আলো (150 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সরল অনুবীক্ষণ যন্ত্রে একটি কম ফোকাস দূরত্বের উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- বস্তুটিকে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের মধ্যে রাখলে লেন্সটি বস্তুটির একটি সোজা, অবাস্তব ও বিবর্ধিত (বড়) প্রতিবিম্ব তৈরি করে।
- এর ফলে চোখের অত্যন্ত নিকটবর্তী সূক্ষ্ম বস্তু সহজে ও স্পষ্ট বড় আকারে দেখা যায়।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সূর্যের আলো মূলত সাতটি রঙের আলোর মিশ্রণ । কোনো বস্তুর বর্ণ আলো শোষণের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় । লাল গোলাপের ওপর সূর্যের আলো পড়লে ফুলটি লাল আলো প্রতিফলিত করে এবং অন্যান্য সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় । প্রতিফলিত এই লাল আলো আমাদের চোখে পৌঁছায় বলেই গোলাপ ফুলটিকে লাল দেখায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো বস্তু যে রঙের আলো প্রতিফলিত করে, তাকে সে রঙের দেখায় । সবুজ পাতা কেবল সবুজ আলো প্রতিফলিত করে এবং লাল আলো শোষণ করে । অন্ধকার ঘরে লাল আলো ফেললে সবুজ পাতা তা পুরোপুরি শোষণ করে নেয় এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না । ফলে প্রতিফলিত আলো চোখে না পৌঁছানোয় পাতাটি কালো দেখায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে লাল, নীল ও সবুজ—এই তিনটি রঙকে মৌলিক বর্ণ (Primary Colors) বলা হয় । কারণ এই তিনটি রং অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, তবে এদেরকে বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য সব বর্ণ সৃষ্টি করা যায় । এই তিনটি প্রাথমিক বর্ণ একসাথে সমপরিমাণে মিশলে সাদা আলো তৈরি হয় ।
- লাল + নীল + সবুজ = সাদা আলো

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে দুটি বর্ণ একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত হয়ে সাদা বর্ণ উৎপন্ন করে, তাদেরকে একে অপরের পরিপূরক বর্ণ বলে।
যেমন— লাল বর্ণ এবং ময়ূরকণ্ঠী নীল (সবুজ+নীল) বর্ণ দুটি একত্রে মিশ্রিত করলে সাদা আলো উৎপন্ন হয়।
- মৌলিক বর্ণ: যে বর্ণগুলো অন্য বর্ণ থেকে তৈরি করা যায় না, যেমন: লাল, সবুজ ও নীল ।
- পরিপূরক বর্ণ: যে দুটি বর্ণ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশে সাদা বর্ণ তৈরি করে।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান ? আলোর প্রতিফলন বা আলোর অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে আর কোনো ব্যাখ্যা বা অনুশীলন প্রশ্ন জানতে চান?
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৃষ্টির পর বাতাসে ভেসে থাকা জলকণা প্রিজমের মতো কাজ করে। সূর্যালোক এতে প্রবেশ করলে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে এবং তা সাতটি বর্ণে বিভক্ত হয়। এরপর জলকণার ভেতরের পৃষ্ঠে আলোর প্রতিফলন ঘটে আলো আমাদের চোখে ফিরে আসে, ফলে আকাশে রামধনু সৃষ্টি হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাদা আলো হলো সাতটি মূল বর্ণের আলোর সমষ্টি বা মিশ্রণ । যখন সাদা আলো প্রিজমের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে, তখন তা উপাদান সাতটি বর্ণে পৃথক হয়ে যায় । আলো এভাবে বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হওয়ার ঘটনাকেই আলোর বিচ্ছুরণ বলা হয় । প্রকৃতিতে রংধনু সৃষ্টির পেছনেও আলোর এই বিচ্ছুরণ কাজ করে ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সাদা আলো প্রিজমে প্রতিসরিত হয়ে সাতটি বর্ণে বিভক্ত হয় । বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে বেশি। তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় প্রিজমে বেগুনি আলোর গতি সবচেয়ে বেশি কমে যায়। তাই এই আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি ঘটে
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দীর্ঘদৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়া হলে দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখা গেলেও কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না । এতে আলো রেটিনার পেছনে ফোকাস হয়। উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিকে অভিসারী করে রেটিনার ওপর সঠিকভাবে ফোকাস করে, ফলে কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন প্রতিসরণ কোণ আপতন কোণের চেয়ে বড় হয় । আপতন কোণের মান বাড়াতে থাকলে প্রতিসরণ কোণও বাড়তে থাকে । আপতন কোণের যে নির্দিষ্ট মানের জন্য প্রতিসরণ কোণের মান ৯০ ডিগ্রি (90°) হয়, সেই আপতন কোণকে সংকট কোণ (Critical Angle) বলা হয় ।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিনেমার পর্দায় গঠিত বিম্ব বাস্তব ও উল্টো বিম্ব
- বাস্তব বিম্ব: প্রজেক্টরের উত্তল লেন্স থেকে আলো সরাসরি পর্দায় মিলিত হয় বলে এটি বাস্তব বিম্ব।
- উল্টো বিম্ব: আলোক নিয়ম অনুযায়ী বাস্তব বিম্ব সর্বদা উল্টো হয়। প্রজেক্টরে ফিল্ম উল্টো রাখায় পর্দায় সোজা দেখায়।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আপনার আপলোড করা সোর্স ফাইলগুলোতে (লেকচার ১–১১) **'LASER'** সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি (তবে লেকচার ৮-এ আলো, অপটিক্যাল ফাইবার ও প্রতিফলনের মতো বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে)। নিচে আপনার প্রশ্নের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো (যেহেতু এটি সোর্স ফাইলের বাইরের তথ্য, তাই এটি স্বাধীনভাবে যাচাই করে নিতে পারেন): **সঠিক উত্তর:** **Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation** ### **ব্যাখ্যা:** **LASER** হলো একটি সংক্ষিপ্ত রূপ (Acronym), যার প্রতিবর্ণীকরণ ও কার্যপ্রণালী নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: - **Light Amplification (আলোর বিবর্ধন):** বিশেষ প্রক্রিয়ায় আলোর তীব্রতা ও শক্তি বহু গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। - **Stimulated Emission (উদ্দীপিত নির্গমন):** পরমাণুর