সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বিভিন্ন শাখার জনক

৮২ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
হোমিওপ্যাথির জনক জার্মান চিকিৎসক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান । তিনি এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
অন্যান্য বিকল্প:
- এডওয়ার্ড জেনার: গুটিবসন্তের টিকা আবিষ্কারক ।
- লুই পাস্তুর: জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কারক ।
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং: পেনিসিলিন আবিষ্কারক ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা (Explanation)
• লুই পাস্তুর-কে জীবাণুবিদ্যার (Microbiology) জনক বলা হয়। তিনি রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন।
• রবার্ট কক ব্যাকটেরিওলজির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
• আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
• এডওয়ার্ড জেনার গুটিবসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন, তাকে ইমিউনোলজির জনক বলা হয়।
• চার্লস রবার্ট ডারউইন বিবর্তনের সূত্র আবিষ্কার করেন এবং টমাস আলভা এডিসন আবিষ্কার করেন বৈদ্যুতিক বাতি।
• আলবার্ট আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটির প্রণেতা।
• ক্রিক এবং ওয়াটসন ১৯৫৩ সালে ডিএনএ-এর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর বর্ণনা দেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উইলহেলম উন্ড (Wilhelm Wundt)-কে আধুনিক মনোবিজ্ঞানের (Psychology) জনক বলা হয়।
- তিনি ১৮৭৯ সালে জার্মানির লাইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম পরীক্ষামূলক মনোবিজ্ঞান গবেষণাগার (Psychological Laboratory) স্থাপন করেন, যা মনোবিজ্ঞানকে দর্শনের শাখা থেকে আলাদা করে একটি স্বাধীন বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

অন্যান্য অপশন:
- সিগমুন্ড ফ্রয়েড: তিনি মনোসমীক্ষণ (Psychoanalysis)-এর জনক।
- উইলিয়াম জেমস: তাকে আধুনিক আমেরিকান মনোবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- জন বি. ওয়াটসন: তিনি মনোবিজ্ঞানে আচরণবাদের (Behaviorism) প্রতিষ্ঠাতা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আঁদ্রে ভেসালিয়াস (Andreas Vesalius)-কে আধুনিক মানব শারীরস্থান বা অ্যানাটমির (Anatomy) জনক বলা হয়।
- তিনি ১৫১৪ সালে বেলজিয়ামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথম পরিকল্পিতভাবে মানবদেহ ব্যবচ্ছেদ (Dissection) করে মানবদেহের গঠন সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করেন।

অন্যান্য অপশন:
- উইলিয়াম হার্ভে: মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন।
- হিপোক্রেটিস: তাকে প্রাচীন চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- অ্যান্টনি ভন লিউয়েনহুক: তিনি অণুজীববিজ্ঞানের (Microbiology) জনক হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
থিওফ্রেস্টাস (Theophrastus)-কে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের (Botany) জনক বলা হয়।
- তিনি উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করেন এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'Historia Plantarum' রচনা করেন।

অন্যান্য অপশন:
- অ্যারিস্টটল: তাকে জীববিজ্ঞান (Biology) ও প্রাণীবিজ্ঞানের (Zoology) জনক বলা হয়।
- ক্যারোলাস লিনিয়াস: তিনি আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা ও দ্বিপদ নামকরণের (Binomial Nomenclature) জনক।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল: তাকে জিনতত্ত্ব বা বংশগতিবিদ্যার (Genetics) জনক বলা হয়।
