'তেত্রিশ নম্বর তৈলচিত্র' (১৯৬০) উপন্যাসটি কথাসাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণমূলক উপন্যাস ।
মূল বিষয় ও তথ্য:
- এতে মাতৃত্বের গভীর ও আবেগী প্রকাশ এবং পারিবারিক জীবনের আকুতি ফুটে উঠেছে ।
- এর কাহিনি অবলম্বনে সুভাষ দত্ত 'বসুন্ধরা' চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন, যা ১৯৭৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায় ।
- এটি বুলগেরীয় ভাষায় 'পোত্রে দুবাতসাত থ্রি' নামে অনূদিত হয় ।
‘বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ-এর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ । এটি ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় । তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো 'সাতনরী হার' (১৯৫৫) । তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' (১৯৮১) । এছাড়া তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'কমলের চোখ', 'সহিষ্ণু প্রতীক্ষা' এবং 'আমার সময়' । সুতরাং, সঠিক উত্তর অপশন ২: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ । সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
'ফুড কনফারেন্স' (১৯৪৪) প্রখ্যাত সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক ছোটগল্প সংকলন । - এই গ্রন্থে তৎকালীন সমাজের রাজনৈতিক ভণ্ডামি, দুর্ভিক্ষ ও খাদ্য সংকটকে হাস্যরসের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। - আবুল মনসুর আহমদ বাংলা সাহিত্যে রম্য ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক রচনা রচয়িতা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত । - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'আয়না' ও 'আবে হায়াত' ।
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত কবিতা 'একুশের গান' (আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি)-এর রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী । ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক পটভূমিতে শহীদদের স্মরণে তিনি এই কালজয়ী কবিতাটি রচনা করেন ।
কবিতাটি সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- রচয়িতা: আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ।
- প্রথম সুরকার: আবদুল লতিফ ।
- বর্তমান ও জনপ্রিয় সুরকার: আলতাফ মাহমুদ ।
আবু ইসহাক রচিত 'সূর্য দীঘল বাড়ী' (১৯৫৫) উপন্যাসের প্রধান কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো জয়গুন ।
- এটি মূলত গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, দারিদ্র্য ও পুরুষতান্ত্রিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে জয়গুনের একাকী সংগ্রামের কাহিনী ।
- পঞ্চাশের মন্বন্তর ও দেশভাগের প্রেক্ষাপটে স্বামীপরিত্যক্তা নিঃস্ব জয়গুনের আত্মমর্যাদা নিয়ে টিকে থাকার লড়াই এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ।
- উপন্যাসের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো হাসু, শফি, ময়মুন ও জবেদালী ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
'রাইফেল রোটি আওরাত' আনোয়ার পাশা রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ।
- এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত প্রথম উপন্যাস ।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এটি রচিত হয় ।
- ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর তাণ্ডব ও ধ্বংসযজ্ঞ এতে বর্ণিত হয়েছে ।
- উপন্যাসের মূল চরিত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সুদীপ্ত শাহীন ।
তাই এটি সাহিত্যের উপন্যাস শাখার অন্তর্ভুক্ত ।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক । 'রেইনকোট' তাঁর একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্প । গল্পটি ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত তাঁর শেষ গল্পগ্রন্থ 'জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল'-এ সংকলিত হয় । ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অবরুদ্ধ ঢাকার পটভূমিতে একজন শিক্ষকের দেশপ্রেমের জাগরণ এ গল্পের মূল বিষয়। তাঁর অন্যান্য গল্পগ্রন্থ: - অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬) - দুধেভাতে উৎপাত (১৯৮৩) - খোঁয়ারি (১৯৯৬)
নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন বাংলা নাটকের হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোক উপাদান ও পরিবেশনারীতিকে ভিত্তি করে এক নবতর নাট্যরীতি প্রবর্তন করেন । এই শিল্পরীতিটি দ্বৈতদ্বৈতবাদ (দ্বৈতাদ্বৈতবাদ) নামে পরিচিত । - এই রীতিতে বাস্তব ও কল্পনা, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য এবং জীবন ও শিল্পের দ্বৈত রূপের চমৎকার মেলবন্ধন ঘটে। - এতে পাশ্চাত্য নাট্যকাঠামো ভেঙে বাংলা ঐতিহ্যের কথ্যরীতি, গান ও গল্পবলার ঢংকে নাটকে স্থান দেওয়া হয়েছে । সুতরাং, সেলিম আল দীনের প্রবর্তিত ঐতিহ্যভিত্তিক এই নবতর শিল্পরীতিই হলো দ্বৈতদ্বৈতবাদ। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে মূলত অস্তিত্ববাদ জীবনদর্শনের রূপায়ণ ঘটেছে । অস্তিত্ববাদের মূল কথা হলো— মানুষ নিজের সিদ্ধান্ত ও কাজের জন্য নিজেই দায়ী এবং স্বাধীনভাবে নিজের ভাগ্য গড়ে তোলে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শিক্ষক 'আরেফ আলী' এক রাতে যুবতীর লাশ দেখে মাতব্বরের অপরাধের সত্য জেনে ফেলে । সত্য প্রকাশ বা গোপন রাখার দ্বন্দ্বে তার তীব্র নৈতিক সংকট ও মানসিক যন্ত্রণা ফুটে ওঠে । শেষ পর্যন্ত সে নিজের বিবেকের মুখোমুখি দাঁড়ায় । ব্যক্তির স্বাধীনতা, বিবেক ও নৈতিক সংকটের এই রূপায়ণই হলো অস্তিত্ববাদ । সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
গিরিশচন্দ্র ঘোষ ছিলেন একজন বিশিষ্ট নাট্যকার, নাট্যপরিচালক এবং মঞ্চাভিনেতা। গিরিশচন্দ্র ঘোষের পৌরাণিক, ঐতিহাসিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে রচিত তাঁর নাটকের সংখ্যা মোট ৮০। সেগুলির মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো:
- শরৎচন্দ্র বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী। তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় পল্লীর জীবন ও সমাজ। - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,(১৮৭৬-১৯৩৮) কথাশিল্পী। ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। - তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক পান। এছাড়াও, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে 'ডিলিট' উপাধি পান ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে। - শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যজগতে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। - এরপর তিনি একে একে বিন্দুর ছেলে ও অন্যান্য (১৯১৪), পরিণীতা (১৯১৪), বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), নিষ্কৃতি (১৯১৭), শ্রীকান্ত (৪ খন্ড, ১৯১৭-৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), দেনা-পাওনা (১৯২৩), পথের দাবী (১৯২৬), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি গল্প-উপন্যাস এবং নারীর মূল্য (১৯২৩), স্বদেশ ও সাহিত্য (১৯৩২) প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেন। - এগুলির মধ্যে শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, দেনা-পাওনা এবং পথের দাবী খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করে। - তাঁর পথের দাবী উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে। - শরৎচন্দ্রের মৃত্যুর পর শরৎচন্দ্র ও ছাত্রসমাজ, ছেলেবেলার গল্প, শুভদা (১৯৩৮), শেষের পরিচয় (১৯৩৯), শরৎচন্দ্রের গ্রন্থাবলী (১৯৪৮) এবং শরৎচন্দ্রের অপ্রকাশিত রচনাবলী (১৯৫১) প্রকাশিত হয়। - ১৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
'সাত ভাই চম্পা' কাব্যনাট্যটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত একটি বাংলা লোককাহিনীভিত্তিক নাটক যা লেখা হয়েছে সিকান্দার আবু জাফরের দ্বারা। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য কাজ, যেখানে একটি লোককাহিনীকে নাটকের মাধ্যেরসে রূপায়ণ করা হয়েছে।