উচ্চ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনগুলোকে বাইরে থেকে ফটোন দিয়ে উদ্দীপিত করে অতিরিক্ত ফটোন নির্গত করা হয়। - **Radiation (বিকিরণ):** এই আলো তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ আকারে নির্গত হয়। **লেজার রশ্মির বিশেষত্ব:** সাধারণ আলো (যেমন বাল্ব বা টর্চের আলো) চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং অসঙ্গত (incoherent) হয়। কিন্তু লেজার প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত আলোকরশ্মি অত্যন্ত **সুসংগত (coherent)**, **একবর্ণী (monochromatic)** এবং **উচ্চ তীব্রতাসম্পন্ন** হয়, যা না ছড়িয়ে সোজা রেখায় বহু দূরে গমন করতে পারে। ? *আপনি কি সোর্স ফাইলে থাকা আলোর অন্যান্য প্রযুক্তি, যেমন অপটিক্যাল ফাইবার বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান?*
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের চোখের রেটিনায় থাকা কোন কোষ উজ্জ্বল আলো ও রঙ দর্শনে সাহায্য করে । দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে মানুষের চোখের দর্শন ক্ষমতা মধ্যবর্তী আলো অর্থাৎ হলুদ-সবুজ আলোতেই সর্বাধিক । অন্যদিকে, লাল আলোতে চোখের দর্শন ক্ষমতা সবচেয়ে কম বা শূন্য । তাই হলুদ-সবুজ আলো মানুষের চোখের জন্য সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এক্স-রে (X-Ray) হলো উচ্চ ভেদনক্ষমতাসম্পন্ন একটি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১০-৮ m থেকে ১০-১১ m । এটি মাংসপেশি ভেদ করে যেতে পারলেও শক্ত হাড় ভেদ করতে পারে না । ফলে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাড়ের ছায়া পড়ে ভাঙা বা স্থানচ্যুত হাড় সহজে শনাক্ত করা যায় ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আলোর প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যখন প্রতিফলক তল মসৃণ হয়। কারণ মসৃণ প্রতিফলক থেকে আলোর রশ্মি নিয়মিত (নিয়ম অনুসারে আপতন কোণ সমান প্রতিফলন কোণ) প্রতিফলিত হয়, ফলে প্রতিফলিত আলোর পরিমাণ বেশি হয়। অপরদিকে, অসমান (অমসৃণ) তল থেকে আলো বিচ্ছুরিত (scattered) হয়, যা প্রতিফলনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এছাড়াও আপতন কোণ বেশি হলে প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আলোর কণা তত্ত্ব অনুযায়ী, আলো কণা দিয়ে গঠিত। এই তত্ত্ব আলোর প্রতিফলন এবং ছায়া সৃষ্টির মতো ঘটনা ব্যাখ্যা করতে পারে। আলোর প্রত্যাবর্তন (আলোর ঋজু পথে চলা) এটিও কণা তত্ত্বের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়।
- তবে, আলোর বর্ণালী গঠন (যেমন প্রিজমের মাধ্যমে আলোর বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হওয়া) এবং বিশেষ করে ব্যতিচার (দুটি আলোক তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল ও অন্ধকার পটি তৈরি হওয়া) ও অপবর্তন (ধারালো কিনারা বা ছোট ছিদ্রের পাশ দিয়ে আলো বেঁকে যাওয়া) - এই ঘটনাগুলো আলোর তরঙ্গ প্রকৃতির সাথে বেশি সঙ্গতিপূর্ণ।
- কণা তত্ত্ব এককভাবে এই জটিল তরঙ্গ বৈশিষ্ট্যগুলোকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। আলোর বর্ণালী গঠনের মূল কারণ হলো আলোর প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের জন্য ভিন্ন ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য, যা কণা তত্ত্ব দিয়ে সহজে ব্যাখ্যা করা কঠিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে (X-ray) মানুষের শরীরের মাংসপেশি বা নরম টিস্যু ভেদ করে চলে যেতে পারে, কিন্তু হাড়ের মতো শক্ত বা ঘন পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
⇒ হাড় ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত হওয়ায় এক্স-রে শোষণ করে নেয়।
⇒ ফলে যখন শরীরের কোনো অংশের এক্স-রে নেওয়া হয়, তখন মাংসপেশির জায়গা কালো দেখায় কিন্তু হাড়ের জায়গা সাদা (ছায়া) দেখায়।
⇒ হাড় যদি ভাঙা বা ফাটল থাকে, তবে সেই ফাঁকা জায়গা দিয়ে রশ্মি চলে যায় এবং ছবিতে কালো দাগ দেখা যায়। এভাবেই ভাঙা হাড় শনাক্ত করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মৌলিক বা প্রাথমিক রঙ তিনটি (লাল, নীল ও সবুজ) । এ তিনটি রঙয়ের সংমিশ্রণে অন্য সব রং তৈরি করা যায়।
যথাঃ

