যায় । এই তিনটি প্রাথমিক বর্ণ একসাথে সমপরিমাণে মিশলে সাদা আলো তৈরি হয় ।
- লাল + নীল + সবুজ = সাদা আলো

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে দুটি বর্ণ একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত হয়ে সাদা বর্ণ উৎপন্ন করে, তাদেরকে একে অপরের পরিপূরক বর্ণ বলে।
যেমন— লাল বর্ণ এবং ময়ূরকণ্ঠী নীল (সবুজ+নীল) বর্ণ দুটি একত্রে মিশ্রিত করলে সাদা আলো উৎপন্ন হয়।
- মৌলিক বর্ণ: যে বর্ণগুলো অন্য বর্ণ থেকে তৈরি করা যায় না, যেমন: লাল, সবুজ ও নীল ।
- পরিপূরক বর্ণ: যে দুটি বর্ণ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশে সাদা বর্ণ তৈরি করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান ? আলোর প্রতিফলন বা আলোর অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে আর কোনো ব্যাখ্যা বা অনুশীলন প্রশ্ন জানতে চান?

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বৃষ্টির পর বাতাসে ভেসে থাকা জলকণা প্রিজমের মতো কাজ করে। সূর্যালোক এতে প্রবেশ করলে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে এবং তা সাতটি বর্ণে বিভক্ত হয়। এরপর জলকণার ভেতরের পৃষ্ঠে আলোর প্রতিফলন ঘটে আলো আমাদের চোখে ফিরে আসে, ফলে আকাশে রামধনু সৃষ্টি হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাদা আলো হলো সাতটি মূল বর্ণের আলোর সমষ্টি বা মিশ্রণ । যখন সাদা আলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে, তখন তা উপাদান সাতটি বর্ণে পৃথক হয়ে যায় । আলো এভাবে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হওয়ার ঘটনাকেই আলোর বিচ্ছুরণ বলা হয় । প্রকৃতিতে রংধনু সৃষ্টির পেছনেও আলোর এই বিচ্ছুরণ কাজ করে ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাদা আলো প্রিজমে প্রতিসরিত হয়ে সাতটি বর্ণে বিভক্ত হয় । বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে বেশি। তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় প্রিজমে বেগুনি আলোর গতি সবচেয়ে বেশি কমে যায়। তাই এই আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি ঘটে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
দীর্ঘদৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়া হলে দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখা গেলেও কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না । এতে আলো রেটিনার পেছনে ফোকাস হয়। উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিকে অভিসারী করে রেটিনার ওপর সঠিকভাবে ফোকাস করে, ফলে কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন প্রতিসরণ কোণ আপতন কোণের চেয়ে বড় হয় । আপতন কোণের মান বাড়াতে থাকলে প্রতিসরণ কোণও বাড়তে থাকে । আপতন কোণের যে নির্দিষ্ট মানের জন্য প্রতিসরণ কোণের মান ৯০ ডিগ্রি (90°) হয়, সেই আপতন কোণকে সংকট কোণ (Critical Angle) বলা হয় ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
সিনেমার পর্দায় গঠিত বিম্ব বাস্তব ও উল্টো বিম্ব।
- বাস্তব বিম্ব: প্রজেক্টরের উত্তল লেন্স থেকে আলো সরাসরি পর্দায় মিলিত হয় বলে এটি বাস্তব বিম্ব।
- উল্টো বিম্ব: আলোক নিয়ম অনুযায়ী বাস্তব বিম্ব সর্বদা উল্টো হয়। প্রজেক্টরে ফিল্ম উল্টো রাখায় পর্দায় সোজা দেখায়।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
LASER-এর পূর্ণরূপ হলো Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation।
- এটি এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে উচ্চ তীব্রতাসম্পন্ন, সুসংগত (coherent) এবং একবর্ণী আলোকরশ্মি তৈরি করা হয়।
- চিকিৎসাশাস্ত্র, যোগাযোগ প্রযুক্তি, বারকোড স্ক্যানিং এবং শিল্পক্ষেত্রে লেজার রশ্মি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মানুষের চোখের রেটিনায় থাকা কোন কোষ উজ্জ্বল আলো ও রঙ দর্শনে সাহায্য করে । দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে মানুষের চোখের দর্শন ক্ষমতা মধ্যবর্তী আলো অর্থাৎ হলুদ-সবুজ আলোতেই সর্বাধিক । অন্যদিকে, লাল আলোতে চোখের দর্শন ক্ষমতা সবচেয়ে কম বা শূন্য । তাই হলুদ-সবুজ আলো মানুষের চোখের জন্য সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
