- 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যের প্রধান দুটি চরিত্র হলো মুসলমান যুবক সোজন এবং হিন্দু নমশূদ্র সম্প্রদায়ের মেয়ে দুলী। - তাদের দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠা গভীর প্রেম এবং এর করুণ পরিণতিই হলো এই কাব্যের মূল উপজীব্য। - কবি এই কাব্যে গ্রামীণ বাংলার সামাজিক প্রেক্ষাপটে হিন্দু-মুসলমানের প্রেমের এক অসাধারণ ও মর্মস্পর্শী চিত্র এঁকেছেন।
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ' । এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য দুটি চরিত্র রুপা ও সাজু।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ - সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪), - মহরম, - দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭), - হাসু (১৯৩৮), - রুপবতি (১৯৪৬), - মাটির কান্না (১৯৫১), - এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬), - সখিনা (১৯৫৯), - সুচয়নী (১৯৬১), - ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২), - মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), - হলুদ বরণী (১৯৬৬), - রাখালী (১৯২৭), - নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), - বালুচর (১৯৩০), - ধানখেত (১৯৩৩), - জলে লেখন (১৯৬৯), - পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯), - কাফনের মিছিল (১৯৭৮)।
- ‘রাখালী’ পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত প্রথম গ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থ। - ‘কবর’ কবিতাটি এ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - কবিতাটি ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। - রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, বালুচর, ধানক্ষেত, সোজন বাদিয়ার ঘাট, মাটির কান্না, মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি পল্লী কবি জসীমউদ্দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- এছাড়া চৈতালীর রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, - ফনিমনসা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম এবং - আলো পৃথিবী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জীবনানন্দ দাস।
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ' । এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য দুটি চরিত্র রুপা ও সাজু।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ - সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪), - মহরম, - দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭), - হাসু (১৯৩৮), - রুপবতি (১৯৪৬), - মাটির কান্না (১৯৫১), - এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬), - সখিনা (১৯৫৯), - সুচয়নী (১৯৬১), - ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২), - মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), - হলুদ বরণী (১৯৬৬), - রাখালী (১৯২৭), - নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), - বালুচর (১৯৩০), - ধানখেত (১৯৩৩), - জলে লেখন (১৯৬৯), - পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯), - কাফনের মিছিল (১৯৭৮)।
- জসীমউদ্দীন ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়) জন্মগ্রহণ করেন। - পৈতৃক নিবাস- ফরিদপুরের গোবিন্দপুর (বর্তমান- আম্বিকাপুর)। - প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন মোল্লা। - ছদ্মনাম- জমীরউদ্দিন মোল্লা। - জসীমউদ্দীন সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, যেমন গাথাকাব্য, খন্ডকাব্য, নাটক, স্মৃতিকথা, শিশুসাহিত্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি। - তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- জসীমউদ্দীন ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়) জন্মগ্রহণ করেন। - পৈতৃক নিবাস- ফরিদপুরের গোবিন্দপুর (বর্তমান- আম্বিকাপুর)। - প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন মোল্লা। - ছদ্মনাম- জমীরউদ্দিন মোল্লা। - ১৯২১ সালে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় 'মিলন গান' কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা। - বাংলা একাডেমি ২০১৯ সাল থেকে 'কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করে। প্রথম এ পুরস্কার পান কবি নির্মলেন্দু গুণ। - তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি ডি.লিট (১৯৬৯) ও একুশে পদক (১৯৭৬) পান। - তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করেন। - তিনি ১৩ মার্চ, ১৯৭৬ সালে মারা যান। তাঁর অন্তিম ইচ্ছানুসারে ১৪ মার্চ ফরিদপুরের আম্বিকাপুরে দাদীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