- ‘সাত ভাই চম্পা’ মূলত একটি প্রবাদপ্রতিম বাংলা লোককাহিনী যা বহু প্রজন্ম ধরে প্রচলিত ছিল। - সিকান্দার আবু জাফর এই লোককাহিনীর উপরে আধুনিক নাট্যরচনার মাধ্যমে জীবন্ত করেছিলেন। - কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, কিন্তু 'সাত ভাই চম্পা' নাটকটি সিকান্দার আবু জাফরের লেখা। - এই নাটকটি বাংলার ছোটগল্প ও লোকসাহিত্যের সম্পদকে নাট্যরূপে উপলব্ধি করানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং, 'সাত ভাই চম্পা' কাব্যনাট্যটির স্রষ্টা হলেন সিকান্দার আবু জাফর।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুহেলিকা' উপন্যাসটি ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় প্রকাশ আরম্ভ হয়। - এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস। - এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে। কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর। - এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, 'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'
- মোহিতলাল মজুমদারের “আধুনিক বাংলা সাহিত্য” একটি প্রবন্ধধর্মী রচনা। - কবি, প্রাবন্ধিক, সাহিত্যসমালোচক। পেশায় তিনি একজন অধ্যাপক ছিলেন। - তিনি তাঁর সমালোচনামূলক প্রবন্ধগুলিতে ‘কৃত্তিবাস ওঝা’, ‘সব্যসাচী’, ‘শ্রী সত্যসুন্দর দাস’ ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
• শিশুতোষ সাহিত্যে 'আবোল তাবোল' গ্রন্থটি রচনা করেন - সুকুমার রায়।
সুকুমার রায়: - তিনি ১৮৮৭ সালের ৩০শে অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার মাসুয়া গ্রামে। - তিনি মূলত শিশুসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। - তিনি অনুপম ভাষায় গল্প, নাটক, কবিতা ও প্রবন্ধ লিখে শিশুদের মন জয় করতেন। - তাঁর পিতার নাম উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং তাঁর ছেলের নাম সত্যজিৎ রায়।
তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ: - আবোল তাবোল - হ-য-ব-র-ল - পাগলা দাশু - বহুরূপী - খাই খাই ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'কবি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম হলো নিতাই বা নিতাইচরণ। - নিতাই একজন কবিয়াল, যে গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে কবিতা ও গান রচনা করে এবং গেয়ে শোনায়। - এই উপন্যাসে নিতাইয়ের জীবনের উত্থান-পতন, তার প্রেম এবং শিল্পীসত্তার দ্বন্দ্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। - বসন বা ঠাকুরঝি উপন্যাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র, যার প্রতি নিতাই গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিল।
শওকত আলী এক কালজয়ী কথাশিল্পী শওকত আলী (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ - মৃত্যু: ২৫ জানুয়ারি ২০১৮) ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তিনি তাঁর লেখনীতে সমকালীন সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবন সংগ্রামকে সার্থকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর রচনাশৈলী এবং বিষয়বস্তুর গভীরতা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র স্থান দিয়েছে।
জন্ম ও পারিবারিক জীবন: শওকত আলীর জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরে। দেশভাগের পর ১৯৫২ সালে তাঁর পরিবার পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশ) দিনাজপুরে চলে আসে। তাঁর বাবার নাম খোরশেদ আলী সরকার এবং মায়ের নাম সালেমা খাতুন।
শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবন: শওকত আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর তিনি শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন এবং ঢাকার জগন্নাথ কলেজে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা শেষে সরকারি সঙ্গীত কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
কথাসাহিত্যিক শওকত আলী রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: - ওয়ারিশ, - প্রদোষে প্রাকৃতজন, - দক্ষিণায়নের দিন, - পিঙ্গল আকাশ, - কুলায় কালস্রোত, - যাত্রা (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস), - পূর্বরাত্রি পূর্বদিন, - যেতে চাই, - বাসর মধুচন্দ্রিমা, - উত্তরের ক্ষেপ, - দলিল, - হিসাবনিকাশ।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যার রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক। - এর মূল প্রেক্ষাপট হলো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। - এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য: নূরলদীনের সারাজীবন, এখানে এখন। - তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ: তাস, শীত বিকেল, আনন্দের মৃত্যু, প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান, জলেশ্বরীর গল্পগুলো।
- শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী। তার প্রকৃত নাম ছিল আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লা। - ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় শহীদুল্লার সাংবাদিক জীবন শুরু হয়। - ১৯৫৮ সালে তিনি সংবাদ পত্রিকায় সহযোগী সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন। - তিনি ১৯৬৯ সালে উপন্যাসে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে সাংবাদিকতায় মরণোত্তর একুশে পদক এবং সাহিত্যে ১৯৯৮ সালে গল্পে অবদান রাখার জন্য মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। - শহীদুল্লা কায়সারের সমুদ্র উপকূলবর্তী জনপদের চিত্র নিয়ে রচিত সামাজিক উপন্যাস 'সারেং বৌ' (১৯৬২)।
তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাসঃ - সংশপ্তক (১৯৬৫), - সারেং বউ (১৯৬২)।
হেলাল হাফিজ জন্ম: ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনা জেলার বড়তলী গ্রামে। মৃত্যু: ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর। শিক্ষাজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলা বিভাগ)।
কর্মজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ১৯৭২ সালে তিনি তৎকালীন জাতীয় সংবাদপত্র দৈনিক পূর্বদেশে সাংবাদিকতায় যোগদান করেন। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দৈনিক পূর্বদেশের সাহিত্য সম্পাদক। ১৯৭৬ সালের শেষ দিকে তিনি দৈনিক দেশ পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদে যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক যুগান্তরের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কাব্যগ্রন্থ: যে জলে আগুন জ্বলে (১৯৮৬) কবিতা ৭১ (বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায়, একুশে বইমেলা ২০১২) বেদনাকে বলেছি কেঁদোনা (২০১৯) যে জলে আগুন জ্বলে(১৯৮৬): এটি প্রথম প্রকাশিত কাব্য। এ গ্রন্থে মোট ৫৬টি কবিতা আছে। এ কাব্যের বিখ্যাত কবিতা 'নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়'। কবিতাটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে রচিত। এ কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি- 'এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।'
সম্মাননা: ২০১৩ সালে 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার' ও ২০২৫ সালে 'একুশে পদক' (মরণোত্তর) পান।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত মনোসমীক্ষামুলক উপন্যাস -কাঁদো নদী কাঁদো । তার রচিত আরও দুটো বিখ্যাত উপন্যাস - লালসালু ও চাঁদের অমাবস্যা । - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। তিনি চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন তার উপন্যাসগুলো হলো : - লালসালু - চাঁদের অমাবস্যা - কাঁদো নদী কাঁদো
তার নাটকগুলো হলো : - বহিপীর - তরঙ্গভঙ্গ - উজানে মৃত্যু - সুড়ঙ্গ
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ হলোঃ - সাতনরী হার, - আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি, - সহিষ্ণু প্রতীক্ষা, আমার সময়, - কখনো রং কখনো সুর, - কমলের চোখ, - নির্বাচিত কবিতা, - আমার সকল কথা ইত্যাদি।
রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তরে' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমান রচিত। এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দী শিবির থেকে' এর অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা, যেখানে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা গভীরভাবে ব্যক্ত হয়েছে। - এই কাব্যগ্রন্থের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে: তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা, স্বাধীনতা তুমি, এবং রক্তাক্ত প্রান্তরে।
- উল্লেখ্য- "রক্তাক্ত প্রান্তর" মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন) নতুন ২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন ৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন ৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন ৫) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ১৩) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ ৫১ তম স্পেশাল বিসিএস প্রস্তুতি (জেনারেল ও মেডিকেল) ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।