রসায়ন প্রাথমিক আলোচলা (37 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কাপড় কাচা সোডার সঠিক রাসায়নিক নাম হলো আর্দ্র সোডিয়াম কার্বোনেট বা সোডিয়াম কার্বোনেট ডেকাহাইড্রেট । এর রাসায়নিক সংকেত Na₂CO₃·10H₂O, কারণ এতে ১০ অণু কেলাস পানি থাকে ।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ:
- NaHCO₃: খাবার সোডা
- NaOH: কস্টিক সোডা

সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)-এর জলীয় দ্রবণে Na⁺, Cl⁻ এবং পানি থেকে H⁺, OH⁻ আয়ন থাকে। তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় ক্যাথোডে H⁺ ও Na⁺ আয়নের মধ্যে H⁺ আয়নের বিজারিত হওয়ার প্রবণতা বেশি। ফলে H⁺ আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে হাইড্রোজেন গ্যাস (H₂) উৎপন্ন করে।
- ক্যাথোডে: 2H⁺ + 2e⁻ → H₂
- অ্যানোডে: Cl₂ গ্যাস উৎপন্ন হয়।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
লোহাকে বায়ুর অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পজনিত ক্ষয় থেকে বাঁচাতে এর ওপর দস্তার প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে ।
- ইলেক্ট্রোপ্লেটিং: তড়িৎ বিশ্লেষণে ধাতুর প্রলেপ ।
- ভলকানাইজিং: সালফার মিশিয়ে রাবার শক্ত করা।
- অ্যানোডাইজিং: ধাতুতে অক্সাইডের প্রলেপ।
সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পেট্রোলিয়াম বা খনিজ তেল বিভিন্ন ধরনের হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। পেট্রোলিয়াম থেকে আংশিক পাতনের (fractional distillation) মাধ্যমে বিভিন্ন উপাদান পৃথক করা হয়। এর মধ্যে কেরোসিন একটি প্রধান অংশ যা পেট্রোলিয়ামের গড় ১৩% অংশ দখল করে। অন্যান্য অংশ যেমন: পেট্রোল ৫%, ন্যাপথা ১০%, ডিজেল ২০%, লুব্রিকেটিং তেল ২৫%, বিটুমিন ২৫% ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন একটি পরমাণু ইলেকট্রন দান করে, অর্থাৎ ইলেকট্রন হারায়, তখন তার মোট ইলেকট্রন সংখ্যা কমে যায় কিন্তু প্রোটনের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে। ইলেকট্রনের আধান ঋণাত্মক এবং প্রোটনের ধনাত্মক। তাই ইলেকট্রন হারালে পরমাণুতে ধনাত্মক চার্জের পরিমাণ বেড়ে যায়, অর্থাৎ তার জারণ সংখ্যা ধনাত্মক হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেতে দেওয়া হয়েছে: K₂SO₄ · Al₂(SO₄)₃ · 24H₂O। অর্থাৎ, ফিটকিরিতে উপস্থিত মৌলগুলো পটাশিয়াম (K), আলুমিনিয়াম (Al), সালফার (S) এবং জল (H₂O) সরাসরি বা অ্যালুমিনিয়াম এবং সালফেট আয়নে যুক্ত থাকে।
- ফিটকিরির সংকেত অনুসারে, Na (সোডিয়াম) নেই, কারণ ফিটকিরি মূলত পটাশিয়াম এবং আলুমিনিয়াম সালফেট লবণ; এতে সোডিয়ামের কোন অংশ নেই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- সোডিয়াম এসিটেটকে সোডিয়াম ইথানয়েটও বলা হয় ।
- এর সংকেত হলো CH3COONa ।
- ইথানয়িক এসিড সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের জলীয় দ্রবণের সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম এসিটেট লবণ ও পানি উৎপন্ন করে । 

  CH3OOH   +         HaOH        ->        CH3COONa +      H2O । 

ইথানয়িক এসিড   সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড    সোডিয়াম এসিটেট    পানি  

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অস্থায়ী খরতা জলে ক্যালসিয়াম বাইকার্বোনেট (Ca(HCO₃)₂) এবং ম্যাগনেসিয়াম বাইকার্বোনেট (Mg(HCO₃)₂) এর উপস্থিতির কারণে হয়।
- এই লবণগুলি জলে দ্রবীভূত থাকে এবং পানিকে খর করে তোলে।

রাসায়নিক বিক্রিয়া:

Ca(HCO₃)₂ → CaCO₃ + H₂O + CO₂ ↑
Mg(HCO₃)₂ → MgCO₃ + H₂O + CO₂ ↑
MgCO₃ → Mg(OH)₂ + CO₂ ↑
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Cl₃CNO₂ হচ্ছে টিয়ার গ্যাস।
- যার রাসায়নিক নাম ক্রাইসাইটোসিন (Chloroformate Nitrogen dioxide)।
- এটি একটি শক্তিশালী রাসায়নিক গ্যাস, যা সাধারণত দুঃখজনক এবং অস্বস্তিকর প্রভাব ফেলে।
- এটি চোখে এবং শ্বাসযন্ত্রে তীব্র জ্বালা সৃষ্টি করে, যা চোখে অশ্রু উৎপন্ন করতে বাধ্য করে, সেজন্য একে টিয়ার গ্যাস বলা হয়।
- টিয়ার গ্যাস মূলত অপরাধ দমন বা বিক্ষোভ মোকাবিলা করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি মানুষের অশ্রু উৎপন্ন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের অস্বস্তি তৈরি করে, যার ফলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

