সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ

৩৮৬ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'আন চাহন্তে আন বিনঠা' চর্যাপদের একটি অন্যতম প্রবাদ বাক্য। এর অর্থ হলো 'একটি চাইতে গিয়ে অন্যটি বিনষ্ট হওয়া'।
- চর্যাপদে সর্বমোট ৬টি প্রবাদ বাক্য রয়েছে।
- চর্যাপদের কবিগণ তত্ত্বকথা ও সাধনার রহস্য সহজভাবে বোঝাতে প্রবাদের ব্যবহার করতেন।
- পদকর্তা কুক্কুরীপা চর্যাপদের অন্যতম নারী কবি। তিনি তাঁর পদে এই প্রবাদের মাধ্যমে গুহ্য সাধনতত্ত্ব তুলে ধরেছেন।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্যার জর্জ গ্রিয়ার্সন ও ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, প্রাচীন পূর্ব-ভারতের মাগধী প্রাকৃত পরিবর্তিত হয়ে মাগধী অপভ্রংশ রূপ নেয়। আর এই মাগধী অপভ্রংশ থেকেই বাংলা ভাষার জন্ম।
- মূল রূপ: মাগধী অপভ্রংশ।
- সময়কাল: আনুমানিক ৭ম শতক।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে যুগ সন্ধিক্ষণ বা অবক্ষয় যুগ বলা হয় ।
১৭৬০ সালে মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর মাধ্যমে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে । অন্যদিকে ১৮৬০ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের আগমনের মাধ্যমে সাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হয় । এই মধ্যবর্তী ১০০ বছর মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকাল বা সন্ধিক্ষণ নির্দেশ করে ।
- এই যুগের প্রধান কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকে কালক্রমে বাংলা লিপির উৎপত্তি হয়েছে। পাল রাজবংশের শাসনকালে (৮ম-১১শ শতক) বাংলা লিপি ও অক্ষরের প্রধান গঠনকার্য শুরু হয়। পরবর্তীতে সেন আমলে এটি আরও স্থায়ী রূপ লাভ করে। তাই পাল আমলকেই বাংলা লিপির গঠনকার্যের সূচনাকাল ধরা হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রাচীন ভারতের ব্রাহ্মী লিপি কালক্রমে কয়েকটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- এর পূর্বাঞ্চলীয় শাখাটি কুটিল লিপি নামে পরিচিত।
- এই কুটিল লিপি থেকেই মূলত বাংলা লিপির উদ্ভব ঘটেছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদসহ চারটি পুঁথি আবিষ্কার করেন । পুঁথিগুলো হলো- চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, ডাকার্ণব, সরহপাদের দোহা ও কৃষ্ণপাদের দোহা । ১৯১৬ সালে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তাঁর সম্পাদনায় এগুলো একত্রে 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয় । ফলে সঠিক উত্তর অপশন ২ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৬৩ সালে শশিভূষণ দাশগুপ্ত নেপাল ও তরাইভূমি থেকে ২৫০টি পদ সংগ্রহ করেন ।
- পরবর্তীতে ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৮৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৯৮টি পদ সংকলন করে 'নবচর্যাপদ' গ্রন্থটি সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন ।
- এই গ্রন্থে সংকলিত পদগুলোর রচনাকাল ১২০০ থেকে ১৬০০ শতকের মধ্যে ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে তাঁর বিখ্যাত 'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL) গ্রন্থে চর্যাপদের ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বৈজ্ঞানিক উপায়ে বিশ্লেষণ করেন ।
- এই ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার মাধ্যমেই তিনি প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা ।
- ফলে চর্যাপদ বাংলা ভাষার সর্বজনস্বীকৃত প্রাচীনতম ও প্রামাণ্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে পণ্ডিতগণ প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করেছেন ।
প্রাচীন যুগের সময়সীমা নিয়ে প্রখ্যাত ভাষাবিদদের মতামত নিচে দেওয়া হলো :
