বাংলাদেশের সাহিত্য ও সাহিত্যিক (1157 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ: গৌড়ী প্রাকৃত থেকে উৎপন্ন (৭ম শতক)।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়: মাগধী প্রাকৃত থেকে উৎপন্ন (১০ম শতক)।
মূলত প্রাকৃতের রূপ (গৌড়ী বনাম মাগধী) ও সূচনা কালই (৭ম বনাম ১০ম শতক) তাঁদের প্রধান পার্থক্য।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে শহীদ আসাদের রক্তভেজা শার্টকে কেন্দ্র করে কবি শামসুর রাহমান তাঁর বিখ্যাত 'আসাদের শার্ট' কবিতাটি রচনা করেন ।
- আসাদের শার্ট: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগকে কেন্দ্র করে রচিত ।
- বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা: ১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের রোমান হরফ প্রবর্তনের প্রস্তাবের প্রতিবাদে রচিত ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম-এর ১৯৫২ সালে প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ হলো 'অনেক দিনের আশা'।
এই গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম গল্প হলো 'মৌসুম'।
তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: - 'ঢেউ' (১৯৫৩) - 'পথ জানা নেই' (১৯৫৩) - 'দুই হৃদয়ের তীর' (১৯৫৫) - 'শাহের বানু' (১৯৫৭)
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অনেক দিনের আশা।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১৯৫৪ সালে 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসটি রচনা করেন । এতে বরিশাল অঞ্চলের গ্রামীণ দিগন্ত, লোকজীবন ও লোকসংস্কৃতি জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে ।
উপন্যাসটির মূল বৈশিষ্ট্য:
- বরিশাল অঞ্চলের গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির উপস্থাপন ।
- নিম্নবর্গের মানুষের জীবনসংগ্রাম ও আবহমান প্রকৃতি ।
তাঁর 'সমুদ্র বাসর' উপন্যাসটি বরিশাল অঞ্চলের সমুদ্রতীরবর্তী জনজীবন নিয়ে রচিত ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জায়জঙ্গল (১৯৭৩) উপন্যাসটি কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালামের এক অনন্য রচনা । এতে সুন্দরবনের জনবিরল পরিবেশ ও বনজীবীদের জীবিকা নির্বাহের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে ।
তাঁর অন্যান্য উপন্যাসের পরিচয়:
- কাঁচনমালা (১৯৫৬): তাঁর রচিত বিশেষ উপন্যাস ।
- সমুদ্রবাসর (১৯৮৬): উপকূলীয় জীবন নিয়ে রচিত ।
- কাশবনের কন্যা (১৯৫৪): তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস ‘নীল ময়ূরের যৌবন’ (১৯৮৩) । এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’-এর সময়কাল, সমাজজীবন ও চর্যাকারদের জীবনকে উপজীব্য করে রচিত হয়েছে । এতে তৎকালীন বৌদ্ধ সমাজ ও সিদ্ধাচার্যদের জীবনসংগ্রাম ফুটে উঠেছে ।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
- যাপিত জীবন: ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস।
- গায়ত্রী সন্ধ্যা: ১৯৪৭-এর দেশভাগ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট।
- চাঁদবেনের কন্যা: প্রান্তিক মানুষের জীবনভিত্তিক উপন্যাস।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের রচিত প্রথম গল্পগ্রন্থ হলো 'উৎস থেকে নিরন্তর', যা ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
অপশনগুলোর অন্যান্য তথ্যাবলি:
- জলচ্ছ্বাস (১৯৭২): সেলিনা হোসেনের রচিত প্রথম উপন্যাস।
- হাঙর নদী গ্রেনেড (১৯৭৬): তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- খোল করোতাল (১৯৭৯): এটি তাঁর রচিত একটি ছোটগল্পের সংকলন।
সুতরাং, সেলিনা হোসেন রচিত প্রথম গল্পগ্রন্থ হলো 'উৎস থেকে নিরন্তর'।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রশীদ করীম রচিত উপন্যাস 'আমার যত গ্লানি' (১৯৭৩)।
উপন্যাসটিতে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত স্বাধীনতা-পূর্ব সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিজীবনের অস্থিরতা তুলে ধরা হয়েছে।
- প্রধান চরিত্র ঢাকার এক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এরফান চৌধুরী।
- 'উত্তম পুরুষ' (১৯৬১) রশীদ করীমের প্রথম উপন্যাস, যা দেশবিভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'সমস্যা ও সমাধান' এবং 'আমপারার বঙ্গানুবাদ' গ্রন্থ দুটির রচয়িতা প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আকরম খাঁ ।
- মোহাম্মদ আকরম খাঁ (১৮৬৮-১৯৬৮) ছিলেন একজন বিশিষ্ট প্রবান্ধিক, সাংবাদিক ও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম চিন্তাবিদ ।
