প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা [মেঘনা]- ২৪.০২.২০১২ (77 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ফিলিপ জোসেফ (পি. জে) হার্টজ । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসেবে খ্যাত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৭৭৮ থেকে ১৭৮৯ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের নানা উত্তাল ঘটনাধারা ফরাসি বিপ্লব নামে পরিচিত।এই বিপ্লবের ফলে ফরাসি দেশে সামন্ত যুগের পুরনো বিধি বিধান পাল্টে আধুনিক যুগের সূচনা ঘটে এবং রাজতন্ত্র , অভিজাততন্ত্র ও পুরোহিততন্ত্রের সম্মিলিত সামাজিক আধিপত্যের অবসান হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭২(১) নম্বর অনুচ্ছেদের অনুসারে সংসদের এক অধিবেশন সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ৬০ দিনের অতিরিক্ত বিরক্তি থাকবেনা। উল্লেখ্য রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান স্থগিত ও ভঙ্গ করেন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মানুষের রক্তের চারটি গ্রুপ আছে। যথা-A,B,O এবং AB.AB রক্ত গ্রুপ সবগ্রুপ হতে রক্ত গ্রহণ করতে পারে বলে একে সর্বজনীন গ্রহীতা বলে।O গ্রুপ সবগ্রুপকে হতে রক্ত দান করতে পারে বলে একে সর্বজনীন দাতা বলে
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভিটামিন-কে এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনোন।
- এটি প্রোথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে।
- এছাড়াও ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমেও ভিটামিন কে ব্যবহার করা হয়।
- ভিটামিন-কে রক্ত তঞ্চন (Blood Clotting) করার প্রয়োজনীয় প্রোটিন ফিব্রিনোজেন তৈরি করে।
- এর অভাবে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়।
- ভিটামিন কে এসেনশিয়াল ফ্যাটসলিউবল ভিটামিন।
- এটি হাড় ও হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।
- ক্ষতস্থান হতে রক্তপড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে।
- সবুজ রঙের শাকসবজি, লেটুসপাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডিমের কুসুম প্রভৃতি ভিটামিন কে এর উৎস।
- ভিটামিন- ডি এর অভাবে রিকেটস ও অস্টিওম্যালাসিয়া রোগ হতে পারে।
- ভিটামিন- এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভার নবীনগরে অবস্থিত । বঙ্গবন্ধু শেখ মূজীবূড় রহমান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ রাইচ রিসার্চ ইন্সটিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর গাজীপুর জেলায় অবস্থিত ।এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
গুরুত্তপুর্ণ  বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের যাত্রাঃ
==========================
১৯৫২- এশিয়াটিক সোসাইটি
১৯৫৫- বাংলা একাডেমি (৩ ডিসেম্বার)।
১৯৫৯- BARD
১৯৬৮-উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী (সত্যেন সেন)
১৯৭০- BRRI
১৯৭২- পেট্রোবাংলা / নায়েম
১৯৭৩- FBCCI
১৯৭৪- আর ডি এ(বগুড়া)
১৯৭৭- NIPORT আজিমপুর
১৯৭৮- ICDDR'B / NAPE
১৯৮০- BIRDEM
১৯৮২- বিশ সাহিত্য কেন্দ্র।
১৯৮৪- পিএটিসি।
১৯৮৫- নজরুল ইন্সটিটিউট।
১৯৮৬- বিকেএস পি।
২০১০- IMLI.
......................./////..............
১৭৮১- কলকাতা মাদ্রাসা।
১৭৯১- সংস্কৃত কলেজ।
১৭৯৯- ব্যাপিস্ট মিশন ও ছাপাখানা।
১৮০০- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ।
১৮১৮- শ্রীরামপুর কলেজ।
১৮৫৭- কলকাতা বিশবিদ্যালয়।
১৯৭৪- শিল্পকলা একাডেমী।
১৯৭৭- শিশু একাডেমী।
........///////////............
বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কার
===============
১৯৬০- বাংলা একাডেমি পুরস্কার
১৯৭৩- বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক (রাষ্ট্রপতি পদক)।
১৯৭৬- একুশে পদক / জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার/ জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার।
১৯৭৭- স্বাধীনতা পুরস্কার।
১৯৯৩- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার।
====================
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কীটতত্ত্ব বা কীতবিজ্ঞান প্রানিবিজ্ঞানের ফলিত শাখা যেখানে কীট বা পোকা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়সমুহ বৈজ্ঞানিক উপায়ে আলোচনা করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বঙ্গোপসাগর ইও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে মালাক্কা প্রনালী,উত্তর সাগর ও বেরিং সাগরকে সংযুক্ত করেছে বেরিং প্রনালী,ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে সুন্দা প্রনালী,টির হেনিয়ান সাগর ও আইওয়ান সাগরেকে সংযুক্ত করেছে মেসিনা প্রনালী।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ার পূর্বে ঢাকা ১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫ ও ১৯৪৭ সালে মোট চারবার বাংলার রাজধানীর মর্যাদা পায়। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী জেলার মতিহারে অবস্থিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ড. ইত রাত হোসেন (আইএইচ) জুবেরি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালইয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমস্যা সমাধান বা কারজ সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে।প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও বেবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে তুলে তাকেই সফটওয়্যার বলে। কম্পিউটার বাগ হল সফটওয়্যারের অন্তর্নিহিত ভুল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। চন্দ্র যখন পৃথিবীর ছায়ার মধ্যে অবস্থান করে তখন চন্দ্রগ্রহণ ঘটে। অর্থাৎ সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করলে চন্দ্র গ্রহন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পূর্ববাংলার যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভার প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক।ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশালের সাতুরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ২৩ মার্চ ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। লাহোর প্রস্তাবের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল মুলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারতবর্ষের পূর্বাঞ্চল ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের গঠন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শের শাহ কনজের যুদ্ধে হুমায়ুঙ্কে পরাজিত করে দিল্লি অধিকার করেন।শের শাহ জাতিতে ছিলেন পাথান মুসল্মান।শের শাহ ভারতবর্ষকে ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থা প্রচলন করেন ।তিনি আফগান বংশের শাসক ছিলেন।তিনি ভারতবর্ষে তামার মুদ্রা চালু করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৯৪৩ সালে হাবশী শাসনের অবসান ঘটিয়ে উজির সৈয়দ হোসেন আলাউদ্দিন শাহ উপাধি ধারন করে বাংলার সিংহাসনে বসেন এবং স্বীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।এভাবে হোসেন শাহী নামে একটি নতুন বংশের শাসন পর্ব শুরু হ্য.১৪৯৩-১৫৩৮ সাল পর্যন্ত এ বংশের চারজন সুলতান -আলাউদ্দীন শাহ,আলাউদ্দীন ফিরুজ শাহ,গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ বাংলাদেশে রাজত্ব করেন।এ আমলে বাংলা গজল ও সুফি সাহিত্য সৃষ্টি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বানলাদেশের প্রথম উপজেলা নির্বাচন হয় ১৯৮৫ সালে। উপজেলা পরিষদের প্রধান উপজেলা চেয়ারমেন।উপজেলা পরিষদ ২৩ নভেম্বর ১৯৯১ সালে বাতিল ঘোষণা করা হয়.১৯৯৮ সালের ৩ ডি সেম্বের সংসদে আইন পাশ করে উপজেলা ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাকিস্তান শাসনামলে ভুমি আইনের উপর যে গুরুত্বপূর্ণ বিধিবধ্য আইন প্রণীত হয়, তন্মধজ ১৯৫০ সালের জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন (Estate Acquisition and Tenancy Act 1950) উল্লেখযোগ্য .১৯৫০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এ আইনটি পূর্ব বাংলার আইনসভা কতৃক গৃহীত হয় এবং ঐ সালের ১৬ মে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেলের সম্মতিক্রমে আইনের মর্যাদা লাভ করে।এ আইনটি ১৫২ টি ধারা রয়েছে,যা পাঁচটি অংশ ও ১৯ টি অধ্যায়ে বিভক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