Job Solutions শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পেনিসিলিন এক ধরনের এন্টিবায়োটিক, যা পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে আবিষ্কৃত হয়।
- ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯২৮ সালে অণুজীব বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- আর ১৯৪২ সালে মানুষের শরীরের উপযোগী হিসেবে পেনিসিলিন তৈরি করেন জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ প্রাণ রসায়নবিদ আর্নেস্ট চেইন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্টেথোস্কোপ আবিষ্কার করেন ফরাসি চিকিৎসক রেনে থিওফাইল হায়াসিন্থ লেনেক (René-Théophile-Hyacinthe Laennec)।
- তিনি ১৮১৬ সালে এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন।
- রেনে লেনেক একজন তরুণী রোগীর হৃদস্পন্দন পরীক্ষা করার সময় সরাসরি বুকে কান পেতে শোনার পরিবর্তে একটি কাগজ রোল করে সিলিন্ডারের মতো তৈরি করেন এবং সেটি ব্যবহার করে হৃদস্পন্দনের শব্দ শোনেন।
- এই পদ্ধতিটি কার্যকর প্রমাণিত হয় এবং এর ভিত্তিতেই তিনি কাঠের তৈরি প্রথম স্টেথোস্কোপ তৈরি করেন।
- স্টেথোস্কোপ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "stethos" (বুক) এবং "skopein" (পর্যবেক্ষণ করা) থেকে।
- এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায় এবং হৃদস্পন্দন, ফুসফুসের শব্দ এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ শারীরিক শব্দ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
- রেনে লেনেকের এই আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে এবং এটি আজও চিকিৎসকদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- টেলিভিশনের আবিষ্কারক হিসেবে জন লোগি বেয়ার্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- তিনি ১৯২৫ সালে প্রথম কার্যকর টেলিভিশন সিস্টেম তৈরি করেন এবং ১৯২৬ সালে লন্ডনে প্রথম জনসম্মুখে টেলিভিশনের প্রদর্শনী করেন।
- তার উদ্ভাবিত টেলিভিশন ছিল একটি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল সিস্টেম, যা চলমান চিত্র প্রদর্শন করতে সক্ষম ছিল।
- জন লোগি বেয়ার্ডের এই আবিষ্কার আধুনিক টেলিভিশন প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করে।
- পরবর্তীতে তার প্রযুক্তি উন্নত করে ইলেকট্রনিক টেলিভিশন তৈরি করা হয়। তাই, টেলিভিশনের ইতিহাসে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভাষাতত্ত্বের জনক হিসাবে নোয়াম চমস্কিকে (Noam Chomsky) ধরা হয়।
- নোয়াম চমস্কি একজন মার্কিন ভাষাতত্ত্ববিদ, দার্শনিক, এবং রাজনৈতিক কর্মী।
- তিনি আধুনিক ভাষাতত্ত্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবীদের একজন।
- তিনি "জেনারেটিভ ব্যাকরণ" এবং "সর্বজনীন ব্যাকরণ" তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত।
- তার মতে, ভাষা মানুষের সহজাত ক্ষমতা, যা জৈবিকভাবে নির্ধারিত।
- তার কাজ ভাষাতত্ত্ব, জ্ঞানীয় বিজ্ঞান, এবং দর্শনের ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- নিউক্লিওটাইড বা নাইট্রোজেন বেসের যে গ্রুপ কোন অ্যামিনো এসিড এর সংকেত গঠন করে তাকে বংশগতি ও সংকেত বা জেনেটিক কোড বলে।
- কোড অর্থ গোপন সংকেত বা গোপন বার্তা।
- জেনেটিক কোডের মূল একক হল কোডন যা তিন অক্ষর বিশিষ্ট এর ভাষা সর্বদা একমুখী।
- এক কথায় বলা যায় যে, “জীবের বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরকারী কোডকে বলা হয় জেনেটিক কোড”।
- ১৯৬৬ সালে জেনেটিক কোড এর সম্পূর্ণ অর্থ উদ্ধার হয় এবং এর জন্য নিরেনবার্গ ও হরগোবিন্দ খোরানা ১৯৬৮ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ।
- তিনি কৃত্তিম জীন আবিষ্কার করেন ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
