বাংলাদেশের সাহিত্য ও সাহিত্যিক (1142 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আবুল ফজল (১৯০৩-১৯৮৩) বাংলা সাহিত্যের এক প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক । তাঁর রচিত 'রেখাচিত্র' (১৯৬৬) একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক দিনলিপি বা আত্মকথা । গ্রন্থটিতে লেখক তাঁর নিজের জীবনের নানা স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও তৎকালীন সমাজের ছবি অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন । এ বিশিষ্ট সাহিত্যকর্মটির জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে 'আদমজী সাহিত্য পুরস্কার' লাভ করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে মুহম্মদ আবদুল হাই অগ্রদূত। তিনি তাঁর 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থে স্বরধ্বনির উচ্চারণগত সূক্ষ্ম বিভাজন ও অনুনাসিকতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনা করেন। তিনি বাংলা মূল স্বরধ্বনির তালিকায় 'অ্যা' ধ্বনি প্রতিষ্ঠা করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ভাষায় স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি (IPA) অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস করেন মুহম্মদ আবদুল হাই। তিনি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত তাঁর 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থে ধ্বনিগুলোর উচ্চারণস্থান ও পদ্ধতি বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করেন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ হলো 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' । বইটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে বাংলা ভাষার ধ্বনি ও উচ্চারণের নিয়ম সহজভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'তোষামোদ ও খোশামোদ' শীর্ষক ব্যঙ্গাত্মক রচনাটির লেখক বিশিষ্ট ভাষাবিদ ও প্রাবন্ধিক মুহম্মদ আবদুল হাই ।
তিনি এই রচনায় সমাজের চাটুকারিতা ও তোষামোদের রসভরা ব্যঙ্গচিত্র তুলে ধরেছেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:
- তোষামোদ ও খোশামোদ তাঁর একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
- তাঁর অন্যতম প্রবন্ধগ্রন্থ 'সাহিত্য ও সংস্কৃতি' এবং 'ভাষা ও সাহিত্য' ।
- তিনি সৈয়দ আলী আহসানের সাথে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'মনীষা মঞ্জুষা' হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক একটি প্রবন্ধ সংকলন। ড. মুহম্মদ এনামুল হক ছিলেন প্রখ্যাত গবেষক ও সাহিত্যিক। তাঁর রচিত দুই খণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো 'মনীষা মঞ্জুষা' (১ম খণ্ড- ১৯৭৫, ২য় খণ্ড- ১৯৭৬)।
তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থসমূহ:
- আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্য (১৯৩৫)
- বঙ্গে সুফি প্রভাব (১৯৩৫)
- ব্যাকরণ মঞ্জরী (১৯৫২)
- মুসলিম বাংলা সাহিত্য (১৯৫৭)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চট্টগ্রামী উপভাষা ও এর ধ্বনিতাত্ত্বিক রূপ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করেন ড. মুহম্মদ এনামুল হক। তিনি ১৯৩৫ সালে আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদের সাথে যৌথভাবে 'চট্টগ্রামী বাংলা ভাষার ব্যাকরণ' গ্রন্থটি রচনা করেন। এই গ্রন্থে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভাষার বৈশিষ্ট্য ও ধ্বনিতত্ত্ব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ, বহুভাষাবিদ ও সাহিত্য গবেষক। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা এবং বাংলা বর্ষপঞ্জি সংস্কারে তাঁর অবদান অসামান্য। বাংলা একাডেমি মূলত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা ও গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান । বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চায় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং তাঁর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এ নামকরণ করা হয়।
- বিশেষ অবদান: 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থ রচনা ও বাংলা ক্যালেন্ডার সংস্কার।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত: এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস সংক্রান্ত গ্রন্থ।
- বাংলা সাহিত্যের কথা: এটি তাঁর রচিত (স্বপ্রণীত) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থ।
তাই সঠিক উত্তর হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা হলেন কবি বড়ু চণ্ডীদাস ।
তাঁর সময়কাল বা জীবনকাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে :
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে: বড়ু চণ্ডীদাসের জন্ম ১৩৭০ খ্রিষ্টাব্দে এবং মৃত্যু ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দে, অর্থাৎ তাঁর সময়কাল ১৩৭০-১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
- বসন্তরঞ্জন রায়ের মতে: তাঁর সময়কাল আনুমানিক ১৩০৯-১৩৯৯ খ্রিষ্টাব্দ ।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ১৩৭০-১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত অন্যতম প্রামাণ্য ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ' (১৯৩৬ সালে প্রকাশিত) ।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
- 'বাঙ্গালা ভাষার ব্যাকরণ' (১৮৩৩) রচনা করেন রাজা রামমোহন রায় ।
- 'ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থের রচয়িতা ড. সুকুমার সেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষা গৌড়ী অপভ্রংশ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর গবেষণা অনুযায়ী, এই রূপান্তরের সময়কাল হলো সপ্তম শতাব্দী (৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ)। অন্যদিকে, ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি দশম শতাব্দীতে। তাই শহীদুল্লাহর মতে সপ্তম শতাব্দীই সঠিক উৎপত্তিকাল।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'মহাশ্মশান' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত মহাকাব্য, যার রচয়িতা কবি কায়কোবাদ । তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কুরায়শী ।
এই মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ঐতিহাসিক পটভূমি: এটি ঐতিহাসিক তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত ।
- মহাকাব্য: এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবি রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুবিশাল মহাকাব্য ।
পানিপথের যুদ্ধে মুসলিম ও মারাঠাদের করুণ সংঘাত ও ধ্বংসলীলা এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লীকবি’ উপাধিটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা সরকারি পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়নি। তাঁর অধিকাংশ কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল বাংলার পল্লী-জননীর রূপ, লোকজ ঐতিহ্য এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা। তাঁর লেখনীতে পল্লী প্রকৃতির এমন জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে যা পাঠকের হৃদয়ে তাকে পল্লীর কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৩১ সালে তাঁর প্রথম কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই মূলত পাঠকসমাজ ও বোদ্ধামহলে তিনি ‘পল্লীকবি’ হিসেবে পরিচিতি ও খ্যাতি লাভ করেন। তাই সঠিক উত্তরটি হবে: এটি লোকমুখে প্রচলিত।

- জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছাত্র থাকা অবস্থায় তাঁর রচিত ‘কবর’ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রবীন্দ্র-ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৯ সালে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৬ সালে তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত হন।

• জসীমউদ্দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী (১৯২৭),
- নক্সী কাঁথার মাঠ (১৯২৯),
- বালুচর (১৯৩০),
- ধানখেত (১৯৩৩),
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩),
- হাসু (১৯৩৮),
- রঙিলা নায়ের মাঝি (১৯৩৫),
- মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩),
- সুচয়নী (১৯৬১),
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৭২) ইত্যাদি।

• জসীমউদ্দীন রচিত নাটক:
- বেদের মেয়ে (১৯৫১),
- মধুমালা (১৯৫১),
- পল্লীবধূ (১৯৫৬),
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯),
- ওগো পুস্পধনু ইত্যাদি।

• একই নামে অন্য লেখকের রচনা:
- ‘কবর’ নামে জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে (রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত)।
- ‘কবর’ নামে মুনীর চৌধুরীর একটি বিখ্যাত নাটক রয়েছে (ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামী ১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে তাদের আমীর ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি শহিদ জননী ঘোষণা করলে বাংলাদেশে জনবিক্ষোভের সূত্রপাত হয়।
- এই জাহানারা ইমামকে আহ্বায়ক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।
- ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১২ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত গণ আদালতে ১৯৯২ সালের ২৬শে মার্চ যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম এর বিরুদ্ধে ১০টি অভিযোগ উত্থাপন করে এবং বিচারকগণ গোলাম আযমের ১০টি অপরাধ মৃত্যুদণ্ড যোগ্য বলে ঘোষণা দেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিকান্দার আবু জাফরের 'সিরাজউদ্দৌলা' একটি ঐতিহাসিক নাটক যা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবন ও পলাশীর যুদ্ধের করুণ পরিণতিকে কেন্দ্র করে রচিত। এটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে বিবেচিত।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পূরবী,
- মাটি আর অশ্রু,
- নবী কাহিনী, 
- জয়ের পথে,
- নতুন সকাল। 

তাঁর রচিত কবিতা:
- প্রসন্ন প্রহর,
- বৈরীবৃষ্টিতে,
- তিমিরান্তক,
- বৃশ্চিকলগ্ন,
- কবিতা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬)।
• তিনি একজন নাগরিক কবি ছিলেন।
• পেশায় তিনি সাংবাদিক ছিলেন।
• মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি মজলুম আদিব (বিপন্ন লেখক) ছদ্মনামে লিখতেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- আমি অনাহারী,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- বন্দী শিবির থেকে,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- দুঃসময়ের মুখোমুখি,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি,
- এক ধরনের অহংকার,
- শূন্যতার শোকসভা,
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- ইকারুসের আকাশ,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ,
- এক ফোঁটা কেমন অনল,
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- স্বপ্নে ও দুঃস্বপ্নে বেঁচে আছি,
- কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমার দিকে।

