সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

জ্যোতির্বিজ্ঞান

২৫৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় অবস্থিত । এটি ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন উদ্বোধন করা হয় ।
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ৪টি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে । এগুলো হলো:
- বেতবুনিয়া (রাঙামাটি)
- তালিবাবাদ (গাজীপুর)
- মহাখালী (ঢাকা)
- সিলেট

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৪টি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রয়েছে । ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয় ।
উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি হলো:
- বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি - ১ম)
- তালিবাবাদ (গাজীপুর)
- মহাখালী (ঢাকা)
- সিলেট (৪র্থ)
উপগ্রহের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানে এই কেন্দ্রগুলো কাজ করে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্পারসো (SPARRSO)-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Space Research and Remote Sensing Organization । এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের সরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ।
- সদর দপ্তর: আগারগাঁও, ঢাকা
- নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
- প্রধান কাজ: মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদান করা ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition) ? পরিবেশ ও ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর নিয়ে অনুশীলন করতে চান?
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র বা স্পারসো (SPARRSO) ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, যার পূর্ণরূপ Bangladesh Space Research and Remote Sensing Organization।
- সদর দপ্তর: আগারগাঁও, ঢাকা
- প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
- প্রধান কাজ: কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে ঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদান, মানচিত্র অঙ্কন ও গবেষণা করা।

সোর্স: Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবীর আহ্নিক গতি ও কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ সোজা পথে না গিয়ে দিক পরিবর্তন করে। বিজ্ঞানী উইলিয়াম ফেরেল এটি আবিষ্কার করেন। এই সূত্র অনুযায়ী বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয় ।

সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবী তার অক্ষের সাথে ৬৬.৫° কোণে হেলে সূর্যকে পরিক্রমণ করায় নিরক্ষরেখা থেকে ২৩°৩০' উত্তর অক্ষাংশের কাল্পনিক রেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয় ।
- ২৩°৩০' দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা বলে ।
- ৬৬°৩০' উত্তর অক্ষাংশকে সুমেরুবৃত্ত বলে ।

সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সূর্যকে একবার সম্পূর্ণ প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর প্রকৃতপক্ষে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড সময় লাগে ।
- এই সময়কে সৌরবছর বলা হয় ।
- হিসাবের সুবিধার্থে বছরকে ৩৬৫ দিন ধরা হয় এবং বাড়তি সময় সমন্বয় করতে ৪ বছর পর পর অধিবর্ষ (Leap Year) গণনা করা হয়।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পৃথিবী গোলাকার হওয়ায় আহ্নিক গতির সময় সূর্যের আলো একসাথে পুরো পৃথিবীতে পড়ে না। ফলে এক অংশ আলোকিত এবং অপর অংশ অন্ধকার থাকে। এই আলোকিত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলে যে কাল্পনিক বৃত্তের সৃষ্টি হয়, তাকে ছায়াবৃত্ত বলে। ছায়াবৃত্তের একপাশে দিন ও অন্যপাশে রাত হয়।
সোর্সঃ প্রফেসর'স MCQ Review।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আপনার আপলোড করা সোর্সগুলোতে **সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র (প্রক্সিমা সেন্টোরাই)** সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে সোর্সগুলোতে সৌরজগতের গ্রহসমূহের বিবরণ, বিগ ব্যাং তত্ত্ব, গ্যালাক্সি এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টির ইতিহাস নিয়ে আলোচনা রয়েছে। আপনি কি চান আমি ওয়েব রিসার্চ করে **প্রক্সিমা সেন্টোরাই** ও অন্যান্য নক্ষত্র সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য খুঁজে বের করি?

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের গতি ক্রমাগত ত্বরান্বিত হওয়ার জন্য অন্ধকার শক্তি (Dark Energy)-কে দায়ী মনে করা হয়।

