গিরিশচন্দ্র ঘোষ ছিলেন একজন বিশিষ্ট নাট্যকার, নাট্যপরিচালক এবং মঞ্চাভিনেতা। গিরিশচন্দ্র ঘোষের পৌরাণিক, ঐতিহাসিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে রচিত তাঁর নাটকের সংখ্যা মোট ৮০। সেগুলির মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো:
- শরৎচন্দ্র বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী। তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় পল্লীর জীবন ও সমাজ। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,(১৮৭৬-১৯৩৮) কথাশিল্পী। ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। - তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক পান। এছাড়াও, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে 'ডিলিট' উপাধি পান ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে। - শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যজগতে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। - এরপর তিনি একে একে বিন্দুর ছেলে ও অন্যান্য (১৯১৪), পরিণীতা (১৯১৪), বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), নিষ্কৃতি (১৯১৭), শ্রীকান্ত (৪ খন্ড, ১৯১৭-৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), দেনা-পাওনা (১৯২৩), পথের দাবী (১৯২৬), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি গল্প-উপন্যাস এবং নারীর মূল্য (১৯২৩), স্বদেশ ও সাহিত্য (১৯৩২) প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেন। - এগুলির মধ্যে শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, দেনা-পাওনা এবং পথের দাবী খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করে। - তাঁর পথের দাবী উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে। - শরৎচন্দ্রের মৃত্যুর পর শরৎচন্দ্র ও ছাত্রসমাজ, ছেলেবেলার গল্প, শুভদা (১৯৩৮), শেষের পরিচয় (১৯৩৯), শরৎচন্দ্রের গ্রন্থাবলী (১৯৪৮) এবং শরৎচন্দ্রের অপ্রকাশিত রচনাবলী (১৯৫১) প্রকাশিত হয়। - ১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
'সাত ভাই চম্পা' কাব্যনাট্যটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত একটি বাংলা লোককাহিনীভিত্তিক নাটক যা লেখা হয়েছে সিকান্দার আবু জাফরের দ্বারা। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য কাজ, যেখানে একটি লোককাহিনীকে নাটকের মাধ্যেরসে রূপায়ণ করা হয়েছে।
- ‘সাত ভাই চম্পা’ মূলত একটি প্রবাদপ্রতিম বাংলা লোককাহিনী যা বহু প্রজন্ম ধরে প্রচলিত ছিল। - সিকান্দার আবু জাফর এই লোককাহিনীর উপরে আধুনিক নাট্যরচনার মাধ্যমে জীবন্ত করেছিলেন। - কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, কিন্তু 'সাত ভাই চম্পা' নাটকটি সিকান্দার আবু জাফরের লেখা। - এই নাটকটি বাংলার ছোটগল্প ও লোকসাহিত্যের সম্পদকে নাট্যরূপে উপলব্ধি করানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং, 'সাত ভাই চম্পা' কাব্যনাট্যটির স্রষ্টা হলেন সিকান্দার আবু জাফর।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুহেলিকা' উপন্যাসটি ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় প্রকাশ আরম্ভ হয়। - এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে। কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর। - এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, 'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'
- মোহিতলাল মজুমদারের “আধুনিক বাংলা সাহিত্য” একটি প্রবন্ধধর্মী রচনা। - কবি, প্রাবন্ধিক, সাহিত্যসমালোচক। পেশায় তিনি একজন অধ্যাপক ছিলেন। - তিনি তাঁর সমালোচনামূলক প্রবন্ধগুলিতে ‘কৃত্তিবাস ওঝা’, ‘সব্যসাচী’, ‘শ্রী সত্যসুন্দর দাস’ ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
• শিশুতোষ সাহিত্যে 'আবোল তাবোল' গ্রন্থটি রচনা করেন - সুকুমার রায়।
সুকুমার রায়: - তিনি ১৮৮৭ সালের ৩০শে অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার মাসুয়া গ্রামে। - তিনি মূলত শিশুসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। - তিনি অনুপম ভাষায় গল্প, নাটক, কবিতা ও প্রবন্ধ লিখে শিশুদের মন জয় করতেন। - তাঁর পিতার নাম উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং তাঁর ছেলের নাম সত্যজিৎ রায়।
তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ: - আবোল তাবোল - হ-য-ব-র-ল - পাগলা দাশু - বহুরূপী - খাই খাই ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'কবি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম হলো নিতাই বা নিতাইচরণ। - নিতাই একজন কবিয়াল, যে গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে কবিতা ও গান রচনা করে এবং গেয়ে শোনায়। - এই উপন্যাসে নিতাইয়ের জীবনের উত্থান-পতন, তার প্রেম এবং শিল্পীসত্তার দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। - বসন বা ঠাকুরঝি উপন্যাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র, যার প্রতি নিতাই গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিল।
শওকত আলী এক কালজয়ী কথাশিল্পী শওকত আলী (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ - মৃত্যু: ২৫ জানুয়ারি ২০১৮) ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তিনি তাঁর লেখনীতে সমকালীন সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামকে সার্থকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর রচনাশৈলী এবং বিষয়বস্তুর গভীরতা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র স্থান দিয়েছে।