জোসেফ ওয়েইজেনবাম (Joseph Weizenbaum) ১৯৬৬ সালে এমআইটি (MIT)-তে বিশ্বের প্রথম এআই (AI) চ্যাটবট ELIZA তৈরি করেন। এটি মূলত সাইকোথেরাপিস্টদের মতো মানুষের সাথে কথোপকথন চালাতে সক্ষম ছিল।

অতিরিক্ত তথ্য: মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী John McCarthy-কে 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক' বলা হয়। তিনি Alan Turing, Marvin Minsky, Allen Newell এবং Herbert A. Simon প্রমুখের সহযোগে ১৯৫৫ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর ধারণা উদ্ভাবন করেন।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জন ম্যাকার্থি (John McCarthy) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI)–এর জনক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯৫৬ সালে “Artificial Intelligence” শব্দটি প্রথম প্রবর্তন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডার্টমাউথ কলেজে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এই ধারণাটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।
- এছাড়া, তিনি LISP নামের প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেন, যা AI গবেষণায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মিয়াওয়াকি ফরেস্ট হল একটি কৃত্রিম, দ্রুতবর্ধনশীল বন যা ছোট এলাকার মধ্যে প্রাকৃতিক ও স্থানীয় উদ্ভিদ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
- এই ধারণার প্রবর্তক জাপানি উদ্ভিদ বিজ্ঞানী আকিরা মিয়াওয়াকি।
- তিনি দেখিয়েছেন যে স্থানীয় গাছপালা এবং ঝোপঝাড় ব্যবহার করে ক্ষুদ্র ক্ষেত্রেও ঘন ও স্বাস্থ্যকর বন দ্রুত তৈরি করা সম্ভব।

মিয়াওয়াকি পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- স্থানীয় প্রজাতি ব্যবহার: শুধুমাত্র সেই অঞ্চলের উদ্ভিদ ব্যবহার করা হয় যা পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে যায়।
- উচ্চ ঘনত্ব: গাছগুলো খুব ঘনভাবে লাগানো হয়, যাতে বনের কাঠামো দ্রুত বিকশিত হয়।
- দ্রুত বৃদ্ধি: সঠিক পদ্ধতিতে বন প্রায় ২০–৩০ বছরের প্রাকৃতিক বনের সমতুল্য ১০ বছরের মধ্যে তৈরি করা যায়।
- পরিবেশগত উপকার: বায়ু, মাটি, জলবায়ু, এবং জীববৈচিত্র্যের উন্নতি ঘটায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাইরাস ফিল্ড (Cyrus Field)-কে আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
তিনি ১৮৫৮ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশ দিয়ে প্রথম ট্রান্সআটলান্টিক টেলিগ্রাফ ক্যাবল (Transatlantic Telegraph Cable) স্থাপনে সফল হন। এর ফলে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে প্রথমবারের মতো দ্রুতগতির টেলিযোগাযোগ সম্ভব হয়, যা আধুনিক বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অ্যালেন বি ডুমেন্ট (Allen B. DuMont)-কে আধুনিক টেলিভিশনের জনক বলা হয়। তিনি ক্যাথোড রে টিউব (Cathode Ray Tube - CRT)-এর ব্যাপক উন্নতি সাধন করেন, যা আধুনিক বাণিজ্যিক টেলিভিশনের প্রসারে মূল ভূমিকা পালন করেছিল।

অতিরিক্ত তথ্য: স্কটিশ উদ্ভাবক জন লগি বেয়ার্ড (John L. Baird) ১৯২৬ সালে প্রথম যান্ত্রিক বা মেকানিক্যাল টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট জে. এডওয়ার্ডস (R. J. Edwards)-কে টেস্ট টিউব বেবি বা আইভিএফ (IVF) পদ্ধতির জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তিনি এবং তাঁর সহযোগী প্যাট্রিক স্টেপটো (Patrick Steptoe) মিলে এই পদ্ধতির সফল প্রয়োগ করেন। তাঁদের এই যুগান্তকারী গবেষণার ফলেই ১৯৭৮ সালে বিশ্বের প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউন (Louise Brown)-এর জন্ম হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে ২০১০ সালে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- দর্শন শাস্ত্র বা ফিলোসফির জনক হিসেবে সক্রেটিসকে গণ্য করা হয়।
- তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন দার্শনিক ছিলেন এবং মূলত চিন্তা ও যুক্তি (Reasoning) এর ওপর গুরুত্ব দেন।
- সক্রেটিসের সবচেয়ে পরিচিত দৃষ্টিভঙ্গি হলো “সক্রেটিক পদ্ধতি” (Socratic Method), যেখানে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করা হয়।
- তিনি লিখিত কোনো গ্রন্থ রেখেননি; তার দর্শন মূলত শিষ্য প্লেটো ও অন্যান্যদের লিখিত কাজ থেকে জানা যায়।
- সক্রেটিস মানুষের নৈতিকতা, সঠিক জীবনধারা ও জ্ঞান অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেন। এজন্য তাকে দর্শন শাস্ত্রের জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
★ বাংলা গদ্যের জনক : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
★ বাংলা উপন্যাসের জনক : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
★ বাংলা নাটকের জনক : দীনবন্ধু মিত্র
★ বাংলা সনেটের জনক : মাইকেল মধুসুদন দত্ত
★ বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক : কাজী নজরুল ইসলাম
★ বাংলা চলচিত্রের জনক : হীরালাল সেন
★ বাংলা গদ্য ছন্দের জনক : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা (Explanation)
★ বাংলা গদ্যের জনক : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
★ বাংলা উপন্যাসের জনক : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
★ বাংলা নাটকের জনক : দীনবন্ধু মিত্র
★ বাংলা সনেটের জনক : মাইকেল মধুসুদন দত্ত
★ বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক : কাজী নজরুল ইসলাম
★ বাংলা চলচিত্রের জনক : হীরালাল সেন
★ বাংলা গদ্য ছন্দের জনক : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
জিওফ্রে চসার (Geoffrey Chaucer)-কে ইংরেজী কবিতার এবং একইসাথে ইংরেজী সাহিত্যের জনক বলা হয়।
• তিনি সম্ভবত ১৩৪০ খ্রিষ্টাব্দে লন্ডন শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
• মধ্যযুগের ইংরেজী সাহিত্যে তার অসামান্য অবদানের জন্যই তাকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
• তার সবচেয়ে বিখ্যাত এবং অমর সাহিত্যকর্ম হলো The Canterbury Tales, যা ইংরেজী সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- হার্বার্ট স্পেন্সার একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ও সমাজতাত্ত্বিক।
- তিনি চার্লস ডারউইনের জীববিজ্ঞানের বিবর্তনের তত্ত্ব (Theory of Evolution) কে সমাজবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
- স্পেন্সারের মতে, সমাজও একটি জীবনের মতো ক্রমবিকাশ লাভ করে, যেখানে শক্তিশালী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বেঁচে থাকে আর দুর্বলরা পিছিয়ে যায়।
- এটি সামাজিক বিবর্তনবাদের মূল ধারণা।
- সরাসরি বলতে গেলে, তিনি সমাজকে “Survival of the Fittest” বা “যারা উপযুক্ত তারা বেঁচে থাকবে” ধারণার আলোকে বিশ্লেষণ করেছিলেন। তাই সামাজিক বিবর্তনবাদের জনক হিসেবে হার্বার্ট স্পেন্সারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁৎ (Auguste Comte)-কে সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। সমাজবিজ্ঞানকে একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

মূল কারণসমূহ:
১. 'Sociology' শব্দের প্রবর্তক: তিনি সর্বপ্রথম 'Sociology' শব্দটি ব্যবহার করেন। পূর্বে তিনি একে 'Social Physics' বলতেন, কিন্তু ১৮৩৯ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'Cours de Philosophie Positive'-এ 'Sociology' শব্দটি চয়ন করেন।
২. প্রত্যক্ষবাদ (Positivism): তিনি সমাজকে কাল্পনিক বা ঐশ্বরিক ধারণার পরিবর্তে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণ নির্ভর বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি বা প্রত্যক্ষবাদের মাধ্যমে ব্যাখ্যার ধারণা দেন।
