Correct Answer: Option C
শায়েরগণ রচনা করতেন – দোভাষী পুঁথি সাহিত্য। বাংলা, আরবি, ফারসি, উর্দু, তুর্কি ও হিন্দি প্রভৃতি ভাষার সংমিশ্রণে ইতিহাসাশ্রিত কাল্পনিক কাহিনী থেকে বিষয়বস্তু গ্রহণ করে রচিত হতো – দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্য। এ সাহিত্য কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে ছাপা হতো বলে বটতলার পুঁথি বলা হতো। উল্লেখযোগ্য শায়ের – ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা, মোহাম্মদ দানেশ, আবদুর রহিম, মুহম্মদ মুনশী, সাদ আলী প্রমুখ। পুঁথি সাহিত্য ধারার প্রথম কাব্য – রায়মঙ্গল। রচয়িতা কবি কৃষ্ণদাস দাস। দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ও সার্থক কবি – ফকির গরীবুল্লাহ। তার কাব্য ‘জঙ্গনামা’। পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম কবি – সৈয়দ হামজা।
Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions