স্থির ও চল তড়িৎ (69 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত হওয়ায় পরিবাহীতে তা ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ধনাত্মক প্রান্তের দিকে প্রবাহিত হয়। তবে ইলেকট্রন আবিষ্কারের পূর্বেই বিজ্ঞানের প্রচলিত নিয়মে ধরে নেওয়া হয়েছিল যে তড়িৎ ধনাত্মক প্রান্ত থেকে ঋণাত্মক প্রান্তের দিকে প্রবাহিত হয়। তাই সার্কিটে ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিককে সর্বসম্মতিক্রমে তড়িৎ প্রবাহের দিক হিসেবে ধরা হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ট্রান্সফরমার বা রূপান্তরক এমন একটি স্থিতিশীল বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা তাড়িত চৌম্বক আবেশ (বিশেষ করে পারস্পরিক আবেশ) নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
এতে একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তী বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র অপর কুণ্ডলীতে তড়িৎ প্রবাহ আবিষ্ট করে। ফলে এটি দিয়ে এসি ভোল্টেজ পরিবর্তন করা যায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আন্তর্জাতিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যয়িত বিদ্যুৎ শক্তি পরিমাপের একক হলো ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা (1 kWh)
বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ পরিমাপে এই একককে Board of Trade Unit (B.O.T.) বলা হয় ।
১ কিলোওয়াট ক্ষমতার কোনো যন্ত্র ১ ঘণ্টা চললে ব্যয়িত বিদ্যুৎ শক্তিই হলো ১ B.O.T ।
অর্থাৎ, ১ B.O.T = ১ kWh
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি আদর্শ তড়িৎ উৎস থেকে কোনো শক্তি ক্ষয় না হয়ে সমমানের তড়িৎ প্রবাহ পাওয়ার জন্য এর অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম ধরা হয় ।
- অসীম রোধের কারণে উৎসের ভেতরের অংশে কোনো প্রবাহ ক্ষয় হয় না।
- ফলে মূল বহিস্থ বর্তনীতে পুরো তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া যায়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চার্জ প্রবাহের হারকে তড়িৎ প্রবাহ বলে।
তড়িৎ প্রবাহের সূত্র: I = Q / t
- চার্জ (Q) = ১ কুলম্ব
- সময় (t) = ১ সেকেন্ড
অতএব, তড়িৎ প্রবাহ (I) = ১ / ১ = ১ অ্যাম্পিয়ার
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে ১ সেকেন্ডে ১ কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হলে তাকে ১ অ্যাম্পিয়ার বলে।

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১৪ মার্চ ১৮৭৯ - ১৮ এপ্রিল ১৯৫৫) জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি মূলত আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের দুটি স্তম্ভের একটি) এবং ভর-শক্তি সমতুল্যতার সূত্র, E = mc^2 (যা "বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত সমীকরণ" হিসেবে খেতাব দেওয়া হয়েছে) আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
- তিনি ১৯২১ সালে আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত গবেষণার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- যে তড়িৎযন্ত্রে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে জেনারেটর বা ডায়নামো বলে। তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র কাজ করে।
- ডায়নামো হল একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটর যা কমিউটেটর ব্যবহার করে সরাসরি কারেন্ট তৈরি করে।
- যুক্তরাজ্যের বৈজ্ঞানিক মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন
- ডায়নামোস ছিল প্রথম বৈদ্যুতিক জেনারেটর যা শিল্পের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম ছিল। 
- সাধারণ জেনারেটরে শক্তির রূপান্তর এভাবে হয়ঃ
  রাসায়নিক বা বিভব শক্তি --> যান্ত্রিক শক্তি --> তড়িৎ শক্তি।

 