- তাঁর রচিত সামাজিক ও চিন্তাভিত্তিক অন্যতম বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো 'সমস্যা ও সমাধান' ।
- ধর্মীয় শিক্ষা ও সাধারণ পাঠকদের সুবিধার জন্য তিনি পবিত্র কুরআনের অংশবিশেষ অনুবাদ করে 'আমপারার বঙ্গানুবাদ' গ্রন্থটি রচনা করেন।
তাঁর অন্যান্য শ্রেষ্ঠ রচনার মধ্যে 'মোস্তফা চরিত' অন্যতম ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর পবিত্র জীবনচরিত নিয়ে 'হযরত মুহাম্মদ' নামক জীবনীগ্রন্থ রচনা করেন ।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিবরণ:
- মরুভাস্কর: কাজী নজরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী রচিত জীবনীগ্রন্থ ।
- মোস্তফা চরিত: মাওলানা আকরম খাঁ রচিত বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো হযরত মুহাম্মদ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রশীদ করীম রচিত বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস হলো 'প্রসন্ন পাষাণ' (১৯৬৩)।
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ও কথক হলেন তিশনা।
উপন্যাসটি উত্তম পুরুষের বর্ণনায় রচিত।
উপন্যাসটির অন্যান্য চরিত্র হলো - কামিল ও আলিম।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'মোস্তফা চরিত' (১৯২৩) গ্রন্থটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনী নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত সীরাতগ্রন্থ । এটি রচনা করেছেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ ।
- এটি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবনীভিত্তিক শ্রেষ্ঠ রচনাগুলোর অন্যতম ।
- বইটিতে যুক্তি ও ঐতিহাসিক তথ্যের মাধ্যমে মহানবীর জীবনকথা ও আদর্শ উপস্থাপন করা হয়েছে ।
- গ্রন্থটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্য জগতে বিশেষ অবদান রাখে ।

সোর্স: অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য-২
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিখ্যাত 'ফেরদৌসী' মহাকাব্যের রচয়িতা হলেন কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ।
- পারস্যের মহাকবি ফেরদৌসী রচিত বিখ্যাত ফারসি মহাকাব্য 'শাহনামা' বাংলায় অনুবাদ করেন মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ।
- তিনি মহাকবি ফেরদৌসীর জীবন ও কাব্য-সাধনার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করেন ।
তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো অপশন ২: মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'প্রেমের সমাধি' ও 'চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি' উপন্যাস দুটির রচয়িতা মোহাম্মদ নজিবর রহমান ।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসসমূহ:
- 'আনোয়ারা' (১৯১৪): বিখ্যাত কালজয়ী উপন্যাস ।
- 'প্রেমের সমাধি' (১৯১৫) ।
- 'চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি' (১৯১৭) ।
- অন্যান্য: 'পরিণাম', 'গরীবের মেয়ে', 'দুনিয়া আর চাই না' ও 'মেহেরুন্নিসা' ।
অতএব, সঠিক উত্তর: মোহাম্মদ নজিবর রহমান ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল মনসুর আহমদ (১৮৯৮-১৯৭৯)-এর বিখ্যাত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ হলো 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' (১৯৬৯) । এটি একটি চমৎকার রাজনীতিভিত্তিক আত্মজীবনীমূলক রচনা, যেখানে বিংশ শতাব্দীর বাংলার রাজনীতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ চিত্র ফুটে উঠেছে ।
তাঁর অন্যান্য পরিচিত সাহিত্যকর্ম:
- ব্যঙ্গগল্প: আয়না, ফুড কনফারেন্স ।
- উপন্যাস: জীবনক্ষুধা, আবে হায়াত ।
- রাজনীতি বিষয়ক: শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল ফজল (১৯০৩-১৯৮৩) বাংলা সাহিত্যের এক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক । তাঁর রচিত 'রেখাচিত্র' (১৯৬৬) একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক দিনলিপি বা আত্মকথা । গ্রন্থটিতে লেখক তাঁর নিজের জীবনের নানা স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও তৎকালীন সমাজের ছবি অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন । এ বিশিষ্ট সাহিত্যকর্মটির জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে 'আদমজী সাহিত্য পুরস্কার' লাভ করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে মুহম্মদ আবদুল হাই অগ্রদূত। তিনি তাঁর 