এক্স-রে (X-Ray) হলো উচ্চ ভেদনক্ষমতাসম্পন্ন একটি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১০-৮ m থেকে ১০-১১ m । এটি মাংসপেশি ভেদ করে যেতে পারলেও শক্ত হাড় ভেদ করতে পারে না । ফলে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাড়ের ছায়া পড়ে ভাঙা বা স্থানচ্যুত হাড় সহজে শনাক্ত করা যায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
আলোর প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যখন প্রতিফলক তল মসৃণ হয়। কারণ মসৃণ প্রতিফলক থেকে আলোর রশ্মি নিয়মিত (নিয়ম অনুসারে আপতন কোণ সমান প্রতিফলন কোণ) প্রতিফলিত হয়, ফলে প্রতিফলিত আলোর পরিমাণ বেশি হয়। অপরদিকে, অসমান (অমসৃণ) তল থেকে আলো বিচ্ছুরিত (scattered) হয়, যা প্রতিফলনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এছাড়াও আপতন কোণ বেশি হলে প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- আলোর কণা তত্ত্ব অনুযায়ী, আলো কণা দিয়ে গঠিত। এই তত্ত্ব আলোর প্রতিফলন এবং ছায়া সৃষ্টির মতো ঘটনা ব্যাখ্যা করতে পারে। আলোর প্রত্যাবর্তন (আলোর ঋজু পথে চলা) এটিও কণা তত্ত্বের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়।
- তবে, আলোর বর্ণালী গঠন (যেমন প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হওয়া) এবং বিশেষ করে ব্যতিচার (দুটি আলোক তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল ও অন্ধকার পটি তৈরি হওয়া) ও অপবর্তন (ধারালো কিনারা বা ছোট ছিদ্রের পাশ দিয়ে আলো বেঁকে যাওয়া) - এই ঘটনাগুলো আলোর তরঙ্গ প্রকৃতির সাথে বেশি সঙ্গতিপূর্ণ।
- কণা তত্ত্ব এককভাবে এই জটিল তরঙ্গ বৈশিষ্ট্যগুলোকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। আলোর বর্ণালী গঠনের মূল কারণ হলো আলোর প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের জন্য ভিন্ন ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য, যা কণা তত্ত্ব দিয়ে সহজে ব্যাখ্যা করা কঠিন।
প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে (X-ray) মানুষের শরীরের মাংসপেশি বা নরম টিস্যু ভেদ করে চলে যেতে পারে, কিন্তু হাড়ের মতো শক্ত বা ঘন পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
⇒ হাড় ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত হওয়ায় এক্স-রে শোষণ করে নেয়।
⇒ ফলে যখন শরীরের কোনো অংশের এক্স-রে নেওয়া হয়, তখন মাংসপেশির জায়গা কালো দেখায় কিন্তু হাড়ের জায়গা সাদা (ছায়া) দেখায়।
⇒ হাড় যদি ভাঙা বা ফাটল থাকে, তবে সেই ফাঁকা জায়গা দিয়ে রশ্মি চলে যায় এবং ছবিতে কালো দাগ দেখা যায়। এভাবেই ভাঙা হাড় শনাক্ত করা হয়।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
মৌলিক বা প্রাথমিক রঙ তিনটি (লাল, নীল ও সবুজ) । এ তিনটি রঙয়ের সংমিশ্রণে অন্য সব রং তৈরি করা যায়।
যথাঃ

- লাল+নীল=বেগুনী,
- হলুদ+সবুজ=লাইম, 
- লাল+হলুদ=কমলা,
- হলুদ+নীল=লাল,
- লাল+নীল+হলুদ=কালো, 
- লাল+ নীল=ম্যাজেণ্টা,
- নীল+সবুজ=নীলচে সবুজ,
- লাল+সবুজ=হলুদ,
- লাল+নীল+সবুজ=সাদা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আলো যখন প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায়, তখন তা বর্ণালীতে ভেঙে যায়। এই বর্ণালীতে আলো তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনুসারে বিভিন্ন রঙে বিন্যস্ত হয়। এই বর্ণালীর রঙগুলো হলো:

১. বেগুনি (Violet) - সর্বনিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য
২. নীল (Indigo)
৩. আসমানি (Blue)
৪. সবুজ (Green) - মধ্যবর্তী তরঙ্গদৈর্ঘ্য
৫. হলুদ (Yellow)
৬. কমলা (Orange)
৭. লাল (Red) - সর্বোচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্য