স্পেনিস অঙ্কনশিল্পী, ভাস্কর এবং ছাপচিত্রকর পাবলো পিকাস।স্পেনের দক্ষিণ উপকূলীয় শহরের মালাগায় ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টবর পাবলো পিকাসো জন্মগ্রহন করেন।তার বিশ্ব বিখ্যাত শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে 'দ্য ব্লুম রুম' ওল্ড গিটারিস্ট ,টু নুডুস ,আভাগার, সিটেড বাথার ইত্যাদি ।তিনি ১৯৭৩ সালে প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১৯৬৬ সালের ২২ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। সংস্থাটির সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মধ্যযুগে ভিন্ন ভিন্ন নামে বিভিন্ন খণ্ডে বিভক্ত ছিল সমগ্র বাংলা।এ সময়ে গৌর জনপদের সীমানা ছিল রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ , নওগাঁ , নাটোর ,মালদহ ,প্সহচিম দিনাজপুর পর্যন্ত । এ জনপদে গড়ে উঠা ধ্বংসাবশেষ আজও সাক্ষী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাসহ আশেপাশের কিছু জেলায় ছড়িয়েছে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত রেখা বা বিভক্ত রেখা হল ডুরাল্ড লাইন। ভারত ও চীনের বিভক্ত রেখা হল ম্যাকমোহন লাইন যা স্যার ম্যাকমোহন কতৃক চিহ্নিত।
বিখ্যাত লাইন সমুহঃ 
ডুরাল্ড লাইন : ১৮৯৬ সালে মোটিমার ডুরাল্ড কর্তৃক চিহ্নিত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সীমা রেখা । পাকিস্তান এ রেখা স্বীকার করে না ।
ম্যাকমোহন লাইন : স্যার ম্যাকমোহন কর্তৃক ভারত ও চীনের সীমা রেখা ।
র‍্যাডফ্লিক লাইন : ১৯৪৭ সালে স্যার র‍্যাডফ্লিক কর্তিক নিরূপিত ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্ত রেখা ।
ম্যাজিনো লাইন : ফ্রান্স কর্তিক নির্মিত ফ্রান্স ও জার্মানির সীমান্ত রেখা
জিগফ্রিড লাইন : জার্মান কর্তিক নির্মিত ফ্রান্স ও জার্মানির সীমান্ত রেখা ।
অডেরসিন লাইন : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মান ও পোল্যান্ড নির্মিত সীমারেখা ।
ম্যানারহেইম লাইন : রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড সীমারেখা ।
২৪ তম অক্ষরেখা : ভারত ও পাকিস্তানের কাছের সীমারেখা | ভারত এ রেখা মানে না |
৩৮ তম অক্ষরেখা : উত্তর ও দক্ষিন কোরিয়ার সীমারেখা |
৪৯ তম অক্ষরেখা : যুক্তরাষ্ট ও কানাডার সীমারেখা |
৭৭ তম অক্ষরেখা : উত্তর ও দক্ষিন ভিয়েতনামের সীমারেখা | ভিয়েতনাম একত্রিত হওয়ায় এ রেখা এখন নেই |
হিন্ডারবার্গ লাইন : জার্মান ও পোল্যান্ড বিভক্তিকরণ রেখা | ১৯১৭ সালের ১ম বিশ্বযুদ্দের সময় জার্মানরা এ রেখা পর্যন্ত পশ্চাদপসরণ করেছিল |
ম্যাকনামারা লাইন : ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট কর্তৃক নির্মিত ইলেকট্রিক বেষ্টনী |
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইরানের উল্লেখযোগ্য সমুদ্রনবন্দর আব্বস ও আবাদান ।অন্যদিকে মিশরের পোর্ট সৈয়দ , সুয়েজ ও আলেকজান্দ্রিয়া , জর্ডানের আকাবা এবং ইরাকের বাসরা ও উম কাসব নিজ নিজ দেশের উল্লেখযোগ্য সমুদ্রনবন্দর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখার উপর পড়ে বলে এ দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়। উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২২ ডিসেম্বর দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বছরের বিভিন্ন সময় সূর্যকে বিভিন্ন অবস্থানে দেখা যায় । এই পরিক্রমায় ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুরুত্ব হয় এবং ২২ ডিসেম্বর সবচেয়ে কম দূরত্ব হয় । উল্লেখ্য ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার লম্বভাবে পড়ায় উহা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু থেকে সমান দুরে অবস্থান করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সৌরজগতের কেন্দ্রিয় বস্তুপিণ্ড সূর্য একটি মাঝারি ধরনের নক্ষত্র। সূর্যের নিজ অক্ষের ওপর একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ২৫ দিন।আবার বৃহৎ বৃত্তাকার পথে প্রায় ২২ কোটি বছরের ব্যবধানে এক বার সূর্য আপন গ্যালাক্সির চতুর্দিকে পরিভ্রমণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার,গ্রহ নক্ষত্রের উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র সেক্সট্যান্ট ,ভুমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ এবং গাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র হচ্ছে ম্যানোমিটার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-১৫৮৯ সালে বিখ্যাত বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর পরীক্ষা দ্বারা প্রমান করেন যে, একই উচ্চতা থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত সব বস্তু হাল্কা বা ভারী একই সময়ে মাটিতে এসে পরে।
-সাধারনত একই উচ্চতা থেকে পড়ন্ত বস্তুটির হাল্কাটি বায়ুর ঊর্ধ্ব চাপ ও ঘর্ষণের বাধাজনিত কারনে ভারি বস্তুটির তুলনায় একটু দেরিতে পরে।
-কিন্তু শূন্য মাধ্যমে বা মুক্তভাবে ভারী বা হাল্কা বস্তু এক সঙ্গে ছেড়ে দিলে উহারা সবকয়টি একসঙ্গে মাটিতে পড়বে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔পানি যখন ফুটতে থাকে তার উষ্ণতার একই থাকে।

✔স্ফুটনাঙ্ক হলো একটি তাপমাত্রা যাতে পৌছালে তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়।তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে থাকলে এক পর্যায়ে তাপমাত্রা স্থীর হয়ে যায়।এরপর আর তাপ প্রয়োগ করলেও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয়না।
 
✔একটি সময় পর অর্থাৎ যতক্ষণে সম্পূর্ণ তরল বাষ্পে পরিণত হয় ততক্ষণ পর আবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।এই স্থির তাপমাত্রাটিই হলো স্ফুটনাঙ্ক।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0