অন্যান্য (449 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাচীন ভারতীয় লিপিমালার অন্যতম ব্রাহ্মী লিপি থেকে বাংলা লিপির সরাসরি উৎপত্তি ঘটেছে।
- লিখন পদ্ধতি: ব্রাহ্মী লিপি বাম থেকে ডানে লেখা হতো।
- ব্রাহ্মী লিপির 'কুটিল লিপি' রূপ থেকেই কালক্রমে বাংলা লিপির বিকাশ ঘটে।
(অন্য দিকে খরোষ্ঠী লিপি ডান থেকে বামে লেখা হতো।)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৭৭৮ সালে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের 'A Grammar of the Bengal Language' গ্রন্থের জন্য সর্বপ্রথম বাংলা বর্ণ বা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন চার্লস উইলকিন্স ।
- তাঁর নির্দেশনায় পঞ্চানন কর্মকার বাংলা টাইপ তৈরি করেন।
- এজন্য চার্লস উইলকিন্সকে বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক বলা হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপির তিনটি রূপের অন্যতম ছিল কুটিল লিপি।
- কুটিল লিপি: এর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা থেকেই আনুমানিক ১০ম শতকে বাংলা লিপি ও বর্ণমালার উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটে।
- অন্যান্য শাখা: শারদা লিপি থেকে কাশ্মিরি এবং নাগর লিপি থেকে দেবনাগরী লিপির উদ্ভব হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকে বৈদিক ভাষার বৈচিত্র্য দূর করে সুসংবদ্ধ রূপ দেন মহর্ষি পাণিনি । তাঁর বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ 'অষ্টাধ্যায়ী' । তিনি নির্দিষ্ট নিয়ম-সূত্রের মাধ্যমে এই ভাষাকে পরিমার্জিত করেন, যার নাম হয় 'সংস্কৃত'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষাগোষ্ঠী দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত: কেন্তুম ও শতুম। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা শতুম শাখার অন্তর্গত ছিল। এই শতুম শাখা থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। তাই বাংলা ভাষা শতুম শাখার অন্তর্ভুক্ত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আর্যরা খাইবার গিরিপথ অতিক্রম করে আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে । ভারতবর্ষে প্রবেশের প্রায় ১৪০০ বছর পর, খ্রিষ্টপূর্ব ১ম শতকে তারা বাংলায় প্রবেশ করে ।
- ভারতে আগমন: খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ ।
- বাংলায় প্রবেশ: খ্রিষ্টপূর্ব ১ম শতক ।
সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে ভারতে এবং খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতকে বাংলায় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রায় ৫-৬ হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে বাংলায় আগমন ঘটে অস্ট্রিক নৃগোষ্ঠীর । এরা বাংলার আদি অধিবাসী নেগ্রিটোদের পরাজিত ও উচ্ছেদ করে স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে ।
- অস্ট্রিকদেরকে প্রাচীন সাহিত্যে নিষাদ জাতি বলা হতো ।
- এদের রক্ত ও ভাষাই মূলত বাঙালি জনসংখ্যার মূল ভিত্তি রচনা করেছে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'ODBL' গ্রন্থে দেখান যে, বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে এসেছে ।
- তিনি এই মাগধী প্রাকৃত তত্ত্বের প্রধান ব্যাখ্যাদাতা।
- অন্যদিকে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ গৌড়ী প্রাকৃত তত্ত্বের সমর্থক ছিলেন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরোধে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের নিয়ম সংস্কার সমিতি গঠন করে । ১৯৩৬ সালে প্রবর্তিত এই নিয়মের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বানানের বিকল্প বর্জন করা । এই সমিতি ও বানানের নিয়ম প্রণয়নের অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভাষা-প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
- এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান ব্যাকরণ গ্রন্থ।
- উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ এর রচয়িতা ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- ভাষার ইতিবৃত্ত বইটির লেখক ড. সুকুমার সেন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'ODBL'-এ বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল হিসেবে দশম শতাব্দী (৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ)-কে নির্দেশ করেছেন। তাঁর মতে, পূর্বী মাগধী অপভ্রংশ থেকে দশম শতকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়। অপরদিকে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর উৎপত্তিকাল সপ্তম শতাব্দী।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
The Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) হলো ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ । ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বিকাশ ও ব্যাকরণের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন ।
- লেখক: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, খ্রিস্টীয় দশম শতকে মাগধী অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে।
- মাগধী অপভ্রংশ: প্রাচ্য প্রাকৃতের রূপ, যা থেকে বাংলা ও অসমীয়া ভাষার জন্ম।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা এসেছে গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাইরে নিন্দা মনে হলেও ভেতরে প্রশংসা, বা বাইরে প্রশংসা হলেও ভেতরে নিন্দা প্রকাশ করার অলংকার হলো ব্যাজস্তুতি ।
এখানে 'ব্যাজ' মানে ছল এবং 'স্তুতি' মানে প্রশংসা।
যেমন: "অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ..."—এখানে আপাতনিন্দার আড়ালে মূলত প্রশংসা করা হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কারণ ও কার্যের স্থান ভিন্ন হলে অসঙ্গতি অলংকার হয় ।
- কারণ (মেঘ উদয়): হৃদয়ে ।
- কার্য (বারি ঝরা): নয়নে ।
কারণ একস্থানে অথচ কার্য অন্যস্থানে ঘটায় এটি অসঙ্গতি অলংকার ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অচেতন বা জড় বস্তুতে মানুষের মতো চেতনধর্ম বা মানবিক আচরণের আরোপ করা হলে সমাসোক্তি অলংকার হয়।
চরণটিতে 'পর্বত' একটি নিশ্চল জড় বস্তু। কিন্তু পর্বত বৈশাখের মেঘের মতো নিরুদ্দেশ হতে 'চাহিল' বা ইচ্ছা প্রকাশ করল বলায় জড় বস্তুতে চেতনার আরোপ ঘটেছে । তাই এটি সমাসোক্তি অলংকার।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন কাব্যে উপমেয়কে বিলুপ্ত করে কেবল উপমানের উল্লেখের মাধ্যমে রূপায়ন ঘটানো হয়, তখন তাকে অতিশয়োক্তি অলংকার বলে ।
- এখানে আসল বস্তুটি (উপমেয়) না বলে যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে (উপমান) শুধু সেটি প্রকাশ পায় ।
- উদাহরণ: 'মেঘের কোলে সূর্য হেসেছে' (এখানে মূল বিষয় 'রোদ' উপমেয়টি লুপ্ত) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উপমেয় ও উপমানের মধ্যে প্রবল সাদৃশ্য থাকার কারণে যখন উপমেয়কে উপমান বলে সংশয় বা সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়, তাকে উৎপ্রেক্ষা অলংকার বলে।
যেমন: 'আঙ্গুল যেন চাঁদের কর'। এখানে উপমেয়ে উপমানের সম্ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উপমেয়ের সাথে উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে রূপক অলংকার হয় । এখানে উপমেয় (যাকে তুলনা করা হয়) এবং উপমানের (যার সাথে তুলনা করা হয়) মধ্যে কোনো পার্থক্য না রেখে দুটিকে এক ও অভিন্ন মনে করা হয় ।
যেমন: 'জীবন-সিন্ধু'—এখানে 'জীবন' হলো উপমেয় এবং 'সিন্ধু' হলো উপমান, যাদের অভেদ কল্পনা করা হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি পূর্ণাঙ্গ উপমা অলংকারের ৪টি অঙ্গ বা উপাদান থাকে :
- উপমেয়: যাকে তুলনা করা হয়।
- উপমান: যার সাথে তুলনা করা হয়।
- সাধারণ ধর্ম: যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তুলনা করা হয়।
- সাদৃশ্যবাচক শব্দ: তুলনাবাচক শব্দ (যেমন: মত, ন্যায়)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাক্যে একটি শব্দ একবারমাত্র ব্যবহৃত হয়ে একাধিক ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শ্লেষ অলংকার বলে ।
যেমন: "কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত রসগ্রাহী নয়?"—এখানে 'ঈশ্বর গুপ্ত' শব্দে ঈশ্বর ও কবি দুজনকে বোঝায় ।
- যমক: শব্দ বারবার বসে ভিন্ন অর্থ দেয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কাব্যতত্ত্ব অনুযায়ী সাহিত্যের অলংকারকে প্রধানত ২টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
- শব্দালংকার: শব্দের ধ্বনি মাধুর্য ও বাহ্যিক সৌন্দর্য সৃষ্টির মাধ্যমে কাব্য সুন্দর হলে তাকে শব্দালংকার বলে (যেমন- অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ)।