তাঁর রচিত উপন্যাস-
- অক্টোপাস,
- অদ্ভূত আঁধার এক,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সেলিনা হোসেনের রচিত অন্যান্য উপন্যাসঃ
‘জলোচ্ছ্বাস' (১৯৭২): দক্ষিণ বাংলার মেঘনা, তেঁতুলিয়া, আগুনমুখা, কাজল নদীর কূলে প্রতিকূল প্রকৃতি ও সামাজিক ত অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামশীল মানুষের জীবনধারা এক উপন্যাসের আলেখ্য।

‘হাঙর নদী গ্রেনেড' (১৯৭৬): এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭২ সালে এ ঘটনা নিয়ে তিনি গল্প লেখেন। পরবর্তীতে এটি উপন্যাসে রূপান্তরিত করেন।

'যাপিত জীবন' (১৯৮১): এ উপন্যাসে ১৯৪৭-৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের যাবতীয় ঘটনা কেন্দ্রীয় চরিত্র জাফর এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। উপন্যাস

‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি (১৯৮৬): বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নাফ নদীর তীরবর্তী শাহপরী দ্বীপ নামক এক ছোট দ্বীপের ধীবর শ্রেণির মানুষের জীবন সংগ্রাম এর বাস্তব রূপায়ণ। চরিত্র: মালেক, সাফিয়া ।

‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ (১৯৮৭): চল্লিশের দশকের পটভূমিতে রচিত।

‘কাঁটাতারে প্রজাপতি' (১৯৮৯): নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।

‘কাকতাড়ুয়া’ (১৯৯৬): এটি শিশুতোষ উপন্যাস। এটি বুধা নামে এক এতিম সাহসী কিশোর মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী ।

‘যুদ্ধ' (১৯৯৮): ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। এ উপন্যাসে ১১ নম্বর সেক্টরের নারী মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক তারামন বিবির প্রসঙ্গ এসেছে।

‘কাঠকয়লার ছবি’ (২০০১): এটি চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর উপন্যাসে 'কাকাবাবু' নামে একটি অনন্য চরিত্র সৃষ্টি করেছেন। 
- এই চরিত্র অবলম্বনে অনেকগুলো উপন্যাস রচিত হয়েছে। 
- বাংলা সাহিত্যে 'কাকাবাবু' একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। 
- শিশু কিশোরদের কাছে 'কাকাবাবু' সিরিজের উপন্যাসগুলো বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল। 
- এই সিরিজের কোন কোন উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। 
- 'কাকাবাবু' সিরিজের উপনাস: 'সবুজ দ্বীপের রাজা', 'কাকাবাবু ও সিন্দুক রহস্য', 'কাকাবাবু ও বজ্রগামা', 'সন্তু কোথায় কাকাবাবু কোথায়', 'বিজয় নগরেরহীরে', 'জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল'  ইত্যাদি। 

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'আগুনপাখি' হাসান আজিজুল হকের পৈতৃক নিবাস বর্ধমানকে কেন্দ্র করে রচিত একটি উপন্যাস।
- এতে ওই এলাকার মানুষের সংগ্রামী জীবন, বিভেদকামী রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক জীবনের নেতিবাচকতা পরিহার করে ইতিবাচকতার সন্ধান করেছেন।
- উপন্যাসটিতে কোনো চরিত্রের প্রথাগত নাম ব্যবহার করা হয়নি, তবে চরিত্রগুলো দ্বন্দ্বসংকুল এবং সহজেই বোঝা যায়।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র 'মেঝ বউ' সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সুসংবদ্ধতার প্রতীক।
- হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- হাসান আজিজুল হক ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ', 'জীবন ঘষে আগুন' ইত্যাদি।
- তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো 'আগুনপাখি', 'সাবিত্রী উপাখ্যান', 'শামুক' ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- সৈয়দ আলী আহসানের 'আমার পূর্ব বাংলা' গ্রন্থটি ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করে।
- এটি একটি কাব্যগ্রন্থ, যেখানে পূর্ব বাংলার প্রকৃতি, সৌন্দর্য ও মানুষের জীবনচিত্র অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।
- গ্রন্থটি ১৯৫৪ সালে ইউনেস্কো পুরস্কারে ভূষিত হয়, যা ছিল সেসময়ের একটি বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
- সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন একাধারে একজন বরেণ্য কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং শিক্ষাবিদ।
- 'একক সন্ধ্যায় বসন্ত' এবং 'অনেক আকাশ' তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক হিসেবেও সম্মানিত হয়েছিলেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ,
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত,
- সহসা সচকিত,
- আমার প্রতিদিনের শব্দ,
- চাহার দরবেশ ও অন্যান্য কবিতা,
- সমুদ্রেই যাব,
- রজনীগন্ধা ইত্যাদি।