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিদুৎ বিল বের করার জন্য আপনাকে ব্যয়িত শক্তি ওয়াট (W) বের করতে হবে। আর ওয়াট এর একক হবে কিলোওয়াট আওয়ার(kWh)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পানিতে লবণ দ্রবীভূত হলে লবণের আয়ন (Na+ এবং Cl-) তৈরি হয়।
- এই আয়নগুলি বিদ্যুৎ প্রবাহের বাহক হিসেবে কাজ করে।
- তাই, লবণ মিশ্রিত পানি বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ঘর্ষণের ফলে স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটি বা স্থির বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

- স্থির বিদ্যুৎ হল চার্জের একটি রূপ যা স্থির থাকে এবং প্রবাহিত হয় না।
- ঘর্ষণ হল দুটি পৃষ্ঠের মধ্যে সাপেক্ষিক গতি।
- যখন দুটি ভিন্ন পদার্থ একে অপরের সাথে ঘষা হয়, তখন তাদের ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হতে পারে।
- ইলেকট্রন স্থানান্তরের ফলে, একটি পদার্থ ইলেকট্রন হারিয়ে ধনাত্মকভাবে চার্জিত হয় এবং অন্য পদার্থ ইলেকট্রন অর্জন করে ঋণাত্মকভাবে চার্জিত হয়।
- এই চার্জগুলি স্থির থাকে এবং দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে, যতক্ষণ না সেগুলি পরিবাহী পদার্থের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় বা বাতাসে নিষ্কাশিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কঠিন অস্তরকগুলি তড়িৎ প্রকৌশলে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় এবং অনেক কঠিন অস্তরকই খুব ভাল অন্তরক। যেমন, চীনামাটি, কাঁচ এবং বেশিরভাগ প্লাস্টিক।
- বায়ু, নাইট্রোজেন এবং সালফার হেক্সাফ্লোরাইড তিনটি সর্বাধিক ব্যবহৃত বায়বীয় অস্তরক।
- পদার্থের বহিরাবরণীতে পেরিলিনের মতো অস্তরকগুলির ব্যবহার পরিবেশের সাথে একটি অস্তরকবাধা তৈরি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এনার্জি বাল্ব বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে কারণ এতে বিদ্যুতের অপচয় হয় না।
- সাধারণ লাল বাল্ব গুলো আলোর পাশাপাশি প্রচুর পরিমান তাপ সৃষ্টি করে এতে বিদ্যুতের প্রচুর অপচয় হয়। কিন্তু এনার্জি বাল্ব গুলো কম তাপ সৃষ্টি করে এবং শুধু আলো দিয়ে থাকে।
- ফলে তাপ সৃষ্টির জন্য অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অ্যামিটার→ তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ
- অডিওমিটার→ শব্দের তীব্রতা
- অলটিমিটার→ উচ্চতা পরিমাপ
- অডিওফোন→ কানে লাগিয়ে শোনার যন্ত্র
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পরিবাহকের রোধ তার প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ব্যস্তানুপাতিক। প্রস্থচ্ছেদকে দ্বিগুণ করলে, ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হয়। সুতরাং, রোধ অর্ধেক হয়ে যাবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ওহমের সূত্রানুসারে,
I = V / R
যেখানে,
   I হল তড়িৎপ্রবাহের মান (A)
   V হল বিভব পার্থক্য (V)
   R হল রোধ (Ω)

সুতরাং,
I = 20V / 4Ω
I = 5A
অতএব, তারের প্রান্তদ্বয়ের বিভব পার্থক্য 20V এবং এর রোধ 4Ω হলে এর মধ্য দিয়ে 5A তড়িৎপ্রবাহ চলবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- রাবার হল একটি অন্তরক পদার্থ। এটিতে ইলেকট্রনগুলি শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে, তাই এগুলি মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না। এই কারণে, রাবারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না।