মহাবিশ্বের মোট শক্তির প্রায় ৬৮% হলো ডার্ক এনার্জি বা অন্ধকার শক্তি, যা মহাকর্ষের বিপরীতে কাজ করে মহাবিশ্বকে দ্রুতগতিতে প্রসারিত হতে সাহায্য করছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহাবিশ্ব সৃষ্টি সংক্রান্ত 'বিগ ব্যাং তত্ত্ব' ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জি. ল্যামেটার (জাঁ ল্যামেটার) প্রদান করেন । তাই তাঁকে এই তত্ত্বের জনক বলা হয় ।
- স্টিফেন হকিং: আধুনিক বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা ।
- এডউইন হাবল: মহাবিশ্ব সম্প্রসারণের ধারণা দেন ।
- আইনস্টাইন: আপেক্ষিকতা তত্ত্বের প্রবক্তা ।
সোর্সঃ লেকচার ৪
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাশূন্যের ১১৯.১° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে স্থাপিত হয়েছে।
- এটি ১২ মে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেস-এক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এর প্রস্তুতকারক ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি এবং এর আয়ুষ্কাল ১৫ বছর।
- এটি উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও প্রসারণ ব্যাখ্যায় সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হলো বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory)।
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী জর্জেস লেমেটার (Georges Lemaître) সর্বপ্রথম এই তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে, সৃষ্টির শুরুতে মহাবিশ্ব অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত ছিল এবং একটি মহা-বিস্ফোরণের মাধ্যমে এর প্রসারণ শুরু হয়, যা আজও অব্যাহত রয়েছে।
- পরবর্তীতে প্রখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) এই তত্ত্বের স্বপক্ষে জোরালো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- শূন্য মাধ্যমে আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে ১ আলোকবর্ষ (Light-year) বলা হয়।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। এ হিসাবে আলো এক বছরে প্রায় ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার (বা ৯.৪৬ × ১০১২ কিমি) দূরত্ব অতিক্রম করে।
- নক্ষত্র বা গ্যালাক্সির মধ্যকার বিশাল মহাজাগতিক দূরত্ব পরিমাপে এই একক ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর:  সবগুলোই
• পৃথিবী তার নিজ অক্ষ বা মেরুরেখার ওপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অবিরাম ঘুরছে, পৃথিবীর এই ঘূর্ণন বা আবর্তন গতিকেই আহ্নিক গতি (Rotation) বলা হয়।
• এই আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীর যে অংশটি সূর্যের দিকে থাকে সেখানে দিন হয় এবং ঠিক এর বিপরীত অংশে অন্ধকার থাকায় সেখানে রাত হয়। এভাবেই পৃথিবীতে দিন ও রাতের পর্যায়ক্রম ঘটে।
• পৃথিবী নিজে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে বলেই আমাদের কাছে মনে হয় সূর্য, চন্দ্র ও তারকারাজি পূর্ব দিকে উদিত হয়ে পশ্চিম দিকে অস্ত যাচ্ছে। এটি মূলত সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের আপাত গতি, যা পৃথিবীর আবর্তনের কারণেই সৃষ্টি হয়।
• এছাড়া, পৃথিবীর গোলকাকার আকৃতি এবং আহ্নিক গতির ফলে বিভিন্ন দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত স্থানগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সূর্যের সামনে আসে। এর ফলে স্থানভেদে স্থানীয় সময়ের পার্থক্য সৃষ্টি হয় (প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যে ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়)। আর এই সময়ের পার্থক্যের ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিকভাবে সময় অঞ্চল বা টাইম জোন (Time Zone) সৃষ্টি করা হয়েছে।
• যেহেতু অপশনে দেওয়া প্রতিটি ঘটনাই পৃথিবীর আহ্নিক গতির প্রত্যক্ষ ফলাফল, তাই সঠিক উত্তর হবে 'সবগুলোই'।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ এবং পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রভাবে কোনো স্থানে পানি ফুলে উঠে এবং এই ফুলে উঠাকে জোয়ার বলে। প্রকৃতপক্ষে উপকূল থেকে কোনো স্থানে পর পর দুটি জোয়ারের ব্যবধান ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মুখ্য জোয়ার (Spring Tide) তৈরি হয় যখন সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী একটি সরলরেখায় থাকে, অর্থাৎ নতুন চাঁদ এবং পূর্ণ চাঁদের সময়। এতে জোয়ারের উচ্চতা সর্বোচ্চ হয়।
- এর বিপরীত দিকে দেখা যায় গৌণ জোয়ার (Neap Tide), যা তখন হয় যখন সূর্য এবং চন্দ্র পৃথিবীর সাথে ৯০ ডিগ্রি কোণে থাকে অর্থাৎ চাঁদের প্রথম ও তৃতীয় চতুর্থাংশের সময়।
- গৌণ জোয়ারে জোয়ার-ভাটার মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম থাকে, কারণ সূর্য এবং চন্দ্রের আকর্ষণ পরস্পরকে কিছুটা পরস্পরের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- অন্য অপশনগুলো, যেমন ভরা জোয়ার বা সংযোগ জোয়ার, মূলত মুখ্য জোয়ারের সাথে সম্পর্কিত। মরা জোয়ার (Neap Tide) ও গৌণ জোয়ার একই অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে এখানে সঠিক উত্তরে গৌণ জোয়ার উল্লেখ করা হয়েছে যা মুখ্য জোয়ারের স্পষ্ট বিপরীত।