• তাঁর নাটকসমূহঃ 'বেদের মেয়ে' (১৯৫১): এটি গীতিনাট্য। 'পদ্মাপাড়' (১৯৫০), 'মধুমালা' (১৯৫১)[মধুমালা নামে কাজী নজরুল ইসলামের একটি নাটক আছে], 'পল্লীবধূ' (১৯৫৬), 'গ্রামের মায়া' (১৯৫৯), বাঁশের বাঁশি।
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ' । এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য দুটি চরিত্র রুপা ও সাজু।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ - সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪), - মহরম, - দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭), - হাসু (১৯৩৮), - রুপবতি (১৯৪৬), - মাটির কান্না (১৯৫১), - এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬), - সখিনা (১৯৫৯), - সুচয়নী (১৯৬১), - ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২), - মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), - হলুদ বরণী (১৯৬৬), - রাখালী (১৯২৭), - নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), - বালুচর (১৯৩০), - ধানখেত (১৯৩৩), - জলে লেখন (১৯৬৯), - পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯), - কাফনের মিছিল (১৯৭৮)।
● পল্লীকবি জসিমউদ্দীনের বিখ্যাত কবিতা 'কবর'। এই কবিতাটি প্রথম 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে এটি কবির 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়। কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ' । এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য দুটি চরিত্র রুপা ও সাজু।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ - সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪), - মহরম, - দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭), - হাসু (১৯৩৮), - রুপবতি (১৯৪৬), - মাটির কান্না (১৯৫১), - এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬), - সখিনা (১৯৫৯), - সুচয়নী (১৯৬১), - ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২), - মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), - হলুদ বরণী (১৯৬৬), - রাখালী (১৯২৭), - নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), - বালুচর (১৯৩০), - ধানখেত (১৯৩৩), - জলে লেখন (১৯৬৯), - পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯), - কাফনের মিছিল (১৯৭৮)।
• বোবা কাহিনী পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম এবং একমাত্র উপন্যাস। • ১৯৬৪ খৃষ্টাব্দে এই উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়। • উপন্যাসটি সম্পূর্ণ লোকজীবনভিত্তিক। • উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র : - বছির, - আজহার, - আরজান, - রহিমুদ্দিন।
- জসীমউদ্দীন ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়) জন্মগ্রহণ করেন। - পৈতৃক নিবাস- ফরিদপুরের গোবিন্দপুর (বর্তমান- আম্বিকাপুর)। - প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন মোল্লা। - ছদ্মনাম- জমীরউদ্দিন মোল্লা। - ১৯২১ সালে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় 'মিলন গান' কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা। - বাংলা একাডেমি ২০১৯ সাল থেকে 'কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করে। প্রথম এ পুরস্কার পান কবি নির্মলেন্দু গুণ। - তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি ডি.লিট (১৯৬৯) ও একুশে পদক (১৯৭৬) পান। - তিনি ১৩ মার্চ, ১৯৭৬ সালে মারা যান। তাঁর অন্তিম ইচ্ছানুসারে ১৪ মার্চ ফরিদপুরের আম্বিকাপুরে দাদীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
• তাঁর নাটকসমূহঃ 'বেদের মেয়ে' (১৯৫১): এটি গীতিনাট্য। 'পদ্মাপাড়' (১৯৫০), 'মধুমালা' (১৯৫১)[মধুমালা নামে কাজী নজরুল ইসলামের একটি নাটক আছে], 'পল্লীবধূ' (১৯৫৬), 'গ্রামের মায়া' (১৯৫৯), বাঁশের বাঁশি।