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থে স্বরধ্বনির উচ্চারণগত সূক্ষ্ম বিভাজন ও অনুনাসিকতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা করেন। তিনি বাংলা মূল স্বরধ্বনির তালিকায় 'অ্যা' ধ্বনি প্রতিষ্ঠা করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ভাষায় স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি (IPA) অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস করেন মুহম্মদ আবদুল হাই। তিনি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত তাঁর 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থে ধ্বনিগুলোর উচ্চারণস্থান ও পদ্ধতি বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করেন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ হলো 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' । বইটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে বাংলা ভাষার ধ্বনি ও উচ্চারণের নিয়ম সহজভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'তোষামোদ ও খোশামোদ' শীর্ষক ব্যঙ্গাত্মক রচনাটির লেখক বিশিষ্ট ভাষাবিদ ও প্রাবন্ধিক মুহম্মদ আবদুল হাই ।
তিনি এই রচনায় সমাজের চাটুকারিতা ও তোষামোদের রসভরা ব্যঙ্গচিত্র তুলে ধরেছেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:
- তোষামোদ ও খোশামোদ তাঁর একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
- তাঁর অন্যতম প্রবন্ধগ্রন্থ 'সাহিত্য ও সংস্কৃতি' এবং 'ভাষা ও সাহিত্য' ।
- তিনি সৈয়দ আলী আহসানের সাথে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'মনীষা মঞ্জুষা' হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক একটি প্রবন্ধ সংকলন। ড. মুহম্মদ এনামুল হক ছিলেন প্রখ্যাত গবেষক ও সাহিত্যিক। তাঁর রচিত দুই খণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো 'মনীষা মঞ্জুষা' (১ম খণ্ড- ১৯৭৫, ২য় খণ্ড- ১৯৭৬)।
তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থসমূহ:
- আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্য (১৯৩৫)
- বঙ্গে সুফি প্রভাব (১৯৩৫)
- ব্যাকরণ মঞ্জরী (১৯৫২)
- মুসলিম বাংলা সাহিত্য (১৯৫৭)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চট্টগ্রামী উপভাষা ও এর ধ্বনিতাত্ত্বিক রূপ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করেন ড. মুহম্মদ এনামুল হক। তিনি ১৯৩৫ সালে আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদের সাথে যৌথভাবে 'চট্টগ্রামী বাংলা ভাষার ব্যাকরণ' গ্রন্থটি রচনা করেন। এই গ্রন্থে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভাষার বৈশিষ্ট্য ও ধ্বনিতত্ত্ব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ, বহুভাষাবিদ ও সাহিত্য গবেষক। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা এবং বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কারে তাঁর অবদান অসামান্য। বাংলা একাডেমি মূলত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা ও গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান । বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চায় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং তাঁর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এ নামকরণ করা হয়।
- বিশেষ অবদান: 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থ রচনা ও বাংলা ক্যালেন্ডার সংস্কার।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত: এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস সংক্রান্ত গ্রন্থ।
- বাংলা সাহিত্যের কথা: এটি তাঁর রচিত (স্বপ্রণীত) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থ।
তাই সঠিক উত্তর হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা হলেন কবি বড়ু চণ্ডীদাস ।
তাঁর সময়কাল বা জীবনকাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে :
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে: বড়ু চণ্ডীদাসের জন্ম ১৩৭০ খ্রিষ্টাব্দে এবং মৃত্যু ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দে, অর্থাৎ তাঁর সময়কাল ১৩৭০-১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
- বসন্তরঞ্জন রায়ের মতে: তাঁর সময়কাল আনুমানিক ১৩০৯-১৩৯৯ খ্রিষ্টাব্দ ।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ১৩৭০-১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত অন্যতম প্রামাণ্য ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ' (১৯৩৬ সালে প্রকাশিত) ।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