সুতরাং, মুখ্য জোয়ারের বিপরীত অবস্থায় যে জোয়ার ঘটে তাকে গৌণ জোয়ার বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সৌর কলঙ্ক:
- আকাশে সূর্যের দিকে তাকালে এর পৃষ্ঠে মাঝে মাঝে কালো দাগ দেখা যায়। একে সৌর কলঙ্ক বলে।
- জ্বালানির তারতম্যের কারণে সূর্যের কোন কোন স্থানে তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে। যেসব স্থানের তাপমাত্রা এর পার্শ্ববর্তী স্থান হতে কম থাকে, পৃথিবী হতে সে স্থানগুলো কালো দেখায়। এই কালো দাগগুলো সৌর কলঙ্ক (Sun Spots) নামে পরিচিত।
- প্রথম অবস্থায় সৌরকলঙ্ক ২০,০০০ মাইল বা তার চেয়েও বড় হতে পারে। প্রত্যেক ১১ বছরে সৌরকলঙ্কের সংখ্যা বেড়ে কমবেশি ১০০ অবধি হয় এবং সেই সাথে শুরু হয় সৌরঝটিকা।
- গ্যালিলিও সর্বপ্রথম এই সৌর কলঙ্ক সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন। ১৯৭৪ সালে সবচেয়ে বড় সৌরকলঙ্ক দেখা গিয়েছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আকাশে সূর্যের দিকে তাকালে এর পৃষ্ঠে মাঝে মাঝে কালো দাগ দেখা যায়। একে সৌর কলঙ্ক বলে।
- গ্যালিলিও সর্বপ্রথম এই সৌর কলঙ্ক সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন।
- ১৯৭৪ সালে সবচেয়ে বড় সৌরকলঙ্ক দেখা গিয়েছিল।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- পৃথিবীর উত্তর মেরুর অক্ষ বরাবর দৃশ্যমান তারা ধ্রুবতারা নামে পরিচিত।
- যে সকল বৃহদাকার জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে।
- আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হল লুব্ধক।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই এবং পুলহ হচ্ছে সপ্তর্ষি মণ্ডলের একটি তারা।
ব্যাখ্যা (Explanation)

সূর্য মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিকে পুরো একবার ঘুরে আসতে যে সময় নেয় সে সময়টিকেই একটি কসমিক ইয়ার (Cosmic Year) বলা হয়। এটি গ্যালাকটিক ইয়ার নামেও পরিচিত। এ সময়সীমা হচ্ছে পৃথিবীর হিসেবে প্রায় ২২৫২২৫ মিলিয়ন (২২২২ কোটি ৫০৫০ লক্ষ) বছরের মত।