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীন যুগের সময়সীমা ৬৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে প্রাচীন যুগের সময়সীমা ৯৫০–১২০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অপশন ২ ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ চার বেদের মধ্যে ঋগ্বেদ হলো সবচেয়ে প্রাচীন । প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যেই প্রথম 'বঙ্গ' অঞ্চলের উল্লেখ পাওয়া যায় ।
- ঋগ্বেদে এবং পরবর্তীতে ঋগ্বেদের অন্যতম শাখাগ্রন্থ ঐতরেয় আরণ্যক-এ 'বঙ্গ' শব্দটি জনপদ হিসেবে প্রথম ব্যবহৃত হয় ।
- এই বৈদিক সাহিত্যিক প্রমাণ থেকে প্রাচীন বাংলার ভৌগোলিক অস্তিত্ব ও অধিবাসীদের পরিচয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগ । ১৭৬০ সালে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর পর মধ্যযুগ শেষ হয় এবং ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গদ্যের সূচনা হয়ে ১৮০১ সাল থেকে আধুনিক যুগ শুরু হয় [1-3]। তাই বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সময়সীমা ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত । তবে সাহিত্যে প্রকৃত আধুনিকতা আসে ১৮৬০-১৮৬১ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের হাত ধরে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে যুগসন্ধিক্ষণ বা অবক্ষয় যুগ বলা হয় । ১৭৬০ সালে মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর মাধ্যমে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে । এরপর ১৮৬০ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের আগমনের মাধ্যমে আধুনিক যুগের পূর্ণ বিকাশ ঘটে । মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের অন্তর্বর্তী এই ১০০ বছর সাহিত্যে বন্ধ্যা কাল চলছিল । পুরনো ও নতুন ধারার এই মিলনকালই হলো যুগসন্ধিক্ষণ । এই যুগের প্রধান কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত 'ODBL' গ্রন্থে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে বিভিন্ন যুগে ভাগ করেছেন ।
তিনি মধ্যযুগকে মূলত দুটি পর্বে বিভক্ত করেন:
- আদি মধ্যযুগ বা প্রাক্চৈতন্য যুগ: ১৩০০-১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
- অন্ত্য মধ্যযুগ বা চৈতন্যোত্তর যুগ: ১৫০০-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ ।
১৩০০-১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ সময়কালটি শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পূর্ববর্তী সময় হওয়ায় ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একে 'আদি মধ্যযুগ বা প্রাক্চৈতন্য যুগ' হিসেবে অভিহিত করেছেন ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কুটিল লিপি (Kutila Script) ছিল প্রায় ৯ম-১০ম শতকে প্রচলিত পূর্ব ভারতের একটি লিপি।
- এটি মূলত ব্রাহ্মী লিপির পরিণত রূপ। এটি সাধারণত খড়চিহ্নের মতো বাঁকা-বাঁকা রেখা দিয়ে লেখা হতো।
- কুটিল লিপি থেকে আঞ্চলিক লিপি যেমন বাঙালি, অসমীয়া, ও ওড়িয়া লিপি ধীরে ধীরে বিকশিত হয়।
- তাই বলা যায়, দশম শতকের কুটিল লিপি থেকেই সরাসরি আধুনিক বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে।

• উদাহরণ: প্রযোজ্য নয়

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ব্রাহ্মী লিপি: এটি ভারতীয় লিপিমালার আদি উৎস, তবে সরাসরি আধুনিক বাংলা লিপির জন্ম দশম শতকের কুটিল রূপ থেকে।
- খরোষ্ঠী লিপি: প্রাচীন ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিম (বর্তমান পাকিস্তান/আফগানিস্তান) অঞ্চলে ব্যবহৃত লিপি।
- দেবনাগরী লিপি: প্রধানত উত্তর ভারতে হিন্দি, নেপালি, সংস্কৃত ইত্যাদি ভাষা লেখার জন্য ব্যবহৃত লিপি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর গবেষণাগ্রন্থ 'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL)-এ চর্যাপদের ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিশ্লেষণ করেন । এই আলোচনার মাধ্যমে তিনি প্রথম প্রমাণ করেন যে চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ।

- গ্রন্থের নাম: ODBL (১৯২৬)