অন্যদিকে,
- ফসজিন গ্যাস (Phosgene), মাস্টার্ড গ্যাস (Sulfur Mustard), এবং লাফিং গ্যাস (Nitrous Oxide) এর গঠন ও ব্যবহার ভিন্ন।
- ফসজিন গ্যাস একটি বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাস, মাস্টার্ড গ্যাস একটি দাহক এবং চর্মের ক্ষতি করতে সক্ষম গ্যাস, এবং লাফিং গ্যাস মজা বা আনন্দ সৃষ্টিকারী গ্যাস হিসাবে পরিচিত, যার প্রধান উপাদান হল নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাদা ভিট্রিয়ল বা আদ্র জিঙ্ক সালফেট এর সংকেত  ZnSO4.7H2O
- গ্রিন ভিট্রিয়ল বা আদ্র ফেরাস সালফেট FeSO4.7H2O
- ব্লু ভিট্রিয়ল বা তুঁতে বা আদ্র কপার সালফেট এর সংকেত  CUSO4.5H2O
- গ্লোবার লবণ বা আদ্র সোডিয়াম সালফেট এর সংকেত Na2SO4.10H2O
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ভারতীয় রসায়ন সমিতির প্রথম প্রেসিডেন্ট আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, বাজার থেকে সংগৃহীত সিঁদুরের বেশ কিছু নমুনাকে রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে সেগুলোর সব কয়টিই ছিল রেডলেড (Pb2O4)। এতে অনুমিত হয় যে এককালে হয়তো ভার্মিলিয়নই সিঁদুর হিসাবে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে রেড-লেডকেই প্রধানত সিঁদুর নামে বাজারজাত করা হয়। এখনকার বইতেও ভার্মিলিয়নকে চীনা সিন্দুর এবং রেড-লেড কে মেটে সিন্দুর বলে লেখা হয়। লেডের বিভিন্ন অক্সাইড বিভিন্ন রং এর হয়ে থাকে। এদের মধ্যে লেড সেসকি অক্সাইড (Pb2O3) হলুদাভ লাল এবং ট্রাইপ্লাম্বিক টেট্রক্সাইড (Pb3O4) উজ্জ্বল লাল। মার্কারী যৌঘ যেখানে সীসার যৌগ থেকে অনেক বেশি ব্যয়সাধ্য সেখানে ভেজালের এই যুগে চীনা সিন্দুর বলে যেটা বিক্রি হয় সেটা ভার্মিলিয়ন না হয়ে রেড-লেড হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। হিঙ্গুল বা রসসিন্দুর প্রকৃতিজাত মারকিউরিক সালফাইড (HgS)।

এখান থেকে বুঝা যায়, ট্রাইপ্লাম্বিক টেট্রক্সাইড (Pb3O4) উজ্জ্বল লাল ও মারকিউরিক সালফাইড (HgS) দুইটি সিদুর। এটা অপশনের উপর নির্ভর করে।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।

•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।

জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।

বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ সঠিক উত্তর: A) হিগস বোসন
• মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পদার্থের ভরের উৎপত্তির কারণ জানতে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে যে কণাটির সন্ধান করছিলেন, তার নাম 'হিগস বোসন' (Higgs Boson)।
• নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী লিয়ন ল্যাডারম্যান তাঁর একটি বইয়ে এই কণাটির নাম দেন 'দ্য গড পার্টিকেল' (The God Particle), যা বাংলায় 'ঈশ্বর কণা' হিসেবে পরিচিতি পায়।
• ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন (CERN) গবেষণাগারে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার (LHC) মেশিনের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা এই কণাটির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে সক্ষম হন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জারক পদার্থগুলাে ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্যকে জারিত করে ও নিজে বিজারিত হয় । অক্সিজেন , ক্লোরিন ও ব্রোমিন প্রত্যেকেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে , তাই এরা জারক পদার্থ । অন্যদিকে হাইড্রোজেন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাই এটা জারক নয় , বিজারক ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔ সবচেয়ে হালকা মৌল হাইড্রোজেন ।

✔মৌলিক গ্যাস এর মধ্যে সবচেয়ে ভারী র‍্যাডন ।

✔সবচেয়ে ভারী ধাতু প্লাটিনাম ।

✔সবচেয়ে ভারী তরল ধাতু পারদ ।

✔সোডিয়াম ও পটাসিয়াম পানির থেকেও হালকা।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি যুক্ত অবস্থায় পরমাণুর যে শক্তি থাকে তার চাইতে অধিক হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সোনা,রুপা,প্লাটিনাম,রোডিয়াম,প্যালাডিয়াম প্রভৃতি ধাতুসমূহ বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা সহজে জারিত হয়না অর্থাৎ বেশ নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে ,তাই এদের মরিচা পড়ে না।ফলে এদের অভিজাত ধাতুও বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ অ্যাকোয়া রেজিয়া (Aqua Regia) একটি ল্যাটিন শব্দ, যার বাংলা অর্থ 'রাজাম্ল' বা রাজকীয় পানি।
⇒ এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এক ধরণের এসিড মিশ্রণ যা সোনা (Gold) বা প্লাটিনামের মতো নিষ্ক্রিয় ও মূল্যবান ধাতুকেও গলিয়ে ফেলতে পারে।
⇒ ১ ভাগ গাঢ় নাইট্রিক এসিড (HNO3) এবং ৩ ভাগ গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) এর মিশ্রণকে অ্যাকোয়া রেজিয়া বলা হয়। (অনুপাত ১:৩)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0