এমন ছেলে আর দেখিনি- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Solution
Correct Answer: Option B
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। অর্থাৎ, ‘কী’ বা ‘কাকে’ দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্ম কারক।
- বাক্যে ব্যবহৃত যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বাক্যের অর্থগ্রাহ্যতা সাহায্য করে, তাদের বিভক্তি বলে। শব্দের শেষে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি ধরা হয়।
বিশদ ব্যাখ্যা:
বাক্যটি হলো: "এমন ছেলে আর দেখিনি।"
এখানে ক্রিয়াটি হলো ‘দেখিনি’।
এখন প্রশ্ন করা যাক: কী বা কাকে দেখিনি? উত্তর আসে: ছেলে (নির্দিষ্ট করে বললে ‘এমন ছেলে’)।
যেহেতু ক্রিয়াকে ‘কাকে’ দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে ‘ছেলে’ শব্দটি পাওয়া যাচ্ছে, তাই এটি কর্ম কারক।
আবার, ‘ছেলে’ শব্দটির সাথে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি চিহ্ন (যেমন- কে, রে, এ, য়) যুক্ত নেই। তাই এটি শূন্য বিভক্তি।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: কর্মে শূন্য।
• উদাহরণ:
- ডাক্তার ডাকো। (কাকে ডাকো? ডাক্তার - কর্মে শূন্য)
- আমাকে একটি কলম দাও। (কী দাও? কলম - কর্মে শূন্য)
- কাপড় ধুতে হবে। (কী ধুতে হবে? কাপড় - কর্মে শূন্য)
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- কর্তায় শূন্য: কর্তা হলো যে কাজটি করে। এখানে ‘ছেলে’ কাজটি করছে না, বরং তাকে দেখা হচ্ছে। তাই এটি কর্তা নয়। (উহ্য কর্তা হলো ‘আমি’)।
- অপাদানে শূন্য: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহিত, জাত, বা বিরত হওয়া বোঝায়, তাকে অপাদান কারক বলে। ‘ছেলে’ থেকে কিছু উৎপন্ন বা বিচ্যুত হচ্ছে না, তাই এটি অপাদান নয়।
- অধিকরণে শূন্য: ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে ‘ছেলে’ কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করছে না।