সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

অন্যান্য

৪৫৪ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৫২ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকায় 'পাকিস্তান এশিয়াটিক সোসাইটি' প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে এই প্রাচ্যবিদ ও উচ্চতর গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে 'বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি' (বা এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ) রাখা হয়। এটি মূলত ইতিহাস, ঐতিহ্য, সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণাকাজে নিয়োজিত একটি ঐতিহ্যবাহী গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন-এর সূচনা হয় । কুসংস্কার মুক্ত করে যুক্তিবাদী সমাজ গঠনই ছিল এর লক্ষ্য ।
মূল তথ্যসমূহ:
- প্রবক্তা: কাজী আব্দুল ওদুদ, আবুল হোসেন, কাজী মোতাহার হোসেন ।
- স্লোগান: "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব" ।
- মুখপত্র: 'শিখা' পত্রিকা (১৯২৭) ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেরণা ও বাঙালি মধ্যবিত্তের সামাজিক-সাংস্কৃতিক নবজাগরণের ফলশ্রুতিতে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় । প্রতিষ্ঠার পর সংস্থাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউস ভবনে তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাংলা একাডেমি গঠনের প্রস্তাব পাস করে ।
- ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউস ভবনটি নির্মিত হয়েছিল ১৯০৬ সালে ।
- একাডেমির মূল মিলনায়তনের নাম আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির উদ্যোগে প্রকাশিত জাতীয় বিশ্বকোষ 'বাংলাপিডিয়া' মোট ১৪ খণ্ডে প্রকাশিত হয়। ২০০৩ সালে এর ১ম সংস্করণ ১০ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১২ সালে প্রকাশিত ২য় সংস্করণে আরও নতুন তথ্য সংযোজন করে এটি মোট ১৪ খণ্ডে প্রকাশ করা হয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের একটি প্রধান জ্ঞানকোষ।
- উদ্যোক্তা সংস্থা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন ভারতীয় লিপিমালার অন্যতম ব্রাহ্মী লিপি থেকে বাংলা লিপির সরাসরি উৎপত্তি ঘটেছে।
- লিখন পদ্ধতি: ব্রাহ্মী লিপি বাম থেকে ডানে লেখা হতো।
- ব্রাহ্মী লিপির 'কুটিল লিপি' রূপ থেকেই কালক্রমে বাংলা লিপির বিকাশ ঘটে।
(অন্য দিকে খরোষ্ঠী লিপি ডান থেকে বামে লেখা হতো।)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৭৭৮ সালে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের 'A Grammar of the Bengal Language' গ্রন্থের জন্য সর্বপ্রথম বাংলা বর্ণ বা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন চার্লস উইলকিন্স ।
- তাঁর নির্দেশনায় পঞ্চানন কর্মকার বাংলা টাইপ তৈরি করেন।
- এজন্য চার্লস উইলকিন্সকে বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক বলা হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপির তিনটি রূপের অন্যতম ছিল কুটিল লিপি।
- কুটিল লিপি: এর পূর্বাঞ্চলীয় শাখা থেকেই আনুমানিক ১০ম শতকে বাংলা লিপি ও বর্ণমালার উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটে।
- অন্যান্য শাখা: শারদা লিপি থেকে কাশ্মিরি এবং নাগর লিপি থেকে দেবনাগরী লিপির উদ্ভব হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকে বৈদিক ভাষার বৈচিত্র্য দূর করে সুসংবদ্ধ রূপ দেন মহর্ষি পাণিনি । তাঁর বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ 'অষ্টাধ্যায়ী' । তিনি নির্দিষ্ট নিয়ম-সূত্রের মাধ্যমে এই ভাষাকে পরিমার্জিত করেন, যার নাম হয় 'সংস্কৃত'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষাগোষ্ঠী দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত: কেন্তুম ও শতুম। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা শতুম শাখার অন্তর্গত ছিল। এই শতুম শাখা থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে। তাই বাংলা ভাষা শতুম শাখার অন্তর্ভুক্ত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
আর্যরা খাইবার গিরিপথ অতিক্রম করে আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে । ভারতবর্ষে প্রবেশের প্রায় ১৪০০ বছর পর, খ্রিষ্টপূর্ব ১ম শতকে তারা বাংলায় প্রবেশ করে ।