- জসীমউদ্দীন ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়) জন্মগ্রহণ করেন। - পৈতৃক নিবাস- ফরিদপুরের গোবিন্দপুর (বর্তমান- আম্বিকাপুর)। - প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন মোল্লা। - ছদ্মনাম- জমীরউদ্দিন মোল্লা। - ১৯২১ সালে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় 'মিলন গান' কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা। - বাংলা একাডেমি ২০১৯ সাল থেকে 'কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করে। প্রথম এ পুরস্কার পান কবি নির্মলেন্দু গুণ। - তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি ডি.লিট (১৯৬৯) ও একুশে পদক (১৯৭৬) পান। - তিনি ১৩ মার্চ, ১৯৭৬ সালে মারা যান। তাঁর অন্তিম ইচ্ছানুসারে ১৪ মার্চ ফরিদপুরের আম্বিকাপুরে দাদীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
• তাঁর নাটকসমূহঃ 'বেদের মেয়ে' (১৯৫১): এটি গীতিনাট্য। 'পদ্মাপাড়' (১৯৫০), 'মধুমালা' (১৯৫১)[মধুমালা নামে কাজী নজরুল ইসলামের একটি নাটক আছে], 'পল্লীবধূ' (১৯৫৬), 'গ্রামের মায়া' (১৯৫৯), বাঁশের বাঁশি।
জসীম উদ্দীন এর প্রথম প্রকাশিত কবিতা 'মিলন গান '। » তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ - রাখালী - নক্সী কাঁথার মাঠ - বালুচর - ধানক্ষেত » তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'কবর' ও 'আসমানি' » বিখ্যাত উপন্যাস -'বোবা কাহিনী।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'ধানখেত' (১৯৩৩) কাব্যগ্রন্থ থেকে 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি নেওয়া হয়েছে। - এই কবিতার অত্যন্ত জনপ্রিয় পঙ্ক্তি হলো: 'তুমি যাবে ভাই - যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়, / গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়।'
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: - জন্ম: ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়)। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুরের গোবিন্দপুর (বর্তমান নাম: আম্বিকাপুর)। - মৃত্যু: ১৩ মার্চ, ১৯৭৬। তাঁর অন্তিম ইচ্ছানুসারে ১৪ মার্চ ফরিদপুরের আম্বিকাপুরে দাদীর কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়। - তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: রাখালী, বালুচর, হাসু, রূপবতী, মাটির কান্না, সুচয়নী ইত্যাদি।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- 'রূপাই' জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নক্সী কাঁথার মাঠ-এর একটি প্রধান চরিত্র। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য গাথাকাব্য। কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রূপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ চরিত্রের প্রেম, যা গ্রামীণ জীবনের সরলতা, মাধুর্য এবং করুণ বাস্তবতাকে তুলে ধরে।
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। • তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থঃ - সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪), - মহরম, - দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৮৭), - হাসু (১৯৩৮), - রুপবতি (১৯৪৬), - মাটির কান্না (১৯৫১), - এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬), - সখিনা (১৯৫৯), - সুচয়নী (১৯৬১), - ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২), - মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), - হলুদ বরণী (১৯৬৬), - রাখালী (১৯২৭), - নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), - বালুচর (১৯৩০), - ধানখেত (১৯৩৩), - জলে লেখন (১৯৬৯), - পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯), - কাফনের মিছিল (১৯৭৮)।
জসীমউদ্দীন 'কবর' কবিতাটি রচনার সময় ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে আই.এ. ক্লাসের ছাত্র ছিলেন। অর্থাৎ তিনি তখন কলেজে পড়েন। - কবিতাটি প্রথম ১৯২৮ সালে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। - এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত একটি আখ্যানমূলক কবিতা, যাতে মোট ১১৮টি পঙ্ক্তি রয়েছে। - কবিতায় এক বৃদ্ধ দাদুর তাঁর মৃত স্ত্রী, পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতনির কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর একমাত্র জীবিত নাতিকে উদ্দেশ্য করে বলা জীবনের করুণ শোকগাথা বর্ণিত হয়েছে। - পরবর্তীতে তিনি যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি.এ. পড়ছিলেন, তখন দীনেশচন্দ্র সেনের উদ্যোগে এটি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়।