জন্ম ও পারিবারিক জীবন: শওকত আলীর জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরে। দেশভাগের পর ১৯৫২ সালে তাঁর পরিবার পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশ) দিনাজপুরে চলে আসে। তাঁর বাবার নাম খোরশেদ আলী সরকার এবং মায়ের নাম সালেমা খাতুন।
শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবন: শওকত আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন এবং ঢাকার জগন্নাথ কলেজে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা শেষে সরকারি সঙ্গীত কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
কথাসাহিত্যিক শওকত আলী রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: - ওয়ারিশ, - প্রদোষে প্রাকৃতজন, - দক্ষিণায়নের দিন, - পিঙ্গল আকাশ, - কুলায় কালস্রোত, - যাত্রা (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস), - পূর্বরাত্রি পূর্বদিন, - যেতে চাই, - বাসর মধুচন্দ্রিমা, - উত্তরের ক্ষেপ, - দলিল, - হিসাবনিকাশ।
সৈয়দ শামসুল হক: - তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি মূলত 'সব্যসাচী' লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত। - তাঁর লেখা জনপ্রিয় গান ‘হায়রে মানুষ রঙীন ফানুস’। - তাঁর জীবনের প্রথম মঞ্চনাটক- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’। - তিনি ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর রচিত কাব্যনাট্য: - নূরলদীনের সারাজীবন, - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, - এখানে এখন।
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ: - তাস, - শীত বিকেল, - আনন্দের মৃত্যু, - প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান, - জলেশ্বরীর গল্পগুলো।
- শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী। তার প্রকৃত নাম ছিল আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লা। - ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় শহীদুল্লার সাংবাদিক জীবন শুরু হয়। - ১৯৫৮ সালে তিনি সংবাদ পত্রিকায় সহযোগী সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন। - তিনি ১৯৬৯ সালে উপন্যাসে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে সাংবাদিকতায় মরণোত্তর একুশে পদক এবং সাহিত্যে ১৯৯৮ সালে গল্পে অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। - শহীদুল্লা কায়সারের সমুদ্র উপকূলবর্তী জনপদের চিত্র নিয়ে রচিত সামাজিক উপন্যাস 'সারেং বৌ' (১৯৬২)।
তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাসঃ - সংশপ্তক (১৯৬৫), - সারেং বউ (১৯৬২)।
হেলাল হাফিজ জন্ম: ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনা জেলার বড়তলী গ্রামে। মৃত্যু: ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর। শিক্ষাজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলা বিভাগ)।
কর্মজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ১৯৭২ সালে তিনি তৎকালীন জাতীয় সংবাদপত্র দৈনিক পূর্বদেশে সাংবাদিকতায় যোগদান করেন। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দৈনিক পূর্বদেশের সাহিত্য সম্পাদক। ১৯৭৬ সালের শেষ দিকে তিনি দৈনিক দেশ পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদে যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক যুগান্তরের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কাব্যগ্রন্থ: যে জলে আগুন জ্বলে (১৯৮৬) কবিতা ৭১ (বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায়, একুশে বইমেলা ২০১২) বেদনাকে বলেছি কেঁদোনা (২০১৯) যে জলে আগুন জ্বলে(১৯৮৬): এটি প্রথম প্রকাশিত কাব্য। এ গ্রন্থে মোট ৫৬টি কবিতা আছে। এ কাব্যের বিখ্যাত কবিতা 'নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়'। কবিতাটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে রচিত। এ কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি- 'এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।'
সম্মাননা: ২০১৩ সালে 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার' ও ২০২৫ সালে 'একুশে পদক' (মরণোত্তর) পান।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত মনোসমীক্ষামুলক উপন্যাস -কাঁদো নদী কাঁদো । তার রচিত আরও দুটো বিখ্যাত উপন্যাস - লালসালু ও চাঁদের অমাবস্যা । - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। তিনি চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন তার উপন্যাসগুলো হলো : - লালসালু - চাঁদের অমাবস্যা - কাঁদো নদী কাঁদো
তার নাটকগুলো হলো : - বহিপীর - তরঙ্গভঙ্গ - উজানে মৃত্যু - সুড়ঙ্গ
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ হলোঃ - সাতনরী হার, - আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি, - সহিষ্ণু প্রতীক্ষা, আমার সময়, - কখনো রং কখনো সুর, - কমলের চোখ, - নির্বাচিত কবিতা, - আমার সকল কথা ইত্যাদি।
রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তরে' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমান রচিত। এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দী শিবির থেকে' এর অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা, যেখানে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা গভীরভাবে ব্যক্ত হয়েছে। - এই কাব্যগ্রন্থের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে: তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা, স্বাধীনতা তুমি, এবং রক্তাক্ত প্রান্তরে।
- উল্লেখ্য- "রক্তাক্ত প্রান্তর" মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
‘ময়নামতির চর’ বন্দে আলী মিয়ার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ। তাঁর অন্যান্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছেতঃ - অনুরাগ, - পদ্মানদীর চর, - মধুমতীর চর, - ধরিত্রী প্রভৃতি।
• অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত উপন্যাস ‘তিতাস একটি নদীর নাম' (১৯৫৬)। • এটি ১৯৪৫ সালে প্রথমে ‘মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। • কয়েকটি অধ্যায় মুদ্রিত হওয়ার পর এ গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি হারিয়ে যায়। পরে বন্ধুবান্ধব ও পাঠকদের আগ্রহের কারণে পুনরায় কাহিনীটি লেখেন। • লেখকের মৃত্যুর পর ১৯৫৬ সালে এটি ৪ খণ্ডে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়। • ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত তিতাস নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের দরিদ্র, শ্রমজীবী ‘মালো’ সম্প্রদায়ের আশা-নিরাশা, আনন্দ-বেদনা, শ্রম-বিশ্রাম, সংকীর্ণতা ও ঔদার্যকে লেখক এ উপন্যাসে শিল্পরূপ দিয়েছেন। • এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র রক্তমাংসময় কোনো ব্যক্তি নয়, তিতাস নদী। কিশোর, কিশোরের স্ত্রী, সুবল, বাসন্তী প্রভৃতি চরিত্রগুলো তিতাসকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। • ১৯৬৩ সালে উৎপল দত্ত উপন্যাসটির নাট্যরূপ দেন। • ঋত্বিক ঘটক ১৯৭৩ সালে এ উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
তার অন্যন্যা রচিত উপন্যাসঃ - সাদা হাওয়া, - রাঙ্গামাটি, - জীবনতৃষা ইত্যাদি।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক ‘কবর’ (১৯৬৬)। - মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার কারণে ১৯৫২-৫৪ সাল পর্যন্ত কারাভোগ করেন। - বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশিয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন।
তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক: ‘রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২), 'মানুষ' (১৯৪৭), 'নষ্ট ছেলে' (১৯৫০), ‘দণ্ডকারণ্য’ (১৯৬৬), ‘রাজার জন্মদিন' (১৯৪৬), 'চিঠি'।
বিশিষ্ঠ গ্রন্থকার আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ী। এটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র- জয়গুন, মায়মুন, ঙ্করিম বক্স, জোবেদ ফকির, আঞ্জুমান, গদু প্রধান। এই উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭৯ সালে 'সূর্য দীঘল বাড়ি' নামে চলচ্চিত্র মুক্তি পায়।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন। - তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম। - তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস 'চৈতালি ঘূর্ণি'। - তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী্র প্রকৃত নাম "শরৎনাথ ভট্টাচার্য"। - শৈশবে হর/শিবের প্রসাদে জটিল রোগ থেকে সেরে উঠায় তার নাম বদলে রাখা হয় হরপ্রসাদ। - তিনি একাধারে পন্ডিত, সাহত্যিক ও শিক্ষাবিদ। - চর্যাপদের আবিষ্কারক হিসেবে তিনি সুপরিতিত। তাঁর গ্রন্থের মধ্যে তৈল, বাল্মীকির জয়, মেঘদূত ব্যাখ্যা উল্লেখযোগ্য। তার অন্যান্য গ্রন্থঃ - বাঙ্গালা ব্যাকরণ, - মেঘদূত ব্যাখ্যা, - বাল্মীকির জয়, - প্রাচীন বাংলার গৌরব, - সচিত্র রামায়ন ইত্যাদি।
দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে রচনা করেন নীল দর্পণ নাটক। এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রাথমিক আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক নাটক। দীনবন্ধু মিত্র সাতটি নাটক ও প্রহসন লিখেছিলেন। তাঁর গভীর রসের নাটক হলঃ - নীলদর্পণ'(১৮৬০), - 'নবীন তপস্বিনী'(১৮৬৩), - 'কমলে কামিনী'।
আর চারটি প্রহসন হল - 'বিয়ে পাগলা বুড়ো', - 'সধবার একাদশী' - 'লীলাবতী, - 'জামাই বারিক ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- ১৯৫৭ সালে 'দৈনিক মর্নিং নিউজ' এ সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। - তার রচিত কাব্যগ্রন্থ-প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,রৌদ্র করোটিতে,বিধ্বস্ত নীলিমা ইত্যাদি। - শামসুর রাহমানের কবিতাগুলো হলোঃ তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা, স্বাধীনতা তুমি, মধুস্মৃতি, রক্তাক্ত প্রান্তর ইত্যাদি । - প্রতিটি কবিতায় স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে । - ১৯৭১ সালে শহীদদের উদ্দেশ্য এই গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে । - 'মৈনাক' ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন শামসুর রহমান। - এছাড়াও তিনি যুদ্ধকালে 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামেও কবিতা লিখেছিলেন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।