- ভারতে আগমন: খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ ।
- বাংলায় প্রবেশ: খ্রিষ্টপূর্ব ১ম শতক ।
সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে ভারতে এবং খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতকে বাংলায় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রায় ৫-৬ হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে বাংলায় আগমন ঘটে অস্ট্রিক নৃগোষ্ঠীর । এরা বাংলার আদি অধিবাসী নেগ্রিটোদের পরাজিত ও উচ্ছেদ করে স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে ।
- অস্ট্রিকদেরকে প্রাচীন সাহিত্যে নিষাদ জাতি বলা হতো ।
- এদের রক্ত ও ভাষাই মূলত বাঙালি জনসংখ্যার মূল ভিত্তি রচনা করেছে ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর 'ODBL' গ্রন্থে দেখান যে, বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে এসেছে ।
- তিনি এই মাগধী প্রাকৃত তত্ত্বের প্রধান ব্যাখ্যাদাতা।
- অন্যদিকে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ গৌড়ী প্রাকৃত তত্ত্বের সমর্থক ছিলেন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুরোধে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের নিয়ম সংস্কার সমিতি গঠন করে । ১৯৩৬ সালে প্রবর্তিত এই নিয়মের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বানানের বিকল্প বর্জন করা । এই সমিতি ও বানানের নিয়ম প্রণয়নের অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষা-প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
- এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান ব্যাকরণ গ্রন্থ।
- উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ এর রচয়িতা ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- ভাষার ইতিবৃত্ত বইটির লেখক ড. সুকুমার সেন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'ODBL'-এ বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল হিসেবে দশম শতাব্দী (৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ)-কে নির্দেশ করেছেন। তাঁর মতে, পূর্বী মাগধী অপভ্রংশ থেকে দশম শতকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়। অপরদিকে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর উৎপত্তিকাল সপ্তম শতাব্দী।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
The Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) হলো ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ । ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বিকাশ ও ব্যাকরণের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন ।
- লেখক: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষাবিদ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, খ্রিস্টীয় দশম শতকে মাগধী অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে।
- মাগধী অপভ্রংশ: প্রাচ্য প্রাকৃতের রূপ, যা থেকে বাংলা ও অসমীয়া ভাষার জন্ম।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা এসেছে গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাইরে নিন্দা মনে হলেও ভেতরে প্রশংসা, বা বাইরে প্রশংসা হলেও ভেতরে নিন্দা প্রকাশ করার অলংকার হলো ব্যাজস্তুতি ।
এখানে 'ব্যাজ' মানে ছল এবং 'স্তুতি' মানে প্রশংসা।
যেমন: "অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ..."—এখানে আপাতনিন্দার আড়ালে মূলত প্রশংসা করা হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
কারণ ও কার্যের স্থান ভিন্ন হলে অসঙ্গতি অলংকার হয় ।
- কারণ (মেঘ উদয়): হৃদয়ে ।
- কার্য (বারি ঝরা): নয়নে ।
কারণ একস্থানে অথচ কার্য অন্যস্থানে ঘটায় এটি অসঙ্গতি অলংকার ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
অচেতন বা জড় বস্তুতে মানুষের মতো চেতনধর্ম বা মানবিক আচরণের আরোপ করা হলে সমাসোক্তি অলংকার হয়।
চরণটিতে 'পর্বত' একটি নিশ্চল জড় বস্তু। কিন্তু পর্বত বৈশাখের মেঘের মতো নিরুদ্দেশ হতে 'চাহিল' বা ইচ্ছা প্রকাশ করল বলায় জড় বস্তুতে চেতনার আরোপ ঘটেছে । তাই এটি সমাসোক্তি অলংকার।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন কাব্যে উপমেয়কে বিলুপ্ত করে কেবল উপমানের উল্লেখের মাধ্যমে রূপায়ন ঘটানো হয়, তখন তাকে অতিশয়োক্তি অলংকার বলে ।