- গবেষক: ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- অবদান: চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৮৮২ সালে পণ্ডিত রাজেন্দ্রলাল মিত্র তাঁর 'Sanskrit Buddhist Literature in Nepal' গ্রন্থে নেপালে প্রাপ্ত বৌদ্ধ সাহিত্যের বিবরণ প্রকাশ করেন । এই গ্রন্থের মাধ্যমেই প্রথম চর্যাপদের অস্তিত্বের কথা জানা যায় । পরবর্তীতে ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে মূল পুঁথিটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা । তিনি মোট ১৩টি পদ রচনা করেন (যার মধ্যে ২৪ নম্বর পদটি পাওয়া যায়নি) । চর্যাপদের অন্যান্য পদকর্তাদের মধ্যে ভুসুকুপা ৮টি, সরহপা ৪টি, কুক্কুরীপা ৩টি এবং আদি কবি লুইপা ও শবরপা ২টি করে পদ রচনা করেছেন । চর্যাপদের কবিদের নামের শেষে সম্মানসূচক 'পা' যুক্ত রয়েছে । তাই সঠিক উত্তর কাহ্নপা।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহামহোপাধ্যায় ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে নেপালের রাজদরবারের 'রয়েল লাইব্রেরি' থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুঁথি সংগ্রহের জন্য তিনবার (১৮৯৭, ১৮৯৮ ও ১৯০৭ সালে) নেপালে যান এবং ৩য় বার সফল হন।
- চর্যাপদের সাথে তিনি 'ডাকার্ণব', 'সরহপাদের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা' পুঁথিও আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তাঁর সম্পাদনায় এগুলো প্রকাশিত হয়।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত ৩টি যুগে ভাগ করা হয় । ঐতিহাসিক ঘটনা ও সামাজিক পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে এই যুগবিভাগ করা হয়েছে । যুগগুলো হলো:
- প্রাচীন যুগ: ৬৫০/৯৫০ থেকে ১২০০ সাল পর্যন্ত ।
- মধ্যযুগ: ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত (১২০৪ সালে তুর্কি বিজয়ের পর শুরু) ।
- আধুনিক যুগ: ১৮০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত (১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকে সূচনা) ।
১৮০০ সালের পর ইংরেজি শিক্ষা ও বাংলা গদ্যের বিকাশের মাধ্যমে আধুনিক যুগের সূচনা হয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন ।
- পটভূমি: ১২০৪ সালে তুর্কি আক্রমণের সময় বৌদ্ধ পণ্ডিতগণ প্রাণের ভয়ে পুঁথিপত্র নিয়ে নেপালে পালিয়ে যান ।
- আবিষ্কারক: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তৃতীয়বার চেষ্টা চালিয়ে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন ।
- প্রকাশনা: ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'নবচর্যাপদ' হলো চর্যাপদের পরবর্তী সময়ে আবিষ্কৃত একটি নতুন পুঁথি।
- ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত নেপাল থেকে এটি সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন।
- এটি ১৯৬৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।
- অন্যদিকে, মূল চর্যাপদ সংগ্রহ করেছিলেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের মূল পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
- তিনি চর্যাপদের সাথে সরহপাদ ও কৃষ্ণাচার্যের দোহা এবং ডাকার্ণব নামক আরও তিনটি পুঁথি সম্পাদনা করেন।
- এই চারটি পুঁথি একত্রে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।
- এটি ১৩২৩ বঙ্গাব্দে (১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
- এর বিষয়বস্তু হলো বৌদ্ধ ধর্মমতের সাধন ভজনের তত্ত্বপ্রকাশ।
- এর কবিরা ছিলেন সহজঘানী বৌদ্ধ।
- প্রাচীন বাংলা ভাষার চর্যাপদের মোট ৫০ টি পদের ২৩ জন কবির নাম পাওয়া যায়।
- চর্যাপদে আরও একজন পদকর্তার নাম আছে, কিন্তু তার পদটি নেই। সেটি ধরলে চর্যার পদ সংখ্যা ৫১ এবং কবি ২৪ জন।
- তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম আছে।
- আর সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থে ২৪ জন কবির কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেনঃ
» কাহ্নপা - ১৩টি
» ধর্মপা - ১টি
» ঢেণ্ডণপা - ১টি
» ডোম্বিপা - ১টি
» জয়নন্দীপা - ১টি
» কঙ্কণপা - ১টি
» কম্বলাম্বরপ - ১টি
» তাড়কপা - ১টি
» তন্ত্রীপা - ১টি
» বীণাপা - ১টি