কসমিক ইয়ার অনুযায়ী আজ থেকে,

  • প্রায় ৬১.৩২ কসমিক ইয়ার আগে বিগ ব্যাং ঘটেছিল অর্থাৎ মহাবিশ্বের জন্ম হয়েছিল।
  • ৫৪ কসমিক ইয়ার আগে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির জন্ম।
  • ২০.৪৪ কসমিক ইয়ার আগে সূর্যের জন্ম। অর্থাৎ জন্মের পর প্রায় ২০২০ বার সূর্য পুরো গ্যালাক্সি ঘুরে এসেছে।
  • ১৬.৮৮ কসমিক ইয়ার আগে পৃথিবীতে প্রাণের স্পন্দন শুরু হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সৌর কলঙ্ক:
- আকাশে সূর্যের দিকে তাকালে এর পৃষ্ঠে মাঝে মাঝে কালো দাগ দেখা যায়। একে সৌর কলঙ্ক বলে।
- জ্বালানির তারতম্যের কারণে সূর্যের কোন কোন স্থানে তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে। যেসব স্থানের তাপমাত্রা এর পার্শ্ববর্তী স্থান হতে কম থাকে, পৃথিবী হতে সে স্থানগুলো কালো দেখায়। এই কালো দাগগুলো সৌর কলঙ্ক (Sun Spots) নামে পরিচিত।
- প্রথম অবস্থায় সৌরকলঙ্ক ২০,০০০ মাইল বা তার চেয়েও বড় হতে পারে। প্রত্যেক ১১ বছরে সৌরকলঙ্কের সংখ্যা বেড়ে কমবেশি ১০০ অবধি হয় এবং সেই সাথে শুরু হয় সৌরঝটিকা।
- গ্যালিলিও সর্বপ্রথম এই সৌর কলঙ্ক সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন। ১৯৭৪ সালে সবচেয়ে বড় সৌরকলঙ্ক দেখা গিয়েছিল।
Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সৌরজগতের মোট গ্রহ আটটি।
- এগুলো হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।
- এদের মধ্যে বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১৩০০ গুণ বড়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মহাকাশে ওজনহীনতার প্রধান কারণ হলো অভিকর্ষ বলের অনুপস্থিতি।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠে আমরা ওজন অনুভব করি কারণ অভিকর্ষ বল আমাদেরকে পৃথিবীর দিকে টেনে রাখে। তবে মহাকাশে, বিশেষ করে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা মহাকাশযান বা নভোচারীরা অভিকর্ষ বলের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকে।
- এর ফলে তারা ওজনহীন অবস্থায় থাকে এবং ভাসমান অনুভূতি অনুভব করে।
- মহাকাশে, বিশেষ করে পৃথিবীর কক্ষপথে, মহাকর্ষ বল কার্যত শূন্য হয়ে যায়।
- এটি ঘটে কারণ মহাকাশযান এবং এর ভেতরের বস্তুগুলো একই হারে পৃথিবীর চারপাশে পতিত হয়। এই অবস্থাকে "মুক্ত পতন" বলা হয়, যা ওজনহীনতার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: B) শনি
• দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আধুনিক টেলিস্কোপের আবিষ্কার ও ক্রমাগত পর্যবেক্ষণের ফলে এই তথ্যের পরিবর্তন ঘটেছে।
• সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, শনি গ্রহের (Saturn) চারপাশে বিজ্ঞানীরা আরও নতুন উপগ্রহ আবিষ্কার করেছেন, যার ফলে বর্তমানে শনির উপগ্রহের সংখ্যা ১৪৬-এ দাঁড়িয়েছে (সংখ্যাটি পরিবর্তনশীল)।
• তাই বর্তমানে সৌরজগতের সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ বা চাঁদ থাকা গ্রহটি হলো শনি। বৃহস্পতি এখন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ইউরি গ্যাগারিন সর্বপ্রথম পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন।
- তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ নভোযানে করে পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেন। 
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ একটি স্পেস টেলিস্কোপ যা ইনফ্রারেড তরঙ্গ ব্যবহার করে জ্যোতির্বিদ্যা পরিচালনা করেন।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ।
- এতে ৬.৫ মিটার চওড়া সোনার প্রলেপ লাগানো প্রতিফলক আয়না আছে এবং আছে অতি সংবেদনশীল ইনফ্রারেড তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের যন্ত্রপাতি।
- এখানে রয়েছে নিয়ার-ইনফ্রারেড ক্যামেরা।
- স্পেক্টোগ্রাফ মিড-ইনফ্রারেড ইনস্ট্রুমেন্ট।
Job Solutions বিসিএস IBA Faculty (Exam Taker)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আলোকবর্ষ (Light Year) হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক।
- এটি দ্বারা পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব পরিমাপ করা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কি.মি. পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
-বর্তমান সময়ের সেরা বিজ্ঞানী পদার্থবিদ স্টিফেন হকিংস।
-কৃঞ্চ গহ্বর (Black Holes) এর একটি ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য বেশি পরিচিত।
-তবে তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যাকারক হিসেবে তিনি সুপরিচিত।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।