- এখানে আসল বস্তুটি (উপমেয়) না বলে যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে (উপমান) শুধু সেটি প্রকাশ পায় ।
- উদাহরণ: 'মেঘের কোলে সূর্য হেসেছে' (এখানে মূল বিষয় 'রোদ' উপমেয়টি লুপ্ত) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
উপমেয় ও উপমানের মধ্যে প্রবল সাদৃশ্য থাকার কারণে যখন উপমেয়কে উপমান বলে সংশয় বা সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়, তাকে উৎপ্রেক্ষা অলংকার বলে।
যেমন: 'আঙ্গুল যেন চাঁদের কর'। এখানে উপমেয়ে উপমানের সম্ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
উপমেয়ের সাথে উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে রূপক অলংকার হয় । এখানে উপমেয় (যাকে তুলনা করা হয়) এবং উপমানের (যার সাথে তুলনা করা হয়) মধ্যে কোনো পার্থক্য না রেখে দুটিকে এক ও অভিন্ন মনে করা হয় ।
যেমন: 'জীবন-সিন্ধু'—এখানে 'জীবন' হলো উপমেয় এবং 'সিন্ধু' হলো উপমান, যাদের অভেদ কল্পনা করা হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি পূর্ণাঙ্গ উপমা অলংকারের ৪টি অঙ্গ বা উপাদান থাকে :
- উপমেয়: যাকে তুলনা করা হয়।
- উপমান: যার সাথে তুলনা করা হয়।
- সাধারণ ধর্ম: যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তুলনা করা হয়।
- সাদৃশ্যবাচক শব্দ: তুলনাবাচক শব্দ (যেমন: মত, ন্যায়)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যে একটি শব্দ একবারমাত্র ব্যবহৃত হয়ে একাধিক ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শ্লেষ অলংকার বলে ।
যেমন: "কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত রসগ্রাহী নয়?"—এখানে 'ঈশ্বর গুপ্ত' শব্দে ঈশ্বর ও কবি দুজনকে বোঝায় ।
- যমক: শব্দ বারবার বসে ভিন্ন অর্থ দেয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কাব্যতত্ত্ব অনুযায়ী সাহিত্যের অলংকারকে প্রধানত ২টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
- শব্দালংকার: শব্দের ধ্বনি মাধুর্য ও বাহ্যিক সৌন্দর্য সৃষ্টির মাধ্যমে কাব্য সুন্দর হলে তাকে শব্দালংকার বলে (যেমন- অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ)।
- অর্থালংকার: শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ ও ভাবকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে অলংকৃত করা হলে তাকে অর্থালংকার বলে (যেমন- উপমা, রূপক, উৎপ্রেক্ষা)।
সুতরাং, শব্দ ও অর্থের বৈচিত্র্যের ওপর ভিত্তি করে অলংকার প্রধানত দুই প্রকার।
সোর্স: অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কাব্যের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য যে অলংকার শব্দের ধ্বনি বা উচ্চারণের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, তাকে শব্দালংকার বলে। শব্দালংকারে শব্দের পরিবর্তন করলে অলংকার নষ্ট হয়ে যায়।
অলংকার প্রধানত দুই প্রকার:
- শব্দালংকার: যা শব্দের ধ্বনিরূপ বা বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে (যেমন- অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ)।
- অর্থালংকার: যা বাক্যের ভেতরের অর্থকে সুন্দর ও গভীর করে (যেমন- উপমা, রূপক)।
শব্দের শ্রুতিমাধুর্য ও ধ্বনিঝংকার সৃষ্টি করাই শব্দালংকারের মূল কাজ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ছন্দের রীতিতে পয়ার হলো একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও জনপ্রিয় ছন্দ। পয়ার ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- এর প্রতি চরণে মোট ১৪টি অক্ষর বা মাত্রা থাকে।
- প্রতিটি চরণ দুটি পর্বে বিভক্ত থাকে; প্রথম পর্বে ৮টি অক্ষর এবং দ্বিতীয় পর্বে ৬টি অক্ষর (৮+৬ = ১৪)।
- চরণ দুটির শেষে অন্ত্যমিল থাকে।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে যেমন মঙ্গলকাব্য ও রামায়ণে এই ছন্দের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা কবিতায় ব্যবহৃত অন্যতম প্রধান ছন্দ হলো অক্ষরবৃত্ত ছন্দ। একে যৌগিক ছন্দ বা তানপ্রধান ছন্দও বলা হয়।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
- এই ছন্দের পাঠের লয় ধীর।
- এর মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা সাধারণত ৮ বা ১০ মাত্রা হয়।
- মুক্তাক্ষর সর্বদা ১ মাত্রা এবং যুক্তাক্ষর শব্দের শেষে থাকলে ২ মাত্রা ধরা হয়।
তাই যে ছন্দের লয় ধীর এবং মূল পর্ব ৮ বা ১০ মাত্রার, তা হলো অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।