- তামা এবং রূপা উভয়ই পরিবাহী পদার্থ।
- সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ, তাই এটি পরিবাহী এবং অন্তরকের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী অবস্থা।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলকে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের উদ্ভাবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ১৮৬৪ সালে তার বিখ্যাত ম্যাক্সওয়েল সমীকরণগুলি প্রকাশ করেন, যা দেখায় যে তড়িৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রগুলি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। এই সমীকরণগুলির উপর ভিত্তি করে, তিনি প্রমাণ করেন যে তড়িৎ এবং চৌম্বক তরঙ্গগুলি একটি একক, মাধ্যমহীন পদার্থের মাধ্যমে ভ্রমণ করতে পারে, যাকে তিনি "তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ" বলে অভিহিত করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
» তড়িৎ চুম্বক : কোন চৌম্বক পদার্থের গায়ে তারের কু-লী পেচিয়ে উক্ত কু-লীতে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে পদার্থটি অস্থায়ী চুম্বকে পরিণত হয়। এটিকে তড়িৎ চুম্বক বলে। 
» তড়িৎ চৌম্বক আবেশ আবিষ্কার করেন— মাইকেল ফ্যারাডে (১৮৩১ সালে)। 
» বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর ও ট্রান্সফর্মার আবিষ্কার করা হয়েছে— তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে। 
» যে বৈদ্যুতিক যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তিত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তরিত করা যায় তাকে বলে— ট্রান্সফর্মার। 
» যে তড়িৎ যন্ত্রে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রুপান্তরিত করা হয় তাকে বলে— ডায়নামো বা জেনারেটর। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তড়িৎ পরিবাহিতা ধর্মের ওপর ভিত্তি করে কঠিন পদার্থকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। এগুলো হলো:
১. পরিবাহী
২. অপরিবাহী এবং
৩. অর্ধপরিবাহী

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে।
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫ V।
- সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০ V।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি।
- আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এখানে,
ক্ষমতা, P = 40W
ভোল্টেজ, V = 200V
রোধ, R = ?

আমরা জানি,
P = V2/R
⇒ R = V2/P
= (200)2/40
=1000

∴ বাল্বটির রোধ = 1000 Ω।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার।
যথা-

(ক) অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ:
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে।
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়।
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়।

(খ) পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ:
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে।
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ।
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী।
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো।


i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মোটরের গতি এবং শক্তি নিম্নোক্তভাবে বৃদ্ধি করা যায়ঃ
১। তড়িৎ প্রবাহের মান বৃদ্ধি করে।
২। কুন্ডলীর পাকসংখ্যা বৃদ্ধি করে।
৩। শক্তিশালী চুম্বক ব্যবহার করে।
৪। কুন্ডলীর ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 -B.O.T বা B.T.U : তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান কিলোওয়াট ঘন্টা (kWh) এককে শক্তির পরিমাপ করে।
-সারা বিশ্বে তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান এ একক ব্যবহার করে।এজন্য এ একককে বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট (Board Of Trade unit) বলে। সংক্ষেপে একে শুধু ইউনিট বলে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিখ্যাত বিজ্ঞানী আরহেনিয়াস ১৮৮১ সালে প্রথম তড়িৎ বিশ্লেষণের ব্যাখ্যা দেন।
তিনি দেখিয়েছিলেন এসিড, ক্ষার বা লবণজাতীয় যৌগিক পদার্থকে তরলে দ্রবীভূত করলে সেগুলো আয়নায়িত হয়ে সম-পরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আধানে ভাগ হয়ে যায়।


i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-কোন পরিবাহীর রোধ পরিবাহীর দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল, উপাদান ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
-রোধের এ নির্ভরশীলতার উপর ভিত্তি করে রোধের তিনটি সূত্র আছে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণত তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহী পদার্থের রোধ বৃদ্ধি পায় কারণ তাপমাত্রা বাড়লে মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি হয়, এমনকি সংঘর্ষ হয়৷ এজন্য রোধ বেড়ে যায়।
- কিন্তু অধাতুর ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে রোধ হ্রাস পায়

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়।
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়।
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে।
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। যেমন- একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0