- 'বাঙ্গালা ভাষার ব্যাকরণ' (১৮৩৩) রচনা করেন রাজা রামমোহন রায় ।
- 'ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থের রচয়িতা ড. সুকুমার সেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষা গৌড়ী অপভ্রংশ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর গবেষণা অনুযায়ী, এই রূপান্তরের সময়কাল হলো সপ্তম শতাব্দী (৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ)। অন্যদিকে, ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি দশম শতাব্দীতে। তাই শহীদুল্লাহর মতে সপ্তম শতাব্দীই সঠিক উৎপত্তিকাল।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'মহাশ্মশান' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত মহাকাব্য, যার রচয়িতা কবি কায়কোবাদ । তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কুরায়শী ।
এই মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ঐতিহাসিক পটভূমি: এটি ঐতিহাসিক তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত ।
- মহাকাব্য: এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবি রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুবিশাল মহাকাব্য ।
পানিপথের যুদ্ধে মুসলিম ও মারাঠাদের করুণ সংঘাত ও ধ্বংসলীলা এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লীকবি’ উপাধিটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা সরকারি পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়নি। তাঁর অধিকাংশ কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল বাংলার পল্লী-জননীর রূপ, লোকজ ঐতিহ্য এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা। তাঁর লেখনীতে পল্লী প্রকৃতির এমন জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে যা পাঠকের হৃদয়ে তাকে পল্লীর কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৩১ সালে তাঁর প্রথম কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই মূলত পাঠকসমাজ ও বোদ্ধামহলে তিনি ‘পল্লীকবি’ হিসেবে পরিচিতি ও খ্যাতি লাভ করেন। তাই সঠিক উত্তরটি হবে: এটি লোকমুখে প্রচলিত।

- জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছাত্র থাকা অবস্থায় তাঁর রচিত ‘কবর’ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রবীন্দ্র-ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৯ সালে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৬ সালে তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত হন।

• জসীমউদ্দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী (১৯২৭),
- নক্সী কাঁথার মাঠ (১৯২৯),
- বালুচর (১৯৩০),
- ধানখেত (১৯৩৩),
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩),
- হাসু (১৯৩৮),
- রঙিলা নায়ের মাঝি (১৯৩৫),
- মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩),
- সুচয়নী (১৯৬১),
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৭২) ইত্যাদি।

• জসীমউদ্দীন রচিত নাটক:
- বেদের মেয়ে (১৯৫১),
- মধুমালা (১৯৫১),
- পল্লীবধূ (১৯৫৬),
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯),
- ওগো পুস্পধনু ইত্যাদি।

• একই নামে অন্য লেখকের রচনা:
- ‘কবর’ নামে জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে (রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত)।
- ‘কবর’ নামে মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত নাটক রয়েছে (ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক)।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামী ১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে তাদের আমীর ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি শহিদ জননী ঘোষণা করলে বাংলাদেশে জনবিক্ষোভের সূত্রপাত হয়।
- এই জাহানারা ইমামকে আহ্বায়ক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।
- ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১২ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত গণ আদালতে ১৯৯২ সালের ২৬শে মার্চ যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম এর বিরুদ্ধে ১০টি অভিযোগ উত্থাপন করে এবং বিচারকগণ গোলাম আযমের ১০টি অপরাধ মৃত্যুদণ্ড যোগ্য বলে ঘোষণা দেয়।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0