- অর্থালংকার: শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ ও ভাবকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে অলংকৃত করা হলে তাকে অর্থালংকার বলে (যেমন- উপমা, রূপক, উৎপ্রেক্ষা)।
সুতরাং, শব্দ ও অর্থের বৈচিত্র্যের ওপর ভিত্তি করে অলংকার প্রধানত দুই প্রকার।
সোর্স: অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কাব্যের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য যে অলংকার শব্দের ধ্বনি বা উচ্চারণের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, তাকে শব্দালংকার বলে। শব্দালংকারে শব্দের পরিবর্তন করলে অলংকার নষ্ট হয়ে যায়।
অলংকার প্রধানত দুই প্রকার:
- শব্দালংকার: যা শব্দের ধ্বনিরূপ বা বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে (যেমন- অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ)।
- অর্থালংকার: যা বাক্যের ভেতরের অর্থকে সুন্দর ও গভীর করে (যেমন- উপমা, রূপক)।
শব্দের শ্রুতিমাধুর্য ও ধ্বনিঝংকার সৃষ্টি করাই শব্দালংকারের মূল কাজ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ছন্দের রীতিতে পয়ার হলো একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও জনপ্রিয় ছন্দ। পয়ার ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- এর প্রতি চরণে মোট ১৪টি অক্ষর বা মাত্রা থাকে।
- প্রতিটি চরণ দুটি পর্বে বিভক্ত থাকে; প্রথম পর্বে ৮টি অক্ষর এবং দ্বিতীয় পর্বে ৬টি অক্ষর (৮+৬ = ১৪)।
- চরণ দুটির শেষে অন্ত্যমিল থাকে।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে যেমন মঙ্গলকাব্য ও রামায়ণে এই ছন্দের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা কবিতায় ব্যবহৃত অন্যতম প্রধান ছন্দ হলো অক্ষরবৃত্ত ছন্দ। একে যৌগিক ছন্দ বা তানপ্রধান ছন্দও বলা হয়।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
- এই ছন্দের পাঠের লয় ধীর।
- এর মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা সাধারণত ৮ বা ১০ মাত্রা হয়।
- মুক্তাক্ষর সর্বদা ১ মাত্রা এবং যুক্তাক্ষর শব্দের শেষে থাকলে ২ মাত্রা ধরা হয়।
তাই যে ছন্দের লয় ধীর এবং মূল পর্ব ৮ বা ১০ মাত্রার, তা হলো অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উদ্ধৃত চরণ দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের 'দুই পাখি' কবিতার অংশ । কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত ।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য:- - এর গতি ধীর, গম্ভীর ও সুরপ্রধান। - যুক্তবর্ণ সব সময় ভেঙে উচ্চারিত হয়। - মুক্তাক্ষর ১ মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষর ২ মাত্রা ধরা হয়। - এর পর্বগুলো সাধারণত ৪, ৫ বা ৬ মাত্রার হয়।
এখানে 'সোনার পাখি ছিল / সোনার খাঁচাটিতে / বনের পাখি ছিল / বনে' চরণে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষরের মাত্রা গণনার নিয়ম এবং পর্ববিন্যাস মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অনুরূপ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান' পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' ছড়া থেকে নেওয়া । এটি স্বরবৃত্ত ছন্দ বা ছড়ার ছন্দে রচিত।
স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- এটি মূলত লৌকিক বা ছড়ার ছন্দ, যা দ্রুত লয়ে উচ্চারিত হয়।
- এই ছন্দে সাধারণত চার মাত্রার মূল পর্ব থাকে।
- প্রতিটি পর্বের প্রথম অক্ষরে প্রবল ঝোঁক পড়ে। যেমন: (বৃষ্টি পড়ে / টাপুর টুপুর / নদেয় এল / বান)।
এখানে দ্রুত লয় ও লৌকিক সুরের কারণে এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্বরবৃত্ত ছন্দ হলো দ্রুত লয়ের ছড়ার ছন্দ ।
- এর মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা ৪ এবং প্রতিটি অক্ষর ১ মাত্রা ধরা হয় ।
- একে দলবৃত্ত, তালবৃত্ত বা শ্বাসঘাতী ছন্দও বলা হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অমিত্রাক্ষর ছন্দ মূলত পয়ার ছন্দেরই একটি বিশেষ রূপ ।
- প্রতিটি চরণে মোট ১৪টি অক্ষর থাকে ।
- চরণটি ২টি পর্বে বিভক্ত—প্রথম পর্বে ৮ অক্ষর এবং দ্বিতীয় পর্বে ৬ অক্ষর (৮+৬) ।
- চরণের শেষে কোনো অন্ত্যমিল থাকে না ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নিয়ম:
- মুক্তাক্ষর সবসময় ১ মাত্রা।
- বদ্ধাক্ষর শব্দের আদিতে ও মধ্যে ১ মাত্রা এবং শেষে ২ মাত্রা।
তাই শব্দের আদিতে ও মধ্যে অবস্থিত বদ্ধাক্ষর ১ মাত্রা গণ্য হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0