» বুরুপা - ১টি
» কুক্কুরীপা - ৩টি
» মহীধরপা - ১টি
» শবরপা - ২টি
» শান্তিপা - ২টি
» আর্যদেবপা ১টি
» ভুসুকুপা - ৮টি
» ভাদেপা - ১টি
» লুইপা- ২ টি
» দারিকাপা - ১টি
» শরহপা - ৪টি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথমবার নেপাল ভ্রমণ করেন ১৮৯৭ সালে।
- এই ভ্রমণের উদ্দেশ্য ছিল বৌদ্ধ লোকাচার ও ধর্মীয় পুঁথি সংগ্রহ।
- তিনি নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগারে বিভিন্ন প্রাচীন পুঁথি অনুসন্ধান করেন।
- যদিও চর্যাপদ আবিষ্কার করেন ১৯০৭ সালে, তার আগেই তিনি নেপালে গিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছিলেন।
- ১৮৯৭ সালে তার প্রথম নেপাল ভ্রমণ ছিল বৌদ্ধ ধর্মীয় পুঁথি ও লোকাচার সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে "চর্যাচর্যবিনিশ্চয়" নামক পুঁথি আবিষ্কার করেন।
- এই পুঁথির সঙ্গে আরও দুটি গ্রন্থ পাওয়া যায়, সেগুলো হলো "ডাকার্ণব" এবং "দোহাকোষ"।
- এই তিনটি গ্রন্থ একত্রে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে "হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা" নামে প্রকাশিত হয়।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
- এর বিষয়বস্তু হলো বৌদ্ধ ধর্মমতের সাধন ভজনের তত্ত্বপ্রকাশ।
- এর কবিরা ছিলেন সহজঘানী বৌদ্ধ।
- প্রাচীন বাংলা ভাষার চর্যাপদের মোট ৫০ টি পদের ২৩ জন কবির নাম পাওয়া যায়।
- চর্যাপদে আরও একজন পদকর্তার নাম আছে, কিন্তু তার পদটি নেই। সেটি ধরলে চর্যার পদ সংখ্যা ৫১ এবং কবি ২৪ জন।
- তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম আছে।
- আর সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থে ২৪ জন কবির কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেনঃ
» কাহ্নপা - ১৩টি
» ধর্মপা - ১টি
» ঢেণ্ডণপা - ১টি
» ডোম্বিপা - ১টি
» জয়নন্দীপা - ১টি
» কঙ্কণপা - ১টি
» কম্বলাম্বরপ - ১টি
» তাড়কপা - ১টি
» তন্ত্রীপা - ১টি
» বীণাপা - ১টি
» বুরুপা - ১টি
» কুক্কুরীপা - ৩টি
» মহীধরপা - ১টি
» শবরপা - ২টি
» শান্তিপা - ২টি
» আর্যদেবপা ১টি
» ভুসুকুপা - ৮টি
» ভাদেপা - ১টি
» লুইপা- ২ টি
» দারিকাপা - ১টি
» শরহপা - ৪টি
প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের যুগকে প্রধান তিনটি পর্বে ভাগ করা যায়ঃ

- প্রাচীন যুগ (৬৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ)
- মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ)
- আধুনিক যুগ (১৮০১- বর্তমান), অর্থাৎ ১৯শতক থেকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক পর্ব শুরু হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন 'চর্যাপদ' গানের সংকলন বা সাধন সংগীত, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন।
- তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব, ‘সরহপাদের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা' গ্রন্থের সম্মিলনে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়।
- এতে পদসংখ্যা ৫১টি এবং পদকর্তা ২৪ জন।
- প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা।
- চর্যাপদের সর্বোচ্চ ১৩টি পদের রচয়িতা কাহ্নপা।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম আছে।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (১ম খণ্ড) গ্রন্থে ২৪ জন কবির নাম পাওয়া গেছে। 
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন 'চর্যাপদ' গানের সংকলন বা সাধন সংগীত, যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন।
- তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে 'চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব, 'সরহপাদের দোহা' ও 'কৃষ্ণপাদের দোহা' গ্রন্থের সম্মিলনে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশিত হয়। 
- প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা।
- চর্যাপদের সর্বোচ্চ ১৩টি পদের রচয়িতা কাহ্নপা।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।