পল্লিকবি জসীমউদদীনের উল্লেখযোগ্য কাব্যঃ রাখালী, মাটির কান্না, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, মা যে জননী কান্দে, বালুচর । তার রচিত উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থঃ এক পয়সার বাঁশী, হাসু, ডালিম কুমার । তার একমাত্র উপন্যাসঃ বোবাকাহিনী । অন্যদিকে 'মানসী' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ ।
- ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ (১৯৩৩) পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য (Narrative Poem)। - বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একে একটি অনবদ্য ‘আখ্যানকাব্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এই কাব্যের প্রধান দুটি চরিত্র হলো সোজন ও দুলী। গ্রামবাংলার গ্রামীণ পরিবেশ, হিন্দু-মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের দ্বন্দ্ব এবং একটি ট্র্যাজিক প্রেমের গল্প এই কাব্যের মূল উপজীব্য। - এই কাহিনীকাব্যটি আন্তর্জাতিকভাবে এতটাই সমাদৃত যে, এটি ইউনেস্কোর (UNESCO) সহায়তায় 'Gipsy Wharf' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে (অনুবাদক: বারবারা পেইন্টার ও ইয়ান লোভেল)। - তার বিখ্যাত ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ কাব্যের পর এটিকেই তাঁর দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে গণ্য করা হয়।
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য 'নকশী কাঁথার মাঠ' । এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য দুটি চরিত্র রুপা ও সাজু। E.M. Millford এই কাব্যটি 'Field of the Embroidery Quilt' নামে অনুবাদ করেন। সোজনবাদিয়ার ঘাট, সকিনা, রুপালী ছাড়াও তাঁর রচিত আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ— মা যে জননী কান্দে, বালুচর, ধানখেত, মাটির কান্না, রূপবতী।
• বোবা কাহিনী পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম এবং একমাত্র উপন্যাস। • ১৯৬৪ খৃষ্টাব্দে এই উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়। • উপন্যাসটি সম্পূর্ণ লোকজীবনভিত্তিক। • উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র : - বছির, - আজহার, - আরজান, - রহিমুদ্দিন।
- রাখালী বাংলাদেশের পল্লি কবি জসীমউদ্দীনের ১৯ টি কবিতা নিয়ে তৈরি একটি কবিতার বই। - জসীমউদ্দীনের তরুন বয়সের লেখা কবিতাগুলো রয়েছে। - বইটি ১৯২৭ সালে পলাশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশ পায়। - প্রচ্ছদ একেঁছেন নন্দলাল বসু। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬৮। কবিতা গুলোতে পল্লির জীবন বেশি প্রভাব রয়েছে। - বইটিতে ১৯টি কবিতা আছে এর মধ্য কবর কবিতাটি বেশ জনপ্রিয় হয়। ২টি কবিতা গান এর সুরে গান হিসেবে প্রচলিত। কবিতাগুলো হলো- ১) রাখালী ২) সিঁদুরে বেসাতি (মেয়েলি গানের সুর) ৩) কিশোরী ৪) বৈদেশী বন্ধু (গান বারমাসি) ৫) রাখাল ছেলে ৬) কবর ৭) মা ৮) সুজন বন্ধুরে (গান) ৯) বৈরাগী আর বোস্টমী যায় ১০) জেলে গাঙে মাছ ধরিতে যায় ১১) মনই যদি নিবি ১২) পল্লি জননী ১৩) পাহাড়িয়া ১৪) শাক তুলুনী ১৫) কৃষান-দুলালি ১৬) গহীন গাঙের নায়া ১৭) তরুণ কিশোর ১৮) মনা শেখ ১৯) বোশেখ শেষের মাঠ
- অন্যদিকে, আনন্দ কুসুম এর রচয়িতা নির্মলেন্দু গুণ ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব শুলুশন্স। ২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ বর্তমান কোর্সঃ
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (সমাজবিজ্ঞান) ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান)
৪) ৫১ তম বিসিএস প্রস্তুতি ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস ৫) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৬) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৭) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতির লং কোর্স (২৭৬ দিন) ৮) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন
✅ আপকামিং রুটিনঃ - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। - ১৯তম নিবন্ধন বাংলা, ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)