- লাল+নীল=বেগুনী,
- হলুদ+সবুজ=লাইম, 
- লাল+হলুদ=কমলা,
- হলুদ+নীল=লাল,
- লাল+নীল+হলুদ=কালো, 
- লাল+ নীল=ম্যাজেণ্টা,
- নীল+সবুজ=নীলচে সবুজ,
- লাল+সবুজ=হলুদ,
- লাল+নীল+সবুজ=সাদা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আলো যখন প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায়, তখন তা বর্ণালীতে ভেঙে যায়। এই বর্ণালীতে আলো তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনুসারে বিভিন্ন রঙে বিন্যস্ত হয়। এই বর্ণালীর রঙগুলো হলো:

১. বেগুনি (Violet) - সর্বনিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য
২. নীল (Indigo)
৩. আসমানি (Blue)
৪. সবুজ (Green) - মধ্যবর্তী তরঙ্গদৈর্ঘ্য
৫. হলুদ (Yellow)
৬. কমলা (Orange)
৭. লাল (Red) - সর্বোচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্য

- বর্ণালীর এই সাতটি রঙের মধ্যে সবুজ রঙটি প্রায় মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে।
- একদিকে যেমন বেগুনি, নীল ও আসমানি (কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রঙ) রয়েছে, তেমনি অন্যদিকে হলুদ, কমলা ও লাল (বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রঙ) বিদ্যমান।
- সেই কারণে বর্ণালীর মধ্যরশ্মি হিসেবে সবুজ রঙকেই ধরা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে আলোর কম্পাঙ্ক (Frequency)। আলোর বর্ণ নির্ধারিত হয় আলোক কণা বা ফোটণের শক্তির ওপর। যেহেতু ফোটনের শক্তি, E = hv; যখন নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো আমাদের চোখের কোনে (cone) পড়ে তখন ঐ আলোর সমান কম্পাঙ্কের তড়িৎ সিগন্যাল আমাদের ব্রেইনে যায় এবং আমরা তৎসংশ্লিষ্ট বর্ণ দেখি । 
 
আলো বায়ু মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে আলোর বেগ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য উভয়ই হ্রাস পায়, বিস্তারও কমে। কিন্তু আলোর কম্পাঙ্ক ধ্রুব থাকে। 

তাই আলোর রং নির্ধারণের প্রধান ফ্যাক্টর কম্পাঙ্ক । তবে যেখানে কম্পাঙ্ক স্থির থাকে, অর্থাৎ নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলোর বর্ণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দ্বারা নির্ধারণ করা যায়। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে।
দর্পণ প্রধানত দুই প্রকার।
যথা- সমতল দর্পণ ও গোলীয় দর্পণ।
গোলীয় দর্পন আবার ২ প্রকার, যথাঃ উত্তল ও অবতল দর্পণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে আলোর কম্পাঙ্ক (Frequency)। আলোর বর্ণ নির্ধারিত হয় আলোক কণা বা ফোটণের শক্তির ওপর। যেহেতু ফোটনের শক্তি, E = hv; যখন নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো আমাদের চোখের কোনে (cone) পড়ে তখন ঐ আলোর সমান কম্পাঙ্কের তড়িৎ সিগন্যাল আমাদের ব্রেইনে যায় এবং আমরা তৎসংশ্লিষ্ট বর্ণ দেখি । 
 
আলো বায়ু মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে আলোর বেগ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য উভয়ই হ্রাস পায়, বিস্তারও কমে। কিন্তু আলোর কম্পাঙ্ক ধ্রুব থাকে। 

তাই আলোর রং নির্ধারণের প্রধান ফ্যাক্টর কম্পাঙ্ক । তবে যেখানে কম্পাঙ্ক স্থির থাকে, অর্থাৎ নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলোর বর্ণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দ্বারা নির্ধারণ করা যায়। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

আলোর প্রতিসরণ ঘটে কারণ এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় আলোর গতি পরিবর্তিত হয়। এটি মাধ্যমের ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে ঘটে। যখন আলো একটি হালকা মাধ্যম (যেমন বায়ু) থেকে একটি ঘন মাধ্যম (যেমন পানি বা কাচ) প্রবেশ করে, তখন আলোর গতি কমে যায় এবং এটি বিভেদ তলে অভিলম্বের দিকে বেঁকে যায়। আবার, ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করলে আলোর গতি বৃদ্ধি পায় এবং এটি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়।