৩. ত্রস্তর সূত্র (The Law of Three Stages): মানব সমাজের জ্ঞান ও চিন্তার বিবর্তনকে তিনি তিনটি স্তরে (ধর্মতাত্ত্বিক, অধিবিদ্যক এবং বিজ্ঞানভিত্তিক বা দৃষ্টিবাদী স্তর) ভাগ করেন।
৪. বিষয়বস্তু নির্ধারণ: তিনি সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক স্থিতিবিদ্যা (Social Statics) ও সামাজিক গতিবিদ্যা (Social Dynamics) - এই দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করে অধ্যয়নের একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কাঠামো তৈরি করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ইরাটসথেনিস (২৭৬-১৯৪ খ্রীস্টপূর্ব) একজন প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত ছিলেন। তিনিই প্রথম "জিওগ্রাফি" শব্দটি ব্যবহার করেন।
- "জিওগ্রাফি" শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে: "জিও" (পৃথিবী) এবং "গ্রাফোস" (বর্ণনা)। তাই, জিওগ্রাফি শব্দের অর্থ হলো পৃথিবীর বর্ণনা।
- ইরাটসথেনিসের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ হলো পৃথিবীর পরিধি সঠিকভাবে গণনা করা। তিনি বিভিন্ন স্থানের মধ্যে দূরত্বের উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর পরিধি নির্ধারণ করেন, যা তার সময়ের জন্য একটি অসাধারণ কৃতিত্ব ছিল।
- তিনি একটি অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন, যা আজও ভূগোলবিদরা ব্যবহার করেন।
এসব অবদানের জন্য ইরাটসথেনিসকে ভূগোলের জনক বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ইতালীয় চিকিৎসক এবং অপরাধবিজ্ঞানী চেজারে লোম্ব্রোসোকে "অপরাধ বিজ্ঞানের জনক" হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি অপরাধ এবং অপরাধীর ওপর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে গবেষণা শুরু করেন।
- এর আগে অপরাধকে মূলত নৈতিক বা আইনি ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হতো।
- লোম্ব্রোসো এই ধারণার পরিবর্তন করে অপরাধকে একটি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণের পথ তৈরি করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
লুকা প্যাসিওলি-কে হিসাববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
• তিনি ছিলেন একজন ইতালীয় গণিতবিদ।
• ১৪৯৪ সালে তাঁর বিখ্যাত গণিত বিষয়ক গ্রন্থ "Summa de arithmetica, geometria, proportioni et proportionalita" প্রকাশিত হয়।
• এই গ্রন্থে তিনি সর্বপ্রথম দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি (Double-entry bookkeeping) বা হিসাবরক্ষণের গাণিতিক নিয়মাবলি সুশৃঙ্খলভাবে বর্ণনা করেন।
• ডেবিট (Debit) এবং ক্রেডিট (Credit)-এর গাণিতিক ভারসাম্য (সম্পদ = দায় + মালিকানা স্বত্ব) রক্ষার মূল ভিত্তি তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা বর্তমান হিসাববিজ্ঞানের মূলস্তম্ভ।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আল-খাওয়ারিজমি-কে বীজগণিতের জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
• তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফারসি গণিতবিদ।
• নবম শতাব্দীতে তিনি তাঁর যুগান্তকারী বই "আল-কিতাব আল-মুখতাসার ফি হিসাব আল-জাবর ওয়াল-মুকাবালা" রচনা করেন।
• বইটির নামের 'আল-জাবর' (Al-Jabr) শব্দটি থেকেই আধুনিক 'Algebra' বা বীজগণিত শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
• গাণিতিক নিয়মের ক্ষেত্রে, তিনি সর্বপ্রথম রৈখিক (Linear) এবং দ্বিঘাত (Quadratic) সমীকরণ সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে সুশৃঙ্খল পদ্ধতি (Algorithm) ও সমতা বিধানের নিয়ম তৈরি করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।