• অনুবাদগ্রন্থ:
- হুইটম্যানের কবিতা,
- ইডিপাস।

• প্রবন্ধ:
- সতত স্বাগত।

• আত্মজীবনী:
- আমার সাক্ষ্য।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- বিখ্যাত লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো অপু ও দুর্গা।
- তাদের গ্রামের নাম ছিল নিশ্চিন্দিপুর।
- এই উপন্যাসে নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং গ্রামীণ জীবনের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
- 'পথের পাঁচালী' বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'কবি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম হলো নিতাই বা নিতাইচরণ।
- নিতাই একজন কবিয়াল, যে গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে কবিতা ও গান রচনা করে এবং গেয়ে শোনায়।
- এই উপন্যাসে নিতাইয়ের জীবনের উত্থান-পতন, তার প্রেম এবং শিল্পীসত্তার দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
- বসন বা ঠাকুরঝি উপন্যাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র, যার প্রতি নিতাই গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিল।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- জলসাঘর,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শহীদুল্লা কায়সারের 'সারেং বৌ' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় এবং প্রধান চরিত্র হলো 'নবিতুন'।
- উপন্যাসের নামকরণ 'সারেং বৌ' মূলত নবিতুনকেই নির্দেশ করে, যিনি একজন সারেং-এর স্ত্রী।
- কদম সারেং উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র এবং নবিতুনের স্বামী।
- কিন্তু উপন্যাসের মূল কাহিনী নবিতুনের জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ এবং অপেক্ষাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।

শহীদুল্লা কায়সার রচিত উপন্যাস:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালের ১৫ই আগস্ট। 
-তাঁর পৈতৃক বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার অন্তর্গত ঊনশিয়া গ্রামে।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- ছাড়পত্র (১৯৪৮),
- পূর্বাভাস (১৯৫০),
- মিঠেকড়া (১৯৫১),
- অভিযান (১৯৫৩),
- ঘুম নেই (১৯৫৪),
- হরতাল (১৯৬২),
- গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি।

- মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিকান্দার আবু জাফরের 'সিরাজউদ্দৌলা' একটি ঐতিহাসিক নাটক যা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবন ও পলাশীর যুদ্ধের করুণ পরিণতিকে কেন্দ্র করে রচিত। এটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে বিবেচিত।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পূরবী,
- মাটি আর অশ্রু,
- নবী কাহিনী, 
- জয়ের পথে,
- নতুন সকাল। 

তাঁর রচিত কবিতা:
- প্রসন্ন প্রহর,
- বৈরীবৃষ্টিতে,
- তিমিরান্তক,
- বৃশ্চিকলগ্ন,
- কবিতা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'কাশবনের কন্যা' প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি অনবদ্য উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংগ্রাম।
- লেখক এখানে নিম্ন-মেঘনা অববাহিকার চর অঞ্চলের মানুষের জীবনচিত্র নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন।
- উপন্যাসে উপকূলের মানুষের প্রেম, প্রকৃতি ও জীবনের সাথে তাদের নিরন্তর সংগ্রামের এক বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।

- কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে বরিশালের নলছিটি থানার কামদেবপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ‘আবুল কালাম শামসুদ্দীন’; ১৯৫৫ সাল থেকে তিনি বর্তমান নামে পরিচিত হন।
- ষাটের দশকে তিনি রোম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট উপাধি এবং রোমের এক্সপেরিমেন্টাল সেন্টার অব সিনেমাটোগ্রাফি থেকে চলচ্চিত্র বিষয়ক ডিপ্লোমা লাভ করেন।
- শামসুদ্দীন ১৯৫৯ সালের পর কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করে শেষে ইতালির রোমে স্থায়িভাবে অবস্থান করেন।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুজিবনগর সরকারের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভে তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- শামসুদ্দীনের মুখ্য পরিচয় একজন কথাশিল্পী হিসেবে।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৪ সালে ‘বাংলা একাডেমী পুরস্কার’ লাভ করেন।
- ১৯৯৭ সালের ১০ জানুয়ারি রোমে তাঁর মৃত্যু হয় এবং ঢাকায় তিনি সমাহিত হন।

● শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত উপন্যাস-
- ‘আলমনগরের উপকথা' (১৯৫৪),
- ‘কাশবনের কন্যা (১৯৫৪),
- ‘জায়জঙ্গল' (১৯৭৩),
- ‘সমুদ্র বাসর' (১৯৮৬),
- ‘জীবনকাব্য’ (১৯৫৬),
- ‘কাঞ্চনমালা’ (১৯৬১),
- ‘নবান্ন’ (১৯৮৭),
- ‘কাঞ্চনগ্রাম’ (১৯৯৮)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
● সমরেশ বসু (১৯২৪-১৯৮৮) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি কালকূট ও ভ্রমর ছদ্মনামে উল্লেখযযোগ্য সাহিত্য রচনা করেছেন। কালকূট মানে তীব্র বিষ। এটি ছিল তার ছদ্মনাম। 'অমৃত কুম্ভের সন্ধানে', 'কোথায় পাব তারে' সহ অনেক উপন্যাস তিনি এ নামে লিখেছেন।

● ছদ্মনামে লেখা শাম্ব উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৮০ সালের আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
সমরেশ বসুর উল্লেখযোগ্য সাহিত্য- উত্তরঙ্গ, গঙ্গা, বিবর, প্রজাপতি, দেখি নাই ফিরে, সওদাগর, কোথায় পাবো তারে, নয়নপুরের মাটি, বাঘিনী, চলো মন রুপনগরে ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট 'হিমু' চরিত্রটির আসল বা পুরো নাম হলো হিমালয়।
- উপন্যাসে তার বাবা এই নামটি রেখেছিলেন, কারণ তিনি চেয়েছিলেন তার ছেলে হিমালয়ের মতো বিশাল ও মহৎ একজন মানুষ হবে।
- 'হিমু' নামটি 'হিমালয়' নামেরই সংক্ষিপ্ত বা ডাকনাম।
- হিমু সিরিজের প্রথম উপন্যাস হলো 'ময়ূরাক্ষী', যা ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।

এই চরিত্রটির কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- হলুদ পাঞ্জাবি পরা
- খালি পায়ে হাঁটা
- নিজেকে 'মজনু' বলে পরিচয় দেওয়া
- অদ্ভুত ধরনের জীবনযাপন
- রহস্যময় স্বভাব

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শহীদুল্লা কায়সারের 'সংশপ্তক' (১৯৬৫) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কালজয়ী উপন্যাস। এই উপন্যাসের পটভূমি অত্যন্ত বিস্তৃত। এতে বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজব্যবস্থা, ভূমিনির্ভর সামন্ততন্ত্রের ভাঙন, ক্ষয়িষ্ণু অভিজাত শ্রেণির পতনের চিত্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানসিক গঠনের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। তবে উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হিসেবে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়কাল এতে প্রতিফলিত হয়েছে। উপন্যাসটি দুটি আলাদা খণ্ডে রচিত হলেও এর কাহিনি-ধারাবাহিকতা অটুট। প্রথম খণ্ডে মূলত সামাজিক বিবর্তন ও দ্বিতীয় খণ্ডে রাজনৈতিক সচেতনতা ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে।

- শহীদুল্লা কায়সারের প্রকৃত নাম আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লা।
- তিনি ছিলেন একাধারে লেখক ও বুদ্ধিজীবী। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর লোকেরা তাঁকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় এবং তিনি আর ফিরে আসেননি।
- 'সংশপ্তক' উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ টেলিভিশনে একই নামে একটি দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক নির্মিত হয়, যা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- শহীদুল্লা কায়সার ১৯৬৯ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন।

• শহীদুল্লা কায়সার রচিত উপন্যাসসমূহ:
- সারেং বৌ (১৯৬২)
- সংশপ্তক (১৯৬৫)
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ
- তিমির বলয়
- দিগন্তে ফুলের আগুন
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)

• জেনে রাখা ভালো:
- তার বিখ্যাত 'সারেং বৌ' উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে এবং এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি চলচ্চিত্র।
- তাঁর কন্যা শমী কায়সার একজন বিখ্যাত অভিনেত্রী এবং পুত্র অমিতাভ কায়সার। জহির রায়হান ছিলেন তাঁর ভাই।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0