এই গতি পরিবর্তনের কারণেই আলোর দিক পরিবর্তিত হয়, যা আমরা প্রতিসরণ হিসেবে জানি। স্নেলের সূত্র অনুযায়ী, প্রতিসরণ কোণ এবং আপতন কোণের সাইনগুলোর অনুপাত মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্কের উপর নির্ভর করে। সুতরাং, আলোর গতি পরিবর্তনই প্রতিসরণের মূল কারণ।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রংধনু বা রামধনু বা ইন্দ্রধনু হল একটি দৃশ্যমান ধনুকাকৃতি আলোর রেখা যা বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে ঘটিত হয়। সাধারণত বৃষ্টির পর আকাশে সূর্যের বিপরীত দিকে রামধনু দেখা যায়।
- পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায় না সকালে।
- পশ্চিমাকাশে রংধনু দেখা যায় সকালে।
- আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারন বৃষ্টির কণা।
- রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
- রংধনুর সাত রংয়ের মধ্যে মধ্যম রং সবুজ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
- চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির নাম ও ব্যবহারঃ
১.পেরিস্কোপ: সমুদ্রের তলদেশ থেকে সমুদ্রতলের ওপর অবধি বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা হয়।
২. অডিওমিটার: শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করা হয়।
৩. ব্যারোমিটার: বায়ুর চাপ মাপক যন্ত্র।
৪. ক্যালরিমিটার: তাপের পরিমাপ করা হয়।
৫. ম্যানোমিটার: গ্যাসের চাপ মাপক যন্ত্র।
৬. বেকম্যান থার্মোমিটার: এর দ্বারা তাপমাত্রার সামান্যতম পরিবর্তনকে লিপিবদ্ধ করা হয়।
৭. ক্লিনিক থার্মোমিটার: মানবদেহের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৮. ফ্যাদোমিটার: সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
৯. ডায়নামোমিটার: বৈদ্যুতিক ক্ষমতা মাপা হয়।
১০. স্পিডোমিটার: চলমান বস্তুর গতি নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
১১. অ্যামমিটার: তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
১২. হাইগ্রোমিটার: বায়ুমণ্ডলের আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র।
১৩. মাইক্রোমিটার: অতি সূক্ষ্ম বস্তুর মাপ নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
১৪. রেডিও মিটার: তাপ বিকিরণ সংক্রান্ত গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়।
১৫. ফটোমিটার: আলােকের তীব্রতা পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
১৬. কম্পিউটার: বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ ও জটিল গণনায় ব্যবহৃত হয়।
১৭. হাইড্রোমিটার: তরলের আপেক্ষিক ঘনত্ব পরিমাপক যন্ত্র।
১৮. রেইনগেজ: বৃষ্টিপাত পরিমাপ করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
১৯. অণুবীক্ষণ যন্ত্র: অত্যন্ত ক্ষুদ্রবস্তু বিবর্ধিত অবস্থায় ধরা পড়ে।
২০. পেসমেকার: হৃৎপিণ্ডের সাহায্যকারী যন্ত্র
২১. অডিওফোন: দুর্বল শ্রবণ ক্ষমতার উন্নতি করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
২২. এন্ডোস্কোপ: মানুষের দেহের কোনাে ফাপা অস্ত্র সম্পর্কে পরীক্ষা করা যায়।
২৩. বায়নোকুলার: দূরের বস্তুকে বৃহৎ আকারে দেখতে পাই।
২৪. সিসমোগ্রাফ: ভূমিকম্পের তীব্রতা লিপিবদ্ধ করার যন্ত্র।
২৫. স্টেথোস্কোপ: হার্ট ও ফুসফুসের শব্দ শােনার যন্ত্র।
২৬. ভার্নিয়ার স্কেল: অতি ক্ষুদ্ৰ দৈৰ্ঘ্য মাপা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ 

- দূরত্বের সম্পর্ক: দর্পণ থেকে বস্তু ও দর্পণ থেকে বিম্বের দূরত্ব সমান। 
- রৈখিক সম্পর্ক: বস্তু ও বিম্বের সংযোজক রেখা দর্পণ তলকে লম্বভাবে ছেদ করে। 
- প্রকৃতি: সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্ব অসদ (অবাস্তব) ও সোজা। 
- আকার: বিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান। 
- পার্শ্ব পরিবর্তন: বিম্বে বস্তুর পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আলো কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোন মাধ্যমে বাধা পেলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে কিছু পরিমাণ আলোক রশ্মি আগের মাধ্যমে ফিরে আসে, এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

- আলোর প্রতিফলন দুইটি সূত্র মেনে চলে। যথা:
প্রথম সূত্র: আপাতন রশ্মি এবং লম্ব দিয়ে আমরা যে সমতলটি কল্পনা করে নিয়েছিলাম প্রতিফলিত রশ্মিটি সেই সমতলেই থাকবে।
দ্বিতীয় সুত্র: প্রতিফলন কোনটি হবে আপাতন কোনের সমান।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- ক্রান্তি কোণের ক্ষেত্রে প্রতিসরণ কোণের মান 90 ডিগ্রী হয়।
- এটিকে সংকট কোণও বলে।
- এটি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে আপতন কোণের সেই মানকে বোঝায় যেখানে প্রতিসরিত রশ্মি বিভেদ তলের সাথে সমান্তরাল হয়ে যায়।
- ক্রান্তি/সংকট কোণের মান নির্ভর করে দুটি মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্কের উপর।
- আলো ক্রান্তি কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হলে সেটি আর প্রতিসরিত হয় না, প্রতিফলনের সূত্রানুসারে প্রথম মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0