- বর্ণালীর এই সাতটি রঙের মধ্যে সবুজ রঙটি প্রায় মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে।
- একদিকে যেমন বেগুনি, নীল ও আসমানি (কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রঙ) রয়েছে, তেমনি অন্যদিকে হলুদ, কমলা ও লাল (বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রঙ) বিদ্যমান।
- সেই কারণে বর্ণালীর মধ্যরশ্মি হিসেবে সবুজ রঙকেই ধরা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে আলোর কম্পাঙ্ক (Frequency)। আলোর বর্ণ নির্ধারিত হয় আলোক কণা বা ফোটণের শক্তির ওপর। যেহেতু ফোটনের শক্তি, E = hv; যখন নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো আমাদের চোখের কোনে (cone) পড়ে তখন ঐ আলোর সমান কম্পাঙ্কের তড়িৎ সিগন্যাল আমাদের ব্রেইনে যায় এবং আমরা তৎসংশ্লিষ্ট বর্ণ দেখি । 
 
আলো বায়ু মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে আলোর বেগ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য উভয়ই হ্রাস পায়, বিস্তারও কমে। কিন্তু আলোর কম্পাঙ্ক ধ্রুব থাকে। 

তাই আলোর রং নির্ধারণের প্রধান ফ্যাক্টর কম্পাঙ্ক । তবে যেখানে কম্পাঙ্ক স্থির থাকে, অর্থাৎ নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলোর বর্ণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দ্বারা নির্ধারণ করা যায়। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে।
দর্পণ প্রধানত দুই প্রকার।
যথা- সমতল দর্পণ ও গোলীয় দর্পণ।
গোলীয় দর্পন আবার ২ প্রকার, যথাঃ উত্তল ও অবতল দর্পণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে আলোর কম্পাঙ্ক (Frequency)। আলোর বর্ণ নির্ধারিত হয় আলোক কণা বা ফোটণের শক্তির ওপর। যেহেতু ফোটনের শক্তি, E = hv; যখন নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো আমাদের চোখের কোনে (cone) পড়ে তখন ঐ আলোর সমান কম্পাঙ্কের তড়িৎ সিগন্যাল আমাদের ব্রেইনে যায় এবং আমরা তৎসংশ্লিষ্ট বর্ণ দেখি । 
 
আলো বায়ু মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে আলোর বেগ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য উভয়ই হ্রাস পায়, বিস্তারও কমে। কিন্তু আলোর কম্পাঙ্ক ধ্রুব থাকে। 

তাই আলোর রং নির্ধারণের প্রধান ফ্যাক্টর কম্পাঙ্ক । তবে যেখানে কম্পাঙ্ক স্থির থাকে, অর্থাৎ নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলোর বর্ণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দ্বারা নির্ধারণ করা যায়। 
ব্যাখ্যা (Explanation)

আলোর প্রতিসরণ ঘটে কারণ এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় আলোর গতি পরিবর্তিত হয়। এটি মাধ্যমের ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে ঘটে। যখন আলো একটি হালকা মাধ্যম (যেমন বায়ু) থেকে একটি ঘন মাধ্যম (যেমন পানি বা কাচ) প্রবেশ করে, তখন আলোর গতি কমে যায় এবং এটি বিভেদ তলে অভিলম্বের দিকে বেঁকে যায়। আবার, ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করলে আলোর গতি বৃদ্ধি পায় এবং এটি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।

এই গতি পরিবর্তনের কারণেই আলোর দিক পরিবর্তিত হয়, যা আমরা প্রতিসরণ হিসেবে জানি। স্নেলের সূত্র অনুযায়ী, প্রতিসরণ কোণ এবং আপতন কোণের সাইনগুলোর অনুপাত মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্কের উপর নির্ভর করে। সুতরাং, আলোর গতি পরিবর্তনই প্রতিসরণের মূল কারণ।

Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- রংধনু বা রামধনু বা ইন্দ্রধনু হল একটি দৃশ্যমান ধনুকাকৃতি আলোর রেখা যা বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে ঘটিত হয়। সাধারণত বৃষ্টির পর আকাশে সূর্যের বিপরীত দিকে রামধনু দেখা যায়।
- পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায় না সকালে।
- পশ্চিমাকাশে রংধনু দেখা যায় সকালে।
- আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারন বৃষ্টির কণা।
- রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
- রংধনুর সাত রংয়ের মধ্যে মধ্যম রং সবুজ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
- চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।